You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > Posts tagged "ঔষধি মসলা"

গোল মরিচের ভেষজ গুণাগুণ

গোগোল মরিচ কালো গোল মরিচ (বৈজ্ঞানিক নাম: Piper nigrum) একটি লতানো উদ্ভিদ। এটি মসলা হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও প্রাচীনকাল থেকেই এদের আয়ুর্বেদিক ব্যবহার দেখা যায়। মরিচ প্রধানত কাজ করে রসবহস্রোতে এবং অগ্ন্যাশয়ে বা পচ্যমানাশয়ে। প্রতিদিনের রান্নায় গোলমরিচ ব্যবহার করা হয়। কাজে কাজেই এর তীক্ষ্ণ স্বাদের কথা সকলেরই জানা আছে

পিপুলের ভেষজ গুণ

শ্বাসকষ্ট উপশম করে পিপুল (বৈজ্ঞানিক নাম: piper-longum)। পিপুলের ব্যবহার রান্নায় কম হলেও নামটা অনেকেরই জানা। পিপুলকে ঔষধি হিসেবে সেবন করলে অনেক উপকার পাওয়া যাবে। পিপুল দীপন বা উদ্দীপিত করে, তীক্ষ্ণ, উষ্ণ, রুক্ষ, পিত্তকারক ও মলাবেগ করায়। কফ, বায়ু, উদর রোগ, গ্যাস, লিভারের অসুখ, গুল্ম, কৃমি, শ্বাস রোগ উপশম করে। ক্ষয় রোধ করে। মস্তিষ্কের দুর্বলতা, উগ, বাত প্রকোপ, সূতিকা রোগ, ঋতুস্রাব পরিস্কার না হওয়া, নিদ্রাহীনতা কফ, শ্বাস প্রভৃতি শারিরীক অসুবিধেতে প্রাচীন কাল থেকে ঘরোয়া ওষুধ হিসেবে পিপুল ব্যবহার করা হয়ে আসছে। আরো পড়ুন

জাফরান খাওয়ার ভেষজ গুণ

জাফরানের (বৈজ্ঞানিক নাম: crocus-sativus) আর এক নাম কুঙ্কুম। সংস্কৃত ভাষায় জাফরান বা কেশরের অনেক নাম আছে। জাফরানকে কাশ্মীরক, কুঙ্কুম, বাহ্লিক, শোণিত, পীতক ও সুরভিও বলা হয়। দুমূর্ল্যতার জন্য জাফরানের ব্যবহার প্রায় বন্ধই হয়ে গেছে। ভারতে কাশ্মীরের জাফরান খুব বিখ্যাত, বিখ্যাত স্পেনের জাফরান বা স্প্যানিশ জাফরান। ফ্রান্স, সিসিলি ও ইরানেও জাফরানের চাষ হয়। আরো পড়ুন

জয়ত্রি বা জৈত্রীর ভেষজ গুণ

জৈত্রী রং ফর্সা করে। জায়ফলের পাপড়ি বা আবরণটি জৈত্রী নামে পরিচিত। পায়েস, মিষ্টি ইত্যাদি খাবার সুগন্ধযুক্ত করতে জৈত্রী ব্যবহার করা হয়। গরম মশলার মধ্যে এবং মাংস, কালিয়া, বিরিয়ানি, পোলাও ইত্যাদি বিলাসবহুল রান্নাতেও ব্যবহার করা হয়। আরো পড়ুন

জায়ফল খাওয়ার গুনাগুণ

জায়ফল খেলে অরুচি দুর হয়। জায়ফল সুগন্ধযুক্ত গরম মশলায় ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও ব্যবহার করা হয় নানা রকম মিষ্টি বা রান্নায়। ঘরোয়া ওষুধ হিসেবেও জায়ফল ব্যবহার করা। চিকিৎসকদের মতে, জায়ফল সুগন্ধি, পাচক (খাবার জুম করায়), উষ্ণ, বায়ুনাশক, খিচুনি বন্ধ করে। অল্প মাত্রায় খেলে খিদে পায়, হজম তাড়াতাড়ি হয়। পেটফাঁপা, পেটের অসুখ, শূল প্রস্রাব কম হওয়া (মূত্রকৃচ্ছতা) ইত্যাদি অস্বঞ্জি বা অসুখ উপশম করে। আরো পড়ুন

দারুচিনি বা দারচিনি খাওয়ার নানা উপকারিতা

দারচিনি বা দারুচিনি (বৈজ্ঞানিক নাম:Cinnamomum verum) কণ্ঠশুদ্ধি করে। সুগন্ধ ও স্বাদ বৃদ্ধি করবার জন্যে গরম মশলায় দারচিনির ব্যবহার প্রাচীনকাল থেকেই হয়ে আসছে। দারচিনি যেমন মুখশুদ্ধি করে তেমনই কণ্ঠশুদ্ধিও করে। এটা খেলে মুখ সুবাসিতও হয়। শুধু মশলা বা মুখশুদ্ধি হিসেবেই নয় ঔষধি হিসেবেও দারচিনির উপযোগিতা অনেক। আরো পড়ুন

এলাচের ভেষজ গুণ

ছোট এলাচ (বৈজ্ঞানিক নাম: Elettaria cardamomum) মন প্রফুল্ল রাখে। প্রাচীন কাল থেকেই মুখ সুগন্ধিত করবার জন্যে ছোট এলাচ খাওয়া হয়। অত্যন্ত সুগন্ধী হওয়ার জন্যে ছোট এলাচ খেলে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়। পানের মধ্যে এলাচ দিয়ে খাওয়া হয়। এছাড়া খাওয়ার পরে মুখশুদ্ধি হিসেবেও খাওয়া হয়। শরবত, মিষ্টি এমনকি পোলাও, বিরিয়ানি ব্যঞ্জন বা তরকারিও সুগন্ধিত ও সুস্বাদ করতে আস্ত এলাচ বা এলাচের গুঁড়া দেওয়া হয়। ওষুধ হিসেবেও প্রাচীনকাল থেকেই এলাচের ব্যবহার হয়ে আসছে। আয়ুর্বেদ মতে ছোট এলাচ কটুরস, শীতবীর্য (শীতল) ও লঘু। কফ, শ্বাস, কাশি, অর্শ, মূত্রকৃচ্ছু (প্রস্রাব অল্প পরিমাণে হওয়া) ও বায়ু নাশ করে। আয়ুর্বেদের অনেক ওষুধের ছোট এলাচ হলো একটি বিশেষ উপাদান। যাকে গরম মশলা বলা হয় তার মধ্যে লবঙ্গ ও দারচিনির সঙ্গে ছোট এলাচ থাকে। এগুলোকে সম্মিলিত ভাবে গরম মশলা বলা হলেও এগুলো কিন্তু শীতল বা এগুলোর শৈত্যগুণই বেশি বলে অনেকে মনে করেন। আরো পড়ুন

লবঙ্গ খাওয়ার ১৫টি উপকারিতা

লবঙ্গ কাশিতে অনেক উপকার দেয়। গরম মশলায় লবঙ্গের ব্যবহারের কথা সকলেরই জানা আছে। লবঙ্গ মশলাকে এবং লবঙ্গ মেশানো হয় সেই এমন কোনো আহার্য বস্তুর মধ্যে সুগন্ধ ছড়ায়। পানের খিলি মুড়তে তও আগে লবঙ্গ ব্যহার করা হত, এখন লবঙ্গর দাম বেড়ে যাওয়ার জন্যে সেটা আর সম্ভব হয় না। খাওয়ার পরে মুখশুদ্ধি করবার জন্যেও লবঙ্গ মুখে দেওয়া হয়। ঘরোয়া ওষুধ হিসেবে ও লবঙ্গর নানারকম গুণের কথা কারোই অজানা নেই। আরো পড়ুন

তেজপাতার ভেষজ গুণ

যাদের কফ হয় তাদের জন্য তেজপাতা উপকারী। তেজপাতা শুধু রান্নাতেই ব্যবহার করা হয়। এই পাতার আছে অনেক রোগের আরোগ্য গুণ। একে বলা হয় তেজপাতা উষ্ণবীর্য (কড়া), পাচক (খাবার হজম করায়), আগ্নেয় বা খিদে বাড়িয়ে দেয়, মুখশুদ্ধি করে, কফ, বায়ু, অর্শ, সর্দি, বমিভাব, অরুচি ও বিষদোষ নাশ করে। আরও বলা হয় তেজপাতা মধুর, কিছু তীক্ষ, উষ্ণ, লঘু। আরো পড়ুন

রাই-য়ের নানাবিধ উপকারিতা

রাই থেকেই রায়তা নামে এসেছে। ডাল তরকারিতে ফোড়ন দেওয়ার জন্যে রাই তো লাগেই। রায়ত অবাঙালিদের প্রিয় খাবার। এটা টক দই ও রাই বাটা দিয়ে তৈরি। রাই দেওয়া হয় বলেই এই পদের নাম রায়তা। রাই থেকেই এই নামকরণ। রাই সাধারণত দু রকমের-শ্বেত রাই এবং কালো রাই। ভারতে প্রাচীনকাল থেকেই রান্নায় রাই ব্যবহার হয়ে আসছে। রাই থেকে তেলও বের করা হয়। কবিরাজি মতে রাই-এর তেল তীক্ষ্ণ, হালকা, মল নিষ্কাশন করে, উষ্ণ, বায়ু ও মাথার অসুখ সারিয়ে দেয়, কৃমি নাশ করে, দুষ্ট ব্রণ আরোগ্য করে। আরো পড়ুন

Top