You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > Posts tagged "সাহিত্যের রূপ"

সাহিত্য কাকে বলে?

ব্যাপক অর্থে সাহিত্য হচ্ছে যে কোনো লিখিত অথবা মুদ্রিত বিষয়। বিশেষ অর্থে সাহিত্য হচ্ছে মানুষের চিন্তাভাবনা ও অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ। সাহিত্যকে মানব অভিজ্ঞতার নন্দনতাত্ত্বিক বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হয়। এই অর্থে উপন্যাস, ছোটোগল্প, মহাকাব্য, কবিতা এবং নাটক সাহিত্যের পর্যায়ে পড়ে।[১] আরো পড়ুন

মহাকাব্য প্রসঙ্গে

প্রাচীন ভারতের সুবিখ্যাত দুটি মহাকাব্য-রামায়ণ এবং মহাভারত। শ্লোক হিসেবে এ কাহিনী লিখিত হয়েছিল। এ দুটি মহাকাব্যের শ্লোকসংখ্যা দুই লক্ষের উপর ছিল। যেমন গ্রীসের হোমারের ইলিয়াড, তেমনি রামায়ন, মহাভারত উভয় কাহিনী প্রেম বিষয়ক। রামায়ণের প্রধান চরিত্র ছিল রাজা রাম এবং তার স্ত্রী সীতা। ভারতের দক্ষিণে শ্রীলঙ্কা নামে যে দ্বীপ ছিল সে দ্বীপের রাজা নাকি সীতার রূপে মুগ্ধ

সংলাপ কাকে বলে?

সাহিত্যিক রচনায় দুটি চরিত্রের মধ্যকর কথোপকথনকে সংলাপ (ইংরেজি: Dialogue) বলে। সাধারণ কথোপকথন থেকে সংলাপের বৈশিষ্ট্য এই যে, সংলাপ পূর্বপরিকল্পিত এবং এর মাধ্যমে রচনাকারী কোনো একটা প্রতিপাদ্যকে ধারাবাহিকভাবে প্রমাণের স্তরে নিয়ে যান। কোনো সমস্যা বা প্রশ্নের উভয় দিক উপস্থাপনের জন্য সাহিত্যিকগণ সংলাপকে সব যুগেই একটি উত্তম কৌশল বলে বিবেচনা করেছেন। লেখক প্রশ্নের

শুদ্ধতার কবিতা উত্তরায়ণের কবিতা

‘যারা ভারি পণ্ডিত তারা সুন্দরকে প্রদীপ ধরে দেখতে দেখতে চলে আর যারা কবি ও রূপদক্ষ তারা সুন্দরের নিজেরই প্রভায় সুন্দরকে দেখে নেয়, অন্ধকারের মধ্যেও অভিসার করে তাদের মন।’ শিল্পাচার্য অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘সুন্দর’ নিবন্ধে এই যে স্মরণীয় বাচন উপহার দিয়েছেন, এ-কথা মনে পড়ল কি এজন্যে যে, গহনভাবনার ডুবুরি কবি সুন্দরের আবাহনে জগৎ-সংসারের

বিমোক্ষণ কাকে বলে?

পুঞ্জিভূত আবেগ বা শক্তির মাধ্যমে শক্তির আধারে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া বা উপায়কে ক্যাথারসিস (ইংরেজি: Catharsis) বা বিমোক্ষণ বলা হয়। ইংরেজি ক্যাথারসিস শব্দের মূল গ্রিক শব্দের অর্থে বিশুদ্ধকরণের ভাব যুক্ত ছিল।[১] গ্রিক গণ তাদের সৌন্দর্যতত্ত্বে এবং সাহিত্যে এই অর্থে শব্দটির ব্যাখ্যা করেছেন। বিমোক্ষণের মাধ্যমে ভারাক্রান্ত মন হালকা হয়,

লোকসাহিত্য প্রসঙ্গে — চন্দ্রমল্লী সেনগুপ্ত

এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মে, এক গোষ্ঠী থেকে আরেক গোষ্ঠীতে যে অভিজ্ঞতা এবং প্রজ্ঞা হস্তান্তরিত হতে থাকে, তার মাধ্যমে মানুষ নানান কিছু সৃষ্টি করে একই সঙ্গে ব্যবহারিক এবং নান্দনিকভাবে। এই ব্যবহারিক এবং নান্দনিক দুটি দিককে প্রথা, রীতি, আচার, সংস্কার ইত্যাদির মাধ্যমে সংহত করে তৈরি হয় সংস্কৃতি। আরো পড়ুন

কমেডি প্রসঙ্গে– তমাল বন্দ্যোপাধ্যায়

‘কমেডি’ জীবনের অপেক্ষাকৃত লঘুতর, স্বল্পভার, হাস্যোদ্দীপক ও আনন্দময় পরিবেশন। যদিও অ্যারিস্টটল তার দি পোয়েটিকস-এ কমেডি নিয়ে খুব কম কথাই খরচ করেছেন, তবুও সেখানে তিনি বলেছেন কমেডির মূলে রয়েছে ‘some defect or ugliness that is not painful or destructive'। প্লেটো ও হবসের চিন্তায় কমিক নাট্যকার নিজের অপেক্ষাকৃত উচ্চতর অবস্থান ও কমিক

ছোটগল্প প্রসঙ্গে — রামকুমার মুখোপাধ্যায়

বিগত এক-দেড়শ বছরে ‘ছোটগল্প’ শিল্পরূপটি এত বিচিত্রভাবে নানা ভাষায় ব্যবহৃত হয়েছে যে একটি সর্বজনীন সংজ্ঞায় এটিকে ধরা অসম্ভব। কিন্তু ‘ছোট’ এবং ‘গল্প’ শব্দ-দুটির নির্দিষ্ট অর্থময়তার কারণে ছোটগল্পের মধ্যে আকারে ছোট একটি গল্প দাবী রেখেছেন কেউ কেউ। কিন্তু ছোট শব্দটি এত আপেক্ষিক এবং বহু ধ্রুপদী গল্প এতই গল্পহীন যে এই মত

ছড়া­­­ প্রসঙ্গে — পল্লব সেনগুপ্ত

ছড়াকে মানুষের আদিমতম সাহিত্য-প্রয়াসগুলির অন্যতম বলে মনে করা হয়। প্রায়ই স্মরণাতীত কাল থেকে এ অবধি সুরে-ছন্দে-লয়ে-তালে যখনি মানুষ কিছু ব্যক্ত করতে চেয়েছে, তখনি ছড়া জাতীয় সৃষ্টির একটা মৃদু উদ্ভাস ঘটেছে বলতে পারি। দেবতাদের উদ্দেশে স্তব, স্তুতি ইত্যাদি যা হতো ছন্দ-সুরের মাধ্যমে যেসব নিবেদন করতেন প্রাগৈতিহাসিক প্রপিতামহরা — তার থেকেই ছড়ারও

Top