Main Menu

সাম্রাজ্যবাদ

 
 

যে বোকা বুড়োটি পাহাড় সরিয়েছিলেন — মাও সেতুং

১২ই জুন, ১৯৪৫ [চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সপ্তম জাতীয় কংগ্রেসে এটি হচ্ছে কমরেড মাও সে তুং-এর সমাপ্তিসূচক ভাষণ] আমাদের কংগ্রেস খুবই সাফল্যমণ্ডিত হয়েছে। আমরা তিনটি কাজ করেছি। প্রথমতঃ, পার্টির লাইন নির্ধারণ করেছি যে লাইন হচ্ছে সাহসের সাথে জনগণকে সমবেত করা এবং জনগণের শক্তিকে সম্প্রসারিত করা যাতে করে আমাদের পার্টির নেতৃত্বে জাপানী আক্রমণকারীদের তারা পরাজিত করবেন, সমগ্র জনগণকে মুক্ত করবেন ও গড়ে তুলবেন একটি নয়া-গণতান্ত্রিক চীন। দ্বিতীয়তঃ, পার্টির নতুন গঠনতন্ত্র আমরা গ্রহণ করেছি। তৃতীয়তঃ, পার্টির নেতৃস্থানীয় সংস্থা কেন্দ্রীয় কমিটি নির্বাচিত করেছি। এখন থেকে আমাদের কর্তব্য হচ্ছে সারা-পার্টির সদস্যবৃন্দকে নেতৃত্ব দিয়ে পার্টি-লাইনকে কার্যকরRead More


সারা রুশ কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটি, মস্কো সোভিয়েত, কারখানা কমিটি ও ট্রেড ইউনিয়নগুলির যুক্ত অধিবেশনে গৃহীত সিদ্ধান্ত

Report at a Joint Session off the All-Russia Central Executive Committee, The Moscow Soviet, Factory Committees and Trade Unions —V. I. Lenin [১] ২২ অক্টোবর, ১৯১৮ সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধের বিরুদ্ধে প্রলেতারীয় জনগণ ও কৃষকদের বিপ্লবী আন্দোলন ইদানিং বিভিন্ন দেশে বিপুল সাফল্য লাভ করেছে, বিশেষ করে বলকান, অস্ট্রিয়া আর জার্মানিতে। এইসব সাফল্যের কারণেই আন্তর্জাতিক বুর্জোয়াদের বিশেষভাবে আক্রোশে অন্ধ করে তুলেছে, এখন যাদের নেতৃত্ব দিচ্ছে ইঙ্গ-মার্কিন ও ফরাসী বুর্জোয়ারা, এবং বিপ্লবকে ধ্বংস করার জন্য তাড়াহুড়ো করে প্রতিবিপ্লবী শক্তি হিসেবে নিজেদের সংগঠিত করার প্রচেষ্টা তারা জোরদার করে তুলেছে, সর্বাগ্রে রাশিয়ার সোভিয়েত ক্ষমতাকে ধ্বংস করারRead More


সমাজতন্ত্রের দিকে যেতে ভয় পেলে এগোনো সম্ভব কি? — ভি. আই. লেনিন

আসন্ন বিপর্যয় এবং তা প্রতিহত করার উপায় পুস্তিকা থেকে এতক্ষণ যা বলা হলো তার থেকে, সোশ্যালিস্ট-রেভলিউশানারি এবং মেনশেভিকদের চলতি সুবিধাবাদী ধ্যান-ধারণায় লালিত পাঠকের পক্ষ থেকে সহজেই এই আপত্তি উঠতে পারে: এখানে বর্ণিত ব্যবস্থাগুলির বেশির ভাগ বস্তুত সমাজতান্ত্রিকই, গণতান্ত্রিক নয়! (কোনো-না-কোনো আকারে) সাধারণত বুর্জোয়া, সোশ্যালিস্ট-রেভলিউশনারি এবং মেনশেভিক পত্রপত্রিকাগুলিতে উত্থাপিত এই চলতি আপত্তিটা হলো অনগ্রসর পুঁজিবাদের প্রতিক্রিয়াশীল পক্ষসমর্থন, স্ত্রুভীয় সাজে সজ্জিত সমর্থন। এতে যেন বলা হয়, আমরা সমাজতন্ত্রের জন্য পরিপক্ক নই, সমাজতন্ত্র ‘প্রবর্তনের সময় আসে নি,আমাদের বিপ্লব বুর্জোয়া বিপ্লব, বুর্জোয়াদের প্রতি হীনানুগত্য স্বীকার করতে হবে আমাদের (যদিও ১২৫ বছর আগে[১] ফ্রান্সে বুর্জোয়াRead More


সাম্রাজ্যবাদ প্রসঙ্গে

সাধারণ দৃষ্টিতে সাম্রাজ্যবাদ (ইংরেজি: Imperialism) হচ্ছে একটি দেশ কর্তৃক অপর একটি দেশের উপর প্রভুত্ব ও শাসন কায়েম করা। মানবসভ্যতার গোড়া থেকেই মিশর, মেসোপটেমিয়া, আসিরিয়া, পার্সিয়াতে সাম্রাজ্য দেখা যায়। প্রাচীন ও মধ্যযুগে রোমান, বাইজানটাইন, অটোমান, মোগল সাম্রাজ্য ছিল। বর্তমানকালে ইউরোপে শিল্পোন্নয়নের পর আধুনিক জাতি-রাষ্ট্রের উদ্ভব ঘটে। সেগুলির বাণিজ্যিক প্রয়োজনে সারা পৃথিবীতে পঞ্চদশ শতক থেকে নতুন দেশ আবিষ্কার ও উপনিবেশ স্থাপনসূত্রে সাম্রাজ্যবাদ নতুন আকারে গড়ে ওঠে। বলপ্রয়োগ করে ইউরোপীয় কিছু দেশ দুর্বল অন্যান্য দেশে আধিপত্য ও শাসন বিস্তার করে। স্পেন ও পর্তুগাল বাণিজ্যিক সাম্রাজ্য গড়ে তোলে। ব্রিটেন ও ফ্রান্স ব্যবসা বাণিজ্যের তাগিদেRead More


উপনিবেশবাদের ফলাফল ও বিশ্ব সমাজের রূপ

আজকের দিনে বসে দুনিয়াকে বুঝতে হলে উপনিবেশবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের ইতিহাসকে ভালো করে বোঝা দরকার। পঞ্চদশ শতকের শেষ ভাগ থেকে বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগ পর্যন্ত ছিল উপনিবেশবাদের স্বর্ণযুগ। বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে এসে অধিকাংশ উপনিবেশগুলোতে জাতীয়তাবাদী আন্দোলন শুরু হয় এবং শোষণ ও লুটপাটকারী দেশগুলো সাম্রাজ্যবাদী হয়ে ওঠে। সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলো পরস্পরের বিরুদ্ধে মহাযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। দ্বিতীয় সাম্রাজ্যবাদী মহাযুদ্ধে ইউরোপের ঔপনিবেশিক দেশগুলোরও প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়। উপনিবেশবাদ ও সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলোকে মোকাবেলা করতে গিয়ে দেশে দেশে সাম্যবাদী আন্দোলন গড়ে ওঠে। এই সব বিভিন্ন কারণে ১৯৬০-এর দশকে পৌঁছে আমরা দেখি ঔপনিবেশিক শক্তিগুলো হার মানছে। পৃথিবীর অধিকাংশ উপনিবেশRead More


উপনিবেশবাদ প্রসঙ্গে

উপনিবেশবাদ বা ঔপনিবেশিকতাবাদ (ইংরেজি: Colonialism) শব্দটি দ্বিতীয় সাম্রাজ্যবাদী মহাযুদ্ধোত্তরকালে বিশেষ করে বিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে সাম্রাজ্যবাদ শব্দটির সমার্থে ব্যবহারবহুল হয়েছে। শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো যে সব অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মপন্থার সাহায্যে একটি সাম্রাজ্যশক্তি অন্যান্য দেশ কিংবা অধিবাসীদের উপর নিয়ন্ত্রণ, সম্প্রসারণ অথবা বিস্তার বজায় রাখে। শব্দটির অর্থ সাম্রাজ্যবাদের সমতুল্য। দ্বিতীয় সাম্রাজ্যবাদী মহাযুদ্ধের আগে শব্দটির দ্বারা সাম্রাজ্য বিস্তার ও শিল্পোন্নয়নের জন্য আইনকানুন বিধিবদ্ধকরণে যে ঔপনিবেশিক রীতিনীতি বা কর্মপন্থা অনুসৃত হতো সেকথা বোঝাত। আগেকার কালে শব্দটির দ্বারা বোঝাত যে এক এক স্থানের কিছু অধিবাসী যখন নিজ দেশ ছেড়ে সাগরপারে সুদূর কোনো দেশে গিয়েRead More


সামরিক শিল্পই সাম্রাজ্যবাদের প্রধান শক্তি

সমর শিল্প বা Arms Industry’র একত্রীকরণ হচ্ছে বৃহত সামরিক শিল্পের অগ্রাধিকার ও সাম্রাজ্যবাদি রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্রযন্ত্রের সামরিক চক্রগুলোর মিলন, যারা একচেটিয়া বুর্জোয়ার শ্রেণিগত আধিপত্য সুদৃঢ়করণ ও তা বিস্তারের স্বার্থে সামরিক শক্তির অবিরত বিকাশের পক্ষপাতী। সামরিক শিল্প মালিকরা হচ্ছে রাষ্ট্রীয় একচেটিয়া পুঁজিবাদি ব্যবস্থার সবচেয়ে প্রতিক্রিয়াশীল ও আক্রমণাত্মক অংশ। সমর শিল্প অস্ত্র এবং সামরিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি তৈরির বৈশ্বিক ব্যবসা। এটি বাণিজ্যিক শিল্প নিয়ে গঠিত যেটি গবেষণা, উন্নতি, উৎপাদন এবং সামরিক উপকরণ, যন্ত্রপাতি ও সুবিধাসমূহের সেবার সাথে সংযুক্ত থাকে। অস্ত্র উৎপাদনকারী কোম্পানিসমূহকে প্রতিরক্ষা ঠিকাদার (defense contractors) বা সামরিক শিল্পের সাথে নির্দেশ করা হয়।Read More


চীনা অস্ত্র আমদানিতে আওয়ামি উৎসাহ বাংলাদেশকে সাম্রাজ্যবাদের অধীনস্থ করেছে

গণতন্ত্র হচ্ছে সামন্তবাদ, প্রাচ্য স্বৈরতন্ত্র ও জমিদারতন্ত্রের উৎখাত; জমির উপর কৃষকের পরিপূর্ণ মালিকানা। সেই গণতন্ত্রের কথা এখন আর কেউ বলে না। কিন্তু গণতন্ত্রের শত্রুরও অভাব নেই। চীনা সাম্রাজ্যবাদসহ সকল সাম্রাজ্যবাদ এখন গণতন্ত্র ও স্বাধীনতাবিরোধী হয়ে গেছে। পুঁজিবাদ সাম্রাজ্যবাদে রূপান্তরের পর গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে অনবরত যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। এই যুদ্ধ চালাতে গিয়ে তারা নির্বাচনকে গণতন্ত্র নাম দিয়েছে। চার পাঁচ বছর অন্তর অন্তর গণহত্যাকারী সরকার নির্বাচিত করছে। চীনা সাম্রাজ্যবাদী সরকার এখন দেশে দেশে যুদ্ধ রপ্তানি শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই তারা মায়ানমার ও শ্রীলংকায় গণহত্যা সংঘটনে জড়িয়ে পড়েছে। তারা মায়ানমারের মুসলিমদের হত্যায় উসকানি দিয়েছে এবংRead More


আমরা নিজেদের ক্ষমতায় দাঁড়াতে পারলে ইংরেজী শিক্ষার ব্যাপারটাই হয়ত থাকতো না — সাক্ষাতকারে ফকরুল আলম

ড. ফকরুল আলম গবেষক, প্রাবন্ধিক, সমালোচক, অনুবাদক। তাঁর জন্ম ১৯৫১ সনের ২০ জুলাই। ছাত্রাবস্থাবেই তিনি লেখালেখির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। তাঁর এ যাবত প্রকাশিত ইংরেজি গ্রন্থ ‘ড্যানিয়েল ডিফো-কলোনিয়াল প্রপাগান্ডিস্ট’, নিউইয়র্কের টোয়েন পাবলিকেশন্স থেকে প্রকাশিত ‘ভারতী মুখার্জি’ এবং ১৯৯৯ সালে ইউপিএল প্রকাশ করেছে ‘জীবনানন্দ দাশ সিলেক্টড পোয়েমস’। দেশ-বিদেশের অনেক পত্রিকা’, জার্নাল ও পুস্তকে তাঁর গবেষণামূলক অনেক প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। তিনি ‘জার্নাল অব দি এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ’-এর সম্পাদক এবং এশিয়াটিক সোসাইটি থেকে বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় যে এনসাইক্লোপেডিয়া প্রকাশিত হয়েছে সেটির সহকারি ভাষা সম্পাদক। পেশাগত দিক দিয়ে তিনি বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরRead More


রাশিয়া এবং তার পূর্বাঞ্চলের মুসলমানদের প্রতি আবেদন — স্তালিন ও লেনিন

—- অনুবাদক : ইভান অরক্ষিত সহযোদ্ধা ও ভাইয়েরা![১] রাশিয়াতে বিশাল বিশাল ঘটনা ঘটছে। অন্যান্য দেশগুলিকে পৃথক করার জন্য যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হচ্ছিল সেটার সমাপ্তি সন্নিকটে। মানুষের পৃথিবীতে মানুষকে দাসত্বে আবদ্ধকারী এবং ডাকাতদের শাসন প্রায় সমাপ্তির পথে। রুশ বিপ্লবের জোয়ারে দাসত্ব ও ভূমিদাসত্বের পুরানো পৃথিবীটা ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যাচ্ছে … একটি নতুন পৃথিবী জন্ম নিচ্ছে, শ্রমজীবি এবং স্বাধীন মানুষের একটি পৃথিবী। এই বিপ্লবের শীর্ষে রয়েছেন রাশিয়ার কৃষক ও শ্রমিকের সরকার, গনকমিসারের সোভিয়েতসমূহ। সারা রাশিয়া ছেয়ে গেছে শ্রমিক, কৃষক এবং সেনাদের বিপ্লবী সোভিয়েতে। এই রাষ্ট্রের ক্ষমতা জনগণের হাতে। রাশিয়ার খেটে খাওয়াRead More