Main Menu

কারখানা

 
 

বৈজ্ঞানিক ও টেকনিক্যাল কাজের খসড়া পরিকল্পনা — ভি আই লেনিন

(Draft Plan of Scientific and Technical Work) বিজ্ঞান একাডেমি, যে প্রতিষ্ঠান রাশিয়ার স্বাভাবিক উৎপাদনী শক্তি[১] নিয়ে নিয়মিত সমীক্ষা ও গবেষণা শুরু করেছে, সুপ্রিম অর্থনৈতিক কাউন্সিল থেকে রাশিয়ার শিল্পগত পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পরিকল্পনা আরও দ্রুত রচনার জন্য বিশেষজ্ঞদের নিয়ে কয়েকটা কমিশন গঠন করার জন্য এই প্রতিষ্ঠানের ওপর অবিলম্বে নির্দেশ দেওয়া উচিত। এই পরিকল্পনায় নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত : কাছাকাছি কাঁচামাল পাবার এবং কাঁচামালের প্রসেসিং থেকে শুরু করে পূর্ণপ্রস্তুত উৎপন্ন পাওয়া পর্যন্ত তার পূর্ববর্তী সমস্ত পর্যায়ে অর্ধপ্রস্তুত দ্রব্যাদি প্রসেসিং-এ সর্বনিম্ন শ্রম ব্যয়ের দিক থেকে রাশিয়ায় শিল্প স্থাপনের যুক্তিযুক্ত স্থাননির্ধারণ করা;Read More


শ্রমিক ও যন্ত্রের বিরোধ এবং লুডবাদী আন্দোলন

ইউরোপের শিল্প বিপ্লবের ফলে একদিকে পুরোনো হস্তশিল্প ও কুটিরশিল্প ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় আর অন্যদিকে শহরে শহরে যন্ত্রভিত্তিক শিল্পকারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়।  শিল্প বিপ্লবের শুরুর দিকে পুঁজিবাদের নানা ক্ষতিকর অনুষঙ্গের আবির্ভাবের কারণে নতুনতর যন্ত্রপাতির নিয়োগ, অবাধ প্রতিযোগিতা, অতি উৎপাদন, মন্দা, ছাঁটাই ইত্যাদি ঘটতে থাকে এবং কর্মহীন বেকার মানুষ বাড়তে থাকে। সচেতন, রাজনৈতিক জ্ঞানসমৃদ্ধ শ্রমিকশ্রেণি পরিচালিত শ্রেণিসংগ্রাম সংগঠিত হবার পূর্বে এসব বেকার ও কর্মচ্যুত মানুষের মধ্যে এরূপ মনোভাবের উদয় হয়েছিল যে তারা বুঝেছিল তাদের এই দুরবস্থার জন্য যন্ত্র এবং কারখানাই দোষী। অষ্টাদশ শতকে একদল শ্রমিক এরূপ চিন্তা থেকে কারখানার যন্ত্রপাতি ধ্বংস করার নীতি গ্রহণRead More


গণচীনের ইতিহাসে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির ভূমিকা

গণপ্রজাতন্ত্রী চীন (চৈনিক: 中国 অর্থাৎ “মধ্যদেশ”, ম্যান্ডারিন উচ্চারণে: চুংকুও) পূর্ব এশিয়ার একটি রাষ্ট্র যেখানে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি ১৯৪৯ সালে গৃহযুদ্ধে জয়লাভ করে এবং চীনের মূল ভূখণ্ডে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে। ১৩০ কোটি জনসংখ্যার অধিকারী বর্তমান চীন পৃথিবীর সবচেয়ে জনবহুল এবং আয়তনের দিক থেকে এশিয়ার সর্ববৃহৎ রাষ্ট্র। এর আয়তন প্রায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমান।[১] ১৯১১ সালে মাঞ্চুশাসনের পতনের পর থেকে সামন্তপ্রভুদের স্বেচ্ছাচার, শোষণ, বিদেশি লুণ্ঠন ও নিপীড়ন, বন্যা, দুর্ভিক্ষ ও বিপ্লবী লড়াইয়ের প্রতিক্রিয়া গোটা দেশকে এক ছন্নছাড়া অবস্থার মধ্যে এনে দাঁড় করায়। রাস্তাঘাট ভাঙা, সেচব্যবস্থা ছিন্নভিন্ন, পয়ঃপ্রণালি অকেজো। তার সাথে যুদ্ধেRead More


কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার, প্রলেতারিয়েত ও কমিউনিস্টগণ

— কার্ল মার্কস ও ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস দ্বিতীয় অংশ প্রথম অংশ পড়ুন এই লিংক থেকে পরিবারের উচ্ছেদ! উগ্র চরমপন্থীরা পর্যন্ত কমিউনিস্টদের এই গৰ্হিত প্ৰস্তাবে ক্ষেপে ওঠে। আধুনিক পরিবার অর্থাৎ বুর্জোয়া পরিবারের প্রতিষ্ঠা কোন ভিত্তির উপর? সে ভিত্তি হলো পুঁজি, ব্যক্তিগত লাভ। এই পরিবারের পূর্ণ বিকশিত রূপটি শুধু বুর্জোয়া শ্রেণির মধ্যেই আবদ্ধ। কিন্তু এই অবস্থারই অনুপূরণ দেখা যাবে প্রলেতারীয়দের পক্ষে পরিবারের কার্যত অনুপস্থিতিতে এবং প্রকাশ্য পতিতাবৃত্তির ভিতর। অনুপূরক এই অবস্থার অবসানের সঙ্গে সঙ্গে বুর্জোয়া পরিবারের লোপও অবশ্যম্ভাবী, পুঁজির উচ্ছেদের সঙ্গেই আসবে উভয়ের অন্তর্ধান। আমাদের বিরুদ্ধে কি এই অভিযোগ যে সন্তানের উপর পিতামাতারRead More


কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার, প্রলেতারিয়েত ও কমিউনিস্টগণ

— কার্ল মার্কস ও ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার, প্রলেতারিয়েত ও কমিউনিস্টগণ সমগ্রভাবে প্রলেতারীয়দের সঙ্গে কমিউনিস্টদের কী সম্বন্ধ? শ্রমিক শ্রেণীর অন্যান্য পাটিগুলির প্রতিপক্ষ হিসাবে কমিউনিস্টরা স্বতন্ত্র পার্টি গঠন করে না। সমগ্রভাবে প্রলেতারিয়েতের স্বাৰ্থ থেকে বিচ্ছিন্ন স্বতন্ত্র কোনো স্বাৰ্থ তাদের নেই। প্রলেতারীয় আন্দোলনকে রূপ দেওয়া বা গড়ে পিটে তোলার জন্য তারা নিজস্ব কোনও গোষ্ঠীগত নীতি খাড়া করে না। শ্রমিক শ্রেণীর অন্যান্য পার্টি থেকে কমিউনিস্টদের তফাতটা শুধু এই: (১) নানা দেশের মজুরদের জাতীয় সংগ্রামের ভিতর তারা জাতি-নির্বিশেষে সারা প্রলেতারিয়েতের সাধারণ স্বার্থটার দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে, তাকেই সামনে টেনে আনে। (২) বুর্জোয়াদের বিরুদ্ধেRead More


কমিউনিজমের নীতিমালা — ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস

প্রশ্ন-১. কমিউনিজম কি? উত্তর: কমিউনিজম হলো প্রলেতারিয়েতের মুক্তির পদ্ধতি সংক্রান্ত মতবাদ। প্রশ্ন-২. প্রলেতারিয়েত কি? উত্তর: প্রলেতারিয়েত হলো সমাজের সেই শ্রেণি যে শ্রেণির সদস্যরা সম্পূর্ণ জীবিকার সংস্থান করে কেবল শ্রমশক্তি বিক্রি করে, কোনো রকমের পুঁজির মুনাফা দ্বারা নয়। প্রলেতারিয়েত তাঁদের নিয়েই গঠিত যাদের সুখ-দুঃখ, যাদের জীবন-মৃত্যু, যাদের সম্পূর্ণ অস্তিত্ব নির্ভর করে শ্রমশক্তির চাহিদার উপর—অর্থাৎ ব্যবসায়ের উঠতি-পড়তির পালা বদলের দ্বারা সৃষ্ট অবস্থার উপর, নিয়ন্ত্রণহীন প্রতিযোগিতার খেয়ালখুশির উপর। এককথায় প্রলেতারিয়েত বা প্রলেতারিয়ানদের শ্রেণি হলো উনিশ শতকের শ্রমিক শ্রেণি। প্রশ্ন-৩. তাহলে কি প্রলেতারিয়ানেরা সকল সময় ছিলো না? উত্তর: না। গরিব জনসাধারণ এবং শ্রমিক শ্রেণিসমূহRead More


কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার, বুর্জোয়া ও প্রলেতারিয়েত

কার্ল মার্কস ও ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার, বুর্জোয়া ও প্রলেতারিয়েত তৃতীয় অংশ প্রথম অংশ, দ্বিতীয় অংশ, চতুর্থ অংশ, মধ্য শ্রেণির নিম্ন স্তর — ছোটোখাট ব্যবসায়ী, দোকানদার, সাধারণত ভূতপূর্ব কারবারীরা সবাই, হস্তশিল্পী এবং চাষীরা— তারা ধীরে ধীরে প্রলেতারিয়েতের মধ্যে নেমে আসে। তার এক কারণ, যতখানি বড় আয়তনে আধুনিক শিল্প চালাতে হয় এদের সামান্য পুঁজি তার পক্ষে যথেষ্ট নয় এবং প্রতিযোগিতায় বড় পুঁজিপতিরা এদের গ্রাস করে ফেলে; অপর কারণ, উৎপাদনের নূতন পদ্ধতির ফলে এদের বিশিষ্ট নৈপুণ্যটুকু অকেজো হয়ে দাঁড়ায়। সুতরাং প্রলেতারিয়েতের পুষ্টিলাভ হতে থাকে জনগণের প্রতিটি শ্রেণি থেকে আগত লোকের দ্বারা।Read More


কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার, বুর্জোয়া ও প্রলেতারিয়েত

কার্ল মার্কস ও ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার, বুর্জোয়া ও প্রলেতারিয়েত দ্বিতীয় অংশ প্রথম অংশ, তৃতীয় অংশ, চতুর্থ অংশ, নিজেদের প্রস্তুত মালের জন্য অবিরত বর্ধমান এক বাজারের তাগিদ বুর্জোয়া শ্রেণিকে সারা পৃথিবীময় দৌড় করিয়ে বেড়ায়। সর্বত্র তাদের ঢুকতে হয়, সর্বত্র গেড়ে বসতে হয়, যোগসূত্র স্থাপন করতে হয় সর্বত্র। বুর্জোয়া শ্রেণি বিশ্ববাজারকে কাজে লাগাতে গিয়ে প্রতিটি দেশেরই উৎপাদন ও উপভোগে একটা বিশ্বজনীন চরিত্র দান করেছে। প্রতিক্রিয়াশীলদের ক্ষুব্ধ করে তারা শিল্পের পায়ের তলা থেকে কেড়ে নিয়েছে সেই জাতীয় ভূমিটা যার ওপর শিল্প আগে দাঁড়িয়েছিলো সমস্ত সাবেকি জাতীয় শিল্প হয় ধ্বংস পেয়েছে নয়Read More


কমিউনিস্ট ইশতেহারের ১৮৯৩ সালের ইতালীয় সংস্করণের ভূমিকা

ইতালীয় পাঠকদের প্রতি বলা যেতে পারে যে ‘কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার’ প্ৰকাশিত হয় ১৮৪৮ খ্রীস্টাব্দের ১৮ মার্চের সঙ্গে সঙ্গে— মিলানে ও বার্লিনে বিপ্লব ঘটে এই তারিখটায়— ইউরোপীয় ভূখণ্ডের মধ্যস্থলের একটি, এবং ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের মধ্যস্থলে একটি, এই দুই জাতির সশস্ত্ৰ অভ্যুত্থান ছিলো তা, এবং তা এমন দুটি জাতি যা বিভাগ ওঅন্তর্দ্বন্দ্বে তখনো পর্যন্ত দুর্বল হয়ে ছিলো এবং সেই কারণে বৈদেশিক প্রভুত্বের অধীনস্থ হয়। ইতালি ছিল অস্ট্রীয় সম্রাটের অধীন, আর জার্মানি বহন করত অনেক অপ্ৰত্যক্ষ হলেও সর্বরুশীয় জারের সমান কার্যকরী জোয়াল। ১৮৪৮ খ্ৰীস্টাব্দের ১৮ মার্চের ফলাফলে ইতালি ও জার্মানি উভয়েই এ লজ্জা থেকেRead More


কমিউনিস্ট ইশতেহারের ১৮৯২ সালের পোলীয় সংস্করণের ভূমিকা

‘কমিউনিস্ট ইশতেহারের’ একটি নূতন পোলীয় সংস্করণের যে প্রয়োজন হলো তাতে নানা কথা মনে আসে। প্রথমত, ‘ইশতেহারটি’ যেন ইদানীং ইউরোপীয় ভূখণ্ডে বৃহদায়তন শিল্প বিকাশের একটা সূচক হয়ে দাঁড়িয়েছে, এ কথা উল্লেখ করা প্রয়োজন। এক একটি দেশে বৃহদায়তন শিল্প যে পরিমাণে বাড়ে, সেই পরিমাণেই মালিক শ্রেণিগুলির তুলনায় শ্রমিক শ্রেণির নিজস্ব শ্রেণিগত অবস্থান থেকে জ্ঞানলাভের জন্য আগ্রহ বাড়ে; তাদের মধ্যে প্রসার লাভ করে সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন ও ‘ইশতেহারের’ চাহিদা বাড়ে। তাই শুধু শ্রমিক আন্দোলনের অবস্থা নয়, প্রতি দেশে বৃহদায়তন শিল্প বিকাশের মাত্ৰাও বেশ সঠিকভাবে মাপা যায় সে দেশের ভাষায় ‘ইশতেহারের’ কত কপি বিক্রি হয়েছেRead More