আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > Posts tagged "ঔষধি বৃক্ষ"

বড় ছাতিমের ১৩টি ঔষধি গুনাগুণ

ভূমিকা: বড় ছাতিম (বোটানিকাল নাম: Alstonia scholaris) এপোসিনাসি পরিবারের এলস্টোনিয়া গণের বৃহৎ ও চিরসবুজ বৃক্ষ। পত্রাচ্ছাদিত বড় ছাতিম গাছগুলি ৪o/৫০ ফুট পর্যন্ত উচু হয়। গাছের পুরু ছালের ভিতরটা সাদা ও দানাযুক্ত কিন্তু উপরটা খসখসে, গাছের সমগ্রাংশে সাদা দুধের মত আঠা (ক্ষীরা) আছে, পাতাগুলির আকার অনেকটা মনসা পাতার মত। এই গাছ

বাবলা গাছের ১৪টি ভেষজ গুণ

ভূমিকা: বাবলা মাঝারি আকৃতির  বৃক্ষ। এর পাতা তেঁতুলের পাতার মতো। গাছের গায়ে কাঁটা আছে। বাবলার বোটানিক্যাল নাম Acacia nilotica willd. এই বাবলা গাছের হিন্দি নাম ববুর, ববুল ও কীকর। বাবলা গাছের নামের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আর একটি গাছ এদেশে হয়; তার প্রচলিত গ্রাম্য নাম গুয়ে বাবলা। গুয়ে এই বিশেষণ দেওয়াটার কারণ হলো

দারুহরিদ্রা ভেষজ গুণ সম্পন্ন বৃক্ষ

এই গাছ ৩ থেকে ৭ বা ৮ ফুট পর্যন্ত উচু হলেও শাখাগুলি নিম্নভিমূখী, পাতাগুলির কিনারা (ধার) দাঁতযুক্ত, শাখাগ্রে সরু সরু কাঁটা থাকে, কিন্তু এই গাছ সমতলে হয় না। নীলগিরি ও হিমালয়ের বিভিন্নপ্রান্তে সাধারণত ৩ থেকে ১১ হাজার ফুট উচ্চতার মধ্যে জন্মে। ফুল হয় বসন্তকালে আর ফল হয় গ্রীলকালে। এই গাছের ছোট

গনিয়ারি গাছের ঔষধি গুণাগুণ

অগ্নিমান্থ বা গনিয়ারি বৈজ্ঞানিক নাম: Premna serratifolia. এই গাছের ছাল, পাতা, মূল, মূলের ত্বক ঔষধ হিসাবে ব্যবহার করে থাকে। ব্যবহার: ১. আমদোষে দমকা দাস্ত: মাঝে মাঝে হতে থাকলে অগ্নিমান্থ বা গনিয়ারি ছাল চূর্ণ ২ থেকে ৩ গ্রাম মাত্রায় জলসহ দু'বেলা ব্যবহার করলে, তাছাড়া মাঝে মাঝে দাস্তও হতে থাকলে দোষটি সেরে যায়। ২. আঘাতজনিত

মেহেদি পাতার ২০টি ঔষধি গুণাগুণ

বৈজ্ঞানিক নাম: Lawsonia inermis Linn. ফ্যামিলি Lythraceae. সর্বজন পরিচিত এই গাছটিকে সাধারণত বেড়ার ধারে লাগানো হয়। ঔষধার্থে ব্যবহার করা হয় তার ফল, ফল, পাতা ও মূল। মেহেদি পাতার গুণাগুণ: জণ্ডিস বা কামলা রোগ- আঙ্গুলের মতো মোটা মেহেদি গাছের মূল (কচি হলে ভাল হয়) অর্ধকুটিত (আধকুটা) আতপচাল-ধোয়া জল দিয়ে ঘষে (চন্দন পাটায় ঘষলে ভাল

তেঁতুল গাছের ঔষধি ব্যবহার

তেঁতুল ( বৈজ্ঞানিক নাম: Tamarindus indica, ইংরেজি নাম: Melanesian papeda) হচ্ছে ফিবাসি পরিবারের টামারিন্ডাস গণের একটি ফলদ উদ্ভিদ। টক জাতীয় এই ফলের গাছটির আদি নিবাস আফ্রিকা এবং গোটা দুনিয়ায় চাষ করা হয়। তেঁতুল বৃহৎ বৃক্ষ, ২৪ মিটার পর্যন্ত উঁচু হতে পারে। তেঁতুল গাছ সম্পর্কে বিস্তারিত পড়ুন তেঁতুল টকজাতীয় জনপ্রিয় ফল বিভিন্ন রোগ

রক্তচন্দন কাঠের ১৫টি ঔষধি গুণ

ঔষধি ব্যবহার: ১. প্রবল জ্বরের দহে:  অকৃত্রিম রক্তচন্দনের গুড়া বা চেলি ১০ থেকে ১২ গ্রাম এক পোয়া আন্দাজ গরম জলে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা ভিজিয়ে সেই জল অল্প মাত্রায় সমস্ত দিন খেলে দাহ ভাল হয়; গুঁড়ার অভাবে রক্তচন্দন ঘষে গরম জলে গুলে নিলেও হবে। ২. রক্ত প্রবাহের জ্বালায়:  উপরিউক্ত পদ্ধতিতে রক্তচন্দনের জল

নিম চিরহরিৎ ঔষধি বৃক্ষ

ভূমিকা: নিম বা নিম্ব মেলিয়াসি পরিবারের এযারিডাক্টা গণের একটি সপুষ্পক উদ্ভিদের প্রজাতি। এরা মাঝারি থেকে বৃহদাকার চিরহরিৎ থেকে অর্ধ পত্রঝরা বৃক্ষ। বিবরণ: নিম গাছ ৩০ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়।  অল্প বয়স্ক বাকল মসৃণ, বয়ষ্ক কান্ডের বাকল বিদীর্ণ এবং স্তরে স্তরে সজ্জিত, পাটল বর্ণ বাদামী বা ধূসর, ভেতরের বাকল কমলা থেকে

কদম গাছের ঔষধি ব্যবহার

কদম বা বুল কদমকদম বা বুল কদম (বৈজ্ঞানিক নাম Neolamarckia cadamba) (ইংরেজি নাম burflower-tree, laran, Leichhardt pine) রুবিয়াসি পরিবারের এন্থোসেফালুস গণের একটি মধ্যম বা বৃহৎ-আকৃতির সপুষ্পক বৃক্ষ। এরা প্রায় ৪০ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়।[১] কদমের আছে অনেক আয়ুর্বেদিক ভেষজ গুনাগুণ যা নিম্নে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো। আয়ুর্বেদিক ব্যবহার: ১. কোষবৃদ্ধিতে (Hydrocele):  অনেকে

অশোক দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ঔষধি বৃক্ষ

অশোক বৈজ্ঞানিক নাম: Saraca asoca. সমনাম: Jonesia asoca Roxb.;  Jonesia confusa Hassk.;  Jonesia pinnata Willd.; Saraca confusa (Hassk.) Backer; Saraca indica sensu Bedd., non L. সাধারণ নাম: ashoka tree. বাংলা নাম: অশোক জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae বিভাগ: Angiosperms অবিন্যাসিত: Edicots অবিন্যাসিত: Rosids বর্গ: Fabales পরিবার: Fabaceae গণ: Saraca প্রজাতি: Saraca asoca (Roxb.) Willd. পরিচয়: অশোক বহু শাখাবিশিষ্ট ছায়াতরু। এই গাছ দেখতে

Top