Main Menu

গণতান্ত্রিক চিন্তাধারা

 
 

রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি প্রসঙ্গে

গণতন্ত্র শুধু একটি শব্দ বা ধারণা বা পুস্তকের বুলি নয়, এই শব্দটি শুধু কল্পনায় বা ভাবনায় থাকার ব্যাপারও নয়, গণতন্ত্রকে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে হয়। বহু মানুষের দৈনন্দিন জীবনে গণতন্ত্রের চর্চা গণতন্ত্রকে বাস্তব ভিত্তি দেয় এবং গণতন্ত্র মানুষের জীবনে পাকাপোক্ত হয়ে ওঠে। মানুষ রাষ্ট্রিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিকভাবে যেসব আদর্শকে চর্চা করে সাফল্য পায় সেই আদর্শই সঠিকরূপে প্রমাণিত হয় এবং এ চর্চা বা অনুশীলন ক্রমাগত চালালে আদর্শটি বিকশিত হয়। গণতন্ত্র একটি বিকাশশীল আদর্শ এবং গণতন্ত্রকে বাঙালির জীবনে বিকশিত করতে হলে গণতন্ত্রের আরও অধিক গণভিত্তি প্রয়োজন। অন্য গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলো ও সেখানকার মানুষেরRead More


অনুপ সাদি সম্পাদিত গ্রন্থ বাঙালির গণতান্ত্রিক চিন্তাধারা

অনুপ সাদি সম্পাদিত বাঙালির গণতান্ত্রিক চিন্তাধারা নামের একটি প্রবন্ধের গ্রন্থ ইত্যাদি গ্রন্থপ্রকাশ, ঢাকা থেকে ২০১০ সালে প্রকাশিত হয়। গ্রন্থটিতে মোট প্রবন্ধ আছে ৩২টি, পৃষ্ঠাসংখ্যা ৪৮৮। অফসেট কাগজে ঝকঝকে ছাপা ও সযত্নে বাঁধাই করা এই পুস্তকের মূল্য ধরা হয়েছে টাকা। গ্রন্থটির প্রচ্ছদশিল্পী সমর মজুমদার। গ্রন্থটি বর্তমানে উল্লেখযোগ্য কমিশনে পাওয়া যাচ্ছে। গণতন্ত্র আকাঙ্ক্ষী পাঠক, তরুণ কর্মী ও গবেষকগণের সংগ্রহে রাখার জন্য বইটি যথার্থ। আপনাদের জানার সুবিধার্থে এখানে গ্রন্থটির সূচিপত্র প্রদান করা হলো। বাঙালির গণতান্ত্রিক চিন্তাধারা গ্রন্থের সূচিপত্র ১. বাঙালির অগণতান্ত্রিকতা — অনুপ সাদি ২. সাম্যবাদ ও ডেমোক্রেসি প্রসঙ্গে — অন্নদাশঙ্কর রায় ৩.Read More


রাজনৈতিক দলে নেতৃত্ব নির্বাচনের সমস্যাবলী প্রসঙ্গে

রাজনৈতিক দলে, রাজনীতির বিভিন্ন সংগঠনে বা অন্য যে কোনো প্রকার সংঘ ও সংগঠনে নেতা নির্বাচন করা সামাজিক কাজ হিসেবে মানুষের জন্য একটি জটিল কাজ। রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের বিভিন্ন পদ নিয়ে দলীয় নেতাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব থাকে। এ দ্বন্দ্বকে নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব বলা হয়। রাজনৈতিক দলের নেতাদের মধ্যে এ ধরনের দ্বন্দ্ব মতামতকেন্দ্রিক, স্বার্থকেন্দ্রিক, আদর্শকেন্দ্রিক বা শ্রেণিকেন্দ্রিক হতে পারে। যেমন, কোনো একটি রাজনৈতিক দলে দুজন ব্যক্তি দলীয় প্রধান হতে চান। ফলে তাদের মধ্যে মতের ভিন্নতা তৈরি হবে; তাদের কর্মপদ্ধতি, কর্মপ্রক্রিয়া ও যোগাযোগের প্রক্রিয়া ভিন্ন হতে পারে, একজন অপরজনের বিরুদ্ধে সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করতেRead More


নেতৃত্বের ভূমিকা ও জনগণের সীমাবদ্ধতা প্রসঙ্গে

প্রগতিতে জনগণের ভূমিকা সম্পর্কিত আলোচনা গণতান্ত্রিক রাজনীতির একটি প্রয়োজনীয় বিষয়। গণতান্ত্রিক রাজনীতি বলতে আমরা এক্ষেত্রে সামন্তবাদ উৎখাত করে গণতান্ত্রিক বা নয়া গণতান্ত্রিক রাজনীতির বিকাশকে বুঝাব। এই গণতান্ত্রিক রাজনীতির বিকাশের ক্ষেত্রে জনগণের কার্যক্রম সম্পর্কে আলোচনাকে বিবেচনা করব। গণতান্ত্রিক জীবনের অনুশীলনে জনগণ সঠিক চিন্তাধারা ধরে যেমন এগোতে পারে তেমনি ভুল পথেও তারা পরিচালিত হতে পারেন। জনগণ কি সবসময় ঠিক থাকেন নাকি জনগণও ভুল করতে পারেন? জনগণের সীমাবদ্ধতা থাকে কি বা থাকলে তা কি পরিমাণে থাকে? জনগণের চিন্তাধারা নির্ভুল হয় কী পরিমাণে—এসব প্রশ্নের উত্তর গণতন্ত্রের বিকাশের স্বার্থে আলোচনা করা প্রয়োজন। জনগণের চিন্তাধারা যেমনRead More


জনগণের গণতান্ত্রিক আচরণের অনুশীলন প্রসঙ্গে

জনগণ গণতন্ত্র চান এবং এই গণতন্ত্রের একটি পশ্চাৎপদ রূপ দাস সমাজেই দেখা গেছিল। পরবর্তীতে আধুনিক সমাজে গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনেন মূলত উঠতি বুর্জোয়ারা এবং তাদের সমর্থক কতিপয় মহান দার্শনিক। বুর্জোয়ারা মূলত সামন্তবাদকে ভেঙে ফেলেন এবং ব্যক্তিগত সম্পত্তি ও মুনাফার মাধ্যমে ভুমিদাসকে নিক্ষেপ করেন শহরে মজুরি শ্রমিক হিসেবে। ফলে পুঁজিবাদী সমাজের গণতন্ত্র থেকে যায় পুঁজিবাদী শোষণ ও লুটের গণতন্ত্র। সাম্রাজ্যবাদ দ্বারা নিপীড়িত দেশসমূহে গণতন্ত্রকে জনগণের মাঝে প্রচার করা দরকার। গণতন্ত্রের ভালো-মন্দ জনগণের মাঝে উপস্থাপন করা দরকার। জোর করে বা হুকুমনামা জারি করে বা আমলাতান্ত্রিক নির্দেশে বা বলপ্রয়োগের মাধ্যমে কাউকে গণতান্ত্রিক করা যায়Read More


মতপ্রকাশের গণতান্ত্রিকতা এবং যাদুকরী প্রচারমাধ্যমের নির্বোধ ইন্দ্রিয়পরায়ণতা

জনগণের ভেতরে গণতান্ত্রিক কেন্দ্রিকতা থাকতে হয় এবং গণতন্ত্রে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাও থাকতে হয়, তবে সম্মিলিত সিদ্ধান্তকে বাস্তবে রুপদানের জন্য যৌথতা ও সম্মিলিত কার্যক্রমও লাগে। জটিল সামাজিক কাজে অতি উদারতাবাদ কাজকে বিঘ্ন করতে পারে। গণতন্ত্রে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে নিষিদ্ধ করা হলে তা ফ্যাসিবাদে রূপ নিতে পারে। কিন্তু মতপ্রকাশ করব কোথায়? মতপ্রকাশ করার একটা প্রধান উপায় হলো মিটিং, মিছিল, আলোচনা, জনসভা। গণতন্ত্রে সংগঠন করার এবং জনগণকে সংগঠিত করার অধিকার থাকতে হয়। সংগঠন করা বলতে যে কারো অনেক মানুষকে একত্রিত করা, দল গঠন করা, প্রতিবাদ করা, মতামত প্রকাশ ও মতামত গঠন করা ইত্যাদি বুঝতে হবে।Read More


আমলাতন্ত্রের ঐতিহাসিক গণতন্ত্রবিরোধিতা ও তার প্রকৃতি

আমলাতন্ত্র শুরু থেকেই গণতন্ত্রের বিরোধী। আমলারা কখনোই গণতন্ত্র চায় না। আমলাতন্ত্র জনগণকে জিম্মি করে, জনগণকে শোষণ ও নির্যাতন করে, জনগণের সম্পদ কুক্ষিগত করে সুবিধাভোগী শ্রেণিতে পরিণত হয়। গরিব দেশগুলোর আমলারা জনগণকে পরাধীন করে রাখে, জনগণের শ্রমফল ভোগ করে, জনগণকে বিপদে ফেলে দুর্নীতি করে, দেশীয় সম্পদ বিদেশে পাচার করে। সাম্রাজ্যবাদ দ্বারা নিপীড়িত পশ্চাৎপদ গরিব দেশগুলোতে গণতন্ত্রের শত্রুদের ভেতরে ক্রিয়াশীল রয়েছে পুঁজিবাদ, মুৎসুদ্দি পুঁজিবাদ, সাম্রাজ্যবাদ, সামন্তবাদ ও অবশ্যই আমলাতন্ত্র। আর পশ্চাৎপদ গরিব দেশই হয় আমলানির্ভর। যে দেশ যত পিছিয়ে পড়া, সেদেশে আমলার সংখ্যা ও ক্ষমতা তত বেশি থাকে। যেখানে মানুষ যত অজ্ঞRead More


রাজনৈতিক দল গঠন প্রসঙ্গে

বাংলাদেশকে স্বাধীন সার্বভৌম শক্তিমান উন্নতিকামি সাম্যবাদ অভিমুখী নয়া গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে হলে রাজনৈতিক দল গঠনে সর্বোচ্চ মনোযোগ দিতে হবে। দল গঠন বলতে বোঝানো হচ্ছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে জনগণের দ্বারা পরিচালিত জনগণের জন্য জনগণের সংগঠন প্রতিষ্ঠা করা। শ্রেণিবিভক্ত সমাজে জনগণ থাকে বিভক্ত এবং তাদের স্বার্থকে বাস্তব রূপ দেবার জন্য প্রয়োজন পড়ে রাজনৈতিক সংগঠনের। জনগণের রাজনৈতিক সংগঠনটিকে অবশ্যই জনগণের পক্ষে রাখা চায় এবং সেজন্য রাজনৈতিক দল সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট ধারনা জনগণের থাকা দরকার। নতুবা জনগণের সংগঠন জনগণের উপরই জগদ্দল পাথর হিসেবে চেপে বসবে। রাজনীতি হচ্ছে শ্রেণিসমূহের মধ্যে সংগ্রাম এবং সেই সংগ্রামকে এগিয়ে নিতেRead More


গণতন্ত্র ও নীতিশাস্ত্রের পারস্পরিক সম্পর্ক

গণতন্ত্রে ন্যায়-অন্যায়, উচিত-অনুচিত, ভালো-মন্দের বোধকে সমসাময়িক কালের সাথে সামঞ্জস্য রেখে নবায়ন করে নিতে হয়। গণতন্ত্রে নীতিশাস্ত্রকে সময় পরিবর্তনের সাথে যুগোপযোগী করে নিতে হয়। বাংলা ভাষায় ন্যায়-অন্যায়, ভালো-মন্দ, উচিত-অনুচিত ইত্যাদি শব্দ থাকলেও এসব কথা সম্পর্কে বিস্তারিত লিখিত আলোচনা নেই। আর নীতিবিদ্যা বা নীতিশাস্ত্র [ইংরেজি:ethics] বলে যে একটি পাঠ্য বিষয় আছে সেই বিষয়টিকে এদেশে তেমন কোনো গুরুত্ব দেয়া হয়নি। এদেশে নীতি-নৈতিকতা, নীতিশাস্ত্র, মূল্যবোধ ইত্যাদি বিষয়ের সাথে ধর্মপালন করাকে গুলিয়ে ফেলা হয়। এদেশের মানুষ নীতি ও মূল্যবোধ বলতে ধর্মগ্রন্থ অনুসারে নিয়মিত ধর্মপালন করাকেই বোঝে। নীতিশাস্ত্র বা নীতিবিদ্যা মানব নৈতিকতার সাথে সম্পর্কিত প্রশ্ন যথা—ভাল-মন্দ,Read More


জনগণের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের কর্মপদ্ধতি প্রসঙ্গে

গণতান্ত্রিক চেতনা জনগণের সংগ্রামী চেতনার সাথে জড়িত। সংগ্রাম বলতে বোঝায় মানুষের জীবন, জীবনবোধ ও তার পরিবেশ উন্নত করার সংগ্রাম। সংগ্রাম বলতে বোঝায় অন্যায়, অত্যাচার, আগ্রাসন, শোষণ, লুটতরাজ, মুনাফা, যন্ত্রণা, দারিদ্র, হতাশা, অন্ধকার, পরাধীনতা ইত্যাদির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও কর্মসূচি নিয়ে একটি ন্যায় ও সমতাভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লড়াই। এ লড়াই মুখের কথায় চলে না, সাদা পাতায় প্রবন্ধ লিখেও চলে না; এ লড়াই চালাতে হলে কর্মপদ্ধতি লাগে, শত্রুকে চিহ্নিত করা ও তাদেরকে উচ্ছেদ করার কাজে অংশগ্রহণ করা লাগে। কাজেই বাংলাদেশে গণতন্ত্রের শত্রু কারা সেটি চিহ্নিত করা জরুরি। বাংলাদেশে জনগণের মৌলিক চাহিদাগুলো এখনওRead More