You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > Posts tagged "আধুনিক বাংলা গান"

একটি দুটি তারা করে উঠি উঠি

একটি দুটি তারা

একটি দুটি তারা করে উঠি উঠি মনকে দিলাম ছুটি তাই গো এই সন্ধ্যায়। একটি দুটি ফুল করে ফুটি ফুটি যেথা খুশি মুঠি মুঠি পাই গো সেথা মন ধায়।। তোমার আমার মাঝে রবে নীরবতা মাঝে মাঝে শুধু একটি দুটি কথা, সেই শুনে উলু দেবে অলি নিশিগন্ধায়।। প্রথম রাতের চাঁদ জেগে রবে দূরে বাতাসের বাঁশি ভরে যাবে সুরে, সেই শুনে ঢুলু ঢুলু

আমি স্বপ্নে তোমায় দেখেছি

আমি স্বপ্নে তোমায় দেখেছি মোর নিশীথ বাসর শয্যায়, মন বলে ভালবেসেছি, আঁখি বলিতে পারেনি লজ্জায়। জানিনা এ কোন লীলাতে মন চায় যে মাধুরী বিলাতে, তবু পারেনি তোমারে ভোলাতে মধুর বধুর সজ্জায়।। সুন্দর এই মায়া তিথিতে মন তুমি ছাড়া কিছু জানে না, যেন এ আবেশ কোনদিন ভাঙ্গে না। জানিনা তো এই ফাগুনে আমি জ্বলে মরি কীসের আগুনে এ কোন খুশীর বিজুরী শিহরে তনুর মজ্জায়।। কথা: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার সুর:

আমি চেয়ে চেয়ে দেখি সারাদিন

আমি চেয়ে চেয়ে দেখি সারাদিন আজ ওই চোখে সাগরের নীল— আমি তাই কি গান গাই কি বুঝি মনে মনে হয়ে গেল মিল। কবরীতে ওই ঝর ঝর কনকচাঁপা, না- বলা কথায় থর থর অধর কাঁপা— তাই কি আকাশ হল আজ আলোয় আলোয় ঝিলমিল।। এই যেন নই গো প্রথম— তোমায় যে কত দেখেছি, স্বপনেরও তুলি দিয়ে তাই তোমার সে ছবি এঁকেছি। মৌমাছি আজ

কে যাস রে ভাটি গাঙ বাইয়া— মীরা দেববর্মণ

কে যাস রে ভাটি গাঙ বাইয়া আমার ভাইধনরে কইও—নাইওর নিতো বইল্যা। বছরখানি ঘুইর‍্যা গেল, গেল রে, ভাইয়ের দেখা পাইলাম না, পাইলাম না। কইলজা আমার পুইড়া গেল, গেল রে, ভাইয়ের দেখা পাইলাম না, পাইলাম না। ছিলাম রে কতই আশা লইয়া। ভাই না আইল—গেল গেল রথের মেলা চইল্যা।। প্রাণ কান্দে, কান্দে—প্রাণ কান্দেরে, নয়ন ঝরে ঝরে—নয়ন ঝরে রে— পোড়া মন রে বুঝাইলে বুঝে না। সুজন মাঝি রে

কালসাপে দংশে আমায়— মীরা দেববর্মণ

কালসাপে দংশে আমায় ওঝা হয়ে সে যেন রে বিষ নামায়। ছোবল খেয়ে কালো হইলাম, এখন আমার কী হবে উপায়? যার রূপেতে মজেছিলাম হায়, সে কালাচাঁদ আমারে গো কলঙ্কে ডুবায়।। মরণ বাঁচন কালার হাতে, মারিয়া পারে বাঁচাইতে, এমন বৈদ্য পাবে কে কোথায় ? কৃষ্ণপ্রেমে মরি যদি হায়, অবশেষে কালা যেন আমারে বাঁচায়।।। কথা : মীরা দেববর্মণ সুর : শিল্পী শিল্পী: শচীন দেববর্মণ

তাকদুম তাকদুম বাজাই বাংলা দেশের ঢোল— মীরা দেববর্মণ

(আমি) তাকদুম তাকদুম বাজাই বাংলা দেশের ঢোল— সব ভুলে যাই, তাও ভুলি না বাংলামায়ের কোল। বাংলা! জনম দিলা আমারে— তোমার পরান আমার পরান এক নাড়ীতেই বাঁধা রে। মা-পুতের এই বাঁধন ছেড়ার সাধ্য কারো নাই— সব ভুলে যাই, তাও ভুলি না বাংলা-মায়ের কোল।। মা, তোমার মাটির সুরে সুরেতে, আমার জীবন জুড়াইলা বাউল-ভাটিয়ালিতে। পরান খুইল্যা মেঘনা, তিতাস, পদ্মারই গান গাই— সব ভুলে যাই, তাও ভুলি

শোনো গো দখিন হাওয়া— মীরা দেববর্মণ

শোনো গো দখিন হাওয়া, প্রেম করেছি আমি, লেগেছে চোখেতে নেশা, দিক ভুলেছি আমি। মনেতে লুকানো ছিল সুপ্ত যে তিয়াসা, জাগিল মধুগনেতে বাড়াল পিয়াসা। উতলা করেছে মোরে আমারই ভালোবাসা— অনুরাগে প্রেম-সলিলে ডুব দিয়েছি আমি, শোনো গো মধুর হাওয়া, প্রেম করেছি আমি।। দহনবেলাতে আমি প্রেমের তাপসী, বরষাতে প্রেমধারা শরতের শশী। রচি গো হেমন্তে

রাতের আতরে ভিজাইয়া আদরে— মীরা দেববর্মণ

রাতের আতরে ভিজাইয়া আদরে কেন বঁধূ দূরে যায় ? চাতুরিতে ভুলেছিলাম, মান করে আর লাভ নাই— ভালোবাসা দেওয়া হল দায়।। যে শিকারি সাকি, ছিল চোরা পাখি, মন চুরি করে উড়ে যায়, রাঙায়ে গোলাপে, ভুলায়ে প্রলাপে, পেয়ালা সে খালি রেখে যায়।। পিয়াসী চাতকী আসিয়া একাকী বিষ ঢেলে সুধা নিয়ে যায়, মিঠে

বিরহ বড় ভালো লাগে— মীরা দেববর্মণ

বিরহ বড় ভালো লাগে— বিরহে সোহাগিনী রহে মনের ঘরেতে। দাহিকা-রূপেতে বধূ এ পরান মাঝে, নিতুই গাহে, নিতুই নাচে নব নব সাজে। বিচ্ছেদ হবে এত মধুর জানিতাম না আগেতে।। বেদনা সাজায়ে মোরে গেরুয়া রং দিয়ে, সে রঙেরে ছুপাই আমি বাসন্তী রং দিয়ে। ব্যথার শাসন নাহি মানি রাঙাই ব্যথা রঙেতে।। কথা : মীরা দেববর্মণ সুর : শিল্পী

বর্ণে, গন্ধে, ছন্দে, গীতিতে— মীরা দেববর্মণ

বর্ণে, গন্ধে, ছন্দে, গীতিতে হৃদয়ে দিয়েছ দোলা, রঙেতে রাঙিয়া রাঙাইলে মোরে এ কী তব হোরি খেলা! তুমি যে ফাগুন, রঙের আগুন, তুমি যে রসের ধারা, তোমার মাধুরী, তোমার মদিরা করে মোরে দিশাহারা। মুক্তা যেমন শুক্তির বুকে তেমনি আমাতে তুমি— আমার পরানে প্রেমের বিন্দু, তুমিই শুধু তুমি।। প্রেমের অনলে জ্বালি যে প্রদীপ সে দীপের শিখা তুমি, জোনাকি পাখায় ঝিকিমিকি নেচে

Top