Main Menu

ঔষধি বৃক্ষ

 
 

বড় ছাতিমের ১৩টি ঔষধি গুনাগুণ

ভূমিকা: বড় ছাতিম (বোটানিকাল নাম: Alstonia scholaris) এপোসিনাসি পরিবারের এলস্টোনিয়া গণের বৃহৎ ও চিরসবুজ বৃক্ষ। পত্রাচ্ছাদিত বড় ছাতিম গাছগুলি ৪o/৫০ ফুট পর্যন্ত উচু হয়। গাছের পুরু ছালের ভিতরটা সাদা ও দানাযুক্ত কিন্তু উপরটা খসখসে, গাছের সমগ্রাংশে সাদা দুধের মত আঠা (ক্ষীরা) আছে, পাতাগুলির আকার অনেকটা মনসা পাতার মত। এই গাছ জন্মে সমগ্র বাংলা, দক্ষিণ ও উত্তর ভারতে প্রায় সাড়ে তিন হাজার ফুট পর্যন্ত উচুতেও। শরৎকালে ফুল ও শীতকালে সরু বরবটীর শিম্বির মত ফল হয়। এর ফুলের উৎকৃষ্ট গন্ধ থাকলেও সেটি তীব্র। ভেষজ হিসেবে বড় ছাতিম পাওয়া না গেলে ছোট ছাতিমRead More


বাবলা গাছের ১৪টি ভেষজ গুণ

ভূমিকা: বাবলা মাঝারি আকৃতির  বৃক্ষ। এর পাতা তেঁতুলের পাতার মতো। গাছের গায়ে কাঁটা আছে। বাবলার বোটানিক্যাল নাম Acacia nilotica willd. এই বাবলা গাছের হিন্দি নাম ববুর, ববুল ও কীকর। বাবলা গাছের নামের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আর একটি গাছ এদেশে হয়; তার প্রচলিত গ্রাম্য নাম গুয়ে বাবলা। গুয়ে এই বিশেষণ দেওয়াটার কারণ হলো এই গাছের ত্বকে (ছালে) পাওয়া যায় যেন বিষ্ঠার গন্ধ, কিন্তু ফলে পাওয়া যায় বর্তমানের প্রসিদ্ধ Scent ‘মাইমোসা’র (Mimosa) গন্ধ। এই গাছগুলি আকারে ছোট হয় এবং এর বাড়-বাড়ন্ত কম; এটির বোটানিক্যাল, নাম Acacia farnesiana willd. এটি Leguminoseae ফ্যামিলিভুক্ত। এই AcaciaRead More


দারুহরিদ্রা ভেষজ গুণ সম্পন্ন বৃক্ষ

এই গাছ ৩ থেকে ৭ বা ৮ ফুট পর্যন্ত উচু হলেও শাখাগুলি নিম্নভিমূখী, পাতাগুলির কিনারা (ধার) দাঁতযুক্ত, শাখাগ্রে সরু সরু কাঁটা থাকে, কিন্তু এই গাছ সমতলে হয় না। নীলগিরি ও হিমালয়ের বিভিন্নপ্রান্তে সাধারণত ৩ থেকে ১১ হাজার ফুট উচ্চতার মধ্যে জন্মে। ফুল হয় বসন্তকালে আর ফল হয় গ্রীলকালে। এই গাছের ছোট কিসমিসের মতো শুকনো ও টক ফলগুলি ইউনানি চিকিৎসক ঔষধ হিসেবে ব্যবহার করে।  ভারতবর্ষে দুই প্রজাতির দারুহরিদ্রা পাওয়া যায় এদের বৈজ্ঞানিক নাম Berberis aristata এবং Berberis asiatica. এই দুই ধরণের গাছই ঔষধ হিসাবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ঔষধি গুণ: ব্রণRead More


গনিয়ারি গাছের ঔষধি গুণাগুণ

অগ্নিমান্থ বা গনিয়ারি বৈজ্ঞানিক নাম: Premna serratifolia. এই গাছের ছাল, পাতা, মূল, মূলের ত্বক ঔষধ হিসাবে ব্যবহার করে থাকে। ব্যবহার: ১. আমদোষে দমকা দাস্ত: মাঝে মাঝে হতে থাকলে অগ্নিমান্থ বা গনিয়ারি ছাল চূর্ণ ২ থেকে ৩ গ্রাম মাত্রায় জলসহ দু’বেলা ব্যবহার করলে, তাছাড়া মাঝে মাঝে দাস্তও হতে থাকলে দোষটি সেরে যায়। ২. আঘাতজনিত ফোলায়: কোমলস্থানে আঘাত লেগে ফুলে গেলে এই গাছের পাতা বেটে লাগালে ফুলা সেরে যায়। ৩. কিডনির দোষে-প্রস্রাবে. অপতা, তজ্জন্য হাতে-পায়ে ফলায়: এর পাতার রস ৩ থেকে ৪ চা-চামচ অল্প গরম করে খেলে অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই কিডনির শোথRead More


মেহেদি পাতার ২০টি ঔষধি গুণাগুণ

বৈজ্ঞানিক নাম: Lawsonia inermis Linn. ফ্যামিলি Lythraceae. সর্বজন পরিচিত এই গাছটিকে সাধারণত বেড়ার ধারে লাগানো হয়। ঔষধার্থে ব্যবহার করা হয় তার ফল, ফল, পাতা ও মূল। মেহেদি পাতার গুণাগুণ: জণ্ডিস বা কামলা রোগ- আঙ্গুলের মতো মোটা মেহেদি গাছের মূল (কচি হলে ভাল হয়) অর্ধকুটিত (আধকুটা) আতপচাল-ধোয়া জল দিয়ে ঘষে (চন্দন পাটায় ঘষলে ভাল হয়) ২ চা-চামচ আন্দাজ নিয়ে ৮ থেকে ১০ চামচ ওই চাল-ধোয়া জলে মিশিয়ে সকালে ও বিকালে দুইবার খেতে হয়। এইভাবে ৪ থেকে ৫ দিন খেলে আরোগ্য হয়। এই টোটকা ঔষধটি খাওয়ার কালে ডাবের জল বা আখের রস (ইক্ষরস)Read More


তেঁতুল গাছের ঔষধি ব্যবহার

তেঁতুল ( বৈজ্ঞানিক নাম: Tamarindus indica, ইংরেজি নাম: Melanesian papeda) হচ্ছে ফিবাসি পরিবারের টামারিন্ডাস গণের একটি ফলদ উদ্ভিদ। টক জাতীয় এই ফলের গাছটির আদি নিবাস আফ্রিকা এবং গোটা দুনিয়ায় চাষ করা হয়। তেঁতুল বৃহৎ বৃক্ষ, ২৪ মিটার পর্যন্ত উঁচু হতে পারে। তেঁতুল গাছ সম্পর্কে বিস্তারিত পড়ুন তেঁতুল টকজাতীয় জনপ্রিয় ফল বিভিন্ন রোগ প্রতিকারে তেঁতুল পাতার ব্যবহার ১. নব্য প্রতিশারে: (কাঁচা সর্দি, হাঁচি, নাক দিয়ে কাঁচা জল পড়া) তেতুলের কাঁচা পাতাকে (৩ থেকে ৪ গ্রাম) সিদ্ধ করে তার ঠাণ্ডা জল খেলে উপশম হয়। ২. রক্তস্রাবী অর্শরোগ:  উপরিউক্ত মাত্রায় পাতা সিদ্ধ জলেরRead More


রক্তচন্দন কাঠের ১৫টি ঔষধি গুণ

ঔষধি ব্যবহার: ১. প্রবল জ্বরের দহে:  অকৃত্রিম রক্তচন্দনের গুড়া বা চেলি ১০ থেকে ১২ গ্রাম এক পোয়া আন্দাজ গরম জলে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা ভিজিয়ে সেই জল অল্প মাত্রায় সমস্ত দিন খেলে দাহ ভাল হয়; গুঁড়ার অভাবে রক্তচন্দন ঘষে গরম জলে গুলে নিলেও হবে। ২. রক্ত প্রবাহের জ্বালায়:  উপরিউক্ত পদ্ধতিতে রক্তচন্দনের জল তৈরী করে ২। ৩ বার খেলে জ্বালা কমে যায় ও রক্ত পড়া বন্ধ হয়। ৩. রক্তপিত্তে:  যেখানে ঝলকে ঝলকে রক্ত উঠছে, তার সঙ্গে শরীরের জ্বালাও আছে এ ক্ষেত্রেও ঐ পদ্ধতিতে জল তৈরী করে খেলে গায়ের জ্বালা ও রক্তবমনRead More


নিম চিরহরিৎ ঔষধি বৃক্ষ

ভূমিকা: নিম বা নিম্ব মেলিয়াসি পরিবারের এযারিডাক্টা গণের একটি সপুষ্পক উদ্ভিদের প্রজাতি। এরা মাঝারি থেকে বৃহদাকার চিরহরিৎ থেকে অর্ধ পত্রঝরা বৃক্ষ। বিবরণ: নিম গাছ ৩০ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়।  অল্প বয়স্ক বাকল মসৃণ, বয়ষ্ক কান্ডের বাকল বিদীর্ণ এবং স্তরে স্তরে সজ্জিত, পাটল বর্ণ বাদামী বা ধূসর, ভেতরের বাকল কমলা থেকে লাল, চটচটে এবং গন্ধময় রসযুক্ত। পল্লব ৪ থেকে ৮ মিমি লম্বা, উল্লম্ব এবং ফ্যাকাশে বায়ুরবিশিষ্ট, ক্ষতিগ্রস্থ হলে রসুনের মতো গন্ধ ছড়ায়। পাতা একান্তর, সচূড় পক্ষল, ১৫ থেকে ৩৫ সেমি লম্বা, পত্রক ৪ থেকে ৭ জোড়া, কচি অবস্থায় লালচে, পত্রবৃন্ত ৩Read More


কদম গাছের ঔষধি ব্যবহার

কদম বা বুল কদমকদম বা বুল কদম (বৈজ্ঞানিক নাম Neolamarckia cadamba) (ইংরেজি নাম burflower–tree, laran, Leichhardt pine) রুবিয়াসি পরিবারের এন্থোসেফালুস গণের একটি মধ্যম বা বৃহৎ-আকৃতির সপুষ্পক বৃক্ষ। এরা প্রায় ৪০ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়।[১] কদমের আছে অনেক আয়ুর্বেদিক ভেষজ গুনাগুণ যা নিম্নে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো। আয়ুর্বেদিক ব্যবহার: ১. কোষবৃদ্ধিতে (Hydrocele):  অনেকে কদমপাতা বেধে থাকেন। এর কারণ হচ্ছে যদি গাছের ছালকে বা ত্বক চন্দনের মতো বেটে কোষে লাগিয়ে তারপর কদমপাতা দিয়ে বাঁধা হয়, তাহলে ব্যথা ও ফোলা দুই-ই কমে যাবে। ২. শিশুদের কৃমিতে:  অনেকে এই পাতার রস খাইয়ে থাকেন, কিন্তুRead More


অশোক দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ঔষধি বৃক্ষ

অশোক বৈজ্ঞানিক নাম: Saraca asoca. সমনাম: Jonesia asoca Roxb.;  Jonesia confusa Hassk.;  Jonesia pinnata Willd.; Saraca confusa (Hassk.) Backer; Saraca indica sensu Bedd., non L. সাধারণ নাম: ashoka tree. বাংলা নাম: অশোক জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae বিভাগ: Angiosperms অবিন্যাসিত: Edicots অবিন্যাসিত: Rosids বর্গ: Fabales পরিবার: Fabaceae গণ: Saraca প্রজাতি: Saraca asoca (Roxb.) Willd. পরিচয়: অশোক বহু শাখাবিশিষ্ট ছায়াতরু। এই গাছ দেখতে মাঝারি আকারের। ৬ থেকে ৮ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়। অশোক চিরসবুজ ও মাথা ছড়ান গাছ। এর কচি ডাল ও পাতা ঝুলন্ত  এবং হালকা তামাটে রঙের হয় । এটি যৌগপত্রRead More