Main Menu

জ্ঞান

 
 

বিশ্লেষণবিহীন ছোট লেখার ভুল প্রসঙ্গে

বিশ্লেষণবিহীন ছোট লেখা হয়ত মনের ছোট একটি ভাব প্রকাশের জন্য যথেষ্ট। কিন্তু ছোট এক দুই বাক্যের লেখা কোনো গবেষণাকর্ম নয়। দার্শনিক চিন্তার অনেক কাজের একটি হচ্ছে দর্শন কোনো না কোনো শ্রেণির সেবা করে। ফলে প্রাধান্যকারি শ্রেণিটির চিন্তা সেই নির্দিষ্ট সময়ের প্রভাবশালী দার্শনিকগণ উপস্থাপন করেন। এই উপস্থাপনার ভেতরেই লুকিয়ে আছে ছোট লেখার ভুল দৃষ্টিভঙ্গি। ছোট লেখা দীর্ঘ বিশ্লেষণ ও বস্তুর সমস্ত দিকের বিশ্লেষণ হাজির করতে অপারগ। অনেক তরুণ যারা লেখক হতে চান, বা যারা ইতিমধ্যেই লিখছেন তারা মনের ভাব প্রকাশের জন্য এক দুই বাক্য লিখেন। এঁদের ভেতরে একটি পক্ষ আছেন যারাRead More


জ্ঞান প্রসঙ্গে

জ্ঞান হচ্ছে অর্থনৈতিক ভিত্তির উপরিকাঠামো আবার এই জ্ঞান ভিত্তিকে প্রভাবিত করে এবং বদলেও ফেলে। জ্ঞান অর্থনৈতিক শোষণের একটি বাইপ্রোডাক্ট। যারা শোষণ তৈরি করতে পারেনি, তারা সভ্য হতে পারেনি, আদিম গোষ্ঠীবদ্ধ সমাজে থেকে গেছে। গত ১০০০ বছরে শহরগুলো কেন শোষণের কেন্দ্র হয়েছে, কেন শহরগুলোর চেয়ে রাষ্ট্র বেশি শক্তিশালী হয়েছে, এই প্রশ্নের দিকে তাকালেই আমরা দেখব জ্ঞান কেন্দ্রীভূত হয়েছে শহরে, সাথে প্রযুক্তিকেও টেনে এনেছে। এই জ্ঞানের কেন্দ্রগুলো পরস্পরের উপরে আক্রমণ চালিয়েছে। দুর্দশা আর যুদ্ধের কারণ যে দাস, সামন্তবাদী আর পুঁজিবাদী অর্থনীতির নানা ধরনের, অগ্রবর্তী ও পশ্চাৎবর্তী অর্থনীতির দ্বন্দ্বের ফল তা অনেক সময়Read More


যুব লীগের কর্তব্য — ভি. আই. লেনিন

১৯২০ সালের ২ অক্টোবর রাশিয়ার কমিউনিস্ট যুবলীগের তৃতীয় সারা রাশিয়া কংগ্রেসে ভাষণ (লেনিনের উদ্দেশে কংগ্রেসের তুমূল অভিনন্দনোচ্ছাস।)। কমরেডগণ, আমি আজ আলোচনা করতে চাই যুব কমিউনিস্ট লীগের মূল কর্তব্য কী এবং এই প্রসঙ্গেই, সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে সাধারণভাবে যুবজনের কীরূপ সংগঠন হওয়া উচিত তাই নিয়ে। সমস্যাটি আলোচনা করা আরও আবশ্যক এইজন্য যে, কমিউনিস্ট সমাজ সৃষ্টির সত্যিকার কর্তব্য পড়বে যুবজনেরই ওপর। কারণ একথা পরিষ্কার যে কর্মীদের যে-পুরুষ পুঁজিবাদী সমাজে মানুষ হয়েছে তারা শোষণের ওপর প্রতিষ্ঠিত সাবেকী পুঁজিবাদী সমাজ জীবনের বুনিয়াদটাই বড়ো জোর ধ্বংস করতে পারে। বড়ো জোর এমন একটা সমাজব্যবস্থা সৃষ্টির কর্তব্য পালন করতেRead More


গ্রন্থাগার: মহাজগতের কল্লোল

জীব যেমন জীবাশ্ম হয়ে ভূ-ত্বকের স্তরে স্তরে লক্ষ লক্ষ বছর ধরে নিজেদের অস্তিত্বকে চিহ্নিত করে রেখেছে, তেমনি মানুষের কর্মপ্রেরণার সকল চিহ্ন আটকা পড়ে আছে গ্রন্থাগারে। এখানে অক্ষরের বুকে আঁকা আছে মানবসৃষ্ট সকল জ্ঞান, সকল ভাবনা, তাদের আশা আর স্বপ্ন। যেইমাত্র মানুষ জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার আলোকে নিজেকে বদলাতে শিখল, বদলে দিতে শিখল তার পার্শ্ববর্তি পরিবেশকে, সেইমাত্র সে নিজের জ্ঞান ও ভাবকে জানাতে চাইল অন্যের কাছে। নিজের ভাবকে অন্যের কাছে জানাতে গিয়েই প্রয়োজন পড়লো কথা, সংগীত, শব্দকে অক্ষরের চিহ্নে ধরে রাখবার। মানুষের লক্ষ বছরের ভাবনার কোলাহল তাই রূপ পেয়েছে শত কোটি পুস্তকেরRead More


সমাজতান্ত্রিক সমাজ গড়তে সমাজতান্ত্রিক শিক্ষার গুরুত্ব

বিশ শতকের প্রথমার্ধে জনগণকে সুশিক্ষিত করার কথা বলা হতো; পাকিস্তানকালিন সময়েও জনগণকে সুশিক্ষা দেয়ার কথা বলা হয়েছে; কিন্তু বাংলাদেশ হবার পরে সুশিক্ষা বা শিক্ষার পরিবর্তে স্বাক্ষরতা শব্দটি চালু করা হয়। একবিংশ শতাব্দীর শূন্য দশকের বাংলাদেশে শিক্ষা সংক্রান্ত আলাপ-আলোচনা, লেখালেখি, চিন্তার প্রকাশ নেই বললেই চলে। এই সময়ে দেশবাসির মনে শিক্ষার গুরুত্ব খুবই যতসামান্য। এখন জনগণকে শিক্ষিত করার পরিবর্তে স্বাক্ষর করে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে যাতে নিরক্ষর লোকজন টিপসই না দেয়; অন্তত নাম স্বাক্ষর করতে বা পত্র-পত্রিকা, বিজ্ঞাপন, সাইনবোর্ড ইত্যাদি পড়তে পারে। কিন্তু শিক্ষার গুরুত্ব কি বাস্তবেই লোপ পেয়েছে? শিক্ষা মানুষকে জ্ঞানার্জনেRead More


সমাজতান্ত্রিক সমাজে জনশিক্ষার গুরুত্ব ও প্রকৃতি

সমাজতন্ত্র জনশিক্ষাকে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার হিসেবে বিবেচনা করে। একটি প্রগতিশীল ও সমাজতান্ত্রিক শিক্ষাব্যবস্থা সমাজতান্ত্রিক সমাজের বিনির্মাণে সহায়ক। সমাজতন্ত্রে জনসাধারণ অবাধে শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি চর্চার সুযোগ লাভ করে। এটি ব্যক্তিমানুষের সর্বাঙ্গীণ বিকাশের প্রয়োজনীয় অবস্থা সৃষ্টি করে। ভ্লাদিমির লেনিন বলেছেন, “পুরনো আমলে, মানুষের প্রতিভা, মানুষের মস্তিষ্ক সৃষ্টি করেছিল শুধু কিছু লোককে প্রযুক্তিবিদ্যা ও সংস্কৃতির সুফলগুলো দেয়ার জন্য এবং অন্যদের ন্যূনতম অত্যাবশ্যকীয় সামগ্রী, শিক্ষা ও বিকাশ থেকে বঞ্চিত করার জন্য। এখন থেকে বিজ্ঞানের সমস্ত বিস্ময় ও সংস্কৃতির অর্জনগুলো সামগ্রিকভাবে জাতির সম্পত্তি, এবং আবার কখনো মানুষের মস্তিষ্ক ও মানবপ্রতিভা নিপীড়ন ও শোষণের জন্য ব্যবহৃতRead More


সমাজতন্ত্র

অনুপ সাদি রচিত সমাজতন্ত্র গ্রন্থের ফ্ল্যাপের লেখা, ভূমিকা ও সূচিপত্র মানুষের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক-সামাজিক ইতিহাসে সমাজতন্ত্র একটি গুরুত্বপূর্ণ মতবাদ। এ-গ্রন্থে বর্ণিত হলো এই মতাদর্শ সম্পর্কিত তাত্ত্বিক বিষয়গুলোর সাথে প্রায়োগিক দিকের প্রয়োজনীয় আলোচনা। সমাজবিজ্ঞান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও দর্শনের আলোচনার এই জটিল বিষয়টিকে লেখক সহজবোধ্যভাবে আমাদের অনেকের দৈনন্দিন জীবনের উপযোগী করে উপস্থাপন করেছেন। এই গ্রন্থে সমাজতন্ত্রের ধারণা, উদ্ভব ও বিকাশের পাশাপাশি এর সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্য নিয়ে সংক্ষিপ্ত আকারে কয়েকটি নিবন্ধ রচিত হয়েছে; এছাড়াও সারা পৃথিবীর সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন এবং তৎসম্পৃক্ত ইতিহাস বিধৃত হয়েছে স্বল্প পরিসরে। এ-গ্রন্থটি পাঠক অনায়াসে সমাজতন্ত্র বিষয়ক মৌলিক জ্ঞানার্জনের জন্য যথোপযুক্ত বিবেচনা করতেRead More