You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > Posts tagged "ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম"

বীণা দাস ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের আদর্শবাদী নারী বিপ্লবী

বীণা দাস

বীণা দাস ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব ও অগ্নিযুগের নারী বিপ্লবী। তিনি ছিলেন কটকের নারী বিপ্লবী। তিনি লেখক ছিলেন ও মেয়েদের রাজনীতি, অর্থনীতি উৎসাহিত করে তোলার জন্য সাংগঠনিক কাজ করেছেন। তিনি যুগান্তর দলের সাথে যুক্ত ছিলেন। গভর্নর স্ট্যালি জ্যাকসনকে হত্যার বৃথা চেষ্টা করে ১৯৩২ থেকে ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত সাত বছর কারাবন্দী ছিলেন। কারামুক্ত হওয়ার পড়ে সাহিত্যজীবনে প্রবেশ করেন ও রাজনৈতিক কাজ অংশগ্রহণ করেছেন বিভিন্ন ভাবে। আরো পড়ুন

শান্তি ঘোষ ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের নারী বিপ্লবী

বিপ্লবী শান্তি ঘোষ

শান্তি ঘোষ (দাস) ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব ও অগ্নিযুগের নারী বিপ্লবী। তিনি ছিলেন কুমিল্লার নারী বিপ্লবী। নির্যাতিত মানুষের জন্য নানা সেবামূলক কাজ করেছেন। তিনি লেখক ছিলেন ও মেয়েদের রাজনীতি, অর্থনীতি, সম্পর্কে জ্ঞানী করে তোলার জন্য সাংগঠনিক কাজ করেছেন। তিনি যুগান্তর দলের সাথে যুক্ত ছিলেন। ১৯৩২ থেকে ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত সাত বছর কারাবন্দী ছিলেন। কারামুক্ত হওয়েও রাজনৈতিক কাজ করেছেন বিভিন্ন ভাবে। আরো পড়ুন

সুনীতি চৌধুরী ভারতের ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের উজ্জ্বল নক্ষত্র

সুনীতি চৌধুরী (ঘোষ ) (২২ মে, ১৯১৭-১২ জানুয়ারি, ১৯৮৮) ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব ও অগ্নিযুগের নারী বিপ্লবী। তিনি ছিলেন কুমিল্লার নারী বিপ্লবী। নিরীহ-দুঃস্থদের জন্য নানা সেবামূলক কাজ করেছেন।  তিনি ডাক্তার ছিলেন ও মেয়েদের রাজনীতি, অর্থনীতি, সম্পর্কে জ্ঞানী করে তোলার জন্য সাংগঠনিক কাজ করেছেন। তিনি যুগান্তর দলের সাথে যুক্ত ছিলেন। ১৯৩২ থেকে ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত সাত বছর কারাবন্দী ছিলেন। কারামুক্ত হওয়ার পরেও রাজনৈতিক কাজ করেছেন বিভিন্ন ভাবে। আরো পড়ুন

ভারতে পুনরাগমন — পাবলো নেরুদা

অধ্যাপক কুরি তখন বিশ্বশান্তি মহাসভার ফ্রান্স শাখার সভাপতি। তিনি চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন। কারণ, শান্তিবাদ বা যুদ্ধবিরােধী মতবাদ ভারতবর্ষে তেমন গুরুত্ব লাভ করছিল না, যদিও সবাই জানে যে ভারতবর্ষ শান্তিপ্রয়াসী দেশগুলাের মধ্যে অন্যতম। প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু নিজে শান্তি ও সহাবস্থান নীতির একজন বড়াে প্রবক্তা, কাজেই ভারতের মাটিতে এই নীতি অনেকখানি শিকড় গেড়ে বসেছিল। আরো পড়ুন

কল্যাণী দাস ছিলেন স্বাধীনতা আন্দোলনের যুগান্তর দলের বিপ্লবী

১৯০৭ সালের ২৮শে মে তারিখে কল্যাণী দাস জন্মগ্রহণ করেছিলেন কটকে। তার পিতা বেণীমাধব দাস, মাতা সবল দাস, ছোট ভগ্নী বীণা দাস। তাদের পিতৃভূমি ছিলও চট্টগ্রাম। দুই বোন কল্যাণী ও বীণার জীবনে গভীর প্রভাব ছিল তাঁদের পিতামাতার এবং বড়মামা অধ্যাপক বিনয়েন্দ্রনাথ সেনেব। পিতামাতার নিকট থেকেই শুনতেন তার বড় মামার মহৎ চরিত্রকথা। পিতার কাছ থেকে কল্যাণী ও বীণা ছোটবেলায় বসে বসে শুনতেন সমাজ বিপ্লবীদেব জীবনী। একটা আদর্শের জন্য মানুষ যে কত বড় ত্যাগ স্বীকার করতে পারে সেসব কথা শুনে শুনে বিপ্লবী রাজনীতির দিকে আকৃষ্ট হন। আরো পড়ুন

লীলা নাগ ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অগ্নিকন্যা

বিপ্লবী লীলা নাগ

লীলা নাগ ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব ও অগ্নিযুগের বিপ্লবী। তিনি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ছাত্রী। নারীশিক্ষার জন্য নানা সেবামূলক কাজ করেছেন।  তিনি ‘দীপালী সংঘ’ গঠন করেন মেয়েদের রাজনীতি, অর্থনীতি, সাহিত্য সম্পর্কে জ্ঞানী করে তোলার জন্য। তিনি প্রথমে কংগ্রেসে যুক্ত থাকেন এরপরে নেতাজী সুভাষচন্দ্রের ‘ফরওয়ার্ড ব্লক’

জালিয়ানওয়ালাবাগ গণহত্যা প্রসঙ্গে

জালিয়ানওয়ালাবাগ গণহত্যা বা অমৃতসর গণহত্যা (ইংরেজি: Jallianwala Bagh massacre) ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে অন্যতম কুখ্যাত গণহত্যা। প্রথম মহাযুদ্ধ পরবর্তীকালে ১৩ এপ্রিল, ১৯১৯ সনে অবিভক্ত ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের অমৃতসর শহরে ইংরেজ সামরিক অধিনায়ক নরপিশাচ জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে জালিয়ানওয়ালাবাগ নামক একটি বন্ধ উদ্যানে আরো পড়ুন

মৌলানা আবুল কালাম আজাদ ছিলেন উপমহাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের জাতীয়তাবাদী নেতা

মৌলানা আবুল কালাম আজাদ (ইংরেজি: Maolana Abul Kalam Azad; ১১ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৮) ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম জাতীয়তাবাদী নেতা এবং ইসলাম ধর্মের প্রাজ্ঞ পণ্ডিত। পিতা মওলানা খায়রুল দীন এবং পিতামহের সূত্রে মৌলানা আজাদের পরিবারের আরবের হেজাজ এবং মক্কার সঙ্গে সংযোগ ছিল। আরো পড়ুন

আবদুল গাফফার খান পাখতুনিস্তান আন্দোলনের নেতা

‘খান আব্দুল গফফার খান’ (ইংরেজি: Abdul Gaffar Khan) রূপে ইনি পরিচিত। আফগানিস্তানের পার্শ্ববর্তী ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর পশ্চিম সীমান্ত এলাকার অধিবাসী। উপমহাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের আন্দোলনকালে গান্ধীর অহিংস নীতির অনুসারী বলে ‘সীমান্ত গান্ধী’ হিসাবে খ্যাতি অর্জন করেন। পুশতুভাষী এই অঞ্চলের অধিবাসীগণ নিজেদের একটি বিশিষ্ট জাতি বলে বিবেচনা করে। আরো পড়ুন

গদর পার্টি ছিলো প্রধানত পাঞ্জাবিদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত ভারতীয় বিপ্লবী সংগঠন

গদর পার্টি (ইংরেজি: Gadar Party বা Ghadar Party) প্রধানত পাঞ্জাবিদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত ভারতীয় বিপ্লবী সংগঠন ছিল। গদর শব্দটির অর্থ হলো বিদ্রোহ। ক্যালিফোর্নিয়ার স্টকটন শহরে বসবাসকারী শিখদের নিয়ে ১৯১৩ সালে দলটির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন লালা হরদয়াল। আরো পড়ুন

Top