আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > Posts tagged "ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম"

খোকা রায় ছিলেন ব্রিটিশ বিরোধী যুগান্তর দলের সদস্য, সাম্যবাদী নেতা এবং বাঙালি বিপ্লবী

খোকা রায়

কমরেড খোকা রায় ( মার্চ, ১৯০৭ – ৯ ডিসেম্বর, ১৯৯২) ছিলেন ব্রিটিশ বিরোধী যুগান্তর দলের সদস্য, সাম্যবাদী নেতা এবং বাঙালি বিপ্লবী। খোকা রায়ের জন্ম ১৯০৭ সালের মার্চ মাসে মময়নসিংহে। নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত অবস্থায় কংগ্রেসের কর্মি হিসেবে তাঁর রাজনীতিতে হাতেখড়ি এবং ১৯২১ সালে তিনি অসহযোগ আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। এই সময়েই মাত্র ১৫ বছর বয়সে সশস্ত্র বিপ্লবী দল যুগান্তর দলে যোগাদান করে এই দলের আন্ডার গ্রাউন্ড বিভাগে একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে কাজ শুরু করেন। আরো পড়ুন

কাশ্মীর হচ্ছে ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তরতম ভৌগলিক অঞ্চল

কাশ্মীর

কাশ্মীর (ইংরেজি: Kashmir) হচ্ছে ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তরতম ভৌগলিক অঞ্চল। উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত "কাশ্মীর" শব্দটি কেবল বৃহত্তর হিমালয় এবং পীর পাঞ্জাল পর্বতমালার মাঝের কাশ্মীর উপত্যকাকে বোঝাত। এখন, কাশ্মীর রাজনৈতিকভাবে একটি বৃহত্তর অঞ্চলকে বোঝায় যেখানে ভারত শাসিত জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ অঞ্চল, পাকিস্তান-শাসিত আজাদ কাশ্মীর এবং গিলগিত-বালতিস্তান অঞ্চল

ভারত ছাড় আন্দোলন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালে স্বাধীনতার দাবিতে সৃষ্ট বামপন্থীদের আন্দোলন

ভারত ছাড় আন্দোলন (ইংরেজি: Quit India Movement) হচ্ছে দ্বিতীয় বিশ্ব-মহাযুদ্ধের মধ্যবর্তীকালে ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দের আগস্ট মাসে কংগ্রেস সোশ্যালিস্ট পার্টি ও ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস কর্তৃক ইংরেজ সরকারের আশু ভারত পরিত্যাগ ও দেশের পূর্ণ স্বাধীনতার দাবিতে সৃষ্ট আন্দোলন। বিষয়টি বােঝার সুবিধার্থে পূর্ববর্তী প্রাসঙ্গিক ঘটনাবলির সামান্য উল্লেখ প্রয়ােজন। মাদ্রাজ অধিবেশনের (১৯২৭) সময় থেকেই কংগ্রেস

ভারতীয় বিপ্লবীদের কার্যকলাপ ভারতের বিপ্লবী জাতীয় মুক্তি আন্দোলনের একটি প্রধান অধ্যায়

বিপ্লবী আন্দোলন

ভারতের বিপ্লবী জাতীয় মুক্তি আন্দোলন (ইংরেজি: Revolutionary movement for Indian independence) হচ্ছে ভারতীয় বিপ্লবীদের জাতীয় মুক্তি আন্দোলনের বহুবিধ কার্যকলাপের প্রধান অধ্যায়। এই আন্দোলন গোপন ও প্রকাশ্য বিপ্লবী দলগুলির ক্রিয়াকলাপের একটি অংশ ছিল। স্বাধীনতার শত্রু মুৎসুদ্দি প্রতিনিধি সাম্প্রদায়িক সামন্তবাদী মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর নেতৃত্বে পরিচালিত সাধারণভাবে আইন অমান্য আন্দোলনের বিরোধী হিসাবে ক্ষমতাসীন

বীণা দাস ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের আদর্শবাদী নারী বিপ্লবী

বীণা দাস

বীণা দাস ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব ও অগ্নিযুগের নারী বিপ্লবী। তিনি ছিলেন কটকের নারী বিপ্লবী। তিনি লেখক ছিলেন ও মেয়েদের রাজনীতি, অর্থনীতি উৎসাহিত করে তোলার জন্য সাংগঠনিক কাজ করেছেন। তিনি যুগান্তর দলের সাথে যুক্ত ছিলেন। গভর্নর স্ট্যালি জ্যাকসনকে হত্যার বৃথা চেষ্টা করে ১৯৩২ থেকে ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত সাত বছর কারাবন্দী ছিলেন। কারামুক্ত হওয়ার পড়ে সাহিত্যজীবনে প্রবেশ করেন ও রাজনৈতিক কাজ অংশগ্রহণ করেছেন বিভিন্ন ভাবে। আরো পড়ুন

শান্তি ঘোষ ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের নারী বিপ্লবী

বিপ্লবী শান্তি ঘোষ

শান্তি ঘোষ (দাস) ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব ও অগ্নিযুগের নারী বিপ্লবী। তিনি ছিলেন কুমিল্লার নারী বিপ্লবী। নির্যাতিত মানুষের জন্য নানা সেবামূলক কাজ করেছেন। তিনি লেখক ছিলেন ও মেয়েদের রাজনীতি, অর্থনীতি, সম্পর্কে জ্ঞানী করে তোলার জন্য সাংগঠনিক কাজ করেছেন। তিনি যুগান্তর দলের সাথে যুক্ত ছিলেন। ১৯৩২ থেকে ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত সাত বছর কারাবন্দী ছিলেন। কারামুক্ত হওয়েও রাজনৈতিক কাজ করেছেন বিভিন্ন ভাবে। আরো পড়ুন

সুনীতি চৌধুরী ভারতের ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের উজ্জ্বল নক্ষত্র

সুনীতি চৌধুরী (ঘোষ ) (২২ মে, ১৯১৭-১২ জানুয়ারি, ১৯৮৮) ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব ও অগ্নিযুগের নারী বিপ্লবী। তিনি ছিলেন কুমিল্লার নারী বিপ্লবী। নিরীহ-দুঃস্থদের জন্য নানা সেবামূলক কাজ করেছেন।  তিনি ডাক্তার ছিলেন ও মেয়েদের রাজনীতি, অর্থনীতি, সম্পর্কে জ্ঞানী করে তোলার জন্য সাংগঠনিক কাজ করেছেন। তিনি যুগান্তর দলের সাথে যুক্ত ছিলেন। ১৯৩২ থেকে ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত সাত বছর কারাবন্দী ছিলেন। কারামুক্ত হওয়ার পরেও রাজনৈতিক কাজ করেছেন বিভিন্ন ভাবে। আরো পড়ুন

ভারতে পুনরাগমন — পাবলো নেরুদা

অধ্যাপক কুরি তখন বিশ্বশান্তি মহাসভার ফ্রান্স শাখার সভাপতি। তিনি চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন। কারণ, শান্তিবাদ বা যুদ্ধবিরােধী মতবাদ ভারতবর্ষে তেমন গুরুত্ব লাভ করছিল না, যদিও সবাই জানে যে ভারতবর্ষ শান্তিপ্রয়াসী দেশগুলাের মধ্যে অন্যতম। প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু নিজে শান্তি ও সহাবস্থান নীতির একজন বড়াে প্রবক্তা, কাজেই ভারতের মাটিতে এই নীতি অনেকখানি শিকড় গেড়ে বসেছিল। আরো পড়ুন

কল্যাণী দাস ছিলেন স্বাধীনতা আন্দোলনের যুগান্তর দলের বিপ্লবী

১৯০৭ সালের ২৮শে মে তারিখে কল্যাণী দাস জন্মগ্রহণ করেছিলেন কটকে। তার পিতা বেণীমাধব দাস, মাতা সবল দাস, ছোট ভগ্নী বীণা দাস। তাদের পিতৃভূমি ছিলও চট্টগ্রাম। দুই বোন কল্যাণী ও বীণার জীবনে গভীর প্রভাব ছিল তাঁদের পিতামাতার এবং বড়মামা অধ্যাপক বিনয়েন্দ্রনাথ সেনেব। পিতামাতার নিকট থেকেই শুনতেন তার বড় মামার মহৎ চরিত্রকথা। পিতার কাছ থেকে কল্যাণী ও বীণা ছোটবেলায় বসে বসে শুনতেন সমাজ বিপ্লবীদেব জীবনী। একটা আদর্শের জন্য মানুষ যে কত বড় ত্যাগ স্বীকার করতে পারে সেসব কথা শুনে শুনে বিপ্লবী রাজনীতির দিকে আকৃষ্ট হন। আরো পড়ুন

লীলা নাগ ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অগ্নিকন্যা

বিপ্লবী লীলা নাগ

লীলা নাগ ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব ও অগ্নিযুগের বিপ্লবী। তিনি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ছাত্রী। নারীশিক্ষার জন্য নানা সেবামূলক কাজ করেছেন।  তিনি ‘দীপালী সংঘ’ গঠন করেন মেয়েদের রাজনীতি, অর্থনীতি, সাহিত্য সম্পর্কে জ্ঞানী করে তোলার জন্য। তিনি প্রথমে কংগ্রেসে যুক্ত থাকেন এরপরে নেতাজী সুভাষচন্দ্রের ‘ফরওয়ার্ড ব্লক’

Top
You cannot copy content of this page