You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > Posts tagged "সাম্রাজ্যবাদ"

সাম্রাজ্যবাদ, পুঁজিবাদের সর্বোচ্চ পর্যায় প্রসঙ্গে

পুঁজিবাদের ঊনবিংশ এবং বিংশ শতকের বিকাশের বিশ্লেষণমূলক যে গ্রন্থ ভ্লাদিমির লেনিন ১৯১৬ সনে রচনা করেন, সেই গ্রন্থের নাম ‘ইম্পেরিয়ালিজম, দ্য হাইয়েস্ট স্টেজ অব ক্যাপিটালিজম’ বা ‘সাম্রাজ্যবাদ, পুঁজিবাদের সর্বোচ্চ পর্যায়’। ১৯১৭ সনের রুশ বিপ্লবের প্রাক্কালে বিপ্লবী আন্দোলনের তাত্ত্বিক নেতৃত্ব দানের জন্য লেনিন তাঁর এই গ্রন্থে রাশিয়ার সমাজতান্ত্রিক সংগ্রাম এবং আন্তর্জাতিক আন্দোলনসমূহের

অক্ষশক্তি কাকে বলে?

রাজনীতিতে ‘অক্ষশক্তি’ (ইংরেজি: Axis Power) কথাটি দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় প্রচারিত হয়। অক্ষশক্তি দ্বারা তখন জার্মানি, ইতালি এবং জাপান এই তিন শক্তির জোটকে বুঝান হতো। শক্তির কেন্দ্র হিসাবে অক্ষ কথাটি ব্যবহার করে প্রথমে ১৯৩৬ সালে ফ্যাসিবাদী ইতালির শাসক মুসোলনী। মুসোলিনী নাকি জার্মানির হিটলারের সঙ্গে আঁতাত গঠনের কালে রোম-বার্লিন সম্পর্কের শক্তির অক্ষরেখা বলে অভিহিত করে। এই আঁতাততে

বর্ণবিদ্বেষ কাকে বলে?

দক্ষিণ আফ্রিকার নগন্য শ্বেতবর্ণের স্বৈরতান্ত্রিক শাসক দল কর্তৃক সংখ্যাগুরু এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মূল কৃষ্ণবর্ণ অধিবাসীদের বিরুদ্ধে অনুসৃত পৃথকাবাসনের এবং নিগ্রহের নীতি বর্ণবিদ্বেষ বা জাতিবিদ্বেষ (ইংরেজি: Apartheid) বলে পরিচিত। ইংরেজ ‘আপারথিড’ কথার উদ্ভব দক্ষিণ আফ্রিকায়। এর অর্থ জাতিগত পার্থক্যের ভিত্তিতে অধিবাসীদের পৃথক বাসের ব্যবস্থা করা। ইউরোপের শ্বেতবর্ণের সাম্রাজ্যবাদী শক্তি কর্তৃক আফ্রিকা

ব্যর্থ রাষ্ট্রের মর্ম প্রসঙ্গে

“রাষ্ট্র হলো একটি শ্রেণীর হাতে অপর শ্রেণীর ওপর আধিপত্য কায়েম করার যন্ত্র, অধীনস্থ শ্রেণীগুলোকে আনুগত্যের বন্ধনে রাখার হাতিয়ার।”[১] লেনিন এই যে রাষ্ট্রের সংজ্ঞা দিয়েছেন যা এমনই এক সত্যকে ধারণ করছে যাকে কেবল কুসংস্কারাচ্ছন্ন বুর্জোয়া মূর্খরাই বিরোধীতা করে। আরো পড়ুন

অস্ট্রেলিয়া খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ সাম্রাজ্যবাদী শিল্পন্নোত দেশ

অস্ট্রেলীয় কমনওয়েলথের অধিকাংশই দক্ষিণ গোলার্ধের উষ্ণ ও উপউষ্ণমণ্ডলে অবস্থিত। আয়তনের দিক থেকে দেশটি কানাডার প্রায় সমান হলেও এর জনসংখ্যা কানাডার চেয়ে কম। শিল্পোৎপাদনের পরিমাণ হিসাবে পুঁজিবাদী বিশ্বে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম সারির দশটি দেশের অন্যতম। আরো পড়ুন

ফ্রান্স সাম্রাজ্যবাদী নিপীড়ক দেশ

আজকের দুনিয়ায় ফ্রান্স একটি স্বকীয় বিশিষ্ট স্থানের অধিকারী। একটি প্রধান পুঁজিবাদী দেশ হিসাবে সে মার্কিন একচেটিয়াদের অভিভাবকত্ব থেকে মুক্তিলাভে সচেষ্ট এবং বাস্তবধর্মী বৈদেশিক নীতি অনুসরণে দৃঢ়সংকল্প। ফ্রান্স ন্যাটোর সামরিক সংস্থাগুলি থেকে সরে এসেছে, দেশ থেকে ন্যাটোর সামরিক কর্মচারী ও ঘাঁটিগুলি হটিয়ে দিয়েছে এবং সেসঙ্গে এই আক্রমণাত্মক জোটের সদস্যপদও বজায় রেখেছে। আরো পড়ুন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সাম্রাজ্যবাদী সন্ত্রাসবাদী যুদ্ধবাজ দেশ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৫০টি রাজ্য এবং রাজধানী ওয়াশিংটন সহ কলাম্বিয়া ফেডারেল এলাকা নিয়ে গঠিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি ফেডারেল প্রজাতন্ত্র। এর আয়তন ৯৪ লক্ষ বর্গকিলোমিটার এবং জনসংখ্যা ২১ কোটি ৭০ লক্ষাধিক। কেরোলিন, মারিয়ানা ও মার্শাল দ্বীপগুলি অস্থায়ীভাবে মার্কিন অছিভুক্ত অঞ্চল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি ঔপনিবেশিক শক্তিও। পোর্টো রিকো, ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ, সামোয়া, গয়াম এবং ওশেনিয়ার আর কয়েকটি ক্ষুদ্র কিন্তু স্ট্রাটেজিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপপুঞ্জ এই ভিন্ন দেশগুলি তার দখলভুক্ত। আরো পড়ুন

যে বোকা বুড়োটি পাহাড় সরিয়েছিলেন — মাও সেতুং

১২ই জুন, ১৯৪৫ [চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সপ্তম জাতীয় কংগ্রেসে এটি হচ্ছে কমরেড মাও সে তুং-এর সমাপ্তিসূচক ভাষণ] আমাদের কংগ্রেস খুবই সাফল্যমণ্ডিত হয়েছে। আমরা তিনটি কাজ করেছি। প্রথমতঃ, পার্টির লাইন নির্ধারণ করেছি যে লাইন হচ্ছে সাহসের সাথে জনগণকে সমবেত করা এবং জনগণের শক্তিকে সম্প্রসারিত করা যাতে করে আমাদের পার্টির নেতৃত্বে জাপানী আক্রমণকারীদের তারা

সারা রুশ কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটি, মস্কো সোভিয়েত, কারখানা কমিটি ও ট্রেড ইউনিয়নগুলির যুক্ত অধিবেশনে গৃহীত সিদ্ধান্ত

সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধের বিরুদ্ধে প্রলেতারীয় জনগণ ও কৃষকদের বিপ্লবী আন্দোলন ইদানিং বিভিন্ন দেশে বিপুল সাফল্য লাভ করেছে, বিশেষ করে বলকান, অস্ট্রিয়া আর জার্মানিতে। এইসব সাফল্যের কারণেই আন্তর্জাতিক বুর্জোয়াদের বিশেষভাবে আক্রোশে অন্ধ করে তুলেছে, এখন যাদের নেতৃত্ব দিচ্ছে ইঙ্গ-মার্কিন ও ফরাসী বুর্জোয়ারা, এবং বিপ্লবকে ধ্বংস করার জন্য তাড়াহুড়ো করে প্রতিবিপ্লবী শক্তি আরো পড়ুন

সমাজতন্ত্রের দিকে যেতে ভয় পেলে এগোনো সম্ভব কি?

আসন্ন বিপর্যয় এবং তা প্রতিহত করার উপায় পুস্তিকা থেকে এতক্ষণ যা বলা হলো তার থেকে, সোশ্যালিস্ট-রেভলিউশানারি এবং মেনশেভিকদের চলতি সুবিধাবাদী ধ্যান-ধারণায় লালিত পাঠকের পক্ষ থেকে সহজেই এই আপত্তি উঠতে পারে: এখানে বর্ণিত ব্যবস্থাগুলির বেশির ভাগ বস্তুত সমাজতান্ত্রিকই, গণতান্ত্রিক নয়! (কোনো-না-কোনো আকারে) সাধারণত বুর্জোয়া, সোশ্যালিস্ট-রেভলিউশনারি এবং মেনশেভিক পত্রপত্রিকাগুলিতে উত্থাপিত এই চলতি আপত্তিটা হলো অনগ্রসর পুঁজিবাদের প্রতিক্রিয়াশীল পক্ষসমর্থন, স্ত্রুভীয় সাজে সজ্জিত সমর্থন। আরো পড়ুন

Top