আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > Posts tagged "দ্বন্দ্ববাদ"

বিশ্লেষণ এবং সংশ্লেষণ কাকে বলে?

বিশ্লেষণ এবং সংশ্লেষণ (ইংরেজি: Analysis and Synthesis) উভয় শব্দ মানুষের মানসিক কিংবা দৈহিক একটি বিশেষ ক্রিয়ার কথা বুঝায়। বিশ্লেষণ বলতে একটি সমগ্রকে তার অন্তর্ভুক্ত অংশসমূহে বিভক্তকরণ এবং সংশ্লেষণ বলতে অংশসমূহের সম্মেলনের মাধ্যমে সমগ্র পুনর্গঠনকে বুঝায়। জ্ঞানের ক্ষেত্রে আদিকাল থেকে মানুষ এই পদ্ধতিকে ব্যবহার করে এসেছে। আরো পড়ুন

দ্বন্দ্ব সম্পর্কে — মাও সেতুং

দর্শন বিষয়ক এই রচনাটি মাও সেতুং কর্তৃক তাঁর “অনুশীলন সম্পর্কে” রচনাটির পরে একই উদ্দেশ্যে অর্থাৎ ঐ যুগে পার্টির অভ্যন্তরে বিদ্যমান মতান্ধতাবাদী চিন্তাধারার মারাত্মক ভুলগুলো শোধরানোর জন্য লিখিত হয়। এটি প্রথমে ইয়েনানে “জাপ-বিরোধী সামরিক ও রাজনৈতিক কলেজে” ভাষণরূপে প্রদত্ত হয়। “মাও সেতুং-এর নির্বাচিত রচনাবলী”-তে অন্তর্ভুক্ত করবার সময়ে লেখক রচনাটি আংশিকভাবে সংশোধন

অনুশীলন সম্পর্কে — মাও সেতুং

জ্ঞান ও অনুশীলনের মধ্যে, জানা ও করার মধ্যে সম্পর্ক বিষয়ে জুলাই ১৯৩৭ চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে কিছু সংখ্যক মতান্ধ কমরেড ছিলেন যারা দীর্ঘদিন যাবৎ চীন বিপ্লবের অভিজ্ঞতা বর্জন করে চলছিলেন। এঁরা এই সত্যকে অস্বীকার করতেন যে, ‘মার্কসবাদ একটা অন্ধ মতবাদ নয় বরং কর্মের পথনির্দেশক’ এবং মার্কসীয় রচনাবলী থেকে অপ্রাসঙ্গিকভাবে উদ্ধৃতি দিয়ে মানুষকে

কমিউনিস্টদের পার্টি বিষয়ক ধারণায় দুই লাইনের সংগ্রাম নাকি মনোলিথিক পার্টি?

বাংলাদেশে বামপন্থীদের ভেতরে রাজনৈতিক দল সংক্রান্ত আলোচনায় নানা প্রবণতা কাজ করে। বামপন্থীদের বৃহৎ অংশটি নিজেদেরকে কমিউনিস্ট বা সাম্যবাদী এবং দলের সদস্য হিসেবে নিজেদেরকে কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য বলে। এছাড়াও সমাজতন্ত্রী এবং সমাজগণতান্ত্রিক বা গণতান্ত্রিক দল হিসেবেও বামপন্থীরা নিজেদেরকে উপস্থাপন করতে চায়। সাধারণত সমাজতন্ত্রী ও সাম্যবাদী দলগুলোর ভেতরে বাংলাদেশে ও বাংলাভাষী অঞ্চলে

কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার — মার্কস ও এঙ্গেলস

ইউরোপ ভূত দেখছে—কমিউনিজমের ভূত। এ ভূত ঝেড়ে ফেলার জন্য এক পবিত্র জোটের মধ্যে এসে ঢুকেছে৷ সাবেকী ইউরোপের সকল শক্তি—পোপ এবং জার, মেত্তেরনিখ ও গিজে, ফরাসি র‍্যাডিকালেরা আর জার্মান পুলিশ গোয়েন্দারা। এমন কোন বিরোধী পার্টি আছে, ক্ষমতায় আসীন প্রতিপক্ষ যাকে কমিউনিস্ট-ভাবাপন্ন বলে নিন্দা করে নি? এমন বিরোধী পার্টিই বা কোথায় যে নিজেও আরও অগ্রসর বিরোধী দলগুলির, তথা প্রতিক্রিয়াশীল বিপক্ষদের বিরুদ্ধে পাল্টা ছুড়ে মারে নি কমিউনিজমের গালি? এই তথ্য থেকে দুটি ব্যাপার বেরিয়ে আসে। আরো পড়ুন

আমাদের বিপ্লবের কথা

(ন. সুখানভের মন্তব্য প্রসঙ্গে) ১. বিপ্লব প্রসঙ্গে সুখানভের মন্তব্যগুলোর ওপর এই কয়দিন চোখ বুলিয়ে দেখছিলাম। সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে দ্বিতীয় আন্তর্জাতিকের সমস্ত নায়কদের মতোই আমাদের সমস্ত পেটি-বুর্জোয়া গণতন্ত্রীদের পুঁথিবীগীশি। তারা যে অসাধারণ ভীরু সেকথা ছেড়ে দিলেও, জার্মান নিদর্শন থেকে ন্যুনতম বিচ্যুতির কথা উঠলেই তাদের সেরা লোকেরাও যে কুণ্ঠিত হয়ে পড়ে, গোটা বিপ্লব ধরেই যথেস্ট প্রদর্শিত সমস্ত পেটি-বুর্জোয়া গণতন্ত্রীদের এই বৈশিষ্ট্যের কথা না তুললেও, চোখে পড়ে তাদের অতীতের দাসসুলভ অনুকরণ। আরো পড়ুন

সমাজ হচ্ছে মানুষের পারস্পরিক ক্রিয়াকলাপের উৎপাদন

মার্কসীয় সমাজতত্ত্ব মার্কসবাদকে কেন্দ্র করে মার্কসীয় সমাজতত্ত্ব বিকশিত হয়েছে। উনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগ হতে এখন পর্যন্ত বহু মার্কসীয় তাত্ত্বিক মার্কসবাদকে একটি স্বতন্ত্র সমাজতাত্ত্বিক ধারা বলে আখ্যায়িত করেছেন। মার্কস তাঁর জার্মান ভাবাদর্শ গ্রন্থে উৎপাদনের পদ্ধতি বা ধরন (ইংরেজি Mode of Production) এবং ইকোনমিক এন্ড ফিলোজফিক ম্যানুস্ক্রিপ্টস গ্রন্থে ‘the creation of man by human

মার্কসবাদের তাত্ত্বিক ভিত্তি দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ

হেগেলের দ্বন্দ্ববাদ ও ফয়েরবাখের বস্তুবাদ থেকে সংশ্লেষণের মাধ্যমে এসেছে মার্কসীয় দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ। অর্থাৎ হেগেলের দ্বন্দ্ববাদ ও ফয়েরবাখের বস্তুবাদের সমালোচনার মধ্য দিয়ে মার্কসবাদের অন্যতম একটি উপাদানের উদ্ভব হয়েছে। কার্ল মার্কস হেগেলের ভাববাদ বর্জন করে তাঁর দ্বন্দ্ববাদকে এবং ফয়েরবাখের যান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বর্জন করে তাঁর বস্তুবাদকে গ্রহণ করে যে দর্শন গড়ে তোলেন তাকেই দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ (ইংরেজি: Dialectical Materialism) বলা হয়। আরো পড়ুন

প্রধান শত্রু নির্ণয়ের সমস্যা ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক রাজনীতি

যেসব বামপন্থি ও তাদের সমর্থক আওয়ামি লিগকে আক্রমণ না করে বা আওয়ামি লিগকে সহযোগিতা করে দেশে সমাজতন্ত্র কায়েম এবং সামন্তবাদ দ্বারা উত্থিত, পুঁজিবাদ-পুষ্ট ও সাম্রাজ্যবাদ দ্বারা পালিত জামাতসহ অন্যান্য গোঁড়া ধর্মপন্থি দলগুলোকে উৎখাতের স্বপ্ন দেখছেন তারা আসলে শ্রেণি-সমন্বয়ের লাইনে আছেন এবং সুবিধাবাদকে উৎসাহিত করছেন। তারা দ্বান্দ্বিক ও ঐতিহাসিক বস্তুবাদ এবং

মার্কসবাদ প্রলেতারিয়েতের শ্রেণিসংগ্রামের হাতিয়ার

কার্ল মার্কসের (৫ মে, ১৮১৮ – ১৪ মার্চ, ১৮৮৩) দৃষ্টিভঙ্গি, চিন্তাধারা, শিক্ষামালা ও বিশ্লেষণ-প্রক্রিয়ার নাম মার্কসবাদ (ইংরেজি: Marxism)। জার্মান চিরায়ত দর্শনের দুই দিকপাল হেগেল (১৭৭০–১৮৩১) ও লুডউইগ ফয়েরবাখ (১৮০৪-১৮৭২) থেকে দর্শন, ইংল্যান্ডের ডেভিড রিকার্ডো (১৭৭২-১৮২৩) ও অন্যান্যদের কাছ থেকে অর্থশাস্ত্র এবং ফ্রান্স থেকে কল্পলৌকিক সমাজতন্ত্র ও ফরাসি বিপ্লবী মতবাদকে সংশ্লেষণ করে মার্কস নির্মাণ করেছিলেন যে দর্শনের তার নাম মার্কসবাদ। আরো পড়ুন

Top