You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > Posts tagged "ভারতের ইতিহাস"

ন্যায় দর্শন প্রসঙ্গে

প্রাচীন ভারতীয় ভাববাদী দর্শনের একটি শাখার নাম ন্যায় দর্শন (ইংরেজি: Nyaya)। ন্যায় দর্শনের প্রধান জোর ছিল যুক্তি ও জ্ঞানতত্ত্বের উপর। প্রাচীন উপাখ্যানের ঋষি গৌতম ন্যায় দর্শনের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বলে মনে করা হয়। যুক্তি ও তর্কের পদ্ধতি নিয়ে তৈরি হয়েছে প্রাচীন ন্যায় দর্শন। আরো পড়ুন

ভারতের ইতিহাস প্রসঙ্গে

বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতাগুলির একটির উৎপত্তি ঘটে ভারতে। এখানেই গড়ে ওঠে অত্যন্ত উচুস্তরের উন্নত এক সংস্কৃতি যা এই দেশের পরবর্তী বিকাশের ক্ষেত্রে এবং সমগ্রভাবে গােটা প্রাচ্যের, মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ও দূর প্রাচ্যের বহু, জাতির সংস্কৃতির অগ্রগতিতে বিপুল প্রভাব বিস্তার করে। প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কার, ইত্যাদির ফলে এখন প্রমাণ পাওয়া গেছে যে

কৌটিল্য ছিলেন প্রাচীন ভারতের কূট রাজনীতিজ্ঞ এবং অর্থশাস্ত্রের প্রণেতা

কৌটিল্য বা চাণক্য কৌটিল্য (Chanakya বা Kauṭilya; ৩৭১ – ২৮৩ খ্রি.পূ. ) প্রাচীন ভারতের কূট রাজনীতিজ্ঞ এবং অর্থশাস্ত্রের প্রণেতারূপে পরিচিত। কেবল কৌটিল্য নয়, ইতিহাসে তাঁকে চাণক্য এবং বিষ্ণুগুপ্ত বলেও উল্লেখিত হতে দেখা যায়। গ্রিক সম্রাট আলেক্সান্ডার খ্রিষ্টপূর্ব ৩২৭ সনে ভারত অভিযানে আসেন। কৌটিল্যকে এই সময়কার রাজনীতিক বলে অনুমান করা হয়। আরো পড়ুন

ভারতীয় দর্শন প্রসঙ্গে

ভারত উপমহাদেশের বিভিন্ন ধর্মের মূল তত্ত্ব ও তার ব্যাখ্যাকে প্রাচীনকাল হতে ভারতীয় দর্শন (ইংরেজি: Indian Philosophy) বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। ভারতীয় দর্শন বিশ্বের প্রাচীনতম দর্শনসমূহের অন্যতম। খ্রিষ্টপূ্র্ব দশ অথবা পনের শতকের ইতিহাসেও এই দর্শনের সাক্ষাত পাওয়া যায়। ভারতীয় দর্শনকে সাধারণত বেদান্ত, মীমাংসা, বৈশেষিক, ন্যায়, সংখ্যা ও যোগ এই ছয়টি শাখায়

অনশন প্রসঙ্গে

অনশন (ইংরেজি: Hunger-strike) শব্দটির অর্থ হচ্ছে কোনো খাদ্যদ্রব্য গ্রহণ না করা। এটি সাধারণ অর্থে উপবাসে থাকা। বিভিন্ন ধর্মে কোনো কোনো উপলক্ষে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য উপবাস করার নিয়ম দেখা যায়। এরূপ অনশন দ্বারা মানুষ মনের শান্তি লাভ করতে চায় এবং ধর্মের অনুশাসন লাভ করে। কিন্তু আধুনিককালে অনশন একটি রাজনৈতিক অর্থ বহন

আগস্ট আন্দোলন প্রসঙ্গে

১৯৪২ সালের আগস্ট মাসে ভারতীয় জনগণের শত্রু সংগঠন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ভারতের স্বাধীনতাকে জমিদার ও শিল্পপতিদের করায়ত্ত করবার জন্য ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে যে প্রতারণাপূর্ণ আন্দোলন আরম্ভ করে তা আগস্ট আন্দোলন নামে পরিচিত। এই শতাব্দীর বিশের দশক থেকে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের দাবি প্রবল হতে শুরু করে। বিশের এবং ত্রিশের দশকে বিভিন্ন প্রকার আইন অমান্য

জালিয়ানওয়ালাবাগ গণহত্যা প্রসঙ্গে

জালিয়ানওয়ালাবাগ গণহত্যা বা অমৃতসর গণহত্যা (ইংরেজি: Jallianwala Bagh massacre) ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে অন্যতম কুখ্যাত গণহত্যা। প্রথম মহাযুদ্ধ পরবর্তীকালে ১৩ এপ্রিল, ১৯১৯ সনে অবিভক্ত ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের অমৃতসর শহরে ইংরেজ সামরিক অধিনায়ক নরপিশাচ জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে জালিয়ানওয়ালাবাগ নামক একটি বন্ধ উদ্যানে আরো পড়ুন

খুদাই খিদমতগর ছিলো ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে চালিত একটি অহিংস আন্দোলন

খুদাই খিদমতগর বা খোদার খেদমতকারী (পশতু ভাষায়: خدايي خدمتگار‎; literally “servants of God”) ছিলো ব্রিটিশ ভারতের উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের খাইবার পাখতুনখোয়া অঞ্চলের পশতুন জনগণের দ্বারা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে একটি পশতুন অহিংস আন্দোলন। অবিভক্ত ভারতে উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে, বর্তমানে পাকিস্তানে, খাঁ আবদুল গাফফার খাঁর নেতৃত্বে ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দের জানুয়ারি মাসে প্রতিষ্ঠিত একটি মুসলিম রাজনৈতিক সংগঠন, আরো পড়ুন

খিলাফত আন্দোলন ছিলো ভারতে ধর্মীয় পুনর্জাগরণের আন্দোলন

খিলাফত আন্দোলন (ইংরেজি: Khilafat Movement) বা ভারতীয় মুসলিম আন্দোলন ছিলো প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তুরস্কের পরাজয়ের ফলে ভারতীয় মুসলিমদের ভীতি থেকে উদ্ভূত ইসলামি জাগরণপন্থী আন্দোলন। খিলাফত শব্দটি খলিফা শব্দ থেকে উৎপন্ন। শব্দটির অর্থ উত্তরাধিকারী; হজরত মহম্মদের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার যে-সংস্থার প্রতিভূর উপর বিভিন্ন সময়ে পর্যায়ক্রমে বর্তিয়েছিল সেই সংস্থার নাম খিলাফত। আরো পড়ুন

খাকসার ছিলো জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে মানুষ ও প্রাণীর সেবাকারী আন্দোলন

অমৃতসরের অধিবাসী ইনায়াতুল্লাহ খাঁ (১৮৮৮-১৯৬৩) ইসলাম ধর্ম ও তার আদি ঐতিহ্যের আদর্শে ১৯৩১ সালে খাকসার দল (ইংরেজি: Khaksar Movement) গঠন করেন। খাকসার কথাটি পারসি ভাষা থেকে গৃহীত। শব্দটির অর্থ (খাক + সার) মাটির ধূলা । খাক’-এর অর্থ ধূলা এবং ‘সার’ মানে জীবন। যিনি খাকসার হবেন তাঁকে মাটির ধুলার মতাে বিনয়ন হতে হবে। আরো পড়ুন

Top