You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > Posts tagged "আন্তর্জাতিক সম্পর্ক"

আন্তর্জাতিকতাবাদ প্রসঙ্গে

ইন্টারন্যাশনালিজম বা আন্তর্জাতিকতাবাদের (ইংরেজি: Internationalism) একটি সাধারণ অর্থ বিশ্বের জাতিসমূহের মধ্যে সৌহার্দ্যমূলক সম্পর্ক বজায় রাখার নীতি। কিন্তু শব্দটির বিকাশ ঘটেছে আধুনিককালে সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদের বিরোধী চিন্তা হিসাবে। সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদের প্রবণতা হচ্ছে নিজের জাতি ও রাষ্ট্রের স্বার্থকে প্রধান বলে গণ্য করা এবং অপর জাতি এবং রাষ্ট্রের স্বার্থসমূহকে উপেক্ষা করা। সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদের মারাত্মক

শক্তির ভারসাম্য কাকে বলে?

শক্তির ভারসাম্য (ইংরেজি: Balance of Power) একটি দেশের কূটনীতির ক্ষেত্রে অনুসৃত কৌশলের ব্যাপার। একটি রাষ্ট্র যদি তার বৈদেশিক নীতির ক্ষেত্রে এরূপ কৌশল অবলম্বন করে কিংবা করার চেষ্টা করে যাতে তার নিজের রাজনীতিক, অর্থনীতিক এবং সামরিক শক্তিকে আর কোনো রাষ্ট্র বা রাষ্ট্রগোষ্ঠীয় অনুরূপ শক্তি অতিক্রম করে যেতে না পারে তা হলে

প্ররোচক কাকে বলে

রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনের ক্ষেত্রে প্ররোচক বা উস্কানিদাতা বা দালাল (ফরাসি: Agent Provocateur) হচ্ছে সেই ধরনের লোক যাদেরকে নিজ পক্ষের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য প্রতিদ্বন্দ্বী অন্য পক্ষের ভিতর সমর্থকের ছদ্মবেশে অনুপ্রবেশ করিয়ে দেয়া হয়। এরূপ কৌশলের প্রধান উদ্দেশ্য হয় ছদ্মবেশী সমর্থক দ্বারা এমন কোনো ঘটনার আরো পড়ুন

কূটনীতি হচ্ছে বিভিন্ন রাষ্ট্রের পারস্পরিক স্বার্থে সাহায্য ও সহযােগিতার নীতি

বিভিন্ন রাষ্ট্রের মধ্যে পারস্পরিক স্বার্থে সাহায্য ও সহযােগিতার সম্পর্ককে কূটনীতি (ইংরেজি: Diplomacy) বলে। কূটনীতির সঙ্গে পররাষ্ট্রনীতির সম্পর্ক নিবিড়। নিজ নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উন্নতি ও অন্যান্য প্রয়ােজনে প্রতিটি রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বৈদেশিক নীতি প্রণয়ন করে। কুটনীতির মাধ্যমে সেই নীতি রূপায়িত হয়। আরো পড়ুন

স্নায়ুযুদ্ধের কতিপয় বৈশিষ্ট্য

দ্বিতীয় সাম্রাজ্যবাদী মহাযুদ্ধের পরে গোটা সাম্রাজ্যবাদী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসমাজতন্ত্রী সোভিয়েত ইউনিয়নের ভেতরে যে ছদ্ম-যুদ্ধ চলে তাই স্নায়ুযুদ্ধ নামে পুঁজিবাদের সমর্থক বুদ্ধিজীবীদের নিকট পরিচিতি পায়। এই স্নায়ু যুদ্ধের কতকগুলি বৈশিষ্ট্য বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য। আরো পড়ুন

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী বিশ্ব রাজনীতির প্রধান প্রধান শক্তি হচ্ছে রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে একটি নতুন যুগের সূচনা হয়েছিল, সমস্ত ইউরোপীয় উপনিবেশিক সাম্রাজ্যের পতন এবং একই সাথে দুটি পরাশক্তির উত্থান ঘটেছিল। পরাশক্তি দুটি হচ্ছে সোভিয়েত ইউনিয়ন (USSR) এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (USA)। সোভিয়েত ইউনিয়ন মানবজাতিকে সাম্যবাদের মুক্তির ধারায় চালিত করেছিল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মানবজাতিকে পরাধীনতা ও দাসত্বের ধারায় নিয়ে চলেছে। দ্বিতীয় সাম্রাজ্যবাদী

Top