আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > Posts tagged "বুর্জোয়া"

বুর্জোয়া বা বুর্জোয়াজি কাকে বলে

বুর্জোয়া বা বুর্জোয়াজি (ফরাসি: Bourgeosie) কথাটি একটি ফরাসি শব্দ। ব্যুৎপত্তিগত অর্থ নগরবাসী। পূর্বে নগরকে বলা হত ‘বুর’ (bourg)। বুর-এর অধিবাসীরা বুর্জোয়া বলে অভিহিত। পুঁজিবাদী অর্থনীতির উদ্ভব হয় ওইসব নগরগুলিতে। শিল্পোন্নয়নে সেগুলি সমৃদ্ধি লাভ করে। যান্ত্রিক অগ্রগতির ফলে ইউরােপে উৎপাদন বাবস্থায় আমূল পরিবর্তন দেখা দেয়। আরো পড়ুন

চীনা সমাজের শ্রেণি বিশ্লেষণ — মাও সেতুং

কারা আমাদের শত্রু? কারাই বা আমাদের বন্ধু ? এটাই হলো বিপ্লবের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। চীনের অতীতের সমস্ত বিপ্লবের সংগ্রামগুলো কেন এত অল্প সাফল্য অর্জন করেছে, তার মূল কারণ হচ্ছে, প্রকৃত শত্রুদের আক্রমণ করার জন্য প্রকৃত বন্ধুদের ঐক্যবদ্ধ করতে না পারা। বিপ্লবী পার্টি হচ্ছে জনসাধারণের পথপ্রদর্শক; বিপ্লবী পার্টি যখন তাদের ভ্রান্ত পথে চালিত করে, তখন কোনো বিপ্লবই সার্থক হতে পারে না। আরো পড়ুন

পুঁজিপতি বামনদের কালে অমৃতের বিশ্বকে তৈরির ডাক দিয়ে যাই

অনেক, অজস্র, অগণন মানুষ দেখি; সড়কে, অভারব্রিজে, ফুটপাথে, হাটে, বন্দরে, ঘাটে; লঞ্চে-বাসে-ট্রেনে। শুধু মানুষ মানুষ আর মানুষ। অনুন্নত পুঁজিবাদী দেশের বুর্জোয়া আর ক্ষুদে বুর্জোয়া মালিকদের কাছে মানুষ হলো পণ্য উৎপাদনের যন্ত্র আর পণ্য ক্রয়ের প্রাণী। এই বুর্জোয়া আর ক্ষুদে বুর্জোয়ারা কোনো নিয়ম নীতি শৃঙ্খলা মানে না; তারা সমস্ত আইনকেই ৪২০ বা ফোরটুয়েন্টি ধারায় আরো পড়ুন

দ্বৈত ক্ষমতা

প্রত্যেকটি বিপ্লবেরই মূল প্রশ্ন হলো রাষ্ট্রক্ষমতার প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি উপলব্ধ না হলে বিপ্লবে সজ্ঞান অংশগ্রহণ সম্ভবপর হতে পারে না, বিপ্লব পরিচালনার তো কথাই ওঠে না। আমাদের বিপ্লব সৃষ্টি করেছে দ্বৈত ক্ষমতা, এই হলো তার খুবই লক্ষণীয় বৈশিষ্ট্য। এই ঘটনাটিকে সর্বাগ্রে উপলব্ধি করতে হবে: এটা না বুঝলে আমরা এগোতে পারি না। আরো পড়ুন

সংবিধান সভা সম্বন্ধে থিসিস

১. সংবিধান সভা বসাবার দাবিটা ছিলো বৈপ্লবিক সোশ্যাল-ডেমোক্রাসির কর্মসূচির খুবই ন্যায়সংগত একটা অঙ্গ, তার কারণ কোনো বুর্জোয়া প্রজাতন্ত্রে সংবিধান সভা হলো গণতান্ত্রিকতার সর্বোচ্চ আকার, আর কারণ হলো এই যে, কেরেনস্কির নেতৃত্বাধীন সাম্রাজ্যবাদী প্রজাতন্ত্র প্রাক-পার্লামেণ্ট স্থাপন করার সাহায্যে নির্বাচনে জয়াচুরি এবং নানা উপায়ে গণতান্ত্রিকতা লঙ্ঘনের আয়োজন করছিলো। আরো পড়ুন

সদর দফতরে কামান দাগো — মাও সেতুং

আমার প্রথম বড় হরফের পোস্টার চিনের প্রথম মার্কসবাদী-লেনিনবাদি বড় হরফের পোস্টার এবং ‘পিপলস ডেইলি’-তে এর উপর ভাষ্যকারের নিবন্ধ_এগুলো বাস্তবিকই চমৎকারভাবে লিখিত। কমরেডগণ, এগুলো পুনরায় পড়ুন। কিন্তু বিগত পঞ্চাশ দিন বা অনুরূপ সময়ে কেন্দ্র থেকে শুরু করে নিচে স্থানীয় স্তর পর্যন্ত কিছু নেতৃস্থানীয় কমরেড পুরোপুরি উল্টোভাবে কাজ করেছে। বুর্জোয়াদের প্রতিক্রিয়াশীল অবস্থান গ্রহণ

লেনিনবাদী দৃষ্টিতে সংস্কৃতি ও সাংস্কৃতিক বিপ্লব

মানুষেরই শুধু সংস্কৃতি আছে যা অন্য প্রাণীর নেই; আর এই সংস্কৃতিই তার জীবনকে উন্নত করে। মানুষের ইতিহাস অন্য প্রাণী থেকে পৃথক হয়েছে তার সংস্কৃতির কারণে। সংস্কৃতির শক্তিতে মানুষ বেঁচে থাকে, সংস্কৃতির সাহায্যে সে প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে, প্রকৃতিকে কাজে লাগায়, পরিবেশকে উন্নত করে। সংস্কৃতি মানুষের জীবন, পরিবেশ, কর্ম, উদ্দেশ্য ও

মার্কস ও নিউ রাইনিশ গেজেট

আমরা যাকে জার্মান কমিউনিস্ট পার্টি বলতাম, ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের আরম্ভে তা ছিলো শুধু একটি স্বল্পসংখ্যকের কোষকেন্দ্র, ছিল গোপন প্রচারমূলক সমিতি হিসাবে সংগঠিত কমিউনিস্ট লীগ। সেই সময়ে জার্মানিতে সংঘ ও সভা সমিতির কোনো অধিকার ছিলো না বলেই লীগকে গুপ্ত সংগঠন হতে হয়েছিলো। বিদেশের বিভিন্ন শ্রমিক সংস্থা থেকে লীগ তার সদস্য সংগ্রহ করতো। আরো পড়ুন

মার্কসবাদী তত্ত্বের বিকাশে লেনিনের সৃজনশীল অবদান – জে. ভি. স্তালিন

(প্রথম মার্কিন শ্রমিক প্রতিনিধিদলের সাথে সাক্ষাৎকার থেকে উদ্ধৃত অংশ) ৯ সেপ্টেম্বর, ১৯২৭ ১. প্রতিনিধিদল কর্তৃক উত্থাপিত প্রশ্নাবলী ও কমরেড স্তালিনের জবাব প্রথম প্রশ্ন: মার্কসবাদের প্রয়োগের ক্ষেত্রে লেনিন ও কমিউনিস্ট পার্টি নতুন কি কি নীতি সংযোজন করেছেন? এটা বলা কি সঙ্গত হবে যে, লেনিন বিশ্বাস করতেন “সৃজনশীল বিপ্লবে”, আর মার্কস অনুরক্ত ছিলেন অর্থনেতিক

ভূমি থেকে কৃষিজীবী জনগণের উচ্ছেদ

ইংলন্ডে ভূমিদাসপ্রথা কার্য্যত অদৃশ্য হয় ১৪শ শতকের শেষ ভাগে। তখনকার এবং আরো বেশি করে ১৫শ শতকের জনগণের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশই[১] ছিলো মুক্ত কৃষক-মালিক, তা তাদের স্বত্বাধিকার যে সামন্ত পাট্টাতেই ঢাকা থাক না কেন। বড়ো বড়ো সামন্ত মহালগুলিতে সাবেকী যে গোমস্তা ছিলো নিজেই একজন ভূমিদাস, তার জায়গায় এসে দাঁড়ায় মুক্ত খামারী। আরো পড়ুন

Top