আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > Posts tagged "মার্কস"

কার্ল মার্কস বিশ্ব সাম্যবাদী আন্দোলনের মহান বিপ্লবী

জার্মানির বৈপ্লবিক সমাজতান্ত্রিক সমাজ বিজ্ঞান ও অর্থনীতির প্রতিথযশা তাত্ত্বিক কার্ল মার্কস (৫ মে, ১৮১৮ – ১৪ মার্চ, ১৮৮৩) প্রুশিয়ার রাইল ল্যান্ড প্রদেশের ট্রিভ্স নামক স্থানে ১৮১৮ খ্রিস্টাব্দের ৫ মে এক ইহুদী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা Hersehel Marx ছিলেন একজন ইহুদী এবং তাঁর মাতা হেনরিয়েটা মার্কস ইংল্যান্ডের অধিবাসী এবং অত্যন্ত

লেনিনবাদী দৃষ্টিতে সংশোধনবাদ কী এবং কেন প্রতিরোধ করতে হবে

সংশোধনবাদ বা শোধনবাদ (ইংরেজি: Revisionism) বলতে বুঝতে হবে কোনো মতাদর্শকে বা তত্ত্বকে বিজ্ঞানের মতো অনুধাবন ও অনুশীলন না করে তাকে স্বতন্ত্রভাবে পুনঃপরীক্ষা করা। সংশোধনবাদ হলো মার্কসবাদের সংশোধিত তত্ত্ব। অর্থাৎ সংশোধনবাদ হলো মার্কসবাদের পরিপূর্ণভাবে বিকৃতি, এটি প্রলেতারিয়েতের বৈপ্লবিক সংগ্রাম বিরোধি, প্রলেতারিয়েতের একনায়কত্বের বিরোধী, শ্রেণিসংগ্রাম বিরোধি, বুর্জোয়া শ্রেণির দলগুলোর বিপরীতে শ্রমিক শ্রেণির

কমিউনিস্ট লীগের ইতিহাস

‘কমিউনিস্ট লীগ’ হচ্ছে প্রলেতারিয়েতের প্রথম আন্তর্জাতিক কমিউনিস্ট সংগঠন। এটি প্রতিষ্ঠার আগে বিভিন্ন দেশের সমাজতন্ত্রী ও অগ্রণী শ্রমিকদের মতাদর্শ ও সংগঠনের দিক থেকে জমায়েত করার জন্য মার্কস ও এঙ্গেলসকে প্রচুর খাটতে হয়েছিল। এই লক্ষ্য নিয়ে তাঁরা ১৮৪৬ খ্রীস্টাব্দেই ব্রাসেলসে কমিউনিস্ট করেসপন্ডেন্স কমিটি গঠন করেন। বৈজ্ঞানিক কমিউনিজমের ভাবাদর্শ প্রতিষ্ঠায় মার্কস ও এঙ্গেলস

ভারতে ব্রিটিশ শাসনের ভবিষ্যৎ ফলাফল — কার্ল মার্কস

লন্ডন, শুক্রবার, ২২ জুলাই, ১৮৫৩ এ চিঠিতে আমি ভারত সম্পর্কে আমার মন্তব্যের উপসংহার টানতে চাই। ইংরেজ প্রভুত্ব ভারতে প্রতিষ্ঠিত হল কি করে ? মহা মোগলদের একচ্ছত্র ক্ষমতা ভেঙে ফেলেছিল মোগল শাসনকর্তারা। শাসনকর্তাদের ক্ষমতা চূর্ণ করল মারাঠারা। মারাঠাদের ক্ষমতা ভাঙল আফগানরা; এবং সবাই যখন সবার সঙ্গে সংগ্রামে লিপ্ত, তখন প্রবেশ করল ব্রিটেন

মার্কসবাদের তিনটি উৎস

মার্কসবাদ বলতে কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের মতবাদকে বোঝায় না। এর মধ্যে দর্শন, রাজনীতি, অর্থনীতি, ইতিহাস, সমাজ ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় এবং এসব বিষয় সম্পর্কিত বিভিন্ন মতবাদের সমাবেশ ঘটেছে। মানুষ, তার সমাজ এবং তার আশপাশের প্রকৃতিকে কেন্দ্র করেই মার্কসবাদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় ও মতবাদের উদ্ভব ঘটেছে। এসব বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে দর্শন, রাজনীতি ও

মার্কসের দৃষ্টিতে মানুষ

মানুষই হলো মার্কস এঙ্গেলসের জীবনবীক্ষার কেন্দ্রীয় বিষয়। বর্তমানকে বদলাবার প্রয়োজন তারা অনুভব করেছিলেন এই মানব প্রজাতির জন্যই। প্রাণী হিসেবে ‘মনুষ্য’ নাম প্রযুক্ত হলেও সামাজিক প্রাণী হিসেবে বা নৃতাত্ত্বিক অবস্থা থেকে বর্তমান মনুষ্য হিসেবে ‘মানুষ’ শব্দটি একই সাধারণ অর্থ প্রকাশ করে না। আরো পড়ুন

ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস প্রসঙ্গে

নিভে গেল মনীষার কীবা সে প্রদীপ, কীবা সে হৃদয় হায় থামালো স্পন্দন।[১] নতুন পঞ্জিকা অনুসারে ১৮৯৫ সালের ৫ আগস্ট (২৪ জুলাই) লন্ডনে ফ্রিডরিখ এঙ্গেলসের মৃত্যু হয়েছে। স্বীয় বন্ধু কার্ল মার্কসের (১৮৮৩) মৃত্যুর পর এঙ্গেলসই ছিলেন গোটা সভ্য দুনিয়ার আধুনিক প্রলেতারিয়েতের সবচেয়ে বিখ্যাত মনীষী ও গুরু। কার্ল মার্কসের সঙ্গে ফ্রেডারিক এঙ্গেলসের পরিচয়ের পর থেকে দুই বন্ধুর জীবনকর্ম হয়ে উঠে তাঁদের সাধারণ আদর্শ। আরো পড়ুন

প্রথম আন্তর্জাতিকের কার্যক্রম ও ভূমিকা

কার্ল মার্কস ও ফ্রিডরিখ এঙ্গেলসের জীবনে তত্ত্ব ও কর্ম সমান্তরালভাবে চলেছে। তত্ত্ব চর্চা ও বৈপ্লবিক ব্যবহারিক ক্রিয়াকলাপ ছিলো একটি আরেকটির সাথে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত এবং সেগুলো পরস্পরকে সমৃদ্ধ করতো। ১৮৬৪ সালে ‘পুঁজি’র প্রথম খণ্ডের কাজ যখন শেষ হবার পথে, মার্কস তখন তাঁর কাজ থামিয়ে দিয়ে নিজের সর্বশক্তি নিয়োগ করেন প্রথম আন্তর্জাতিক

Top