Main Menu

ইশতেহার

 
 

মার্কস ও নিউ রাইনিশ গেজেট — ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস

আমরা যাকে জার্মান কমিউনিস্ট পার্টি বলতাম, ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের আরম্ভে তা ছিলো শুধু একটি স্বল্পসংখ্যকের কোষকেন্দ্র, ছিল গোপন প্রচারমূলক সমিতি হিসাবে সংগঠিত কমিউনিস্ট লীগ। সেই সময়ে জার্মানিতে সংঘ ও সভা সমিতির কোনো অধিকার ছিলো না বলেই লীগকে গুপ্ত সংগঠন হতে হয়েছিলো। বিদেশের বিভিন্ন শ্রমিক সংস্থা থেকে লীগ তার সদস্য সংগ্রহ করতো। এইসব সংস্থা ছাড়াও জার্মান দেশেই এর প্রায় ত্রিশটি সমিতি বা বিভাগ ছিলো আর নানা জায়গায় বিচ্ছিন্নভাবে সদস্য ছিলো। এই ক্ষুদ্র সংগ্রামী বাহিনীর ছিলো একজন প্রথম শ্রেণির নেতা। তিনি মার্কস। সবাই স্বেচ্ছায় তার নেতৃত্ব মেনে নিত। আর তাঁরই দৌলতে লীগ নীতিRead More


কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার প্রসঙ্গে

কার্ল মার্কস এবং ফ্রিডরিখ এঙ্গেলসের যৌথভাবে রচিত কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার বা কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো (ইংরেজি: The Communist Manifesto বা Manifesto of the Communist Party) প্রথম প্রকাশিত হয় ফেব্রুয়ারি ২১, ১৮৪৮ সালে। জার্মান ভাষায় রচিত এই বইটির নাম ছিলো মানিফেস্ট ডেয়ার কোমুনিস্টেন (Manfest Der Kommunisten)। সাম্যবাদী বিপ্লবের উদ্দীপনার পেছনে এই গ্রন্থের ভূমিকা আজও সমপরিমাণে অটুট আছে। এটি বৈজ্ঞানিক কমিউনিজমের মহত্তম কর্মসূচি-দলিল। ইশতেহারটি পরে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলিলগুলির মধ্যে একটি হিসাবে স্বীকৃত হয়। তৃতীয় আন্তর্জাতিকের এবং অন্যান্য লেনিনবাদী পার্টিগুলো মার্কস-এঙ্গেলসের কাজ জানতে ইচ্ছুক থাকায় এই বইটি খুব গুরুত্ব লাভ করে। মার্কসবাদী-লেনিনবাদী নীতিRead More


কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার, বুর্জোয়া ও প্রলেতারিয়েত

কার্ল মার্কস ও ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার, বুর্জোয়া ও প্রলেতারিয়েত চতুর্থ অংশ প্রথম অংশ, দ্বিতীয় অংশ, তৃতীয় অংশ, পুরানো সমাজের নিম্নতম স্তর থেকে ছিটকে-পড়া যে সব লোক নিস্ক্রিয়ভাবে পচছে, সেই সামাজিক আবর্জনাটাকে, সেই ‘বিপজ্জনক শ্রেণিকে’ শ্রমিক বিপ্লব এখানে ওখানে আন্দোলনের মধ্যে ঝেঁটিয়ে নিয়ে আসতে পারে; কিন্তু এদের জীবনযাত্রার ধরনটা এমনই যে তা প্রতিক্রিয়াশীল ষড়যন্ত্রের ভাড়াটে হাতিয়ারের ভূমিকার জন্যই তাঁদের অনেক বেশি তৈরি করে তোলে । পুরানো সমাজের সাধারণ পরিস্থিতিটা প্রলেতারিয়েতের জীবনে ইতিমধ্যেই প্রায় লোপ পেতে বসেছে। প্রলেতারিয়েতের সম্পত্তি নেই; স্ত্রী-পুত্ৰ-কন্যার সঙ্গে তার যা সম্বন্ধ সেটা আর বুর্জোয়া পারিবারিক সম্বন্ধেরRead More


কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার, বুর্জোয়া ও প্রলেতারিয়েত

কার্ল মার্কস ও ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার, বুর্জোয়া ও প্রলেতারিয়েত তৃতীয় অংশ প্রথম অংশ, দ্বিতীয় অংশ, চতুর্থ অংশ, মধ্য শ্রেণির নিম্ন স্তর — ছোটোখাট ব্যবসায়ী, দোকানদার, সাধারণত ভূতপূর্ব কারবারীরা সবাই, হস্তশিল্পী এবং চাষীরা— তারা ধীরে ধীরে প্রলেতারিয়েতের মধ্যে নেমে আসে। তার এক কারণ, যতখানি বড় আয়তনে আধুনিক শিল্প চালাতে হয় এদের সামান্য পুঁজি তার পক্ষে যথেষ্ট নয় এবং প্রতিযোগিতায় বড় পুঁজিপতিরা এদের গ্রাস করে ফেলে; অপর কারণ, উৎপাদনের নূতন পদ্ধতির ফলে এদের বিশিষ্ট নৈপুণ্যটুকু অকেজো হয়ে দাঁড়ায়। সুতরাং প্রলেতারিয়েতের পুষ্টিলাভ হতে থাকে জনগণের প্রতিটি শ্রেণি থেকে আগত লোকের দ্বারা।Read More


কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার, বুর্জোয়া ও প্রলেতারিয়েত

কার্ল মার্কস ও ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার, বুর্জোয়া ও প্রলেতারিয়েত দ্বিতীয় অংশ প্রথম অংশ, তৃতীয় অংশ, চতুর্থ অংশ, নিজেদের প্রস্তুত মালের জন্য অবিরত বর্ধমান এক বাজারের তাগিদ বুর্জোয়া শ্রেণিকে সারা পৃথিবীময় দৌড় করিয়ে বেড়ায়। সর্বত্র তাদের ঢুকতে হয়, সর্বত্র গেড়ে বসতে হয়, যোগসূত্র স্থাপন করতে হয় সর্বত্র। বুর্জোয়া শ্রেণি বিশ্ববাজারকে কাজে লাগাতে গিয়ে প্রতিটি দেশেরই উৎপাদন ও উপভোগে একটা বিশ্বজনীন চরিত্র দান করেছে। প্রতিক্রিয়াশীলদের ক্ষুব্ধ করে তারা শিল্পের পায়ের তলা থেকে কেড়ে নিয়েছে সেই জাতীয় ভূমিটা যার ওপর শিল্প আগে দাঁড়িয়েছিলো সমস্ত সাবেকি জাতীয় শিল্প হয় ধ্বংস পেয়েছে নয়Read More


কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার — মার্কস ও এঙ্গেলস

কার্ল মার্কস ও ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার, বুর্জোয়া ও প্রলেতারিয়েত প্রথম অংশ দ্বিতীয় অংশ, তৃতীয় অংশ, চতুর্থ অংশ, ইউরোপ ভূত দেখছে—কমিউনিজমের ভূত। এ ভূত ঝেড়ে ফেলার জন্য এক পবিত্র জোটের মধ্যে এসে ঢুকেছে৷ সাবেকী ইউরোপের সকল শক্তি—পোপ এবং জার, মেত্তেরনিখ ও গিজে, ফরাসি র‍্যাডিকালেরা আর জার্মান পুলিশ গোয়েন্দারা। এমন কোন বিরোধী পার্টি আছে, ক্ষমতায় আসীন প্রতিপক্ষ যাকে কমিউনিস্ট-ভাবাপন্ন বলে নিন্দা করে নি? এমন বিরোধী পার্টিই বা কোথায় যে নিজেও আরও অগ্রসর বিরোধী দলগুলির, তথা প্রতিক্রিয়াশীল বিপক্ষদের বিরুদ্ধে পাল্টা ছুড়ে মারে নি কমিউনিজমের গালি? এই তথ্য থেকে দুটি ব্যাপার বেরিয়েRead More


কমিউনিস্ট ইশতেহারের ১৮৯৩ সালের ইতালীয় সংস্করণের ভূমিকা

ইতালীয় পাঠকদের প্রতি বলা যেতে পারে যে ‘কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার’ প্ৰকাশিত হয় ১৮৪৮ খ্রীস্টাব্দের ১৮ মার্চের সঙ্গে সঙ্গে— মিলানে ও বার্লিনে বিপ্লব ঘটে এই তারিখটায়— ইউরোপীয় ভূখণ্ডের মধ্যস্থলের একটি, এবং ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের মধ্যস্থলে একটি, এই দুই জাতির সশস্ত্ৰ অভ্যুত্থান ছিলো তা, এবং তা এমন দুটি জাতি যা বিভাগ ওঅন্তর্দ্বন্দ্বে তখনো পর্যন্ত দুর্বল হয়ে ছিলো এবং সেই কারণে বৈদেশিক প্রভুত্বের অধীনস্থ হয়। ইতালি ছিল অস্ট্রীয় সম্রাটের অধীন, আর জার্মানি বহন করত অনেক অপ্ৰত্যক্ষ হলেও সর্বরুশীয় জারের সমান কার্যকরী জোয়াল। ১৮৪৮ খ্ৰীস্টাব্দের ১৮ মার্চের ফলাফলে ইতালি ও জার্মানি উভয়েই এ লজ্জা থেকেRead More


কমিউনিস্ট ইশতেহারের ১৮৯২ সালের পোলীয় সংস্করণের ভূমিকা

‘কমিউনিস্ট ইশতেহারের’ একটি নূতন পোলীয় সংস্করণের যে প্রয়োজন হলো তাতে নানা কথা মনে আসে। প্রথমত, ‘ইশতেহারটি’ যেন ইদানীং ইউরোপীয় ভূখণ্ডে বৃহদায়তন শিল্প বিকাশের একটা সূচক হয়ে দাঁড়িয়েছে, এ কথা উল্লেখ করা প্রয়োজন। এক একটি দেশে বৃহদায়তন শিল্প যে পরিমাণে বাড়ে, সেই পরিমাণেই মালিক শ্রেণিগুলির তুলনায় শ্রমিক শ্রেণির নিজস্ব শ্রেণিগত অবস্থান থেকে জ্ঞানলাভের জন্য আগ্রহ বাড়ে; তাদের মধ্যে প্রসার লাভ করে সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন ও ‘ইশতেহারের’ চাহিদা বাড়ে। তাই শুধু শ্রমিক আন্দোলনের অবস্থা নয়, প্রতি দেশে বৃহদায়তন শিল্প বিকাশের মাত্ৰাও বেশ সঠিকভাবে মাপা যায় সে দেশের ভাষায় ‘ইশতেহারের’ কত কপি বিক্রি হয়েছেRead More


কমিউনিস্ট ইশতেহারের ১৮৯o সালের জার্মান সংস্করণের ভূমিকা

১৮৮৩ সালের জার্মান সংস্করণের ভূমিকার কথাগুলো লেখার পর ইশতেহারের একটি নতুন জার্মান সংস্করণের প্রয়োজন হয়েছে এবং ইশতেহারের ক্ষেত্রে অনেক কিছু ঘটেছে যা উল্লেখ করা উচিত। ভেরা জাসুলিচ অনূদিত একটি দ্বিতীয় রুশ সংস্করণ ১৮৮২ সালে জেনেভায় প্রকাশিত হয়েছে; এ সংস্করণের ভূমিকা মার্কস ও আমি লিখেছিলাম। দুর্ভাগ্যবশত মূল জার্মান পাণ্ডুলিপিটি হারিয়ে গেছে; তাই রুশ থেকে তা ফের অনুবাদ করে দিচ্ছি, মূল পাঠ থেকে তা বিশেষ ভিন্নতর হবে না।[১] ভূমিকাটি এইঃ ‘কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার’-এর প্রথম রুশ সংস্করণ, বাকুনিনের অনুবাদে, ষাটের দশকের গোড়ার দিকে (১) “কলোকোল’ (২) পত্রিকার ছাপাখানা থেকে প্রকাশিত হয়েছিল। সেদিন পশ্চিমেরRead More


কমিউনিস্ট ইশতেহারের ১৮৮৩ সালের জার্মান সংস্করণের ভূমিকা

বৰ্তমান সংস্করণের ভূমিকা হায় আমাকে একলাই সই করতে হবে। ইউরোপ ও আমেরিকার সমগ্র শ্রমিক শ্রেণি যাঁর কাছে সবচাইতে বেশি ঋণী সেই মার্কস হাইগেট সমাধি-ভূমিতে শান্তিলাভ করেছেন। তাঁর সমাধির উপর ইতিমধ্যেই প্রথম তৃণরাজি মাথা তুলেছে। তাঁর মৃত্যুর পর ‘ইশতেহার’এ সংশোধন বা সংযোজন আরো অভাবনীয়। তাই এখানে স্পষ্টভাবে নিম্নলিখিত কথাগুলি আবার বলা আমি প্রয়োজন মনে করি : ‘ইশতেহার’-এর ভিতরে যে মূলচিন্তা প্রবাহমান তা হলো এই যে, ইতিহাসের প্রতি যুগে অর্থনৈতিক উৎপাদন এবং যে সমাজ-সংগঠন তা থেকে আবশ্যিকভাবে গড়ে ওঠে, তা-ই থাকে সে যুগের রাজনৈতিক ও মানসিক ইতিহাসের মূলে, সুতরাং (জমির আদিম যৌথRead More