You are here
Home > Posts tagged "মুক্তি"

আমরা যে অবস্থা দেখছি তা দীর্ঘকাল থাকবে না, স্বাভাবিক বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি হবে — আবুল কাসেম ফজলুল হক

প্রথম ও দ্বিতীয় পর্বের পর ৩. অনুপ সাদি: এখানে গরীবরা শাসন ক্ষমতায় গেলেই যে ধনী হয়ে যাচ্ছে তা কিন্তু নয়? আবুল কাসেম ফজলুল হক: না, বাস্তবে দেখা যায় গরীবরা শাসন ক্ষমতায় গেলে ধনী হয়ে যায়। ব্যতিক্রম যে নেই তা নয়। ব্যতিক্রম দুর্লভ। রাশিয়া, চীন_ এসব দেশ তো একটা পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করেছে। তাদের

সংগ্রামের পথ ছাড়া মুক্তির আর কোনো পথ নেই — আবুল কাসেম ফজলুল হক

প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্বের পর ৪. অনুপ সাদি: বাঙলা ভাগ হয়ে যে সমস্যাটা হলো, অনেক লোকের মাইগ্রেশন ঘটলো, লাখ লাখ লোক শরণার্থী হলো, দুর্বিষহ জীবনযাত্রা .............। আবুল কাসেম ফজলুল হক: বহু লোকের প্রাণ গেছে, বহু লোক পথের ভিখারি হয়েছে, সে এক মর্মান্তিক ইতিহাস। আবার কিছু লোক নানা সুযোগ সুবিধা নিয়ে ধনী

জানুয়ারি ২

বুকের মাঝখানে রক্তের অবিরাম গতিতে ঘোরে যে বিশ্ব, তাঁর এক কোণে কাজ করছেন এক লড়াকু তরুণ। হাতে হাতে ঘুরে ঘুরে মায়েদের ঘরে ঘরে উড়ছে যে মুক্তি নিশান, এক হাত হতে অন্য হাতে, এক কোল হতে অন্য কোলে, যে শিশুরা লাফালাফি করছে মুগ্ধতায়, তারাই আজ সবাই পূবের আকাশ মুক্তির দশকের উদ্বেলিত আগুন দেখে যে ভীরু কিশোরটিও সাহসী হয়েছে, তার

ভি. আই. লেনিনের গ্রন্থ ‘কী করতে হবে’ বিষয়ক আলোচনা

কী করতে হবে? আমাদের আন্দোলনের জরুরি প্রশ্নগুলি, (ইংরেজিতে: What Is to Be Done? Burning Questions of Our Movement) হচ্ছে ভ্লাদিমির লেনিনের লেখা বই যা ১৯০১ সালের শরৎকাল থেকে ১৯০২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে লিখিত এবং ১৯০২ সালে প্রকাশিত। এটি একটি রাজনৈতিক প্রচারপুস্তিকা যার শিরোনাম নেয়া হয় উনিশ শতকের রুশ বিপ্লবী

Kiss and freedom

What do you see? —The brightness of light? —What are you touching? —His face; incoherent efflulgent chin, Green smooth forest, flavored violet Crape-myrtle, Flower of water hyacinth bathed in dew; Both of our time, overwhelmed, Kissing, warm hygro soft shy and shameless beauty of uncommon civilization Our diverse freedom; This happiness, We get in love, in war and in post-war pain, The

যুব লীগের কর্তব্য — ভি. আই. লেনিন

আপনি পড়ছেন শেষ অংশ, ব্যাপারটা আপনাদের কাছে আরও পরিষ্কার করার জন্য আমি একটা দৃষ্টান্ত দিচ্ছি। আমরা নিজেদের কমিউনিস্ট বলি। কমিউনিস্ট মানে কী ? কমিউনিস্ট একটা ল্যাটিন শব্দ। কমিউনিস মানে সর্বজনীন। কমিউনিস্ট সমাজ হলো সর্বজনীন ভূমি, সর্বজনীন কলকারখানা, সর্বজনীন শ্রম, — এই হলো কমিউনিজম। প্রত্যেকেই যদি নিজের নিজের জমির ওপর আলাদা আলাদা ভাবে

যুগল প্রতিজ্ঞা

তীরের শীতল হাওয়ারা ভিড় জমিয়েছিলো সে রাতে— ছোট ঘরটির ভাঁজে ভাঁজে আনন্দের ঢেউ লুটিয়ে পড়ছিলো, আমাদের আলোর প্লাবনে ভাসিয়েছিলো একটি মোমবাতি, ওটি ছিলো অন্ধকার গহ্বর পেরিয়ে আসা এক লড়াকু মশাল।   জগতের নিষ্ঠুর নিয়মে যে প্রাণ পালকের মতো ঝরে পড়ে— আমরা ছিলাম তারই ভেতর থেকে উঠে আসা একজোড়া প্রাণ; তখন আমাদের চার চোখ ছিলো রাঙা স্বপ্নে আঁকা, নিরব

সমাজতান্ত্রিক সমাজ গড়তে সমাজতান্ত্রিক শিক্ষার গুরুত্ব

বিশ শতকের প্রথমার্ধে জনগণকে সুশিক্ষিত করার কথা বলা হতো; পাকিস্তানকালিন সময়েও জনগণকে সুশিক্ষা দেয়ার কথা বলা হয়েছে; কিন্তু বাংলাদেশ হবার পরে সুশিক্ষা বা শিক্ষার পরিবর্তে স্বাক্ষরতা শব্দটি চালু করা হয়। একবিংশ শতাব্দীর শূন্য দশকের বাংলাদেশে শিক্ষা সংক্রান্ত আলাপ-আলোচনা, লেখালেখি, চিন্তার প্রকাশ নেই বললেই চলে। এই সময়ে দেশবাসির মনে শিক্ষার গুরুত্ব

মার্কসবাদী বিশ্বদৃষ্টিতে ধর্মের স্বরূপ বিশ্লেষণ

কার্ল মার্কস ও ফ্রিডরিখ এঙ্গেলসের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত প্রলেতারিয় বিশ্বদৃষ্টিভঙ্গির ভিত্তি হচ্ছে প্রকৃতি এবং সমাজ বিকাশের নিয়মাবলীর আবিষ্কার ও অনুশীলন। প্রকৃতিবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞানের আলোচনায় মার্কসবাদ যেসব ক্ষেত্রে ধর্ম সংক্রান্ত আলোচনার প্রয়োজনবোধ করেছে শুধু সেসব আলোচনা থেকেই মার্কসবাদী দৃষ্টিতে ধর্মের বিশ্লেষণ পাওয়া যায়। ধর্মকে মার্কসবাদের স্রষ্টাগণ বিশিষ্ট বা স্বতন্ত্র কোনো বিষয় মনে

নারী-শ্রমিকদের প্রথম সারা রুশ কংগ্রেসে বক্তৃতা — লেনিন

১৯ নভেম্বর, ১৯১৮[১] (প্রচন্ড স্বাগতধ্বনি তুলে কংগ্রেসের নারী-শ্রমিকরা লেনিনকে অভিবাদন জানায়।) কমরেডগণ, কতকগুলি দিক থেকে প্রলেতারিয় ফৌজের নারী অংশের কংগ্রেসের বিশেষ জরুরি তাৎপর্য বর্তমান, কারণ সমস্ত দেশেই নারীদের আন্দোলনে আসা কঠিনতর হয়েছিল। সমাজতান্ত্রিক পরিবর্তন হতে পারে না যদি মেহনতি নারীদের বৃহত অংশটা তাতে ব্যাপকভাবে যোগ না দেয়। সমস্ত সভ্য দেশে, এমনকি সবচেয়ে

Top