Main Menu

দ্বন্দ্ববাদ

 
 

দ্বন্দ্ব সম্পর্কে — মাও সেতুং

দর্শন বিষয়ক এই রচনাটি মাও সেতুং কর্তৃক তাঁর “অনুশীলন সম্পর্কে” রচনাটির পরে একই উদ্দেশ্যে অর্থাৎ ঐ যুগে পার্টির অভ্যন্তরে বিদ্যমান মতান্ধতাবাদী চিন্তাধারার মারাত্মক ভুলগুলো শোধরানোর জন্য লিখিত হয়। এটি প্রথমে ইয়েনানে “জাপ-বিরোধী সামরিক ও রাজনৈতিক কলেজে” ভাষণরূপে প্রদত্ত হয়। “মাও সেতুং-এর নির্বাচিত রচনাবলী”-তে অন্তর্ভুক্ত করবার সময়ে লেখক রচনাটি আংশিকভাবে সংশোধন করেন। বস্তুর মধ্যে দ্বন্দ্বের নিয়ম, অর্থাৎ বিপরীতের একত্বের নিয়ম হলো বস্তুবাদী দ্বন্দ্ববাদের সবচেয়ে মৌলিক নিয়ম। লেনিন বলেছেন: “প্রকৃত অর্থে দ্বন্দ্ববাদ হচ্ছে বস্তুর একেবারে মর্মে দ্বন্দ্বের পর্যালোচনা।”[১] লেনিন এই নিয়মকে প্রায়ই দ্বন্দ্ববাদের মর্ম বলতেন; তিনি এটাকে দ্বন্দ্ববাদের শাঁস বলেও অভিহিত করেছেন[২]।Read More


অনুশীলন সম্পর্কে — মাও সেতুং

জ্ঞান ও অনুশীলনের মধ্যে, জানা ও করার মধ্যে সম্পর্ক বিষয়ে জুলাই ১৯৩৭ চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে কিছু সংখ্যক মতান্ধ কমরেড ছিলেন যারা দীর্ঘদিন যাবৎ চীন বিপ্লবের অভিজ্ঞতা বর্জন করে চলছিলেন। এঁরা এই সত্যকে অস্বীকার করতেন যে, ‘মার্কসবাদ একটা অন্ধ মতবাদ নয় বরং কর্মের পথনির্দেশক’ এবং মার্কসীয় রচনাবলী থেকে অপ্রাসঙ্গিকভাবে উদ্ধৃতি দিয়ে মানুষকে ভয় দেখাতেন। আবার কিছু অভিজ্ঞতাবাদী কমরেডও ছিলেন যারা দীর্ঘকাল যাবৎ নিজেদের খন্ড খন্ড অভিজ্ঞতার মধ্যেই নিজেদের আবদ্ধ করে রাখতেন এবং বিপ্লবী অনুশীলনের জন্য তত্ত্বের গুরুত্ব বুঝতেন না, বিপ্লবকে সমগ্রভাবে দেখতেন না, এঁরা অধ্যবসায়ের সঙ্গে হলেও কাজ করতেন অন্ধেরRead More


কমিউনিস্টদের পার্টি বিষয়ক ধারণায় দুই লাইনের সংগ্রাম নাকি মনোলিথিক পার্টি?

বাংলাদেশে বামপন্থীদের ভেতরে রাজনৈতিক দল সংক্রান্ত আলোচনায় নানা প্রবণতা কাজ করে। বামপন্থীদের বৃহৎ অংশটি নিজেদেরকে কমিউনিস্ট বা সাম্যবাদী এবং দলের সদস্য হিসেবে নিজেদেরকে কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য বলে। এছাড়াও সমাজতন্ত্রী এবং সমাজগণতান্ত্রিক বা গণতান্ত্রিক দল হিসেবেও বামপন্থীরা নিজেদেরকে উপস্থাপন করতে চায়। সাধারণত সমাজতন্ত্রী ও সাম্যবাদী দলগুলোর ভেতরে বাংলাদেশে ও বাংলাভাষী অঞ্চলে পার্টির রূপ হিসেবে মনোলিথিক পার্টি এবং দুই লাইনের সংগ্রামী পার্টি সংক্রান্ত আলোচনা চালু আছে। এক্ষেত্রে মনোলিথিক পার্টি বা মনোলিথিক সিস্টেম বিষয়টি নিয়ে একটু দীর্ঘ আলোচনা প্রয়োজন। এখানে কিছু আলোচনা করা সম্ভব হলেও উত্তর কোরিয়ার ওয়ার্কার্স পার্টি নিজেদেরকে মনোলিথিক সিস্টেম দ্বারাRead More


কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার — মার্কস ও এঙ্গেলস

কার্ল মার্কস ও ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার, বুর্জোয়া ও প্রলেতারিয়েত প্রথম অংশ দ্বিতীয় অংশ, তৃতীয় অংশ, চতুর্থ অংশ, ইউরোপ ভূত দেখছে—কমিউনিজমের ভূত। এ ভূত ঝেড়ে ফেলার জন্য এক পবিত্র জোটের মধ্যে এসে ঢুকেছে৷ সাবেকী ইউরোপের সকল শক্তি—পোপ এবং জার, মেত্তেরনিখ ও গিজে, ফরাসি র‍্যাডিকালেরা আর জার্মান পুলিশ গোয়েন্দারা। এমন কোন বিরোধী পার্টি আছে, ক্ষমতায় আসীন প্রতিপক্ষ যাকে কমিউনিস্ট-ভাবাপন্ন বলে নিন্দা করে নি? এমন বিরোধী পার্টিই বা কোথায় যে নিজেও আরও অগ্রসর বিরোধী দলগুলির, তথা প্রতিক্রিয়াশীল বিপক্ষদের বিরুদ্ধে পাল্টা ছুড়ে মারে নি কমিউনিজমের গালি? এই তথ্য থেকে দুটি ব্যাপার বেরিয়েRead More


আমাদের বিপ্লবের কথা — ভি আই লেনিন

(ন. সুখানভের মন্তব্য প্রসঙ্গে) ১ বিপ্লব প্রসঙ্গে সুখানভের মন্তব্যগুলোর ওপর এই কয়দিন চোখ বুলিয়ে দেখছিলাম। সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে দ্বিতীয় আন্তর্জাতিকের সমস্ত নায়কদের মতোই আমাদের সমস্ত পেটি-বুর্জোয়া গণতন্ত্রীদের পুঁথিবীগীশি। তারা যে অসাধারণ ভীরু সেকথা ছেড়ে দিলেও, জামান নিদর্শন থেকে ন্যুনতম বিচ্যুতির কথা উঠলেই তাদের সেরা লোকেরাও যে কুণ্ঠিত হয়ে পড়ে, গোটা বিপ্লব ধরেই যথেস্ট প্রদর্শিত সমস্ত পেটি-বুর্জোয়া গণতন্ত্রীদের এই বৈশিষ্ট্যের কথা না তুললেও, চোখে পড়ে তাদের অতীতের দাসসুলভ অনুকরণ। সবাই এরা নিজেদের বলে মার্কসবাদী। কিন্তু, মার্কসবাদকে তারা বোঝে অসম্ভব মাত্রার এক পুঁথিবাগীশী ধরনে। একেবারেই তারা বোঝে নি মার্কসবাদের চুড়ান্ত জিনিসটাRead More


সমাজ হচ্ছে মানুষের পারস্পরিক ক্রিয়াকলাপের উৎপাদন

মার্কসীয় সমাজতত্ত্ব মার্কসবাদকে কেন্দ্র করে মার্কসীয় সমাজতত্ত্ব বিকশিত হয়েছে। উনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগ হতে এখন পর্যন্ত বহু মার্কসীয় তাত্ত্বিক মার্কসবাদকে একটি স্বতন্ত্র সমাজতাত্ত্বিক ধারা বলে আখ্যায়িত করেছেন। মার্কস তাঁর জার্মান ভাবাদর্শ গ্রন্থে উৎপাদনের পদ্ধতি বা ধরন (ইংরেজি Mode of Production) এবং ইকোনমিক এন্ড ফিলোজফিক ম্যানুস্ক্রিপ্টস গ্রন্থে ‘the creation of man by human labour’ তত্ত্বের মধ্য দিয়ে সমাজ বিকাশের বিকল্প রূপরেখা উপস্থিত করেছেন। পরবর্তীতে সমাজতত্ত্বের প্রায় সকল পথিকৃৎ সমাজতত্ত্বে মার্কসের অবদানকে স্বীকার করেছেন। বস্তুত মার্কসই প্রথম তাত্ত্বিক যিনি সর্বপ্রথম সমাজের ব্যাপক বৈজ্ঞানিক ভিত্তি দান করেন। মার্কসীয় সমাজতত্ত্বের মূল অবদানগুলো হচ্ছে সমাজ বিকাশেরRead More


মার্কসবাদের তাত্ত্বিক ভিত্তি দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ

হেগেলের দ্বন্দ্ববাদ ও ফয়েরবাখের বস্তুবাদ থেকে সংশ্লেষণের মাধ্যমে এসেছে মার্কসীয় দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ। অর্থাৎ হেগেলের দ্বন্দ্ববাদ ও ফয়েরবাখের বস্তুবাদের সমালোচনার মধ্য দিয়ে মার্কসবাদের অন্যতম একটি উপাদানের উদ্ভব হয়েছে। মার্কস হেগেলের ভাববাদ বর্জন করে তাঁর দ্বন্দ্ববাদকে এবং ফয়েরবাখের যান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বর্জন করে তাঁর বস্তুবাদকে গ্রহণ করে যে দর্শন গড়ে তোলেন তাকেই দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ (ইংরেজি: Dialectical Materialism) বলা হয়। দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ হচ্ছে বাস্তবতা বুঝবার পথ, এই বাস্তবতা হতে পারে চিন্তাসমূহ, আবেগসমূহ, বা বস্তুগত দুনিয়া। সহজভাবে বলতে গেলে এই প্রণালীবিদ্যা হচ্ছে দ্বন্দ্ববাদ এবং বস্তুবাদের সংশ্লেষণ। মার্কসবাদের তাত্ত্বিক ভিত্তি হচ্ছে এই বস্তুবাদী দ্বন্দ্বতত্ত্ব আর সাম্যবাদRead More


প্রধান শত্রু নির্ণয়ের সমস্যা ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক রাজনীতি

যেসব বামপন্থি ও তাদের সমর্থক আওয়ামি লিগকে আক্রমণ না করে বা আওয়ামি লিগকে সহযোগিতা করে দেশে সমাজতন্ত্র কায়েম এবং সামন্তবাদ দ্বারা উত্থিত, পুঁজিবাদ-পুষ্ট ও সাম্রাজ্যবাদ দ্বারা পালিত জামাতসহ অন্যান্য গোঁড়া ধর্মপন্থি দলগুলোকে উৎখাতের স্বপ্ন দেখছেন তারা আসলে শ্রেণি-সমন্বয়ের লাইনে আছেন এবং সুবিধাবাদকে উৎসাহিত করছেন। তারা দ্বান্দ্বিক ও ঐতিহাসিক বস্তুবাদ এবং শ্রেণিসংগ্রাম থেকেও দূরে আছেন। তারা বিভিন্ন বস্তুর আলাদা আলাদা দ্বন্দ্বগুলো ও তাদের পারস্পরিক সম্পর্ককে বুঝতে চাচ্ছেন না। দুটো বিষয় বোঝা যে কোনো বাম-সহানুভূতিশীল মানুষের জন্য জরুরি। ১. বাংলাদেশের সমাজে প্রধান শত্রু বুর্জোয়া একনায়কত্ব মানে আওয়ামি-বিএনপি; যদিও তারা সাম্রাজ্যবাদনির্ভর; ২. বিশ্বসমাজেRead More


মার্কসবাদ প্রলেতারিয়েতের শ্রেণিসংগ্রামের হাতিয়ার

কার্ল মার্কসের (৫ মে, ১৮১৮ – ১৪ মার্চ, ১৮৮৩) দৃষ্টিভঙ্গি, চিন্তাধারা, শিক্ষামালা ও বিশ্লেষণ-প্রক্রিয়ার নাম মার্কসবাদ (ইংরেজি: Marxism)। জার্মান চিরায়ত দর্শনের দুই দিকপাল হেগেল (১৭৭০–১৮৩১) ও লুডউইগ ফয়েরবাখ (১৮০৪-১৮৭২) থেকে দর্শন, ইংল্যান্ডের ডেভিড রিকার্ডো (১৭৭২-১৮২৩) ও অন্যান্যদের কাছ থেকে অর্থশাস্ত্র এবং ফ্রান্স থেকে কল্পলৌকিক সমাজতন্ত্র ও ফরাসি বিপ্লবী মতবাদকে সংশ্লেষণ করে মার্কস নির্মাণ করেছিলেন যে দর্শনের তার নাম মার্কসবাদ। বিশ শতকের শুরুতেই গোটা দুনিয়াব্যাপী মার্কসবাদের সারমর্মরূপে পণ্য, উৎপাদনের উপকরণ, উৎপাদনের উপায়, মূল্যের নিয়ম, উৎপাদনের সমাজতান্ত্রিক উপায়, উদ্বৃত্ত উৎপাদন, উদ্বৃত্ত মূল্য, মজুরি শ্রম; শ্রেণি, শ্রেণি সচেতনতা, শ্রেণিসংগ্রাম, শোষণ, মানব প্রকৃতি, ব্যক্তিগতRead More


Dualism and Binary opposition in idealist Philosophy

Before started reading, we need to understand the dialectics. The dialectic is the contradiction of two opposites. In every matter, there are contradiction between two opposite sides. In Marxist philosophy, synthesis emerges from the contradictions of thesis and antithesis. But the idealist thinker like Plato, Rousseau, Saussure, and Levi-Strauss, are anti-dialectical. The stupidity of Saussure, Levi-Strauss and Derrida, the three anti-Marxists make haphazard ideas on dialectics. We will read this essay to understand the uniqueness and perfectness of Marxist dialectical materialism. Sankhya school of thought is strongly dualist. In theRead More