Main Menu

এপোসিনাসি

 
 

ছোটপাতা আকন্দ এশিয়া আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ভেষজ গুল্ম

ভূমিকা: ছোটপাতা আকন্দ এপোসিনাসি পরিবারের ক্যালোট্রপিস গণের একটি গুল্ম জাতীয় সপুষ্পক উদ্ভিদ। এরা বাংলাদেশ ভারতের একটি জনপ্রিয় ভেষজ উদ্ভিদ। এদের পাতার আকার বড় ও মাঝারি আকন্দের চেয়ে ছোট বিধায় এদেরকে ছোটপাতা আকন্দ বলা হয়। বিবরণ: ছোটপাতা আকন্দ বৃহৎ প্যাঁচানো গুল্ম। এদের কাণ্ড ঈষৎ কাষ্ঠল ও গোড়ায় বহু শাখা বিন্যাসিত, কচি শাখা ও পত্রের অঙ্কীয় পৃষ্ঠ সাদা পশমতুল্য ঘন ক্ষুদ্র কোমল রোমাবৃত। পাতা প্রায় অবৃন্তক, ডিম্বাকার-আয়তাকার, শীর্ষ সূচ্যগ্র, নিম্নাংশ সংকীর্ণভাবে হৃৎপিন্ডাকার, পত্রফলক ৯.০-১১.৫ x ৫.৫-৭.০ সেমি, পুরু, মাংসল। সাইম পার্শ্বীয়, আম্বেলেট, রোম দ্বারা আবৃত, অধিকাংশ ক্ষেত্রে পর্বে একল, পুষ্পদন্ড ৫.০-৮.৫ সেমিRead More


মাঝারি আকন্দ ভারত নেপাল বাংলাদেশের ভেষজ উদ্ভিদ

ভূমিকা: মাঝারি আকন্দ বা পাহাড়ি আকন্দ হচ্ছে এপোসিনাসি পরিবারের ক্যালোট্রপিস গণের নাম একটি উদ্ভিদ। পাহাড়ি আকন্দ হচ্ছে এক প্রকারের ঝোপ ও গুল্ম জাতীয় ছোট ধরনের ওষধি গাছ। বিবরণ: মাঝারি আকন্দ খাড়া, বীরুৎ বা ছোট গুল্ম। কাণ্ড গোড়া থেকে বহু শাখা বিন্যাসিত। কচি অংশ পশমতুল্য-ঘন ক্ষুদ্র কোমল রোমাবৃত। পত্র সবৃন্তক, পত্রবৃন্ত ০.৮-১.৫ সেমি লম্বা, তুলাতুল্য-ঘন ক্ষুদ্র কোমল রোমাবৃত, পত্রফলক ডিম্বাকার বিবল্লমাকার, ৯-১৮ X ৫-৯ সেমি, পুরু, মসৃণ, কচি অবস্থায় অঙ্কীয় পৃষ্ঠ তুলাতুল্য-ঘন ক্ষুদ্র কোমল রোমাবৃত, মধ্যশিরা স্থূলাকার, শীর্ষ ঈষৎ তীক্ষ্মাগ্র, নিম্নাংশের দিকে ক্রমান্বয়ে সরু, নিম্নাংশ কীলকাকার, পার্শ্ব শিরা ৬-৭ জোড়া। ফুলRead More


বড় ছাতিমের ১৩টি ঔষধি গুনাগুণ

ভূমিকা: বড় ছাতিম (বোটানিকাল নাম: Alstonia scholaris) এপোসিনাসি পরিবারের এলস্টোনিয়া গণের বৃহৎ ও চিরসবুজ বৃক্ষ। পত্রাচ্ছাদিত বড় ছাতিম গাছগুলি ৪o/৫০ ফুট পর্যন্ত উচু হয়। গাছের পুরু ছালের ভিতরটা সাদা ও দানাযুক্ত কিন্তু উপরটা খসখসে, গাছের সমগ্রাংশে সাদা দুধের মত আঠা (ক্ষীরা) আছে, পাতাগুলির আকার অনেকটা মনসা পাতার মত। এই গাছ জন্মে সমগ্র বাংলা, দক্ষিণ ও উত্তর ভারতে প্রায় সাড়ে তিন হাজার ফুট পর্যন্ত উচুতেও। শরৎকালে ফুল ও শীতকালে সরু বরবটীর শিম্বির মত ফল হয়। এর ফুলের উৎকৃষ্ট গন্ধ থাকলেও সেটি তীব্র। ভেষজ হিসেবে বড় ছাতিম পাওয়া না গেলে ছোট ছাতিমRead More


পাহাড়ি ছাতিম দক্ষিণ এশিয়ার সুদৃশ্য সুগন্ধি ফুলের বৃক্ষ

ভূমিকা: পাহাড়ি ছাতিম হচ্ছে এপোসিনাসি পরিবারের এলস্টোনিয়া গণের  একটি সপুষ্পক বৃক্ষ। এদের ফুল সুগন্ধ ছড়ায়, ফলে বড় আকারের বাগানে সুগন্ধের জন্য রোপণযোগ্য। বিবরণ: পাহাড়ি ছাতিম ছোটট বৃক্ষ। পত্র এক আবর্তে অল্প সংখ্যক, অঙ্কীয় পৃষ্ঠ রোমশ, পত্রফলক ১০-২০ X ১.৫-৩.০ সেমি, সরু। সাইম উপ-ক্ষুদ্রছত্রমঞ্জরী। পুষ্প ক্ষুদ্র। বৃতি খন্ড ত্রিকোণাকার, ডিম্বাকার, সূক্ষ্মাগ্র। দলমণ্ডল নল অনূর্ধ্ব ২.৫ সেমি লম্বা, খন্ডসমূহ আয়তাকার, স্থূলাগ্র। ফলিক্যাল দীর্ঘ, অনূর্ধ্ব ১৮ সেমি লম্বা। ফুল ও ফল ধারণ ও নথিভূক্ত নয়। ক্রোমোসোম সংখ্যা: জানা নেই। চাষাবাদ ও আবাসস্থল: চিরহরিৎ বনাঞ্চল। বংশ বিস্তার হয় বীজ দ্বারা। বিস্তৃতি: ভুটান, ভারতের উষ্ণমণ্ডলীয়Read More


ছোট ছাতিম দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার সুদৃশ্য সুগন্ধি ফুলের বৃক্ষ

ভূমিকা: ছোট ছাতিম হচ্ছে এপোসিনাসি পরিবারের এলস্টোনিয়া গণের  একটি সপুষ্পক বৃক্ষ। বিবরণ: ছোট ছাতিম লম্বা বৃক্ষ। এদের পাতা এক আবর্তে ৩-৪টি, পত্রবৃন্ত অনূর্ধ্ব ২ সেমি লম্বা, পত্রফলক ১৫-৩০ x ৪.৫-৯.৫ সেমি, উপবৃত্তাকার-বল্লমাকার, অর্ধ-চর্মবৎ, উপরের পৃষ্ঠ চকচকে, অঙ্কীয় পৃষ্ঠ বিবর্ণতর, ১৪-২১ জোড়া পার্শ্ব শিরাবিশিষ্ট, ঝিল্লিময়, উপরের পৃষ্ঠ মসৃণ, অঙ্কীয় পৃষ্ঠ ঘন রোমশ, নিম্নাংশ ক্রমান্বয়ে সরু, শীর্ষ আকস্মিকভাবে খর্ব-দীর্ঘাগ্র। পুষ্পবিন্যাস প্রান্তীয়, বহু-পুষ্পবিশিষ্ট সমভূমঞ্জরী সাইম, রোমশ। পুষ্প ক্ষুদ্র, সাদা। বৃতি ঘণ্টাকার, খন্ড ৫টি, ডিম্বাকার, সূক্ষ্মাগ্র, রোমশ, ০.৫ মিমি লম্বা। দলমণ্ডল বেলনাকার, বহির্দেশ মসৃণ, ৫ মিমি লম্বা, মুখ সংকুচিত, খন্ডসমূহ গোলাকার। ফলিক্যাল বহুসংখ্যক, সরু,Read More


এলস্টোনিয়া হচ্ছে এপোসিনাসি পরিবারের সপুষ্পক উদ্ভিদের গণ

ভূমিকা: এলস্টোনিয়া বা ছাতিম হচ্ছে এপোসিনাসি পরিবারের একটি সপুষ্পক উদ্ভিদের গণের নাম। বিবরণ: এলস্টোনিয়া গণের উদ্ভিদেরা বৃক্ষ বা খাড়া গুল্ম, সাধারণত চক্রাবর্তী শাখা বিশিষ্ট। এদের পাতা সরল, সাধারণত চক্রবর্তী, মসৃণ বা রোমশ, বিডিম্বাকার বা বল্লমাকার, পার্শ্ব শিরা বহুসংখ্যক। এদের পুষ্পবিন্যাস যৌগমঞ্জরীবৎ বা সমভূমঞ্জরীবৎ, প্রান্তীয় সাইম। পুষ্প থলিকাকার। বৃতি খর্ব, ৫-খন্ডিত, রোমবিহীন, সাধারণত স্থূলাগ্র। দলমণ্ডল সাদা বা সবুজাভ-সাদা, বেলনাকার নল বিশিষ্ট, ৫-খন্ডিত, শুধুমাত্র মুখের কাছে রোমশ। পুংকেশর দলমণ্ডল নলে সন্নিবেশিত, পরাগধানী বল্লমাকার। চক্র (ফলক) বিভিন্ন আকৃতির, বলয়াকার, কর্তিতাগ্র বা খন্ডিত, বিরলক্ষেত্রে অনুপস্থিত। প্রতি গর্ভপত্রে বহু ডিম্বক, অসংখ্য খাঁজযুক্ত, গর্ভদণ্ড সূত্রাকার, গর্ভমুণ্ডRead More


সারবেরা হচ্ছে উদ্ভিদের এপোসিনাসি পরিবারের একটি গণ

গণের বৈজ্ঞানিক নাম: Cerbera L., Sp. Pl.: 208 (1753). জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae – Plants শ্রেণী: Eudicots উপশ্রেণি: Asterids বর্গ:  Gentianales পরিবার: Apocynaceae গণ: Cerbera L. বিবরণ: সারবেরা হচ্ছে এপোসিনাসি পরিবারের একটি গণের নাম। এরা ক্ষুদ্র, স্থূলাকার শাখাবিশিষ্ট মসৃণ বৃক্ষ। পত্র একান্তর, দীর্ঘ, বিডিম্বাকার-বল্লমাকার, শিরাসমূহ সরু, আনুভূমিক ও সমান্তরাল। এদের পুষ্প শিথিল, এক পার্শ্বীয়ভাবে শাখায়িত, দীর্ঘ-পুষ্পদণ্ডী, প্রান্তীয় পুষ্পবিন্যাসে অবস্থিত। বৃতি অগ্রন্থিল, পশ্চাদমুখী বক্র, বল্লমাকার, নিম্নাংশে সংকীর্ণ, সূক্ষ্মাগ্র, পর্ণমোচী। দলমণ্ডল হলুদ গলদেশ বিশিষ্ট নিখাদ শুভ্র, অভ্যন্তর মসৃণ, নল মূলীয় অংশের দিকে বেলনাকার, মুখে কুপি-আকৃতির, দৈর্ঘ্যে মূলীয় অংশের চেয়ে খাটো বা সমান, দলমণ্ডল খন্ডRead More


নয়নতারা এপোসিনাসি পরিবারের একটি আলংকারিক ফুল

বিবরণ: নয়নতারা (বৈজ্ঞানিক নাম: Catharanthus roseus ইংরেজি নাম: Madagascar periwinkle, rose periwinkle, or rosy periwinkle) এপোসিনাসি পরিবারের ক্যাথারান্থুস গণের একটি বহুবর্ষজীবী বীরুৎ বা উপ-গুল্ম। এদেরকে সাধারণত বাগানের আলংকারিক উদ্ভিদ হিসেবে টবে বা বাগানে রোপণ করা হয়। বর্ণনা: নয়নতারার পত্র মসৃণ, গ্রন্থিবিহীন, পত্রবৃন্ত ০.৮-১.৩ সেমি লম্বা, কাক্ষিক গ্রন্থি বিশিষ্ট, পত্রফলক ৫.০-৬.৫ X ১.৭-৩.০ সেমি, বিডিম্বাকার, বি-বল্লমাকার বা উপবৃত্তাকার-বল্লমাকার, মধ্যবর্তী স্থানের উপরে প্রশস্ততম, নিম্নাংশে কীলকাকার, শীর্ষ গোলাকার। সাইম কাক্ষিক, একল বা জোড়াবদ্ধ। এদের পুষ্প সাদা বা গোলাপি। বৃতি ৫-খন্ডিত, অভ্যন্তরে গ্রন্থিবিহীন, রৈখিক, তুরপুন আকার, রোমশ। দলমণ্ডল থলিকাকার, নল বেলনাকার, গলদেশ সংকুচিত, অভ্যন্তরেRead More


ক্যাথারান্থুস হচ্ছে উদ্ভিদের এপোসিনাসি পরিবারের একটি গণ

গণের বৈজ্ঞানিক নাম: Catharanthus G. Don, Gen. Hist. 4: 71 (1837). জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae – Plants শ্রেণী: Eudicots উপশ্রেণি: Asterids বর্গ:  Gentianales পরিবার: Apocynaceae গণ: Catharanthus বিবরণ: ক্যাথারান্থুস হচ্ছে এপোসিনাসি পরিবারের একটি গণের নাম। এরা খাড়া, বহুবর্ষজীবী বীরুৎ বা উপ-গুল্ম, কখনও কখনও কিছুটা সরস, মসৃণ বা অণুরোমশ কাণ্ড ও পত্রবিশিষ্ট। পত্র প্রতিমুখ, বিডিম্বাকার বা সংকীর্ণভাবে বল্লমাকার, গ্রন্থিবিহীন, অনুপপত্রী, কক্ষে গ্রন্থিবিশিষ্ট সবৃন্তক। পুষ্পবিন্যাস কাক্ষিক সাইম, একল বা জোড়াবদ্ধ। এদের ফুল পুষ্প সাদা বা গোলাপি। বৃতি ৫-খন্ডিত, অভ্যন্তরে গ্রন্থিবিহীন, খন্ডসমূহ তুরপুন আকার, কম বেশী সমান, বিরলক্ষেত্রে প্রান্ত-আচ্ছাদী। দলমণ্ডল থলিকাকার, নল বেলনাকার, গলদেশ তুলনায়Read More


করমচা এশিয়ার অপ্রচলিত টক ফল

বিবরণ: করমচা এপোসিনাসি পরিবারের কেরিসা গণের একটি কন্টকযুক্ত, ঝোপালো গুল্ম বা ছোট বৃক্ষ। এরা দুগ্ধবত তরুক্ষীর বিশিষ্ট, কাঁটা সাধারণত সরল, ১.০-২.৫ সেমি লম্বা। পত্র অর্ধ-বৃন্তক, পত্রফলক ৩.৫-৬.৫ x ২.৫-৩.০ সেমি, বিডিম্বাকার, উপবৃত্তাকার বা আয়তাকার, অধিকাংশ ক্ষেত্রে উপরে প্রশস্ততম, নিম্নাংশে কীলকাকার, শীর্ষ স্থূলাগ্র। এদের পুষ্পদণ্ড ১.৫-২.০ সেমি লম্বা। পুষ্পবৃন্তিকা দৈর্ঘ্যে প্রায় বৃতির সমান বা কিঞ্চিৎ দীর্ঘতর। পুষ্প সাদা, গন্ধবিহীন। বৃতি খন্ড ২-৩ মিমি লম্বা, বহির্দেশ অণুরোমশ। দলমণ্ডল নল অনূর্ধ্ব ১.৮ সেমি লম্বা। ফল প্রায় ২ সেমি লম্বা, পরিপক্ক অবস্থায় লালাভ-রক্তিম। ফুল ও ফল ধারণ ঘটে মার্চ থেকে নভেম্বর মাসে। ক্রোমোসোম সংখ্যা:Read More