Main Menu

পুঁজিপতি

 
 

পুঁজিপতি বামনদের কালে অমৃতের বিশ্বকে তৈরির ডাক দিয়ে যাই

অনেক, অজস্র, অগণন মানুষ দেখি; সড়কে, অভারব্রিজে, ফুটপাথে, হাটে, বন্দরে, ঘাটে; লঞ্চে-বাসে-ট্রেনে। শুধু মানুষ মানুষ আর মানুষ। অনুন্নত পুঁজিবাদী দেশের বুর্জোয়া আর ক্ষুদে বুর্জোয়া মালিকদের কাছে মানুষ হলো পণ্য উৎপাদনের যন্ত্র আর পণ্য ক্রয়ের প্রাণী। এই বুর্জোয়া আর ক্ষুদে বুর্জোয়ারা কোনো নিয়ম নীতি শৃঙ্খলা মানে না; তারা সমস্ত আইনকেই ৪২০ বা ফোরটুয়েন্টি ধারায় ফেলে হাজারো অপরাধে সর্বোচ্চ দু’চার মাস জেলের শাস্তি ভোগ করে বীরের বেশে বেরিয়ে পড়ে। এই অনুন্নত পুঁজিবাদের সবচেয়ে পশ্চাৎপদ নেতাদের কালে আমরা জন্মেছিলাম। এবং তার ফল হিসেবে দেখেছিলাম বামনদের মহামানব হিসেবে উপস্থাপনের নোংরা ব্যাধি। কিন্তু এই কাপুরুষদেরRead More


আশ্চর্য ভবিষ্যতবাণী —ভি আই লেনিন

ঈশ্বরের কৃপায় আজকাল আর কেউ দৈবরহস্যে বিশ্বাসী নয়। বিস্ময়কর দৈববাণী এখন রপকথার গল্প। কিন্তু বৈজ্ঞানিক ভবিষ্যদ্বাণী সত্য বটে। আর আজকাল যখন প্রায়ই লজ্জাকর হতাশা এবং এমন কি নৈরাশ্যও দেখা যায় তখন এমন একটি বৈজ্ঞানিক ভবিষ্যদ্বাণী স্মরণ করা যাক যা সত্য প্রমাণিত হয়েছে। ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস ১৮৮৭ সালে সিগিজমুন্ডে বর্কখেইম লিখিত ‘১৮০৬-১৮০৭ সালের জামার্ন শ্রেষ্ঠ দেশপ্রেমিকদের স্মরণে’ (‘Zur Erinnerung für die deutschen Mordspatrioten 1806-1807″) পুস্তিকার মুখবন্ধে  আসন্ন যুদ্ধ সম্পর্কে লিখেছিলেন। (এটা হল ১৮৮৮ সালে হটিঙ্গেন-জুরিখ থেকে ‘সোশ্যাল-ডেমোক্র্যাটিক লাইব্রেরি’ প্রকাশিত পুন্তিকা নং XXIV.) ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস ত্রিশ বছরের বেশি সময় আগে এভাবেই ভাবী বিশ্বযুদ্ধRead More


বৈরি সমাজ বিকাশের চালিকাশক্তি শ্রেণিসংগ্রামের স্বরূপ

শ্রেণিসংগ্রাম (Class struggle) হচ্ছে শ্রেণি বিভক্ত সমাজে পরস্পরবিরোধী স্বার্থসংশ্লিষ্ট মুখ্য দুটি শ্রেণির মধ্যে প্রকট আকারের দ্বন্দ্ব-সংঘাত বা সংঘর্ষ যা বৈরি উৎপাদন সম্পর্কের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। শ্রেণি বিভক্ত সমাজব্যবস্থা শুরুর পরে দাসপ্রথা থেকে শুরু করে যত সমাজ দেখা দিয়েছে তাদের ইতিহাস হলো শ্রেণিগুলোর মধ্যে সংগ্রাম, শোষিত ও শোষক, নিপীড়িত ও নিপীড়ক শ্রেণিগুলোর মধ্যে সংগ্রামের ইতিহাস। এটি হচ্ছে বিপরীত স্বার্থের বহনকারী সামাজিক শ্রেণিগুলোর মধ্যেকার লড়াই। যেসব সামাজিক শ্রেণির স্বার্থ আপোষহীনরূপে বিপরীত সেইসব শ্রেণির মধ্যে পারস্পরিক সংগ্রামকে বলা হয় শ্রেণিসংগ্রাম। অর্থাৎ সুবিধাভোগী, অত্যাচারী, পরজীবীদের বিরুদ্ধে অধিকারহীন, অত্যাচারিত ও মেহনতিদের ব্যাপক জনগণের সংগ্রামই হচ্ছে শ্রেণিসংগ্রাম।Read More


কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার, প্রলেতারিয়েত ও কমিউনিস্টগণ

— কার্ল মার্কস ও ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস দ্বিতীয় অংশ প্রথম অংশ পড়ুন এই লিংক থেকে পরিবারের উচ্ছেদ! উগ্র চরমপন্থীরা পর্যন্ত কমিউনিস্টদের এই গৰ্হিত প্ৰস্তাবে ক্ষেপে ওঠে। আধুনিক পরিবার অর্থাৎ বুর্জোয়া পরিবারের প্রতিষ্ঠা কোন ভিত্তির উপর? সে ভিত্তি হলো পুঁজি, ব্যক্তিগত লাভ। এই পরিবারের পূর্ণ বিকশিত রূপটি শুধু বুর্জোয়া শ্রেণির মধ্যেই আবদ্ধ। কিন্তু এই অবস্থারই অনুপূরণ দেখা যাবে প্রলেতারীয়দের পক্ষে পরিবারের কার্যত অনুপস্থিতিতে এবং প্রকাশ্য পতিতাবৃত্তির ভিতর। অনুপূরক এই অবস্থার অবসানের সঙ্গে সঙ্গে বুর্জোয়া পরিবারের লোপও অবশ্যম্ভাবী, পুঁজির উচ্ছেদের সঙ্গেই আসবে উভয়ের অন্তর্ধান। আমাদের বিরুদ্ধে কি এই অভিযোগ যে সন্তানের উপর পিতামাতারRead More


আদি সঞ্চয়ের রহস্য — কার্ল মার্কস

আমরা দেখেছি টাকা পরিবর্তিত হয় পুঁজিতে; পুঁজি মারফত উদ্বৃত্ত মূল্য গড়ে ওঠে, এবং উদ্বৃত্ত মূল্য থেকে আসে আরো পুঁজি। কিন্তু পুঁজি সঞ্চয় মানে আগে ধরে নিতে হয় উদ্বৃত্ত মূল্য, উদ্বৃত্ত মূল্যের ক্ষেত্রে আগে পুঁজিবাদী উৎপাদন, পুঁজিবাদী উৎপাদনের ক্ষেত্রে আবার আগে পণ্য উৎপাদন-কর্তাদের হাতে যথেস্ট পরিমাণ পুঁজি ও শ্রমশক্তির অস্তিত্ব ধরে নিতে হয়। সমস্ত গতিধারাটা তাই একটা দুষ্টচক্রে আবর্তিত হচ্ছে বলে মনে হয়, তা থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে পারি কেবল পুঁজিবাদী সঞ্চয়ের আগে একটা ‘আদি’ সঞ্চয়ের (অ্যাডাম স্মিথের “পূর্ব সঞ্চয়”) কথা ধরে নিলে, এমন সঞ্চয় যা পুঁজিবাদী উৎপাদন পদ্ধতির ফল নয়,Read More