You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > Posts tagged "পাপিয়া"

সবুজঠোঁট মালকোআ বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের সুলভ আবাসিক পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Phaenocophaeus গণে বাংলাদেশে রয়েছে ২টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে রয়েছে এর ৬টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতি দুটি হচ্ছে ১. মেটে মালকোআ এবং ২. সবুজঠোঁট মালকোআ। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে সবুজঠোঁট মালকোআ। বর্ণনা: সবুজঠোঁট মালকোআ দীর্ঘ লেজ ওয়ালা সবুজ পাখি (দৈর্ঘ্য ৫১ সেমি., ওজন ১১৫ গ্রাম, ডানা ১৭

মেটে মালকোআ বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের বিলুপ্ত পরিযায়ী পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Phaenocophaeus গণে বাংলাদেশে রয়েছে ২টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে রয়েছে এর ৬টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতি দুটি হচ্ছে ১. মেটে মালকোআ এবং ২. সবুজঠোঁট মালকোআ। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে মেটে মালকোআ। বর্ণনা: মেটে মালকোআ দীর্ঘ লেজওয়ালা বাদামি পাখি (দৈর্ঘ্য ৪২ সেমি., ডানা ১৬ সেমি., ঠোঁট ৩.৩ সেমি.,

এশীয় কোকিল বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের সুলভ আবাসিক পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Eudynamys গণে বাংলাদেশে এবং পৃথিবীতে রয়েছে এর ১টি প্রজাতি। বাংলাদেশে এবং পৃথিবীতে প্রাপ্ত ও আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে এশীয় কোকিল। বর্ণনা: এশীয় কোকিল পার্থক্যসূচক লাল চোখের লম্বা লেজ ওয়ালা কালচে পাখি (দৈর্ঘ্য ৪৩ সেমি., ওজন ১৭০ গ্রাম, ডানা ২২ সেমি., ঠোঁট ৩.৩ সেমি., পা ৩.৫ সেমি.,

বর্গ-লেজি ফিঙেপাপিয়া বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের সুলভ পরিযায়ী পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Surniculus গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ১টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে রয়েছে ৪টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত ও আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে বর্গ-লেজি ফিঙেপাপিয়া। বর্ণনা: বর্গ-লেজি ফিঙেপাপিয়া ডোরা অবসারণীওয়ালা কালো পাখি (দৈর্ঘ্য ২৫ সেমি., ডানা ১৪ সেমি., ঠোঁট ২.৫ সেমি., পা ২ সেমি., লেজ ১৪ সেমি.)। ব্রঞ্জ ফিঙে Dicrurus aeneus-র

বেগুনি পাপিয়া বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের বিরল আবাসিক পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Chrysococcyx গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ২টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে রয়েছে ১৩টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতিগুলো হচ্ছে ১. এশীয় শ্যামাপাপিয়া ও ২. বেগুনি পাপিয়া। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে বেগুনি পাপিয়া। বর্ণনা: বেগুনি পাপিয়া ছোট অরণ্য পাখি, ছেলেপাখি বেগুনি ও মেয়েটি ব্রঞ্জ রঙের হয় (দৈর্ঘ্য ১৭ সেমি., ডানা

এশীয় শ্যামাপাপিয়া বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের বিরল পরিযায়ী পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Chrysococcyx গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ২টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে রয়েছে ১৩টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতিগুলো হচ্ছে ১. এশীয় শ্যামাপাপিয়া ও ২. বেগুনি পাপিয়া। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে এশীয় শ্যামাপাপিয়া। বর্ণনা: এশীয় শ্যামাপাপিয়া খুদে পাখি ও ছেলেপাখির চেহারা মেয়ে থেকে ভিন্ন (দৈর্ঘ্য ১৮ সেমি., ডানা ১১ সেমি.,

দাগি তামাপাপিয়া বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের বিরল আবাসিক পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Cacomantis গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ৩টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে রয়েছে ৮টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতিগুলো হচ্ছে ১. করুণ পাপিয়া, ২. মেটেপেট পাপিয়া ও ৩. দাগি তামাপাপিয়া। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে দাগি তামাপাপিয়া। বর্ণনা: দাগি তামাপাপিয়া স্পষ্ট বাদামি ডোরা ও সাদা ভ্রু-ওয়ালা পাখি (দৈর্ঘ্য ২৪ সেমি., ডানা

মেটেপেট পাপিয়া বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের বিরল আবাসিক পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Cacomantis গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ৩টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে রয়েছে ৮টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতিগুলো হচ্ছে ১. করুণ পাপিয়া, ২. মেটেপেট পাপিয়া ও ৩. দাগি তামাপাপিয়া। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে মেটেপেট পাপিয়া। বর্ণনা: মেটেপেট পাপিয়া সাদা অবসারণী ওয়ালা কালচে ধূসর পাখি (দৈর্ঘ্য ২৩ সেমি., ডানা ১২

করুণ পাপিয়া বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের সুলভ আবাসিক পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Cacomantis গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ৩টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে রয়েছে ৮টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতিগুলো হচ্ছে ১. করুণ পাপিয়া, ২. মেটেপেট পাপিয়া ও ৩. দাগি তামাপাপিয়া। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে করুণ পাপিয়া। বর্ণনা: করুণ পাপিয়া ধূসর পিঠের কমলা বুকের পাখি (দৈর্ঘ্য ২৩ সেমি., ডানা ১১ সেমি.,

উদয়ী পাপিয়া বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের অনিয়মিত পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Cuculus গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ৪টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে রয়েছে ১১টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতিগুলো হচ্ছে ১. পাতি পাপিয়া, ২. বউকথাকও পাপিয়া, ৩. ছোট পাপিয়া এবং ৪. উদয়ী পাপিয়া। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে উদয়ী পাপিয়া। বর্ণনা: উদয়ী পাপিয়া বা হিমালয়ী কোকিল হচ্ছে শ্লেট-ধূসর পাখি, তবে কয়েকটি

Top