আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > Posts tagged "বাণিজ্যিক ফল"

কদবেল গ্রীষ্মকালীন জনপ্রিয় ফল

ভূমিকা: কদবেল বা কৎ বেল বা কয়েথবেল (বৈজ্ঞানিক নাম: Limonia acidissima ইংরেজি: Wood Apple, Elephant Apple, Curd Fruit, Monkey Fruit) হচ্ছে রুটেসি পরিবারের লিমোনিয়া গণের বৃক্ষ। ফল হিসেবে অনেকের কাছে প্রিয়। বিবরণ: কদবেল কন্টকিত বৃক্ষ। এদের পত্র একান্তর, সচূড়পক্ষল, পত্রক ৫-৭টি, সাধারণত প্রতিমুখ, পত্রবৃন্ত পক্ষযুক্ত। পুষ্পবিন্যাস শীর্ষক বা পার্শ্বীয় হালকা প্যানিকল

আনারস উষ্ণ মন্ডলীয় অঞ্চলের রসালো ফল

ভুমিকা: আনারস (বৈজ্ঞানিক নাম: Ananas comosus, ইংরেজি নাম: পাইন এ্যাপল)  হচ্ছে সপুষ্পক বিরুৎ। এটি মূলত বিরুৎ বিশিষ্ট্য। এই গণের প্রজাতিটির ফল রসালো।   বর্ণনা: আনারস বর্ষজীবী বীরুৎ। কান্ড খাটো, অশাখ, পুরু ও মাংসল। পত্র লম্বা, ৫০-৭৫ x ৩-৬ সেমি, সরু, বল্লমাকার, পত্রকন্টকিত, তন্তুময়, সমান্তরাল শিরা বিন্যাস, সূক্ষাগ্র, গুচ্ছাকারে কান্ডে সন্নিবেশিত। পুষ্প বিন্যাস

তেঁতুল টকজাতীয় জনপ্রিয় ফল

ভূমিকা: তেঁতুল  হচ্ছে ফেবাসি পরিবারের টামারিন্ডাস গণের একটি সপুষ্পক উদ্ভিদ। এই প্রজাতিটি ফল গাছ হিসাবে লাগানো হয়ে থাকে। বর্ণনা: তেঁতুল বৃহৎ বৃক্ষ, ২৪ মিটার পর্যন্ত উঁচু, শীর্ষ ছাউনি বিস্তৃত, তরুণ অবস্থায় রোমশ, পরবর্তীতে রোম বিহীন, পত্র অচূড় পক্ষল যৌগিক, সোপপত্রিক, উপপত্র ক্ষুদ্র, আশুপাতী, পত্রক অক্ষ বৃন্তসহ ৫-১২ সেমি লম্বা, পত্রক ১০-২০

আতা বা নোনা আতা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলের ফলদ গাছ

ভূমিকা: আতা বা নোনা আতা  হচ্ছে এনোনাসি পরিবারের সপুষ্পক একটি উদ্ভিদ। এই প্রজাতিটি ফল গাছ হিসাবে লাগানো হয়ে থাকে। বর্ণনা: নোনা আতা ছোট বৃক্ষ আকৃতির গাছ। এদের কাণ্ড মসৃণ, কচি শাখাসমূহ রোমশ, উচ্চতায় ১.২ থেকে ১.৫ সেমি লম্বা। পত্রবৃন্ত সহ পত্র, পত্রফলক দৈর্ঘ্য ১৩.৫-১৭.০ ও প্রস্থ ২.৫-৪.৫ সেমি লম্বা, বল্লমাকার থেকে

চালতা এশিয়ার টক জাতীয় ফল

ভূমিকা: চালতা বা চাইলতা বা চালিতা বা চাইলতে (বৈজ্ঞানিক নাম: Dillenia indica) হচ্ছে ডাইলেনিয়াসি পরিবারের ডাইলেনিয়া গণের একটি সপুষ্পক উদ্ভিদ। এই প্রজাতিটি ফল গাছ হিসাবে লাগানো হয়ে থাকে। এই গাছের ফল থেকে বাংলাদেশ ভারতে আচার ও চাটনি প্রস্তুত করা হয় এবং বাণিজ্যিক ফল হিসেবে বাজারে প্রচুর বিক্রি হয়। বর্ণনা: মধ্যম থেকে বৃহৎ

পেয়ারা সারা দুনিয়ায় চাষকৃত একটি ফল

পরিচিতি: পেয়ারা মিরটাসি পরিবারের সিডিয়াম গণের একটি সপুষ্পক উদ্ভিদ। এরা ছোট বৃক্ষ, সুস্পষ্ট ডোরাকাটা দাগবিশিষ্ট, মোটের উপর মসৃণ, ধূসর এবং তামাটে বাদামী বাকলবিশিষ্ট যাহা পাতলা চটা আকারে অবমুক্ত হয়, তন্তুময় নয়। কচি পল্লব চতুষ্কোণী, সবুজ, রোমশ। কচি অংশ এবং ফলকের নিম্নপৃষ্ঠ শিরা বরাবর চেপটা ধূসরাভ বাদামী অণুরোমাবৃত। পাতা খর্বাকার বৃন্তবিশিষ্ট,

চায়না পেয়ারা সারা দুনিয়ায় চাষকৃত একটি ফল

পরিচিতি: চায়না পেয়ারা মিরটাসি পরিবারের সিডিয়াম গণের একটি সপুষ্পক উদ্ভিদ। এরা বৃহদাকার গুল্ম, বাকল বৈশিষ্ট্যময় ডোরাকাটা দাগযুক্ত, মসৃণ, তামাটে বাদামী যাহা পাতলা চটা আকারে অবমুক্ত হয়। কচি পল্লব চতুষ্কোণী, সবুজ, রোমশ। পাতা বৃন্তক, প্রতিমুখ, কচি পাতা বিপরীত তির্যকপন্ন কিন্তু পরিণত পাতা তির্যক উপরিপন্ন, ২.৫-৬.০ x ০.৯-২.৫ সেমি, দীর্ঘায়ত-ভল্লাকার থেকে উপবৃত্তাকার,

টক পেয়ারা সারা দুনিয়ায় চাষকৃত একটি ফল

পরিচিতি: টক পেয়ারা মিরটাসি পরিবারের সিডিয়াম গণের একটি সপুষ্পক উদ্ভিদ। এরা বৃহদাকার গুল্ম এবং বৈশিষ্ট্যময় ডোরাকাটা দাগযুক্ত, মসৃণ এবং তামাটে বাকলবিশিষ্ট যাহা পাতলা এবং ছোট ছোট টুকরা আকারে উঠে যায়। কচি পল্লব চতুষ্কোণী, রোমশ, সবুজ। পাতা বৃন্তক, বৃন্ত ৫-৮ মিমি লম্বা, গোলাকৃতি, রোমশ, উপরের পৃষ্ঠ খাঁজকাটা, কচি পাতা বিপরীত তির্যকপন্ন

দেশি আমড়া বাংলাদেশ ভারত মায়ানমারের ফলদায়ী বৃক্ষ

ভূমিকা: আমড়া এনাকার্ডিয়াসি পরিবারের স্পনডিয়াস গণের একটি ফলদ বৃক্ষ। এটি বাংলাদেশে জনপ্রিয় ফলদায়ী গাছ। দেশি আমড়ার ফল আচার ও খাবারে যথেষ্ট ব্যবহৃত হয়। আমড়া গাছ ২৫ থেকে ৩০ ফুট পর্যন্ত উচু হতে দেখা যায়। একটি ডাঁটায় সমান্তরালভাবে কয়েক জোড়া পাতা ও ডাঁটার আগায় ১টি পাতা থাকে। অগ্রহায়ণের শেষ থেকেই পাতা

লাল আমড়া এশিয়া ও আমেরিকার ফলদ বৃক্ষ

ভূমিকা: লাল আমড়া এনাকার্ডিয়াসি পরিবারের স্পনডিয়াস গণের একটি ফলদ বৃক্ষ। এটি বাংলাদেশে জনপ্রিয় ফলদায়ী গাছ। লাল আমড়ার ফল আচার ও খাবারে যথেষ্ট ব্যবহৃত হয়। বিবরণ: লাল আমড়া একটি পর্ণমোচী বৃক্ষ যারা অনূর্ধ্ব ২৫ মিটার লম্বা। এদের কাণ্ড মসৃণ। পত্র একান্তর, সাধারণত শাখার প্রান্তদেশে গুচ্ছাকারে অবস্থান করে। পুষ্পমঞ্জরী অক্ষ ৬-১২ সেমি লম্বা,

Top