You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > Posts tagged "ঔষধি গুল্ম"

আফিম বা আফিং গুল্মে আছে নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ

আফিম বা আফিং

আফিম, আফিং (বৈজ্ঞানিক নাম: Papaver somniferum, ইংরেজি: Opium poppy) বর্ষজীবী উদ্ভিদ। এ গাছ লম্বায় সাধারণত ৩ থেকে ৪ ফুট পর্যন্ত হয়। অক্টোবর থেকে নভেম্বর মাসে এর বীজ বপন করা হয় ও জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে এর ফুল ও ফল হয়। ফল পাকলে তা থেকে বীজ সংগ্রহ করা হয়। এগুলোই দেখতে পোস্তদানা মতো। পোস্তদানা, ফল, আঠা, ফুল ও ফুলের পাপড়ি সবগুলোই ওষুধরূপে ব্যবহৃত হয়। আরো পড়ুন

করবী গাছের ঔষধি গুনাগুণ

করবী ( বৈজ্ঞানিক নাম: Nerium indicum, ইংরেজি নাম: Flor de Sao Jose, Laurel de jardin, Laurel rosa, Laurier rose, Flourier rose, Olean, Aiwa, Rosa Francesca, Rosa Laurel, and Rose-bay ) এটি সরল বিস্তৃত ডালভুক্ত ছোট আকারের গাছ। উচ্চতায় দশ থেকে পনের ফুট পর্যন্ত বাড়ে। গাছের মূলদেশ থেকে বহু শাখা-প্রশাখা বের হয়। পাতা চার থেকে ছয় ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা। পাতার গঠন বর্শার ফলার মতো সরু, বেশ পুরু ধরনের। পাতার মাঝখানের শিরাটা বেশ শক্ত। বোটা খুবই ছোট। ফুলের ব্যাস দেড় ইঞ্চি এবং সুন্দর গন্ধযুক্ত। ফুলের রং ফিকে গোলাপী। ফল ছয় ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হয়। আরো পড়ুন:

ভাঁট বা ঘেঁটুর নানা ভেষজ গুণ

ঘেঁটু অথবা ভাঁট (Clerodendrum infortunatum) গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ হলেও উচ্চতায় প্রায় চার ফুট পর্যন্ত হয়। শীতের শেষর দিকে গাছে ফুল ফোঁটে এবং গরমকালে ফল ধরে। অযত্নে বেড়ে ওঠা এই গাছে ফুল অনেকের দৃষ্টি আকর্ষন করে। এই গাছের পাতা, মূল ব্যবহার করা হয় পেটের অসুখ, চর্মরোগ ইত্যাদি রোগের ঘরোয়া ভেষজ ওষুধ হিসাবে। আরো পড়ুন

ভুঁই আমলার ভেষজ উপকারিতা

ভুঁই আমলা (Phyllanthus niruri) বর্ষজীবী এবং গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। খুব ছোট, লম্বায় আট ইঞ্চির মতো লম্বা হয়ে থাকে বা বাড়ে। গাছের ডাল খাড়াভাবে বের হয়। ওপরের শাখা শিরাযুক্ত ও নরম লোম থাকে। ফুলের আকার ছোট এবং গোলাকার। এই গাছের পাতা, মূল ভেষজ ঔষুধ হিসাবে ব্যবহৃত হয়। জ্বর, ঘা, ক্ষত, পেট ইত্যাদির অসুখে বেশ কার্যকরি ঔষুধ। আরো পড়ুন

শিয়ালকাঁটা ভেষজ গুণে ভরা কাঁটাযুক্ত গুল্ম

শেয়ালকাঁটা এক ধরনের ছোট গুল্মজাতীয় গাছ। উচ্চতা ২ ফুট পর্যন্ত হয়ে থাকে। দেখতে অনেকটা আফিং গাছের মতো। পাতা ঢেউ খেলানো ও কিছুটা লম্বা ধরনের। পাতার কিনারা সামান্য কাটা এবং কাঁটায় ভরা থাকে। বাংলাদেশের সর্বত্রই শেয়ালকাটা গাছ জন্মায়। তবে এ গাছের পক্ষে আদর্শ পরিবেশ হল বেলে এবং কাকুর মাটি। শেয়ালকাঁটার ডাঁটা রান্না করে খাওয়া যায়। আরো পড়ুন

ইসবগুল নিত্য প্রযোজনীয় ভেষজ গুল্ম

ভূমিকা: ইসবগগাল > ঈষদৃগোলাম > ইসেবগুল > ইসপগুল > ঈসবগুল। বৈজ্ঞানিক নাম Plantago ovata Forsk. এরা Plantaginaceae পরিবারের Plantago গনের সদস্য। এটি এক ধরণের ভেষজ গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ। বিবরণ: ঈসবগুল বর্ষজীবী উদ্ভিদ। ফার্সী অপ বা অশ্ব আর গুল বা ফুল এই দুটি শব্দ থেকে ইসেবগুল। অশ্বকর্ণের মতো পাতা ও বীজ বলে নাম ঈসবগুল। আরো পড়ুন

ভেন্না বা রেড়ি গাছের ৩২টি ঔষধি গুণাগুণ

ছোট গুল্মজাতীয় গাছ, সাধারণতঃ ১০ থেকে ১২ ফুট পর্যন্ত উচু হয়, শাখাপ্রশাখা খুবই অল্প; কাণ্ড ও পত্রদণ্ড নরম ও ফাঁপা, পাতাগুলি আকারে প্রায় গোল হলেও আঙ্গুল সমেত হাতের তালুর মতো; ব্যাস প্রায় এক ফুট, পাতার কর্তিত অংশগুলির অগ্রভাগ ক্রমশ সরু। এই কর্তিত অংশটি প্রায় ৫ থেকে ৬ ইঞ্চি লম্বা। আবর্জনাপূর্ণ জায়গায় এর বাড়-বৃদ্ধি বেশী হয়। এক বৎসরেই গাছে ফুল ও ফল হয়; সাধারণতঃ কাণ্ডের অগ্রভাগে পুষ্পদণ্ডের চারিদিকে গোল হয়ে ছোট ছোট হলদে ফুল হয়, পরে ত্রিকোষযুক্ত এবং আকারে দেশী কুলের মতো ফল হলেও গায়ে কাঁকরোলের (Momardica cochinchinensis) মতো নরম কাঁটা থাকে। এই ফল পাকার পর ফেটে বীজ পড়ে যায়, বীজের খোলায় (শক্ত বহিরাবরণে) থাকে সাদা সাদা ডোরা দাগ। আরো পড়ুন     

সর্পগন্ধার ঔষধি ব্যবহার

সর্পগন্ধা ২ প্রকার। এ দুটি প্রজাতি ওষধি গাছ Apocynaceae ফ্যামিলীভুক্ত। নাকুলী অর্থাৎ সর্পগন্ধা বোটানিক্যাল নাম Rauwolfia serpentina, এটির বাংলায় চলতি নাম ছোট চাঁদড় আর উর্দুতে বলে ইসরোল এবং গন্ধনাকুলীর বর্তমান নাম Rauwolfia tetaphylla, এটাকে বলা হয় বড় চাঁদড়। বর্তমানে নব্য বৈজ্ঞানিক বলছেন যে, বড় চাঁদড় less toxic অথচ কয়েকশত বৎসর পুর্বে এর পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফল লিপিবদ্ধ করে গেছেন, তাই তারা বলেছেন-ছোট চাঁদড় অপেক্ষা বড় চাঁদড়ের মূল কিঞ্চিৎ শ্রেষ্ঠ। আরো পড়ুন

শিয়ালমুত্রা বা ডানকোনী গুল্মের ১৮টি ভেষজ গুণ

শিয়ালমুত্রা

শিয়ালমুত্রা, ডানকোনী বা কুকসিমা (বৈজ্ঞানিক নাম vernonia cinerea. ইংরেজি: little ironweed and poovamkurunnila) হচ্ছে Asteraceae পরিবারের Cyanthillium গণের একটি সপুষ্পক বীরুৎ। এই গাছটি বিদেশি। এটি গুল্মজাতীয় খুবই ছোট ধরনের উদ্ভিদ। লম্বায় ফুট দুয়েকের মতো হয়। পাতার কিনারার উভয় দিক কাটা। এর কয়েকটি জাত হয়। একে চিনার সহজ উপায় হলো, পাতার আকৃতি একটু ভিন্ন ধরনের হয়। ঐ সব জাতের ক্ষেত্রে পাতা অবিভক্ত এবং কিনারায় করাতের মতো দাঁত থাকে। এ গাছের ফুলের রং পীত এবং উভয়লিঙ্গ বিশিষ্ট। ফুল কোমল ও লোমযুক্ত। পাপড়ি সাদা রঙের হয়। কুকসিমা গাছে শীতের শেষ দিকে ফুলে ফোটে এবং ফাল্গুন-চৈত্র মাসে গাছে ফল হয়। ঔষধ হিসাবে এই গাছ ব্যবহার করা হয়। সচরাচর এই গাছ দেখা যায় অনেকে এই গাছকে ডানকোণী বলে থাকে। আরো পড়ুন

বাসক দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার ঔষধি গুল্ম

ভূমিকা: বাসক বা ভাসক বা বাকাস বা বাসা বা আলোক-বিজাব হচ্ছে একান্থাসি পরিবারের জাস্টিসিয়া গণের একটি সপুষ্পক গুল্ম। এর হিন্দি নাম আড়ষা, এটি অটরুষকের বিবর্তিত শব্দনাম। বিবরণ: বাসক ক্ষুপজাতীয় গাছ হলেও প্রায় ৫ থেকে ৬ ফুট উচু হয়; আষাঢ়-শ্রাবণে সাদা ফুল হয়।[১] আরো পড়ুন

Top