You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > Posts tagged "প্রেমের কবিতা"

ঘরের বাইরে, বাইরের ঘরে

ঘরের বাইরে বাইরের ঘরে/ শিশিরে শ্রাবণে/ জলবৃষ্টিতে তুফানে ও ঝড়ে/ সভায় বা নির্জনে/ স্বচ্ছন্দে যে নিজের জন্যে পারে/ ঘর বেঁধে নিতে/ বটের ঝুরিতে/ আলোয় অন্ধকারে আরো পড়ুন

এসো হে

আমাকে চিনবে না।/ অনেকটা রাস্তা উজিয়ে/ আজ এই পড়ন্ত বেলায়/ আমি আসছি।/ মাথাভর্তি মাঠ ভাঙা ধুলো,/ দুটো পা-য়/ কাটায় কাটাছেঁড়ার দাগ।/ ৰলি, চেনা লোকেরা সব/ গেল কোথায় গা?/ গোধূলির শূন্য দাওয়ায়/ এমন কেউ নেই/ যে তার মুখ ঘোমটায় ঢেকে/ পিঁড়ি পেতে দেয়,/ কনুই ছুঁয়ে এগিয়ে দেয়/ এক ঘটি তৃষ্ণার জল। আরো পড়ুন

তার কাছে

গৌরচন্দ্রিকা থেকে পরিশিষ্টে/ ছুটিয়ে প্রাণান্ত পরিচ্ছেদে/ ওপরে সোনার জলে/ নামধাম লিখে/ যথোচিত ঠাটবাটে/ মর্কটের চামড়ার মলাটে/ আষ্টেপৃষ্ঠে/ যে আমাকে বাঁধে/ বলো পাখি, গিয়ে বলো,/ রাধে রাধে রাধে!— আরো পড়ুন

চিৎ

বুড়োর কানের কাছে এনে মুখ/ বললাম হেঁকে,/ ‘ওহে, বেলা গেল। ’/ বুড়ো হেসে বলে, ‘ওরে উজবুক,/ তবে তো এখনই/ কনে-দেখা-আলো।’/ বললাম, ‘বুড়ো, বেঁচে করবে কি ?/ চোখেও দেখ না,/ কানেও শোনে না। আরো পড়ুন

যেখানে ব্যাধ

এখান থেকে একটা নেয়/ ওখান থেকে দুটো/ এমনি করে বাসা বানায়/ কুড়িয়ে খড়কুটো/ যখন ডাকি আয়রে পাখি/ ধরা দে/ হারিয়ে খেই বুকের এই/ গরাদে/ একটিবার ফিরিয়ে ঘাড়/ সহসা অপ্রস্তুত/ বাঁকানো ঠোটে চমকে ওঠে/ চোখের জলবিদ্যুৎ আরো পড়ুন

কাছে দূরে

মুখখানি যেন ভোরের শেফালি নেমে গেল এক্ষুনি দু-অধরে চেপে চাঁদ একফালি নেমে গেল এক্ষুনি তার দুটি আঁখি খঞ্জন পাখি দূরে কাছে ঘুরে নাচে এই আছে এই নেই আছে নেই দূরে কাছে ঘুরে নাচে নেমে গেল এক্ষুনি হাওয়া বারে বারে আঁচল সরায় হাত বারে বারে ঢাকে হাত খালি হলে আঙুল জড়ায় সময়কে পাকে পাকে নেমে গেল এক্ষুনি ঝুঁকে প’ড়ে চোখে চূর্ণ অলক যেন চায় পড়ে নিতে শ্বেতপাথরের

রোদে দেব

আমরা বড়রা কেন বার বার পালিয়ে এ-ঘরে এসে চোখ মুছি? মেয়েটা অবাক হয়, ভাবে— আমরা নিশ্চয় কাঁদছি! তা যদি না হবে— আমাদের চোখে কেন জল? বোকা মেয়ে! কী করে বোঝাই— কখনও কখনও চোখের কুয়োয় জল তোলে কান্না নয় —জ্বালা! বোকা মেয়ে! ভিজে কাঠে যখনই ফুঁ দিই— কিছুতে ধরে না আঁচ, ধোঁয়ায় ধোঁয়ায় চোখে ধরে জ্বালা; যেদিকে তাকাই দেখি সমস্ত ধোঁয়ায় ধোঁয়াকার। চোখের জ্বালায় আমরা বাইরে আসি চোখ মুছি চোখে আমাদের তাই জল। জীবনের এই হাল তা

এক অস্থায়ী চিত্র

বাঁশির শব্দে সবুজ আলোয় আস্তে আস্তে ছেড়ে যাচ্ছে ট্রেন । প্ল্যাটফর্মের খালি বেঞ্চে, মনে করুন, আপনি একা বসে বসে শুধুমাত্র দেখছেন । সামনেই যেখানে যার থাকার কথা নিজের নিজের জায়গায়.. কেউ নেই। কাছের মানুষ মায়া কাটিয়ে চলেছে দূরপাল্লায়। তাকিয়ে দেখুন, এক মুহূর্তে সমস্ত মুখ ভিড় করেছে জানলায়— বুকের কাছে ফুলের গুচ্ছে নড়ছে কাছে-থাকার ইচ্ছে ওঠানো হাত বিদায় নিচ্ছে রুমাল উড়ছে রুমাল উড়ছে হঠাৎ..... দাঁড়িয়ে গিয়ে স্টেশনের সেই স্থিরচিত্র নড়িয়ে দিল ট্রেন। টেনেছিল নিশ্চয় কেউ চেন। আপনি তখন

দূর থেকে দেখো

আমি আমার ভাবনাগুলোকে চামচে ক’রে নাড়তে থাকব— অন্য কোনো টেবিল থেকে তুমি শুনো। সামনে দাঁড় করানো থাকবে কাপ আমার কোলের ওপর দুটো আঙুল কুরুশকাঠির মত বুনবে স্মৃতির জাল— তুমি অন্য কোনো টেবিল থেকে দেখো। তারপর যখন জুড়িয়ে জল হয়ে যাবে সময় চেয়ারে শব্দ ক’রে আমি উঠে পড়ব পেছনে একবারও না তাকিয়ে আমি চলে যাব যেখানে বাড়িগুলোর গায়ে চাবুক মারছে বিদ্যুৎ যেখানে গাছগুলোকে চুলের মুঠি ধরে মাটিতে

আমি আসছি

আকাশে তাকালাম তোমার মুখ চোখ বন্ধ করলাম তোমার মুখ বজ্রকে বধির করে তুমি আমায় ডাকছ। কচি কচি কন্ঠে দিন আর রাত্রিকে টুকরো টুকরো ক’রে কারা কাঁদছে মৃত্যুর আতঙ্কে জীবনকে জড়িয়ে ধ’রে কারা কাঁদছে তাই বজ্রকে বধির করে তুমি আমায় ডাকছ। আমি আসছি— দুহাতে অন্ধকার ঠেলে ঠেলে আমি আসছি। সঙিন উদ্যত করেছ কে? সরাও। বাধার দেয়াল তুলেছ কে? ভাঙো। সমস্ত পৃথিবী জুড়ে আমি আনছি দুরন্ত দুর্নিবার শান্তি।।

Top