Main Menu

সামন্তবাদ

 
 

যে বোকা বুড়োটি পাহাড় সরিয়েছিলেন — মাও সেতুং

১২ই জুন, ১৯৪৫ [চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সপ্তম জাতীয় কংগ্রেসে এটি হচ্ছে কমরেড মাও সে তুং-এর সমাপ্তিসূচক ভাষণ] আমাদের কংগ্রেস খুবই সাফল্যমণ্ডিত হয়েছে। আমরা তিনটি কাজ করেছি। প্রথমতঃ, পার্টির লাইন নির্ধারণ করেছি যে লাইন হচ্ছে সাহসের সাথে জনগণকে সমবেত করা এবং জনগণের শক্তিকে সম্প্রসারিত করা যাতে করে আমাদের পার্টির নেতৃত্বে জাপানী আক্রমণকারীদের তারা পরাজিত করবেন, সমগ্র জনগণকে মুক্ত করবেন ও গড়ে তুলবেন একটি নয়া-গণতান্ত্রিক চীন। দ্বিতীয়তঃ, পার্টির নতুন গঠনতন্ত্র আমরা গ্রহণ করেছি। তৃতীয়তঃ, পার্টির নেতৃস্থানীয় সংস্থা কেন্দ্রীয় কমিটি নির্বাচিত করেছি। এখন থেকে আমাদের কর্তব্য হচ্ছে সারা-পার্টির সদস্যবৃন্দকে নেতৃত্ব দিয়ে পার্টি-লাইনকে কার্যকরRead More


সামন্তবাদ মানুষের সামাজিক আর্থিক বিকাশের একটি পর্যায়

সামন্তবাদ (ইংরেজি: Feudalism) মানুষের সামাজিক আর্থিক বিকাশের একটি পর্যায়। মানুষের সামাজিক বিকাশ তার জীবিকার উপায় এবং উৎপাদন সম্পর্কের বিকাশের ভিত্তিতে প্রধানত নির্দিষ্ট হয়। জমির কর্ষণ থেকে জীবন ধারণের প্রধান উপায় শস্য লাভের কৌশল মানুষের আয়ত্তে আসার সঙ্গে সঙ্গে প্রাচীন দাস সমাজের ভাঙনের মধ্য দিয়ে নতুন সামন্ত সমাজের উদ্ভব হয়। সামন্ত সমাজের অর্থনীতির প্রধান ভিত্তি জমি। জমির মালিকানার ভিত্তিতে জমির প্রভু বা সামন্তপ্রভু সৃষ্টি হয়। পৃথিবীর প্রায় সমস্ত দেশেই প্রাচীন দাস সমাজের পরে সামন্ত সমাজের বিকাশ ঘটেছে। উৎপাদনের উপায়ের নতুনতর বিকাশে সামন্ত সমাজের স্থানে আধুনিক কালে পুঁজিবাদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। পুঁজিবাদের পরবর্তীRead More


ভূমি থেকে কৃষিজীবী জনগণের উচ্ছেদ — কার্ল মার্কস

ইংলন্ডে ভূমিদাসপ্রথা কার্য্যত অদৃশ্য হয় ১৪শ শতকের শেষ ভাগে। তখনকার এবং আরো বেশি করে ১৫শ শতকের জনগণের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশই[১] ছিলো মুক্ত কৃষক-মালিক, তা তাদের স্বত্বাধিকার যে সামন্ত পাট্টাতেই ঢাকা থাক না কেন। বড়ো বড়ো সামন্ত মহালগুলিতে সাবেকী যে গোমস্তা ছিলো নিজেই একজন ভূমিদাস, তার জায়গায় এসে দাঁড়ায় মুক্ত খামারী। কৃষিতে যারা মজুরি খাটত তাদের একাংশ ছিলো কৃষক, তারা তাদের অবসরটা কাজে লাগাত বড়ো বড়ো খামারে খেটে; আর একাংশ ছিলো একটা স্বাধীন, বিশেষ শ্রেণীর মজুরি-শ্রমিক, কিন্তু সংখ্যায় তারা তুলনামলকভাবে ও মাথাগুনতিতে ছিলো খুবই কম। এই শেষোক্তরাও আবার কার্যত ছিল চাষীই,Read More


তসলিমা নাসরিন, মুক্তমনা এবং তাদের অনড় প্রতিক্রিয়াশীলতা

জনগণের পশ্চাৎপদ চিন্তার অবস্থান বুঝে এবং তাদেরকে শ্রেণিসংগ্রাম ও বিজ্ঞানের সাথে যুক্ত করেই এগোনো দরকার। নতুবা বুর্জোয়া সংকীর্ণতাবাদের এবং হঠকারী সত্য প্রকাশের খপ্পরে পড়তে হয়। একজন লেখক যদি অষ্টাদশ ও উনিশ শতকীয় বুর্জোয়া সংকীর্ণতাবাদী নাস্তিকতা প্রচারকারি হয়ে পড়েন তাহলে তার কর্মসমূহ জনগণের বিরুদ্ধে চালিত হতে বাধ্য। কেননা, ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়া, আধার ও আধেয় বুঝে কাজ করার নাম বিজ্ঞান। সাথে আরো একটু যুক্ত করা যেতে পারে যে, বিশ্লেষণ-প্রতিবিশ্লেষণ-সংশ্লেষণ এবং তার বিকশিত রূপে দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ বুঝে কাজ করার নাম মার্কসবাদ। সত্য জ্ঞান হলো সেই জ্ঞান যা বাস্তবের সংগে মেলে। বাস্তবতাবর্জিত কর্মকাণ্ড জনগণেরRead More


কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার, সামন্ত সমাজতন্ত্র

— কার্ল মার্কস ও ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস ৩ সমাজতন্ত্রী ও কমিউনিস্ট সাহিত্য ১ । প্ৰতিক্রিয়াশীল সমাজতন্ত্র ক। সামন্ত সমাজতন্ত্র স্বীয় ঐতিহাসিক পরিস্থিতির কারণে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের অভিজাতদের কাছে আধুনিক বুর্জোয়া সমাজের বিরুদ্ধে পুস্তিকা লেখা একটা কাজ হয়ে দাঁড়ায়। ১৮৩০ খ্ৰীস্টাব্দের জুলাই মাসের ফরাসী বিপ্লবে এবং ইংল্যান্ডে সংস্কার আন্দোলনে ঘৃণ্য ভুঁইফোঁড়দের হাতে এদের আবার পরাভব হল । এরপর এদের পক্ষে একটা গুরুতর রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালানোর কথাই ওঠে না। সম্ভব রইলো একমাত্র মসীযুদ্ধ। কিন্তু সাহিত্যের ক্ষেত্রেও রেস্টোরেশন (restoration)[১] যুগের পুরানো ধ্বনিগুলি তখন অচল হয়ে পড়েছে। লোকের সহানুভূতি উদ্রেকের জন্য অভিজাতেরা বাধ্য হলো বাহ্যতRead More


কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার — মার্কস ও এঙ্গেলস

কার্ল মার্কস ও ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার, বুর্জোয়া ও প্রলেতারিয়েত প্রথম অংশ দ্বিতীয় অংশ, তৃতীয় অংশ, চতুর্থ অংশ, ইউরোপ ভূত দেখছে—কমিউনিজমের ভূত। এ ভূত ঝেড়ে ফেলার জন্য এক পবিত্র জোটের মধ্যে এসে ঢুকেছে৷ সাবেকী ইউরোপের সকল শক্তি—পোপ এবং জার, মেত্তেরনিখ ও গিজে, ফরাসি র‍্যাডিকালেরা আর জার্মান পুলিশ গোয়েন্দারা। এমন কোন বিরোধী পার্টি আছে, ক্ষমতায় আসীন প্রতিপক্ষ যাকে কমিউনিস্ট-ভাবাপন্ন বলে নিন্দা করে নি? এমন বিরোধী পার্টিই বা কোথায় যে নিজেও আরও অগ্রসর বিরোধী দলগুলির, তথা প্রতিক্রিয়াশীল বিপক্ষদের বিরুদ্ধে পাল্টা ছুড়ে মারে নি কমিউনিজমের গালি? এই তথ্য থেকে দুটি ব্যাপার বেরিয়েRead More


সমাজতন্ত্র ও ধর্ম — ভি আই লেলিন

বর্তমান সমাজের ভিত্তি বিপুলসংখ্যক শ্রমিক শ্রেণির শোষণের উপর স্থাপিত। জনসমষ্টির অতিক্ষুদ্র এক অংশ—জমিদার ও পুঁজিপতি শ্রেণির দ্বারা তারা শোষিত। এ সমাজ দাসসমাজ। কারণ ‘মুক্ত’ শ্রমিকেরা সারা জীবন পুঁজির জন্য কাজ করে জীবিকানির্বাহের যেটুকু উপকরণের ‘অধিকার লাভ করে’ তা শুধু দাসপালনের পক্ষে একান্ত অপরিহার্য এবং এরাই পুঁজিবাদী দাসত্বের নিরাপত্তা ও চিরন্তনতার জন্য মুনাফা উৎপাদন করছে। শ্রমিকদের অর্থনৈতিক পীড়নের জন্য অনিবার্য পরিণতি অজস্র প্রকার রাজনৈতিক পীড়ন ও সামাজিক অবমাননা, জনগণের আধ্যাত্মিক ও নৈতিক জীবনের কার্কশ্য ও অন্ধকার। অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য সংগ্রামার্থে শ্রমিকদের পক্ষে অল্পবিস্তর রাজনৈতিক স্বাধীনতা লাভ সম্ভব, কিন্তু পুঁজিকে ক্ষমতাচ্যুত নাRead More