Main Menu

ঔষধি আগাছা

 
 

ভৃঙ্গরাজের ১৮টি ভেষজ গুণাগুণ

পরিচিতি সাধারণত ভৃঙ্গরাজ বিভিন্ন প্রজাতির হয়ে থাকে;  সচরাচর আমরা দেখতে পাই পীতপুষ্প বা হলদে ফুল; এছাড়াও দেখা যায় আরও দুই প্রকারের গাছ, শ্বেত বা সাদা ও নীল ফুলের। এই প্রজাতির আর এক প্রকার গাছ দেখা যায়, সে গাছের ডাঁটা একটু লালচে বর্ণের হয়ে থাকে। এই সাদা ও লাল ডাঁটা ভৃঙ্গরাজ বারো মাসই প্রায় সর্বত্র পাওয়া যায়; তবে বাংলা, আসাম, মাদ্রাজ (তামিলনাড়ু, নাড়ু অর্থে পল্লী), মালাবার প্রভৃতি অঞ্চলে এগুলি বেশি জন্মে। এর হিন্দি নাম পীলা ভাঙ্গরা; এইটির বোটানিক্যাল নাম Wedelia Calendulace ব্যবহার্য অংশ মূল সহ সমগ্র গাছ। দ্বিতীয় শ্বেতপুষ্প ভৃঙ্গরাজ বাRead More


হাতিশুঁড়ের ঔষধি গুণাগুণ

হাতিশুঁড় একপ্রকার বর্ষজীবি আগাছা জাতীয় উদ্ভিদ। একে বিভিন্ন নামে দাকা হয় যেমন- হাতিশুঁড়ি, হাতিশুণ্ডি, হস্তীশুণ্ডী, শ্রীহস্তিনী, মহাশুণ্ডী ইত্যাদি। এর বৈজ্ঞানিক নাম Heliotropium indicum, এবং ইংরেজি নাম ‘Indian heliotrope’। লোকায়তিক ব্যবহার ১. ফোলা: হঠাৎ ঠাণ্ডা লেগে হাতে পায়ের গাঁট ফুলে গেলে (এটা সাধারণতঃ কফের বিকারে হয়) এই হাতিশুঁড়ের পাতা বেটে অল্প গরম করে ঐ সব ফোলার জায়গায় লাগালে ওটা কমে যায়। ২. আঘাতের ফোলায়: এই পাতা বেটে গরম করে ঐ আঘাতের জায়গায় লাগালে ব্যথা ও ফোলা দুই চলে যায়। ৩. বাগীর ফোলায়:  উরু ও তলপেটের সন্ধিস্থানে অর্থাৎ কুচকীতে যেটা হয় তারRead More


বুড়িগুয়াপান বাংলাদেশের ওষধি বিরুৎ

বুড়িগুয়াপান বনৌষধিটি উদ্ভিদ। এটি অ্যাকানথেসি (Acanthaceae) ফ্যামিলীভুক্ত, বোটানিকাল নাম হেমিগ্রাফিস হিরটা (Hemigraphis hirta T. And.) বাংলা দেশের যত্রতত্র এই গাছ অযত্নে প্রচুর পরিমাণে হয়ে থাকে। এর বিশেষ কোনো স্বাদ নেই। প্রামাণ্য উদ্ভিদবিজ্ঞানীদের অধিকাংশ গ্রন্থে এই গাছটির নাম পর্যন্ত পাওয়া যায় না; এমন কি ‘ওয়েলথ অফ ইন্ডিয়া’ (Wealth of India) বলে দিল্লী থেকে যে গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে, তার মধ্যেও এই গাছটির কোনো উল্লেখ নেই। বিস্তৃতি: ভারত, বাংলাদেশের সকল অংশেই পাওয়া যায়। সমভূমি ও পাহাড় উভয় অঞ্চলে পাওয়া যায়। ঔষধ হিসাবে ব্যবহার: আমাশয় ও রক্তামাশয়: এই গাছটি সম্পর্কে বিভিন্ন গ্রামাঞ্চল থেকে সংবাদRead More


মুথার ১১টি ভেষজ গুণ

বৈদিক তথ্যে পাওয়া যাচ্ছে এক শ্রেণীর মশুক বা মুথার কথা; আর সপ্তদশ শতকে এসে সেটির চার প্রকারের উল্লেখ; অবশ্য তাদের প্রত্যেকের গুণ ও উপযোগিতাও পৃথক পৃথক বলা হয়েছে। আলাচ্য বিষয় ভদ্রমুথা সম্পর্কে। এটি এক জাতীয় ঘাস, ঔষধার্থে এর মূল ব্যবহার করা হয়, মূলটি গ্রন্থি আকারের (Tuberous root)। এটি জন্মে বালি প্রধান স্যাঁতসেতে জমিতে, সাধারণ বলে মুথা ঘাস, এর মূলগুলিই ভ্যাদলা মুথা। এই নামটি ভদ্রমস্তকের বিবর্তিত চলতি নাম। এই ঘাসটির বোটানিক্যাল নাম Cyperus rotundus Linn. ফ্যামিলি Cyperaceae। আর একই প্রজাতির আর একটি ঘাস জন্মে জলাসন্ন ভূমিতে। তার পাতা চওড়া, সে ঘাসগুলিRead More


বথুয়া বা বাসতুগ শাকের ঔষধি গুণাগুণ

বথুয়া, বেতো বা বাসতুগ শাক মূলত আগাছ হিসাবে জন্মে থাকে গম, ধানের জমিতে। এটি শীত ঋতুতে জনপ্রিয় শাক। এর বৈজ্ঞানিক নাম Chenopodium album. Amaranthaceae পরিবারে অন্তর্ভুক্ত।   সুশ্রুতের মুষ্টিযোগ হলও- ১. বেতোশাকের রস ১ চা-চামচ এবং টাটকা ঘোল আধ পোয়া মিশিয়ে খেলে হিক্কা বন্ধ হয়। ২.  বেতোশাকের রস আধ পোয়া, তিল তৈল তিন পোয়া ও জল চার সের, তৈল পাকের রীতিতে পাক করে সেই তৈল ব্যবহার করলে মাথার খুসকী, উকুন, চুলের গোড়ার চাপড়া ঘা কয়েক দিনেই সেরে যায়। রোগ-প্রতিকারের উৎস ১. বেতোশাকে যেমন ক্ষারধমিত্ব আছে (যার জন্য এর আর একটিRead More


মিশ্রিদানা বাংলাদেশের সুলভ ঔষধি উদ্ভিদ

বৈজ্ঞানিক নাম: Scoparia dulcis সমনাম: Ambulia micrantha Raf.; Capraria dulcis (L.) Kuntze; Gratiola micrantha Nutt.; Scoparia grandiflora Nash;Scoparia nudicaulis Chodat & Hassl.; Scoparia procumbens Jacq.; Scoparia purpurea Ridl.; Scoparia ternata Forssk. বাংলা নাম: মিশ্রিদানা, চিনিপাতা, মিছরিপাতা, মিডালি, চিনিটোরা, বনধনিয়া, চিনিমিঠা, মিছরিদানা ইংরেজি নাম: goatweed, scoparia-weed বা sweet-broom জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae – Plants অবিন্যসিত: Angiosperms অবিন্যসিত: Eudicots অবিন্যসিত: Asterids বর্গ: Lamiales পরিবার: Plantaginaceae ট্রাইব: Crotalarieae গণ: Scoparia প্রজাতি: Scoparia dulcis (Linnaeus) পরিচিতি: মিশ্রিদানা বা চিনিপাতা হচ্ছে একটি ভেষজ তৃণজাতীয় উদ্ভিদ। ব্যবহার: এটি ভারতে ডায়াবেটিস রোগে এবং তাইওয়ানে উচ্চ রক্তচাপ বাRead More


ত্রিধারা গোটা দুনিয়ার ভেষজ আগাছা

বৈজ্ঞানিক নাম:  Tridax procumbens L. সাধারণ নাম: coatbuttons বা tridax daisy. বাংলা নাম: ত্রিধারা জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae বিভাগ: Angiosperms অবিন্যাসিত: Edicots অবিন্যাসিত: Asterids বর্গ: Asterales পরিবার: Asteraceae গণ: Tridax প্রজাতি: Tridax procumbens L. বিবরণ: ত্রিধারা ডেইজী পরিবারভূক্ত ট্রিডাক্স গণের এক প্রকার সপুষ্পক উদ্ভিদ। এটি ক্ষতিকারক এবং বিষাক্ত উদ্ভিদ হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। যুক্তরাস্ট্রের নয়টি প্রদেশে এটি ক্ষতিকারক উদ্ভিদ হিসেবে তালিকাভূক্ত। এই প্রজাতির টেক্সোনমিক অবস্থা সুস্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে যা সর্বজনীনভাবে সারা বিশ্বব্যাপি স্বীকৃত। procumbens বলতে prostrate (শায়িত) বোঝায় ও ডালপালার অভ্যাস লতানো (trailing) এবং Tridax বলতে এই ফুলের পাপড়ীতে তিনটি খাঁজRead More


কলকাসুন্দা দক্ষিণ এশিয়ার ঔষধি গুল্ম

বৈজ্ঞানিক নাম: Senna occidentalis. সমনাম: Cassia caroliniana, C. ciliata Raf, C. falcata L, C. foetida Pers, C. laevigata sensu auct. non Prain non Willd, C. macradenia, C. obliquifolia, C. occidentalis, C. occidentalis L. var. arista sensu Hassk, C. occidentalis L. var. aristata Collad, C. planisiliqua, C. torosa Cav, Ditrimexa occidentalis (L.) Britt.& Rose. সাধারণ নাম: coffee senna, coffeeweed, Mogdad coffee, negro-coffee, senna coffee, Stephanie coffee, stinkingweed বা styptic weed. বাংলা নাম: কলকাসুন্দা জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae বিভাগ: Angiosperms অবিন্যাসিত: Edicots অবিন্যাসিত: Rosids বর্গ: Fabales পরিবার: Fabaceae উপপরিবার: Caesalpinioideae গোত্র: CaesalpinioideaeRead More


দূর্বা ঘাসের ঔষধি গুণাগুণ

দূর্বা একটি ঔষধি গুণসম্পন্ন ঘাস। এদের বৈজ্ঞানিক নাম: Cynodon dactylon, (L.) Pers এবং এরা পোয়াসি পরিবারের ঘাস। এই ঘাসটির ঔষধি ব্যবহার নিচে উল্লেখ করা হলো। ঘাসটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পড়ুন দূর্বা একটি ভেষজ গুণের ঘাস ১. রক্তপিত্ত: এই রোগটির অভিব্যক্তি শরীরের বিভিন্ন পথে হয়ে থাকে; মুখ, নাক ছাড়াও শরীরের বিভিন্ন দ্বার দিয়ে রক্তস্রাব হতে পারে। এমন কি লোমকুপ দিয়েও ঘামের মতো বিন্দু বিন্দু রক্ত বের হতেও দেখা যায়। আয়ুর্বেদ মতে এটা রক্তপিত্তের ক্ষেত্র; এক্ষেত্রে দূর্বার রস কাঁচা দুধ মিশিয়ে খাওয়ালে নিশ্চিত উপশম হয়। এ কথা চরকের। শুধু তাই নয়, এটিRead More


কলকাসুন্দার দশটি ঔষধি গুণাগুণ

কলকাসুন্দা একটি ঔষধি গুল্ম। এদের বৈজ্ঞানিক নাম Senna occidentalis Linn, পরিবার Leguminosae. এই গাছের পাতার শির, গাছের উপরের অংশটা একটু বেগুনি রঙের হয় বলেই একে বলে কালো কাসুন্দে। এদের ঔষধ হিসাবে ব্যবহার নিম্নে উল্লেখ করা হলো। কলকাসুন্দা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পড়ুন কলকাসুন্দা দক্ষিণ এশিয়ার ঔষধি গুল্ম ১. অরুচিতে: এ অরুচির ক্ষেত্রে থাকে পিত্ত শ্লেষ্মার দোষ, তার প্রধান লক্ষণ থাকবে জিভটা ফাটা ফাটা এবং জিভের ধারটা লাল; কিছু খেলেই জ্বালা করে আর মুখে কিছুতেই যেন রুচি হয় না; এক্ষেত্রে কালো বা সাদা কাসুন্দের পাতা অল্প লবণ দিয়ে সিদ্ধ করে তবে জলRead More