You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > Posts tagged "ঔষধি ফল"

কাঁকুড় বা কাঁকড়ির খাওয়ার পদ্ধতি এবং এদের ছয়টি ভেষজ গুণাগুণ

কাঁকুড়

কাঁকুড় বা কাকুর বা কাঁকড়ি (বৈজ্ঞানিক নাম: Cucumis melo var. flexuosus) হচ্ছে শসা পরিবারের কিউকামুস গণের একটি সপুষ্পক উদ্ভিদ প্রজাতি। এটির ফল ভক্ষণযোগ্য। এদের বেশ কয়েকটি ঔষধি গুনাগুণ রয়েছে। আরও পড়ুন

আতা বা নোনা আতা ঔষধি গুণেভরা বাংলাদেশের পরিচিত ফল

আতা বা নোনা আতা ফল ও পাতা

আতা বা নোনা আতা (বৈজ্ঞানিক নাম: Annona reticulata, ইংরেজি নাম: Bullock’s Heart.) হচ্ছে এনোনাসি পরিবারের সপুষ্পক একটি উদ্ভিদ। গাছটি মাঝারি উচ্চতাবিশিষ্ট গাছ। আবহাওয়ার গুণে কোথাও বিশ ফুট, আবার কোথাও ৪০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। পাতা পাঁচ থেকে আট ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা এবং দেড় থেকে দু’ইঞ্চি পর্যন্ত চওড়া হয়। গাছে ফুল ২ থেকে ৩টি এক একসাথে ফোটে। ফুলের পাপড়ি থাকে তিনটি। ফল দেখতে গোলাকার, তবে লম্বা ধরনের। পাকা অবস্থায় ফলের রং পীতের আভাযুক্ত বা হালকা লালবর্ণ। গাছে ফুল ফোটে গরমকালে আর ফল ধরতে শুরু করে শরৎকালে। আরও পড়ুন

মহুয়া গাছের ভেষজ গুণ

মহুয়া ( বৈজ্ঞানিক নাম: Madhuca longifolia ) বেশ বড় ধরনের গাছ। লম্বায় এটি প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ ফুট পর্যন্ত হয়। মহুয়া গাছের উপরের ছাল মোটা এবং ধূসর। পাতা লম্বা ধরনের এবং চওড়ায় প্রায় পাঁচ ইঞ্চির মতো হয়। কনকচাঁপার পাতার সাথে এর মিল আছে। আগাটা চাপার মতো সূচালো নয়, বেশ ভোতা। ডালের আগায় ছাতার মতো ছড়িয়ে থাকে। অনেকটা ছাতিমের মতো। ফাল্গুন চৈত্র মাসের মধ্যে গাছে ফুল ফুটতে শুরু করে। গরমে সময় ফল ধরে। ফলের আকৃতি সুপারির মতো। ফলের ভিতরটা শাঁসে ভরা থাকে। প্রথম দিকে ফলের রং সবুজ থাকে। পরে পেকে গেলে রং পাল্টে ফিকে হলুদে পরিণত হয়। মহুয়া গাছের ছাল, বীজ, ফুল, বীজের তেল ঔষধ হিসাবে ব্যবহার করা হয়। আরো পড়ুন

পেঁপে সারা দুনিয়ায় চাষকৃত জনপ্রিয় ফল

ভূমিকা: পেঁপে হচ্ছে সপুষ্পক উদ্ভিদের কেরিকাসি পরিবারের একটি প্রজাতি। এটি সারা পৃথিবীতে মানুষসহ অন্যান্য বেশ কিছু প্রাণীর কাছে খুব জনপ্রিয়। পেঁপে বৃক্ষ, প্রায় ৫ মিটার বা ততােধিক লম্বা, সর্বাঙ্গে তরুক্ষীর বিদ্যমান। কান্ড ধূসর বর্ণের, কদাচিৎ শাখান্বিত, পত্রমূলের ক্ষতচিহ্নযুক্ত, বাকল পাতলা। আরো পড়ুন

ডালিমের ২০টি ঔষধি গুণ

ডালিম এর বৈজ্ঞানিক নাম: Punica granatum, ইংরেজি নাম: pomegranate । ঔষধ হিসাবে ব্যবহৃত অংশ: ১. পাতা ও গাছের ছাল:  সংকোচক, অতিসার ও ক্রিমিনাশক। ২. ফলের রস: স্নিগ্ধ গুণ, জ্বর-অতিসার-অজীর্ণ-অরুচি নাশক, বলকারক ও যকৃতের ক্রিয়া শোধক। এতে Vitamin B ও C পাওয়া যায়। ৩. ফলের ছাল:  আম ও রক্তাতিসার, অজীর্ণ নাশক। ৪. ডালিমের ফুলে: রক্তস্নানাশক

বহেড়া এশিয়ার ঔষধি বৃক্ষ

পরিচিতি: বহেড়া বৃক্ষ ৬০ থেকে ১০০ ফুট পর্যন্ত উচু হতে দেখা যায়, গাছের গুড়িও বেশ লম্বা, অবশ্য ছাল খুব বেশি পুরু হয় না, পাতা ৩ থেকে ৭ বা ৮ ইঞ্চি লম্বা হয়; দেখতে অনেকটা ছোট আকারের বট পাতার মতো, শীতকালে গাছের পাতা পড়ে যায়, বসন্তকালে আবার নতুন পাতা গজায়। পাতার

আমলকির ১৩টি ভেষজ গুণাগুণ

আমলকি বা আমলকী (বৈজ্ঞানিক নাম: Phyllanthus emblica) ফাইলান্থাসি পরিবারের ফাইলান্থুস গণের সহবাসী, রোমশ বিহীন বা রোমশ পর্ণমোচী বৃক্ষ। এরা প্রায় ২০ মিটার উঁচু, বাকল ধূসর, মসৃণ শাখা তামাটে রোমশ।[১] এটি বাংলাদেশ ও ভারতে যথেষ্ট পাওয়া যায়। আমলকী হচ্ছে ত্রিফলার একটি। আমলকি সম্পর্কে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পড়ুন আমলকি ঔষধি গুণ সম্পন্ন সহজলভ্য

জগডুমুরের ঔষধি ব্যবহার

জগডুমুর বা যজ্ঞডুমুর গাছের বৈজ্ঞানিক নাম Ficus racemosa. এরা মোরাসি পরিবারভুক্ত ফাইকাস গণের উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলের বৃক্ষ। এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার উদ্ভিদ। এটির ফল রান্না করে এবং পাকার পরে খাওয়া যায়। দেশি রেসাস বানরের এটি প্রধান খাবার। অনেক পাখি স্তন্যপায়ী ও প্রাণীর পছন্দের খাবার। জগডুমুর সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পড়ুন জগডুমুর এশিয়ার অপ্রচলিত ফল

দেশি গাব গাছের ঔষধি গুণাগুণ

দেশি গাব এবিনাসি পরিবারের ডিয়োসপিরস গণের একটি সপুষ্পক উদ্ভিদ। এদের বৈজ্ঞানিক নাম Diospyros malabarica. এখানে এই বৃক্ষের ভেষজ ঔষধি ব্যবহার বর্ণনা করা হলো। দেশি গাব গাছ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পড়ুন দেশি গাব দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার ভেষজ ফলদ বৃক্ষ (১) ক্ষতের দাগ দূর করতে: কোনো জায়গায় ক্ষত (ঘা) সেরে যাওয়ার পর

বেল সুপরিচিত ঔষধি ফল

বৈজ্ঞানিক নাম: Aegle marmelos.   সমনাম:  Belou marmelos (L.) A.Lyons ,   Crateva marmelos L. সাধারণ নাম: Bengal quince, golden apple,  Japanese bitter orange, stone apple, wood apple. বাংলা নাম: বেল জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae বিভাগ: Angiosperms অবিন্যাসিত: Edicots অবিন্যাসিত: Rosids বর্গ: Sapindales পরিবার: Rutaceae উপপরিবার: Aurantioideae গণ: Aegle গোত্র: Clauseneae প্রজাতি: A. marmelos. পরিচয়: ফলের খোসা কাঠের মতো শক্ত বলে ইংরেজিতে বেলকে বলে 'Wood Apple'

Top