You are here
Home > Posts tagged "মানুষ"

বাঙলাদেশে রাজনৈতিক দল গঠনের প্রক্রিয়ায় আগে মনোযোগ দেয়া উচিত — আবুল কাসেম ফজলুল হক

প্রথম পর্বের পর ২. অনুপ সাদি: বাঙলাদেশ তাহলে কতটুকু গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র? গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র না হলে অগণতন্ত্রের চিত্রগুলো কোথায় কোথায় দেখা যাচ্ছে? আবুল কাসেম ফজলুল হক: বাঙলাদেশের মানুষের মধ্যে কখনো কখনো গণতন্ত্রের আকাঙ্ক্ষা দেখা দিয়েছে, বেশ প্রবলভাবেই দেখা দিয়েছে। আমি আমার অভিজ্ঞতায় দেখেছি, পাকিস্থান প্রতিষ্ঠার পরে ১৯৫৪ সালের নির্বাচনের আগে গণতন্ত্রের কথা রাজনৈতিক নেতারা

গ্রন্থাগার: মহাজগতের কল্লোল

জীব যেমন জীবাশ্ম হয়ে ভূ-ত্বকের স্তরে স্তরে লক্ষ লক্ষ বছর ধরে নিজেদের অস্তিত্বকে চিহ্নিত করে রেখেছে, তেমনি মানুষের কর্মপ্রেরণার সকল চিহ্ন আটকা পড়ে আছে গ্রন্থাগারে। এখানে অক্ষরের বুকে আঁকা আছে মানবসৃষ্ট সকল জ্ঞান, সকল ভাবনা, তাদের আশা আর স্বপ্ন। যেইমাত্র মানুষ জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার আলোকে নিজেকে বদলাতে শিখল, বদলে দিতে

আবুল কাসেম ফজলুল হকঃ প্রজ্ঞার প্রতিমূর্তি

যেসব মানুষের মাঝখানে আবুল কাসেম ফজলুল হক বেঁচে আছেন সেসব মানুষের জন্যই তিনি ভেবেছেন এবং তাদের জন্যই তিনি কলম ধরেছেন। বার বছর বয়সে তিনি লিখে প্রকাশ করতে শুরু করেছিলেন এবং তা এখনো শরতের ছন্দময় স্নিগ্ধ মৃদু হাওয়ার মতোই অব্যাহত আছে। তিনি লিখেছেন বলেই আমরা তার লেখা পড়েছি এবং তার চিন্তার

ফয়েরবাখ সম্বন্ধে থিসিসসমূহ — কার্ল মার্কস

ফয়েরবাখ সম্বন্ধে থিসিসসমূহ[১] ১ ফয়েরবাখের বস্তুবাদ সমেত পূর্ববর্তী সমস্ত বস্তুবাদের প্রধান দোষ এই যে, তাতে বস্তুকে [Gegenstand]. বাস্তবতাকে, সংবেদ্যতাকে কেবল বিষয় [Objekt] রূপে বা ধ্যান রূপে ধরা হয়েছে, মানবিক সংবেদনগত ক্রিয়া হিসেবে, ব্যবহারিক কর্ম হিসেবে দেখা হয় নি, আত্মগতভাবে [subjectively] দেখা হয় নি। ফলে বস্তুবাদের বিপরীতে সক্রিয় দিকটি বিকশিত হয়েছে ভাববাদ দিয়ে,

মার্কসবাদী দৃষ্টিতে ইতিহাস

ইতিহাস বিষয়ে এঙ্গেলসের দক্ষতা ছিলো মার্কসের চেয়ে বিস্তৃত। মার্কস তাই বলেছিলেন যে, ইতিহাসের বস্তুবাদী ধারনায় এঙ্গেলস একেবারে নিজস্ব পদ্ধতিতে পৌঁছেছিলেন। এঙ্গেলস কিন্তু বলেছেন, ‘মানুষের ইতিহাসের বিকাশের নিয়ম’ মার্কসের দুটি মূল্যবান আবিষ্কারের অন্যতম।[১] ইতিহাস অর্থ কেবল ঘটনাবলির বর্ণনা নয়। যেকোনো সময়ের বাস্তব অবস্থা, নানা শর্ত, বিভিন্ন সম্পর্কের অন্তর্ভেদ করাই হলো ইতিহাসের

মার্কসের দৃষ্টিতে মানুষ

মানুষই হলো মার্কস এঙ্গেলসের জীবনবীক্ষার কেন্দ্রীয় বিষয়। বর্তমানকে বদলাবার প্রয়োজন তারা অনুভব করেছিলেন এই মানব প্রজাতির জন্যই। প্রাণী হিসেবে ‘মনুষ্য’ নাম প্রযুক্ত হলেও সামাজিক প্রাণী হিসেবে বা নৃতাত্ত্বিক অবস্থা থেকে বর্তমান মনুষ্য হিসেবে ‘মানুষ’ শব্দটি একই সাধারণ অর্থ প্রকাশ করে না। মার্কস প্রাকৃতিক ও মানবিক এই দুই অর্থে মানুষকে দেখেছেন। অর্থাৎ

সাংস্কৃতিক বিপ্লবের স্বরূপ

সমাজতান্ত্রিক সমাজ বহন করে আনে পুঁজিবাদী সমাজের নানা চিহ্ন, ধারনা ও স্মারক। এসব চিহ্ন ও ধারনা থেকে হুট করে মুক্তি পাওয়া সম্ভব নয়। মানবসমাজ দাস, সামন্ত ও পুঁজিবাদকে অতিক্রম করলেও শোষণের ধারা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়নি। এই শোষণের ধারা ও পুরনো সমাজের পশ্চাৎপদ চিহ্নগুলো থেকে মুক্তির লক্ষ্যে প্রলেতারিয়েতকে একনায়কত্ব কায়েমের পর

জনগণের লড়াকু রাজনৈতিক দার্শনিক বিশ্বকোষীয় মানুষ

আমরা যে সময় অতিক্রম করছি তা যেন রেনেসাঁ পূর্ববর্তী ইউরোপের মধ্যযুগের সাথে তুলনীয়। বাংলাদেশ ভারতে অনাচারের এক পিরামিড তৈরি হয়েছে এবং উচ্চবিত্ত আর মধ্যবিত্তরা পাপাচারের জগদ্দল পাথরকে চিরস্থায়ী করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এই অবস্থা থেকে বের হবার জন্য দরকার লড়াইয়ের এক দীর্ঘমেয়াদী প্রস্তুতির। দরকার আন্তর্জাতিক এক এক জ্ঞানগত আন্দোলন ও নবজাগরণ

Top