You are here
Home > Posts tagged "সাম্রাজ্যবাদ"

সমাজতন্ত্রের দিকে যেতে ভয় পেলে এগোনো সম্ভব কি? — ভি. আই. লেনিন

আসন্ন বিপর্যয় এবং তা প্রতিহত করার উপায় পুস্তিকা থেকে এতক্ষণ যা বলা হলো তার থেকে, সোশ্যালিস্ট-রেভলিউশানারি এবং মেনশেভিকদের চলতি সুবিধাবাদী ধ্যান-ধারণায় লালিত পাঠকের পক্ষ থেকে সহজেই এই আপত্তি উঠতে পারে: এখানে বর্ণিত ব্যবস্থাগুলির বেশির ভাগ বস্তুত সমাজতান্ত্রিকই, গণতান্ত্রিক নয়! (কোনো-না-কোনো আকারে) সাধারণত বুর্জোয়া, সোশ্যালিস্ট-রেভলিউশনারি এবং মেনশেভিক পত্রপত্রিকাগুলিতে উত্থাপিত এই চলতি আপত্তিটা হলো

সাম্রাজ্যবাদ প্রসঙ্গে

সাধারণ দৃষ্টিতে সাম্রাজ্যবাদ (ইংরেজি: Imperialism) হচ্ছে একটি দেশ কর্তৃক অপর একটি দেশের উপর প্রভুত্ব ও শাসন কায়েম করা। মানবসভ্যতার গোড়া থেকেই মিশর, মেসোপটেমিয়া, আসিরিয়া, পার্সিয়াতে সাম্রাজ্য দেখা যায়। প্রাচীন ও মধ্যযুগে রোমান, বাইজানটাইন, অটোমান, মোগল সাম্রাজ্য ছিল। বর্তমানকালে ইউরোপে শিল্পোন্নয়নের পর আধুনিক নেশন-স্টেটের উদ্ভব ঘটে। সেগুলির বাণিজ্যিক প্রয়োজনে সারা পৃথিবীতে

উপনিবেশবাদের ফলাফল ও বিশ্ব সমাজের রূপ

আজকের দিনে বসে দুনিয়াকে বুঝতে হলে উপনিবেশবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের ইতিহাসকে ভালো করে বোঝা দরকার। পঞ্চদশ শতকের শেষ ভাগ থেকে বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগ পর্যন্ত ছিল উপনিবেশবাদের স্বর্ণযুগ। বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে এসে অধিকাংশ উপনিবেশগুলোতে জাতীয়তাবাদী আন্দোলন শুরু হয় এবং শোষণ ও লুটপাটকারী দেশগুলো সাম্রাজ্যবাদী হয়ে ওঠে। সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলো পরস্পরের বিরুদ্ধে মহাযুদ্ধে

উপনিবেশবাদ প্রসঙ্গে

উপনিবেশবাদ বা ঔপনিবেশিকতাবাদ (ইংরেজি: Colonialism) শব্দটি দ্বিতীয় সাম্রাজ্যবাদী মহাযুদ্ধোত্তরকালে বিশেষ করে বিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে সাম্রাজ্যবাদ শব্দটির সমার্থে ব্যবহারবহুল হয়েছে। শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো যে সব অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মপন্থার সাহায্যে একটি সাম্রাজ্যশক্তি অন্যান্য দেশ কিংবা অধিবাসীদের উপর নিয়ন্ত্রণ, সম্প্রসারণ অথবা বিস্তার বজায় রাখে। শব্দটির অর্থ সাম্রাজ্যবাদের সমতুল্য। দ্বিতীয় সাম্রাজ্যবাদী

সামরিক শিল্পই সাম্রাজ্যবাদের প্রধান শক্তি

সমর শিল্প বা Arms Industry’র একত্রীকরণ হচ্ছে বৃহত সামরিক শিল্পের অগ্রাধিকার ও সাম্রাজ্যবাদি রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্রযন্ত্রের সামরিক চক্রগুলোর মিলন, যারা একচেটিয়া বুর্জোয়ার শ্রেণিগত আধিপত্য সুদৃঢ়করণ ও তা বিস্তারের স্বার্থে সামরিক শক্তির অবিরত বিকাশের পক্ষপাতী। সামরিক শিল্প মালিকরা হচ্ছে রাষ্ট্রীয় একচেটিয়া পুঁজিবাদি ব্যবস্থার সবচেয়ে প্রতিক্রিয়াশীল ও আক্রমণাত্মক অংশ। সমর শিল্প অস্ত্র এবং সামরিক

চীনা অস্ত্র আমদানিতে আওয়ামি উৎসাহ বাংলাদেশকে সাম্রাজ্যবাদের অধীনস্থ করেছে

গণতন্ত্র হচ্ছে সামন্তবাদ, প্রাচ্য স্বৈরতন্ত্র ও জমিদারতন্ত্রের উৎখাত; জমির উপর কৃষকের পরিপূর্ণ মালিকানা। সেই গণতন্ত্রের কথা এখন আর কেউ বলে না। কিন্তু গণতন্ত্রের শত্রুরও অভাব নেই। চীনা সাম্রাজ্যবাদসহ সকল সাম্রাজ্যবাদ এখন গণতন্ত্র ও স্বাধীনতাবিরোধী হয়ে গেছে। পুঁজিবাদ সাম্রাজ্যবাদে রূপান্তরের পর গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে অনবরত যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। এই যুদ্ধ চালাতে গিয়ে তারা

আমরা নিজেদের ক্ষমতায় দাঁড়াতে পারলে ইংরেজী শিক্ষার ব্যাপারটাই হয়ত থাকতো না — সাক্ষাতকারে ফকরুল আলম

ড. ফকরুল আলম গবেষক, প্রাবন্ধিক, সমালোচক, অনুবাদক। তাঁর জন্ম ১৯৫১ সনের ২০ জুলাই। ছাত্রাবস্থাবেই তিনি লেখালেখির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। তাঁর এ যাবত প্রকাশিত ইংরেজি গ্রন্থ ‘ড্যানিয়েল ডিফো-কলোনিয়াল প্রপাগান্ডিস্ট’, নিউইয়র্কের টোয়েন পাবলিকেশন্স থেকে প্রকাশিত ‘ভারতী মুখার্জি’ এবং ১৯৯৯ সালে ইউপিএল প্রকাশ করেছে ‘জীবনানন্দ দাশ সিলেক্টড পোয়েমস’। দেশ-বিদেশের অনেক পত্রিকা’, জার্নাল ও

রাশিয়া এবং তার পূর্বাঞ্চলের মুসলমানদের প্রতি আবেদন — স্তালিন ও লেনিন

---- অনুবাদক : ইভান অরক্ষিত সহযোদ্ধা ও ভাইয়েরা![১] রাশিয়াতে বিশাল বিশাল ঘটনা ঘটছে। অন্যান্য দেশগুলিকে পৃথক করার জন্য যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হচ্ছিল সেটার সমাপ্তি সন্নিকটে। মানুষের পৃথিবীতে মানুষকে দাসত্বে আবদ্ধকারী এবং ডাকাতদের শাসন প্রায় সমাপ্তির পথে। রুশ বিপ্লবের জোয়ারে দাসত্ব ও ভূমিদাসত্বের পুরানো পৃথিবীটা ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যাচ্ছে ... একটি নতুন

কাতালোনিয়ার বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন একটি স্বাধীনতাবিরোধী আন্দোলন

স্বাধীনতা বা মুক্তি শব্দটি আধুনিককালে বহুল ব্যবহৃত এবং বহু বিশ্লেষিত একটি শব্দ। স্বাধীনতা বা মুক্তি শব্দটিকে মার্কসবাদীরা বুর্জোয়াদের অর্থে ব্যবহার করেননি। তাঁদের কাছে স্বাধীনতা মানে প্রধানত পণ্য, পুঁজি, মুনাফা থেকে মুক্তি এবং সাম্রাজ্যবাদের কালে সাম্রাজ্যবাদের আর্থিক লুণ্ঠন থেকে মুক্ত অর্থনৈতিক স্বাধীনতা। এই স্বাধীনতার সাথে যুক্ত হয় নিপীড়িত জাতিসমূহের জাতিগত স্বাধীনতা,

ইউরোপের যুক্তরাষ্ট্র স্লোগান প্রসঙ্গে — ভি. আই. লেনিন

‘সৎসিয়াল-দেমোক্রাৎ’ পত্রিকারী ৪০ নং সংখ্যায় আমরা জানিয়েছিলাম যে, ‘ইউরোপের যুক্তরাষ্ট্র’ স্লোগানটির অর্থনৈতিক দিকটা সংবাদপত্রে আলোচিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের পার্টির [১] বৈদেশিক বিভাগগুলির সম্মেলন সমস্যাটির আলোচনা মুলতুবী রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সম্মেলনে প্রশ্নটির ওপর যে-বির্তক চলে, সেটা ছিলো একটা নির্ভেজাল রাজনৈতিক চরিত্রের। তার আংশিক কারণ বোধ হয় এই যে, কেন্দ্রীয় কমিটির ঘোষণাপত্রে

Top