Main Menu

কৃষক

 
 

কৃষক প্রতিনিধিদের কংগ্রেস — ভি আই লেনিন

Congress of Peasants’ Deputies[১]   কৃষক সংগঠনগুলির এবং কৃষক প্রতিনিধি সোভিয়েতগুলির প্রতিনিধিদের একটি কংগ্রেসের অধিবেশন ১৩ এপ্রিল থেকে তাউরিদা প্রাসাদে চলছে। এই প্রতিনিধিরা একটি সারা রুশ কৃষক প্রতিনিধি সোভিয়েত আহ্বানের জন্য সিদ্ধান্ত নিতে এবং সারা দেশে একই ধরনের আরও কৃষক প্রতিনিধি সোভিয়েত প্রতিষ্ঠার জন্য মিলিত হয়েছেন। দিয়েলো নারোদা’র ভাষ্য অনুযায়ী ২০টিরও অধিক গুবের্নিয়া থেকে আসা প্রতিনিধিরা কংগ্রেসে অংশগ্রহণ করছেন। নিচ থেকে “উপর” পর্যন্ত “কৃষক সম্প্রদায়কে” দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংগঠিত হবার প্রয়োজনের ব্যাপারে সনির্বন্ধ অনুরোধ জানিয়ে সিদ্ধান্তসমূহ গৃহীত হয়েছে। বিভিন্ন অঞ্চলে সক্রিয় “কৃষক প্রতিনিধি সোভিয়েতগুলিকে” “কৃষক সম্প্রদায়ের সর্বোত্তম ধরনের সংগঠন” বলেRead More


শ্রমিক, সৈনিক এবং কৃষকদের প্রতি — ভি আই লেনিন

শ্রমিক এবং সৈনিক প্রতিনিধিদের সোভিয়েতসমূহের দ্বিতীয় সারা রাশিয়ায় কংগ্রেসের কাজ আরম্ভ হয়েছে (১৩৩)। সোভিয়েতগুলির বিপুল সংখ্যাগুরু অংশের প্রতিনিধিরা রয়েছেন এই কংগ্রেসে। কৃষক সোভিয়েতগুলি থেকেও কিছু প্রতিনিধি উপস্থিত রয়েছেন। আপসপন্থী কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রাধিকার খতম। শ্রমিক, সৈনিক এবং কৃষকদের বিপুল সংখ্যাগুরু অংশের সংকল্পের সমর্থনপুষ্ট, পেত্রগ্রাদে শ্রমিকদের এবং গ্যারিসনের জয়যুক্ত অভ্যুত্থানের সমর্থনপুষ্ট এই কংগ্রেস ক্ষমতা নিল নিজ হাতে। সাময়িক সরকার উচ্ছেদ হয়েছে। সাময়িক সরকারের মন্ত্রীদের বেশির ভাগ গ্রেপ্তার হয়েছে ইতিমধ্যে। সমস্ত জাতির প্রতি অবিলম্ব গণতান্ত্রিক শান্তির প্রস্তাব এবং সমস্ত ফ্রন্টে অবিলম্ব যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব উত্থাপন করবে সোভিয়েত সরকার। ভূস্বামী, ক্রাউন এবং মঠগুলির ভূমিRead More


লেনিনের পুস্তক ‘গণতান্ত্রিক বিপ্লবে সোশ্যাল-ডেমোক্রাসির দুই রণকৌশল’ প্রসঙ্গে আলোচনা

গণতান্ত্রিক বিপ্লবে সোশ্যাল-ডেমোক্রাসির দুই রণকৌশল (১৯০৫) (ইংরেজি: Two Tactics of Social Democracy in the Social Revolution) ভি. আই. লেনিনের লিখিত একটি পুস্তক। তিনি এই পুস্তকটি লেখেন ১৯০৫ সালের জুন-জুলাই মাসে রুশ বলশেভিক পার্টির, তৎকালীন নাম ছিলো রুশ সোশ্যাল-ডেমোক্র্যাটিক শ্রমিক পার্টি, তৃতীয় কংগ্রেস এবং একই সময়ে জেনেভায় আয়োজিত মেনশেভিক সম্মেলনের পরে। বইটি বের হয় জেনেভা থেকে রুশ সোশ্যাল-ডেমোক্রাটিক শ্রমিক পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সংস্করণে; তখন লেনিন সেখানে থাকতেন এবং কাজ করতেন। সেই ১৯০৫ সালেই পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক এবং আলাদাভাবে মস্কো কমিটি কর্তৃক দশ হাজার সংখ্যায় বইখানা আবার পুনর্মুদ্রিত হয়। রাশিয়ায় বহুRead More


সমবায় প্রসঙ্গে — ভি. আই. লেনিন

আমার মনে হয়, আমাদের দেশে সমবায় সম্পর্কে যথেষ্ট মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে না। অক্টোবর বিপ্লবের পর এখন এবং নয়া অর্থনৈতিক কর্মনীতির কথা ছেড়ে দিলেও (এই প্রসঙ্গে বরং বলা উচিত, নয়া অর্থনৈতিক কর্মনীতির জন্যই) আমাদের সমবায় আন্দোলন যে একেবারেই ঐকান্তিক গুরুত্ব অর্জন করছে, তা সকলেই বুঝতে পারছে কিনা সন্দেহ। সেকেলে সমবায়ীদের স্বপ্নে অনেক উৎকল্পনা ছিল। উৎকল্পনার দরুন তাদের প্রায়ই হাস্যকর মনে হত। কিন্তু তাদের উৎকল্পনাটা কোনখানে? এইখানে যে শোষকদের প্রভুত্ব উচ্ছেদ করার জন্য শ্রমিক শ্রেণির রাজনৈতিক সংগ্রামের বনিয়াদী মূলে তাৎপর্যটি তারা বোঝত না। আমাদের এখানে বর্তমানে এটার উচ্ছেদ ঘটেছে এবং এখন সেকেলেRead More


লেনিনবাদী দৃষ্টিতে সংস্কৃতি ও সাংস্কৃতিক বিপ্লব

মানুষেরই শুধু সংস্কৃতি আছে যা অন্য প্রাণীর নেই; আর এই সংস্কৃতিই তার জীবনকে উন্নত করে। মানুষের ইতিহাস অন্য প্রাণী থেকে পৃথক হয়েছে তার সংস্কৃতির কারণে। সংস্কৃতির শক্তিতে মানুষ বেঁচে থাকে, সংস্কৃতির সাহায্যে সে প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে, প্রকৃতিকে কাজে লাগায়, পরিবেশকে উন্নত করে। সংস্কৃতি মানুষের জীবন, পরিবেশ, কর্ম, উদ্দেশ্য ও বেঁচে থাকার প্রক্রিয়াকে উন্নত, সুন্দর, রুচিশীল, সত্যপরায়ণ, ন্যায়বোধসম্পন্ন ও আধুনিক করে। সংস্কৃতির সাহায্যে মানুষ অতীতের অন্যায়কে বর্জন করবার ধারণা পায়, নতুন ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে, নতুন মূল্যবোধ তৈরি করে, কর্মপদ্ধতিতে নৈপুণ্য অর্জন করে, অর্থাৎ মানুষের শিল্প-সাহিত্য, দর্শন, বিজ্ঞান, রাজনীতি, সমাজ ইত্যাদিরRead More


লু স্যুনের গল্পের কয়েকটি চরিত্র

লু স্যুন (২৫ সেপ্টেম্বর ১৮৮১ – ১৯ অক্টোবর ১৯৩৬) ছিলেন  একজন ছোটগল্প লেখক, প্রাবন্ধিক, কবি, অনুবাদক, সামাজিক সমালোচক, একজন শিক্ষক এবং একজন বিপ্লবী। চীনা জনগণের বিপ্লবের সঙ্গে তাঁর সাহিত্য ও মতাদর্শ নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছে। লু স্যুনের সাহিত্য চীনের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং সমাজতান্ত্রিক চিন্তার প্রতিফলন। লু স্যুনের গল্পে ১৯১১ সালের বিপ্লবের আগে থেকে ১৯২৫ সাল পর্যন্ত চীনের যে বাস্তব পরিস্থিতি তাই তিনি তুলে ধরেছেন। ছিং রাজবংশ উৎখাত করে ১৯১২ সালে প্রতিষ্ঠা হয় প্রজাতন্ত্রী চীন। এর কয়েক বছর পড়ে ১৯১৯ সালে ৪ঠা মে শুরু হয় আন্দোলন। লু স্যুন মনে করেছিলেন রাজতন্ত্রের বিলোপRead More


ভুমিতে থাকা স্বপ্ন

আমাদের স্বপ্নেরা খোকাখুকুর গুটিগুটি পায়, আমাদের স্বপ্নেরা রাশি রাশি বালুকা বেলায়, আমাদের স্বপ্নেরা কাক ডাকা ভোরে, আমাদের স্বপ্নেরা অলস দুপুরে, আমাদের স্বপ্নেরা কৃষকের লাঙ্গলের ফলায়। আমাদের স্বপ্নেরা পিচঢালা শহরের রাস্তায়, আমাদের স্বপ্নেরা কারখানা শ্রমিকের চোখে, আমাদের স্বপ্নেরা রোদে পোড়া টোকাইয়ের মুখে, আমাদের স্বপ্নেরা চালকের দু’হাতের পেশিতে, আমাদের স্বপ্নেরা শিল্পীর নিবিড় ছবিতে।   ২০ অক্টোবর, ২০১৬; ময়মনসিংহ চিত্রের ইতিহাস: কবিতায় ব্যবহৃত অংকিত চিত্রটি ভিনসেন্ট ভ্যান গগ (৩০ মার্চ ১৮৫৩ – ২৯ জুলাই ১৮৯০) আঁকা চিত্র চাষরত কৃষক এবং মিল (Field with plowing farmer and mill)। শিল্পী চিত্রটি আঁকেন অক্টোবর ১৮৮৯ সালে।Read More


বিকেলের কূলে

একদিন এই পৃথিবীর বুকে ছিলো আমাদের রক্তিম বিকেল ছিলো লুটিয়ে পড়া প্রেমে লুকোচুরি মনের শব্দ গাঁথামালা ছিলো উথাল ঢেউ ওঠা নগরের বুকে সাঁতারু উষ্ণ শরীর হৃদয়ে ছিলো এক সাথে চলার বিরহরহিত কিছু মিলনের ধ্বনি।   শেষ বিকেলের কূলে দাঁড়িয়ে আজো কানাকানি করে স্মৃতিরা, আজ তুমি হেঁটে হেঁটে চলে যাও কোনো নগরীর সান বাঁধা তীরে, কার বুকে আছড়ে পড়ো কথার মালা নিয়ে প্রভাতে-নিশিতে, আজকের বিরহেরা ঘর বাঁধে শ্বশানডাঙ্গার চরে স্মৃতির কিনারে।   তবু এই সংসারের মাঝে আমাদের প্রেম আছে ঘেঁষাঘেঁষি করে বিচ্ছেদেরা সব জ্বালা ঢেকে আজো ডাকে মিলনের দুয়ারে, নদী তীরেরRead More


ক্ষত

আমি দিনের কড়া রোদে টই টই করে ঘুরেছি দিকে দিকে, গিয়েছি শক্ত মাটির মাঠে যার বুক চিরে লাঙল চলে, উনুনের পাশে দাঁড়িয়ে দেখেছি মাতৃ হৃদয় ফুটন্ত হাড়িতে কাঁদে, পাশেই দেখেছি কীভাবে কোমল হাত বিক্রি হয় ইট ভাঙার কাজে, বস্তি ঘুরে ঘুরে দেখেছি ছিনিয়ে নিতে জীবিকার শেষটুকু, সভ্যতার সভ্য দালানের দেয়ালে লেপটে আঁকা যে ক্ষত, সে ছবি কষ্ট হয়ে কাঁটার মতো কাতরে উঠেছে মহাকালের বুকে, আমি কষ্টেকে গভীর থেকে শুষে নিতে চাই আলতো হাতে, মধুর রাতই খুব সৌখিনভাবে বেদনার পরিসীমা জ্বালিয়ে রাখে মিটিমিটি জোনাকির মতো।   ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ ময়মনসিংহ চিত্রেরRead More


মার্কসবাদী তত্ত্বের বিকাশে লেনিনের সৃজনশীল অবদান – জে. ভি. স্তালিন

(প্রথম মার্কিন শ্রমিক প্রতিনিধিদলের সাথে সাক্ষাৎকার থেকে উদ্ধৃত অংশ) ৯ সেপ্টেম্বর, ১৯২৭ ১. প্রতিনিধিদল কর্তৃক উত্থাপিত প্রশ্নাবলী ও কমরেড স্তালিনের জবাব প্রথম প্রশ্ন: মার্কসবাদের প্রয়োগের ক্ষেত্রে লেনিন ও কমিউনিস্ট পার্টি নতুন কি কি নীতি সংযোজন করেছেন? এটা বলা কি সঙ্গত হবে যে, লেনিন বিশ্বাস করতেন “সৃজনশীল বিপ্লবে”, আর মার্কস অনুরক্ত ছিলেন অর্থনেতিক শক্তিগুলোর বিকাশের পরিণতির জন্য বিলম্ব করার পক্ষে? উত্তর: আমার মতে, মার্কসবাদের ক্ষেত্রে লেনিন কোনো “নতুন নীতি” “সংযোজনও” করেননি, মার্কসবাদের “পুরানো” নীতিমালার কোনোটির বিলোপও ঘটাননি। লেনিন ছিলেন মার্কস ও এঙ্গেলস-এর সবচেয়ে অনুগত ও বিশিষ্ট শিক্ষার্থী, আর সে অবস্থায় তিনিRead More