You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > Posts tagged "আসাম"

আসামে এনআরসি হচ্ছে জনগণকে দাসত্ব বন্ধনে আবদ্ধ করার কংজেপি-বামফ্রন্টের ষড়যন্ত্র

আসামে এনআরসি

আসামে এনআরসি হচ্ছে ভারতীয় জনগণকে সস্তায় শ্রমশক্তি বিক্রি এবং চিরস্থায়ী দাসত্ব বন্ধনে আবদ্ধ করার কংগ্রেস, বিজেপি এবং বামফ্রন্টের ষড়যন্ত্র। আসামে ১৯ লাখ ৬ হাজার ৬৫৭ জন নাগরিককে অনাগরিক ঘোষণা করা হয়েছে। এই অনাগরিকদের ভেতরে আছে বিভিন্ন আদিবাসী ও ধর্মীয় মানুষ। আসামে প্রচার আছে যে বাংলাদেশ থেকে অনেক মানুষ আসামে গেছে। বাংলাদেশ

আধুনিক আসামের ইতিহাসের আরম্ভ আসামে ব্রিটিশ উপনিবেশবাদের বিস্তার থেকে

আসামের ইতিহাস বাংলার ইতিহাস

আধুনিক আসামের ইতিহাস শুরু হয়েছে আসামে ব্রিটিশ উপনিবেশবাদের বিস্তারের পর থেকে। আসামে উপনিবেশিক যুগের সূচনা হয়েছিল ১৮২৬ সালে ইয়াণ্ডাবুর চুক্তির পরে ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে এবং ১৯৪৭ সালের পরে ব্রিটিশদের পরিবর্তে দিল্লির নয়া-উপনিবেশিক যুগে প্রবেশের মধ্য দিয়ে। ১৯৪৭ সালে পূর্বদেশের একটি অংশের, মূলত কলকাতার পুঁজিপতিরা যোগ দিয়েছে

এনআরসি অথবা গিলোটিনে অসমের বাঙালি

শুরুতেই শিরোনামে ব্যবহৃত ‘অসম’ সম্পর্কে একটি স্পষ্ট কথা বলি। শৈশব থেকে আমাদের প্রদেশ-নাম আর তার উৎপত্তির ইতিহাস যে ভাবে জেনে এসেছি, হঠাৎই এক দিন তা হাওয়ায় উড়িয়ে দিল প্রাদেশিকতা-বাদী বুদ্ধিজীবীরা। পাল্টে গেল প্রদেশ নাম এবং বিনা বাক্যব্যয়ে তাকে বৈধতা দিল বাংলা ভাষায় প্রকাশিত সমস্ত সংবাদপত্র। এ সম্পর্কে যাঁরা ভিন্নমত পোষণ

আসামে বাঙালি বিতাড়নের মুষল পর্ব

যাঁরা ইতিহাস ও ভূগোলের বিষম সম্পর্ক নিয়ে সচরাচর মাথা ঘামান না, তাঁদের জন্য এ তথ্য জানাচ্ছি, ভারতের উত্তর-পূর্বের সবচেয়ে বড় রাজ্য আসামে যাঁরা থাকেন, তাঁরা সবাই অসমিয়া নন। না, তা আদপেই নয়। এখানে অসমিয়াদের সঙ্গে আছে প্রচুর বাঙালি, হিন্দিভাষী, বড় জনগোষ্ঠী, ডিমাসা-কার্বি-মিশিং-আহোম-মৈতৈ-মণিপুরি-বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি-মারা প্রভৃতি ক্ষুদ্র জনসমাজ। এদের সবাইকে সহাবস্থানের পাঠ

অসমে বাঙালির শরশয্যা

প্রতিদিনই পরিস্থিতি পাল্টাচ্ছে দ্রুত। এতদিন বাঙালি–‌সহ সমস্ত ভাষিক সংখ্যালঘু মানুষ রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষা করেছেন কবে আসবে ৩০ জুন!‌ ২০১৭–‌এর ৩১ ডিসেম্বর মধ্যরাতে প্রথম খসড়া নাগরিকপঞ্জি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল, নাগরিকপঞ্জি নবায়ন সুপরিকল্পিত চক্রান্ত ছাড়া আর কিছুই নয়। তারপর যতদিন গেছে, অসমিয়া আধিপত্যবাদের স্বর উগ্র থেকে উগ্রতর হয়েছে গুয়াহাটির বিভিন্ন

অসমে বাঙালি মৃগয়া কি গণহত্যায় পরিণত?

এনআরসি বা জাতীয় নাগরিকপঞ্জি নবায়নের নামে বাঙালি বিদ্বেষী শাসক যেভাবে জাতিবিদ্বেষ ও হিংস্রতায় প্ররােচনা দিয়েছে, তাতে তিনসুকিয়ার গণহত্যা অনিবার্যই ছিল। পাঁচজন বাঙালি দিনমজুর যে অকালে আততায়ীর নৃশংসতায় প্রাণ হারালেন, একে যত বিশেষণ দিয়েই নিন্দা করি না কেন তাতে এই মূল বিষয় ঝাপসা হবে না যে, এঁদের মাতৃভাষাই মৃত্যুর কারণ। এরকম

আসামের জেলাগুলোর তালিকা

বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসেবে দুর্বল। এই দুর্বলতার জন্য মূলত বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ কারণই প্রধান। এরপরই কারণ হিসেবে আসে সাম্রাজ্যবাদ। কিন্তু বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ ভারত ও তার রাজধানী দিল্লির পুঁজিপতি এবং তাদের বিস্তারবাদও একটি বড় কারণ আমাদের দুর্বলতা ও ব্যর্থতার জন্য। এই দিল্লি, তার আধিপত্যবাদী লুটেরা মনোভাব, পার্শ্ববর্তী দেশ ও জাতিসমূহকে শোষণ ইত্যাদি

বহুজাতিক আসামে উগ্র জাতীয়তাবাদীদের আস্ফালন প্রসঙ্গে

আসাম হচ্ছে বিস্তারবাদ বা সম্প্রসারণবাদী ভারতের সর্বশেষ খেলার ময়দান। এখন আসাম রাজ্যে উগ্র জাতীয়তাবাদী অসমীয়া এবং উগ্র জাতীয়তাবাদী ভারতীয়রা মিলেমিশে নিপীড়ন নির্যাতন চালাচ্ছে জনগণের উপর। ভারতীয় জনগণ, গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার শত্রু বিজেপি বা ভারতীয় জনতা পার্টি আসামে ‘ন্যাশনাল রেজিস্টার অব সিটিজেনস’ বা এনআরসি তৈরি করার নামে আসামে গণহত্যার ষড়যন্ত্র করছে।আরো পড়ুন

গোয়ালপাড়িয়া লোকগানের রাজকন্যা প্রতিমা বড়ুয়া পাণ্ডে

প্রতিমা বড়ুয়া পাণ্ডে (অসমীয়া: প্ৰতিমা বৰুৱা পাণ্ডে; ৩ অক্টোবর, ১৯৩৫ – ২৭ ডিসেম্বর ২০০২) ছিলেন জনপ্রিয় গোয়ালপাড়িয়া লোকগীতি গায়িকা। কালজয়ী গোয়ালপাড়িয়া লোকগীতি জনপ্রিয়করণের জন্যে প্রতিমা বরুয়া পাণ্ডে ১৯৯১ ভারতের রাষ্ট্রীয় ‘পদ্মশ্রী’ এবং ১৯৮৮ সালে ভারত ‘সংগীত নাটক একাডেমী’ পুরস্কার দ্বারা ভূষিত হন। জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রতিমা বড়ুয়া পাণ্ডে বিখ্যাত ছিলেন তার অমর আরো পড়ুন

Top