Main Menu

ঔষধি শাক

 
 

গিমা বা গিমে ঔষধি গুণে ভরা শাক

গিমে শাক পরিত্যক্ত জমিতেও হয় আবার আলু, রসুন, পেঁয়াজ ইত্যাদি ক্ষেতে জন্মে থাকে। যত্ন ছাড়া এই শাক হৃষ্ট-পুষ্টভাবে বেঁচে থাকে। তবে স্যাঁতস্যাঁতে অর্থাৎ কলতলা, পুকুরপাড়ে, নালার পাশে এটি ভালো ভাবে জন্মে।  বোটানিকাল নাম Glinus oppositifolius (L.) Aug.DC. এটি Molluginaceae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। স্বাদে তিক্ত, কফ পিত্তাধিক্যনাশক ও রুচিকারক, আর রোগারোগ্যের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে পাণ্ডু-কামলা (জণ্ডিস বা তার পূর্বাবস্থা) ইত্যাদি যকৃত-প্লীহাঘটিত যাবতীয় রোগ প্রতিষেধক ও উপশমক। নব্য ভেষজ বিজ্ঞানীদের দৃষ্টিতে: এই তিক্ত শাকটিতে সাবান জলের মত কতকগুলো ফেনিল পিচ্ছিল পদার্থ আছে, তার নাম স্যাপোনিন, তা থেকে বিশিষ্ট প্রক্রিয়ার দ্বারা কতকগুলো নতুন ধরনেরRead More


কুলেখাড়ার বারোটি ভেষজ চিকিৎসাগুণ

কুলেখাড়া বা কান্তা কালিকা বা কুলিকারহা বা ক্ষরিক বা গোকুলকাঁটা (বৈজ্ঞানিক নাম: Hygrophila auriculata) একান্থাসি পরিবারের হাইগ্রোফিলা গণের একটি একবর্ষজীবী, খাড়া, শাখাবিহীন বীরুৎ। কুলেখাড়ার কাণ্ড কন্টকময়, দেড় দুই ফুট উচু হয়, আবার জায়গা হিসেবে ৩/৪ ফুটও উচু হতে দেখা যায়। কাঁটা ৬টি, ১.৫-৩.৬ সেমি লম্বা, সোজা বা বক্র কাক্ষিক কণ্টকবিশিষ্ট চতুষ্কোণী এবং পর্বে ৮টি অবৃন্তক বা অর্ধবৃন্তক পাতা বিশিষ্ট।[১] কুলেখাড়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য পড়ুন কুলেখাড়া ভেষজ গুণাগুণ সম্পন্ন একটি শাক গাছ জন্মানোর পরে প্রথমদিকে গাছে কোনো কাঁটা হয় না; আশ্বিন-কার্তিকের পর থেকে পাতার গোড়া থেকে কাঁটা বেরোয়, ক্ষুপ জাতীয় গাছ।Read More


সুষনি ঔষধি গুণ সম্পন্ন শাক

সুষনিশাক বা সুনসুনি শাক গ্রামে অনেকের পরিচিত শাক। এই শাকের পাতা অনেক নরম ও পাতলা হয়। পাতার রং সবুজ নরম ও সরু ডাল বিশিষ্ট ঘাস বিশিষ্ট। থোকা থোকা জন্মে থাকে। একটি ডালে একটি পাতা হয়। শাক হিসাবে জনপ্রিয় এর বৈজ্ঞানিক নাম Marsilea minuta ও পরিবার  Marsileaceae. রোগ প্রতিকারে ১. শ্বাস রোগে (হাঁপানিতে): কফের প্রাবল্য নেই অথচ শ্বাস-প্রশ্বাসের কষ্ট, আয়ুর্বেদের চিন্তাধারায় এটা বায়ু প্রধান শ্বাস রোগ, এ ক্ষেত্রে সুষণ শাকের রস ৪/৫ চামচ একটু গরম করে অথবা কাঁচা হলে ৮-১০ গ্রাম, আর শুকনো হলে ৩-৪ গ্রাম ৩/৪ কাপ জলে সিদ্ধ করেRead More


গিমা তিতা স্বাদযুক্ত সুস্বাদু শাক

বৈজ্ঞানিক নাম: Glinus oppositifolius (L.). সমনাম : Mollugo oppositifolia L. (1753), Mollugo spergula L. (1759). ইংরেজি নাম: জানা নেই। স্থানীয় নাম: গিমাশাক। জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae বিভাগ: Angiosperms অবিন্যাসিত: Edicots বর্গ: Caryophyllales   পরিবার: Molluginaceae     গণ: Glinus   প্রজাতি: Glinus oppositifolius.    বর্ণনা: ব্যাপিত শাখা-প্রশাখাবিশিষ্ট, মসৃণ থেকে মসৃণবৎ বর্ষজীবী বীরুৎ, প্রধান মূলবিশিষ্ট। কান্ড ৩০-৪০ সেমি লম্বা। পাতা ১.৫-২.৫ x ০.৪-০.৬ সেমি, অপ্রকৃত আবর্তী,চমসাকার, উল্টাভল্লাকার, বা উপবৃত্তাকার, পত্রবৃন্ত ০.১- ০.২ সেমি লম্বা। পুষ্প ০.৪ সেমি (প্রায়) লম্বা, পুষ্পবৃন্তিকা। পুষ্পপুট ৫টি, ৩.০-৩.৫ x ১.৫ মিমি (প্রায়), ফলে সংযুক্ত পুষ্পপুট ৫ মিমিRead More


কলমি শাকের ঔষধি গুণ

কলমি শাক অতি পরিচিত একটি শাক। ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে ও বাংলায় অনেকের প্রিয় ও পরিচিত শাক। এর ব্যাটানিক্যাল নাম Ipomoea reptans (Linn.). পরিবার Convolvulaceae. উপকারিতা: ১. আফিংয়ের বিষক্রিয়ায়:  ঢলে পড়েছে, হাতের কাছে কিছু নেই, কলমী শাকের রস করে অন্ততঃ এক ছটাক খেলে; শরীর স্বাভাবিক হয়ে যাবে। ২. প্রথম বয়সের যৌবনের চাঞ্চল্যের কু-অভ্যাসে শরীর হাড়-সার, ঘুমলেই ক্ষরণ, এর সঙ্গে মাথা ধরা, হাত-পা জ্বালা, অগ্নিমান্দ্য, মুখে জল আসা, পড়াশুনা মনে না থাকা ইত্যাদি এ ক্ষেত্রে কলমী শাকের রস ২ চা-চামচ, তার সঙ্গে অশ্বগন্ধা (Withania somnifera Dunal.) মূল চূণ ১ গ্রাম আন্দাজ মিশিয়েRead More


পুদিনার সাতটি ঔষধি ব্যবহার

পুদিনা (বৈজ্ঞানিক নাম: Mentha spicata) একটি বর্ষজীবী গাছ। এদের খুব তীব্র গন্ধ থাকে। পাতাগুলো খুব ছোট ছোট। পাতার উভয় কিনারায় করাতের মত খাঁজ কাটা থাকে। পুষ্পদণ্ড খুবই নরম। বহির্বাস লোমযুক্ত এবং পুস্পস্তবকের মধ্যে থাকে। এ গাছের চাষ করা হয়। পুদিনার তেল তার সুগন্ধির জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটাকে পুদিনার তেল হিসাবে উল্লেখ করা হয়। বিভিন্ন অসুখে ব্যবহার: ১. পেট ফাঁপায়: পুদিনা গাছের শুকনা পাতা ও ডাল ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা ঠাণ্ডা পানিতে ভিজিয়ে সে পানি পরিষ্কার পাতলা কাপড়ে ছেকে খেলে পেট ফাঁপায় উপকার হয়। ২. কামলা রোগে: এ রোগে ১০Read More


থানকুনি বাংলার পরিচিত উদ্ভিদ

বৈজ্ঞানিক নাম: Centella asiatica.   সমনাম: Hydrocotyle asiatica L, Trisanthus cochinchinensis Lour. সাধারণ নাম: Centella বা Indian pennywort. বাংলা নাম: থানকুনি জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae বিভাগ: Angiosperms অবিন্যাসিত: Edicots অবিন্যাসিত: Asterids   বর্গ: Apiales পরিবার: Mackinlayaceae   গণ: Centella      প্রজাতি: Centella asiatica. প্রকারভেদ: বড় পাতা ও ছোট পাতা ভেদে দুই প্রকারের থানকুনী এদেশে পাওয়া যায়; ছোট পাতার থানকুনী বা থ্যালকুড়ি কোচবিহার অঞ্চলে জন্মে; সেটিকে ও অঞ্চলে ক্ষুদে মানী বলে। থানকুনি একটি ভেষজ উদ্ভিদ। এটির ভেষজ গুনাগুণ সম্পর্কে আরো জানতে পড়ুন থানকুনির গুনাগুণ ও উপকারিতা ক্ষুদে মানী বা ছোট পাতারRead More


জয়ন্তী একটি ঔষধি গাছ

বৈজ্ঞানিক নাম: Sesbania Sesban.   সাধারণ নাম: Aeschynomene aegyptiaca (Pers.) Steud, Aeschynomene sesban L, Emerus sesban (L.) Kuntze ইংরেজি নাম: common sesban, Egyption Rattle Pod. বাংলা নাম: জয়ন্তী জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae বিভাগ: Angiosperms অবিন্যাসিত: Edicots অবিন্যাসিত: Rosids বর্গ: Fabales   পরিবার: Fabaceae    গণ: Sesbania    প্রজাতি: S. sesban. পরিচিতি: জয়ন্তী গাছটি বেশি উচু হয় না। ছোট আকারের গাছ হলেও এটি দ্রুতবর্ধনশীল। এর কাঠ নরম। এই গাছ সাধারণত ১০ থেকে ১২ ফুট পর্যন্ত হতে দেখা যায়। গাছ বেশি ঝোপঝাড় হয় না, পাতাগুলি দেখতে অনেকটা তেতুল পাতার মতো, সাধারণ বৃন্তে বাRead More


সরিষা তেল জাতীয় শস্য

ইংরেজি নাম: Mustard plants. বাংলা নাম: সরিষা জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae বিভাগ: Angiosperms অবিন্যাসিত: Edicots অবিন্যাসিত: Rosids বর্গ: Brassicales পরিবার: Brassicaceae   পরিচিতি: সারা দেশে কমবেশি চাষ করা হয়। সরষে বর্ষবীজী বীরুৎ প্রজাতির। হলুদ রঙের ফুল হয়। গাছ প্রায় এক মিটারের কাছাকাছি বড় হয়। পাতা বড় হয়। ফুল বড় হয়। অগ্রভাগ কিছুটা গুচ্ছবদ্ধ হয়। হলুদ কিংবা পীত বর্ণের। শুঁটি অবস্থার অনুযায়ী সরিষা কয়েক ধরনের। [১] আরো পড়ুন সরিষার উপকারিতা সাধারণত তিন প্রকার সরিষা দেখা যায়। ক. রাই সরিষা (ছোট) Brassica juncea. খ. শ্বেত সরিষা (সাদা রাই) Brassica campestris, গ. সরিষাRead More


হলুদ আমরুল টক স্বাদযুক্ত শাক

বৈজ্ঞানিক নাম:  Oxalis corniculata. সাধারণ নাম: creeping woodsorrel, procumbent yellow sorrel, sleeping beauty. বাংলা নাম: হলুদ আমরুল জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae বিভাগ: Angiosperms অবিন্যাসিত: Edicots অবিন্যাসিত: Rosids বর্গ: Oxalidales পরিবার: Oxalidaceae গণ: Oxalis   প্রজাতি: Oxalis corniculata. পরিচয়: হলুদ আমরুল দেখতে সরু ও লতানো শাক বিশেষ। এটা দেখতে ছোট ও মাটিতেই প্রসারিত হয়। মাটিতে চাপা হয়ে লেগে থাকে। এর প্রচলিত নাম আমরুল শাক। এটিতে ৩ থেকে ৪ ইঞ্চি সুতার মতো সরু ডাটায় তিনটি পাতা হয়।  পাতার রং সবুজ বর্ণের। এর স্বাদ টক হয়। ডাঁটার গোঁড়া থেকে ফুল বের হয় ও পাপড়ির রংRead More