You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > Posts tagged "গ্রিক দার্শনিক"

প্রাচীন কালের গ্রিক দার্শনিক পিরহো ছিলেন সন্দেহবাদের প্রতিষ্ঠাতা

প্রাচীন কালের গ্রিক দার্শনিক পিরহো বা এলিসের পিরহোকে (ইংরেজি: Pyrrho of Elis) সন্দেহবাদের প্রতিষ্ঠাতা বলে মনে করা হয়। পিরহোর প্রধান বিবেচ্য বিষয় ছিল নীতিশাস্ত্র এবং ব্যক্তির সুখ দুঃখের সমস্যা। তাঁর কাছে সুখ যেমন দুঃখশূন্যতা, তেমনি তা ব্যক্তির নিস্পৃহতার মধ্যেও নিহিত। আরো পড়ুন

প্রোতাগোরাস ছিলেন একজন প্রাচীন গ্রিক বস্তুবাদী সফিস্ট দার্শনিক

প্রোতাগোরাস বা প্রোটোগোরাস (৪৯০-৪২০ খ্রি.পূ) ছিলেন একজন প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক। প্রচলিত দার্শনিক মতামতের বিরোধী এবং জনপ্রিয় প্রচারকদের সফিস্ট বলা হতো। প্রোটোগোরাসের দর্শনের জন্য তাঁকেও একজন সফিস্ট বলে গণ্য করা হতো। দেবতাদের ব্যাপারে বা ‘অন দি গডস’ নামে তাঁর দেবতা বিরোধী রচনার জন্য প্রোটোগোরাসকে এথেন্স নগর হতে বহিষ্কার করা হয়

প্লটিনাস গ্রিসের একজন ভাববাদী দার্শনিক

প্লটিনাস বা প্লোতিনোস (গ্রিক: Πλωτῖνος, লাতিন: Plotinus; ২০৪/৫ - ২৭০) ছিলেন গ্রিসের একজন ভাববাদী দার্শনিক। কিন্তু প্লটিনাসের জন্ম হয়েছে মিসরে এবং তিনি জীবন অতিবাহিত করেছেন রোম নগরে। প্লটিনাসকে নব প্লেটোবাদের প্রতিষ্ঠাতা মনে করা হয়। প্লটিনাসের ব্যাখ্যায় দর্শন অধিকতর রহস্যময় রূপ ধারণ করে। প্লটিনাসের মতে সৃষ্টি পরিক্রমার উৎস

প্লেটো ছিলেন প্রাচীন গ্রিসের প্লেটোবাদী স্কুল ও একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা ভাববাদী দার্শনিক

পশ্চিমা বিশ্বের উচ্চতর শিক্ষার প্রথম প্রতিষ্ঠান, চিন্তার প্লেটোবাদী স্কুল ও একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা প্লেটো ছিলেন প্রাচীন গ্রিসে ধ্রুপদী সময়কালের একজন এথেনীয় ভাববাদী দার্শনিক। তিনি সক্রেটিসের শিষ্য ছিলেন। সক্রেটিসের নিজের কোনো রচনার কথা জানা যায় না। কিন্তু প্লেটো সক্রেটিসকে নায়ক করে বিপুল সংখ্যক সংলাপমূলক দার্শনিক গ্রন্থ রচনা করেন। এই সমস্ত গ্রন্থের মধ্যে

পারমিনাইডিস ছিলেন প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক

পারমিনাইডিস বা পারমেনাইডিস বা পার্মেনিদিস বা এলেয়া’র পার্মেনিদিস (ইংরেজি: Parmenides of Elea ৫১৫ খ্রিস্টপূর্ব – ৪৬০ খ্রিস্টপূর্ব) ছিলেন প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক। কিন্তু তাঁর জন্ম হয়েছিল দক্ষিণ ইতালির এলিয়া শহরে। এজন্য পারমিনাইডিসকে ‘এলিয়াটিক’ দর্শনের প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়। আরো পড়ুন

মার্কাস অরেলিয়াস ছিলেন স্টয়িক বা নিস্পৃহবাদী দার্শনিক

মার্কাস অরেলিয়াস (ইংরেজি: Marcus Aurelius; ২৬ এপ্রিল ১২১ – ১৭ মার্চ ১৮০ খ্রি.) ছিলেন স্টয়িক বা নিস্পৃহবাদী দার্শনিক এবং রোমের সম্রাট। তাঁর একমাত্র রচনা ‘মেডিটেশনস’ বা অনুধ্যান উপদেশ বাক্যাকারে লিখিত। মার্কাস অরেলিয়াসের দর্শনে রোম সাম্রাজ্যের সংকটের আভাস পাওয়া যায়। স্টয়িক দর্শনের যে নতুন ব্যাখ্যা অরেলিয়াস পেশ করেন তাতে স্টয়িক দর্শনের বস্তবাদী বৈশিষ্ট্য বিলুপ্ত

লাইসিয়াম প্রসঙ্গে

লাইসিয়াম বা লাইস্যুম (ইংরেজি: Lyceum বা Lycaeum) প্রাচীন গ্রিসের এথেন্স নগররাষ্ট্রের একটি বাগানের নাম। এখানে ৩৩৫ খ্রি. পূর্বাব্দে এরিস্টটল তাঁর দর্শন প্রচারের কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন। এ কারণে দর্শনের ইতিহাসে লাইসিয়ামকে এ্যরিস্টটলের দর্শনাগার বা একাডেমী বলেও উল্লেখ করা হয়। লাইসিয়ামের স্থায়ীত্বকাল প্রায় ৮০০ বছর। এ্যরিস্টটলের মৃত্যুর পর তাঁর শিষ্যগণ লাইসিয়াম পরিচালনা

লুক্রেশিয়াস ছিলেন প্রাচীন রোমের কবি এবং বস্তুবাদী দার্শনিক

লুক্রেশিয়াস (ইংরেজি: Lucretius; ১৫ অক্টোবর ৯৯ - ৫৫ খ্রি.পূ) ছিলেন প্রাচীন রোমের কবি এবং বস্তুবাদী দার্শনিক। ‘ডা রিরাম ন্যাচার’ বা ‘প্রকৃতি জগত’ তাঁর সুবিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। লুক্রেশিয়াস গ্রিক দার্শনিক এপিক্যুরাসের উত্তরসূরি। এপিক্যুরাসের দর্শনকেই তিনি ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেন। ব্যক্তির জীবনে সুখের সমস্যা হলো মূল সমস্যা। সামাজিক সংঘাত এবং ধ্বংসের মধ্যে ব্যক্তি নিয়ত আবর্তিত। ধৈর্য্যের মধ্যে বিধিনিষেধের

লিউসিপাস পরমাণুবাদের তত্ত্ব বিকাশের জন্য অবদান রেখেছিলেন

কয়েকটি প্রাচীন উৎস থেকে জানা যায় যে লিউসিপাস বা লিউকিপ্পাস (ইংরেজি: Leucippus; ৫০০-৪৪০ খ্রি.পূ.) একজন গ্রিক দার্শনিক ছিলেন যিনি প্রথমদিকে পরমাণুবাদের তত্ত্ব বিকাশের জন্য অবদান রেখেছিলেন। গ্রিক দার্শনিক ডিমোক্রিটাসের সমসাময়িক হলেও লিউসিপাস ছিলেন বয়োজৈষ্ঠ্য। বস্তুর অণুতত্ত্বের মূল ধারণা লিউসিপাসই প্রতিষ্ঠা করেন। ডিমোক্রিটাস তাঁর সেই ধারণাকে পূর্ণতর তত্ত্বের রূপ দেন। লিউসিপাস বিজ্ঞানের আরো তিনটি মৌলিক ধারণার

আইসোক্রাটিস ছিলেন প্লেটোর সমকালীন বিখ্যাত চিন্তাবিদ ও শিক্ষক

আইসোক্রাটিস (ইংরেজি: Isocrates, ৪৩৬-৪৩৮ খৃ.পূর্ব) ছিলেন প্লেটোর সমকালীন বিখ্যাত চিন্তাবিদ ও শিক্ষক। বাগ্মী হিসাবে আইসোক্রাটিসকে এথেন্সের দশজন বাগ্মীর একজন বলে গণ্য করা হতো। অর্থবান পরিবারে জন্মগ্রহণ করলেও পিলোপশানীয় যুদ্ধে আইসোক্রাটিস এর পরিবার বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। যুদ্ধের পরে আইসোক্রাটিস শিক্ষকতাকে প্রধান পেশা হিসাবে গ্রহণ করেন। শিক্ষক হিসাবে তিনি এরূপ প্রতিষ্ঠা লাভ

Top