আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > Posts tagged "ঔষধি শাক"

নটে শাকের ২৫টি ঔষধি গুণাগুণ

শরীরের পক্ষে পুষ্টিকর এবং উপযোগী সব তত্ত্ব পাওয়ার জন্যে এবং ভিটামিন সি পাওয়ার জন্যে সবুজ শাক খাওয়া খুবই জরুরি। প্রায় সব শাকেই অ্যালকলি ক্ষারজ বা ক্ষার পদার্থ বেশি। সবুজ শাকের মধ্যে নটে শাকের আছে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এটি অন্যতম একটি শ্রেষ্ঠ শাক এবং দামেও সস্তা। নটে শাক সাধারণত বাজারে দু ধরনের

পালং শাকের ভেষজ গুণাগুণ

শাকের রাজা পালং অনেকেই বলে। আমাদের দেশে প্রাচীন কাল থেকে পালং শাক খাওয়া হয়ে আসছে। পালং শাকের অনেক গুণ। পালং শাক অনেক অসুখ সারায়। শরীরের ভেতরকার অর্থাৎ কিডনি বা গলরাডারের পাথর গলিয়ে বের করে দেয় এইতেই পালং শাকের সবচেয়ে বড় গুণ। ফুসফুসের অসুখেও পালং শাক উপকারী। প্রায় সব শাকেই ক্ষার

গিমা বা গিমে ঔষধি গুণে ভরা শাক

গিমে শাক পরিত্যক্ত জমিতেও হয় আবার আলু, রসুন, পেঁয়াজ ইত্যাদি ক্ষেতে জন্মে থাকে। যত্ন ছাড়া এই শাক হৃষ্ট-পুষ্টভাবে বেঁচে থাকে। তবে স্যাঁতস্যাঁতে অর্থাৎ কলতলা, পুকুরপাড়ে, নালার পাশে এটি ভালো ভাবে জন্মে।  বোটানিকাল নাম Glinus oppositifolius (L.) Aug.DC. এটি Molluginaceae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। স্বাদে তিক্ত, কফ পিত্তাধিক্যনাশক ও রুচিকারক, আর রোগারোগ্যের ক্ষেত্রে বলা

কুলেখাড়ার বারোটি ভেষজ চিকিৎসাগুণ

কুলেখাড়া বা কান্তা কালিকা বা কুলিকারহা বা ক্ষরিক বা গোকুলকাঁটা (বৈজ্ঞানিক নাম: Hygrophila auriculata) একান্থাসি পরিবারের হাইগ্রোফিলা গণের একটি একবর্ষজীবী, খাড়া, শাখাবিহীন বীরুৎ। কুলেখাড়ার কাণ্ড কন্টকময়, দেড় দুই ফুট উচু হয়, আবার জায়গা হিসেবে ৩/৪ ফুটও উচু হতে দেখা যায়। কাঁটা ৬টি, ১.৫-৩.৬ সেমি লম্বা, সোজা বা বক্র কাক্ষিক কণ্টকবিশিষ্ট চতুষ্কোণী

সুষনি ঔষধি গুণ সম্পন্ন শাক

সুষনিশাক বা সুনসুনি শাক গ্রামে অনেকের পরিচিত শাক। এই শাকের পাতা অনেক নরম ও পাতলা হয়। পাতার রং সবুজ নরম ও সরু ডাল বিশিষ্ট ঘাস বিশিষ্ট। থোকা থোকা জন্মে থাকে। একটি ডালে একটি পাতা হয়। শাক হিসাবে জনপ্রিয় এর বৈজ্ঞানিক নাম Marsilea minuta ও পরিবার  Marsileaceae. রোগ প্রতিকারে ১. শ্বাস রোগে (হাঁপানিতে):

গিমা তিতা স্বাদযুক্ত সুস্বাদু শাক

বৈজ্ঞানিক নাম: Glinus oppositifolius (L.). সমনাম : Mollugo oppositifolia L. (1753), Mollugo spergula L. (1759). ইংরেজি নাম: জানা নেই। স্থানীয় নাম: গিমাশাক। জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae বিভাগ: Angiosperms অবিন্যাসিত: Edicots বর্গ: Caryophyllales   পরিবার: Molluginaceae     গণ: Glinus   প্রজাতি: Glinus oppositifolius.    বর্ণনা: ব্যাপিত শাখা-প্রশাখাবিশিষ্ট, মসৃণ থেকে মসৃণবৎ বর্ষজীবী বীরুৎ, প্রধান মূলবিশিষ্ট। কান্ড ৩০-৪০ সেমি লম্বা। পাতা ১.৫-২.৫ x ০.৪-০.৬ সেমি,

কলমি শাকের ঔষধি গুণ

কলমি শাক অতি পরিচিত একটি শাক। ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে ও বাংলায় অনেকের প্রিয় ও পরিচিত শাক। এর ব্যাটানিক্যাল নাম Ipomoea reptans (Linn.). পরিবার Convolvulaceae. উপকারিতা: ১. আফিংয়ের বিষক্রিয়ায়:  ঢলে পড়েছে, হাতের কাছে কিছু নেই, কলমী শাকের রস করে অন্ততঃ এক ছটাক খেলে; শরীর স্বাভাবিক হয়ে যাবে। ২. প্রথম বয়সের যৌবনের চাঞ্চল্যের কু-অভ্যাসে শরীর

পুদিনার সাতটি ঔষধি ব্যবহার

পুদিনা (বৈজ্ঞানিক নাম: Mentha spicata) একটি বর্ষজীবী গাছ। এদের খুব তীব্র গন্ধ থাকে। পাতাগুলো খুব ছোট ছোট। পাতার উভয় কিনারায় করাতের মত খাঁজ কাটা থাকে। পুষ্পদণ্ড খুবই নরম। বহির্বাস লোমযুক্ত এবং পুস্পস্তবকের মধ্যে থাকে। এ গাছের চাষ করা হয়। পুদিনার তেল তার সুগন্ধির জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটাকে পুদিনার তেল

থানকুনি বাংলার পরিচিত উদ্ভিদ

বৈজ্ঞানিক নাম: Centella asiatica.   সমনাম: Hydrocotyle asiatica L, Trisanthus cochinchinensis Lour. সাধারণ নাম: Centella বা Indian pennywort. বাংলা নাম: থানকুনি জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae বিভাগ: Angiosperms অবিন্যাসিত: Edicots অবিন্যাসিত: Asterids   বর্গ: Apiales পরিবার: Mackinlayaceae   গণ: Centella      প্রজাতি: Centella asiatica. প্রকারভেদ: বড় পাতা ও ছোট পাতা ভেদে দুই প্রকারের থানকুনী এদেশে পাওয়া যায়; ছোট পাতার থানকুনী বা থ্যালকুড়ি কোচবিহার অঞ্চলে

জয়ন্তী একটি ঔষধি গাছ

বৈজ্ঞানিক নাম: Sesbania Sesban.   সাধারণ নাম: Aeschynomene aegyptiaca (Pers.) Steud, Aeschynomene sesban L, Emerus sesban (L.) Kuntze ইংরেজি নাম: common sesban, Egyption Rattle Pod. বাংলা নাম: জয়ন্তী জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae বিভাগ: Angiosperms অবিন্যাসিত: Edicots অবিন্যাসিত: Rosids বর্গ: Fabales   পরিবার: Fabaceae    গণ: Sesbania    প্রজাতি: S. sesban. পরিচিতি: জয়ন্তী গাছটি বেশি উচু হয় না। ছোট আকারের গাছ হলেও এটি দ্রুতবর্ধনশীল।

Top