Main Menu

আন্দোলন

 
 

ফ্রানয মেহরিং জার্মানির সমাজতান্ত্রিক তাত্ত্বিক ও নেতা

ফ্রানয মেহরিং (১৮৪৬-১৯১৯) Franz Erdmann Mehring, জার্মান শ্রমিক আন্দোলনের বিখ্যাত কর্মী, জার্মান সমাজ-গণতন্ত্রীর বামপন্থি অংশের অন্যতম নেতা, তত্ত্বকার, প্রচারক, রাজনিতিক ও ইতিহাসবিদ। তিনি ১৮৪৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি পোল্যান্ডের, পোমেরানিয়ার স্লানোতে এক বুর্জোয়া পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কর্মজীবনে নানা দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকায় লেখালেখি করতেন। তিনি সাপ্তাহিক De Neue Zeit বা নবযুগ-এর অন্যতম সম্পাদক ছিলেন। ১৮৮৪ সালে তিনি বার্লিনের উদার পত্রিকা Volks-Zeitung-এর প্রধান সম্পাদক হন। বিসমার্ক (১৮১৫-১৮৯৮) সমাজতন্ত্রকে নিষিদ্ধ করে যে আইন প্রণয়ন করেন তার বিরুদ্ধে মত প্রকাশ করেন।[১]     ১৮৯১ সালে তিনি জার্মানির সমাজ-গণতন্ত্রী পার্টিতে (Social Democratic Party of Germany,Read More


ফুলবাড়ির লাল পতাকা অমর রহে

ফুলবাড়িতে ফুল ফোটে কীনা সেই প্রশ্ন অবান্তর, ফুলবাড়িতে মানুষ ফোটে। ফুলের মানুষেরা জ্বলে উঠলে যে সত্য চারদিকে দেখা যায় তার উৎপত্তিস্থল হচ্ছে বাংলাদেশের দিনাজপুরের ফুলবাড়ি। ফুলবাড়িতে ফসল ফলে, বাংলায় যত রক্তের ফসল আমরা দেখি তাঁর একটির চিত্রায়ন হয় ২০০৬ সালের ফুলবাড়িতে। ফসলের মাঠ বাঁচাতে যে মানুষেরা উন্মুক্ত কয়লাখনির বিরুদ্ধে জেগে উঠেছিল তাঁদের চোখের দিকে তাকিয়ে শিখেছিলাম মানুষ পরমাণু বোমার চেয়েও শক্তিশালী। ফুলবাড়িতে থাকে মানুষ আর পার্লামেন্টে থাকে নরখাদকেরা, ফুলবাড়িতে না গেলে এই সত্য জানা হতো না। ফুলবাড়িতে একটি উন্মুক্ত পদ্ধতির কয়লাখনি করার আয়োজন করে জনগণের শত্রুরা। মূলত ১৫ জানুয়ারী, ২০০৫Read More


বিশ্বজুড়ে মার্কসবাদ, মুক্তি কোন পথে

মার্কসবাদের উদ্ভব উনিশ শতকে হলেও বিশ শতকে এই মতবাদের প্রায়োগিক দিক জাজ্বল্যমানরূপে দেখা দেয়। ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লবের পর একে একে ষোলটি রাষ্ট্র, পৃথিবীর জনসংখ্যার প্রায় এক তৃতীয়াংশ মার্কসবাদী বিশ্বের বাস্তব উদাহরণ হয়ে ওঠে। সোভিয়েত ইউনিয়ন, পোল্যান্ড, পূর্ব জার্মানি, হাঙ্গেরি, বুলগেরিয়া, চেকশ্লোভাকিয়া, রুমানিয়া, যুগোশ্লাভিয়া, আলবেনিয়া, চীন, উত্তর কোরিয়া, মঙ্গোলিয়া, ভিয়েতনাম, লাওস, কম্বোডিয়া, কিউবা সমাজতন্ত্র অভিমুখী দেশ হিসেবে আবির্ভূত হয়। পৃথিবীর দেশে দেশে মার্কসবাদী দল ক্রমাগত বিস্তার লাভ করতে থাকে। কিন্তু অর্ধ শতক যেতে না যেতেই সমাজতন্ত্র অভিমুখী দেশসমূহের ভেতরে শুরু হলো আলোড়ন। ১৯৬০-এর দশকের মহাবিতর্কে দেশে দেশে মার্কসবাদী রাজনৈতিক দলগুলোRead More


কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার, রক্ষণশীল অথবা বুর্জোয়া সমাজতন্ত্র

— কার্ল মার্কস ও ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস ৩ সমাজতন্ত্রী ও কমিউনিস্ট সাহিত্য ২. রক্ষণশীল অথবা বুর্জেয়া সমাজতন্ত্র বুর্জোয়া সমাজের অস্তিত্বটা ক্রমাগত বজায় রাখার উদ্দেশ্যেই বুর্জোয়া শ্রেণির একাংশ সামাজিক অভাব-অভিযোগের প্রতিকার চায় । এই অংশের মধ্যে পড়ে অর্থনীতিবিদেরা, লোকহিত ব্ৰতীরা, মানবতাবাদীরা, শ্রমিক শ্রেণীর অবস্থার উন্নয়নকারীরা, দুঃস্থ-ত্ৰাণ সংগঠকেরা, পশুক্লেশ নিবারণী সভার সদস্যরা, মাদকতা নিবারণের গোঁড়া প্রচারকেরা, সম্ভবপর সবরকম ধরনের খুচরো সংস্কারকরা। সমাজতন্ত্রের এই রূপটি পরিপূর্ণ মতধারা হিসাবেও সংরচিত হয়ে উঠেছে। এই রূপটার নিদর্শন হিসাবে আমরা প্রুঁধোর ‘দারিদ্র্যের দর্শন’-এর উল্লেখ করতে পারি। সমাজতান্ত্ৰিক বুর্জোয়ারা আধুনিক সামাজিক অবস্থার সুবিধাটা পুরোপুরি চায়, চায় না তৎপ্রসূত অবশ্যম্ভাবীRead More


কর্তৃত্ব প্রসঙ্গে — ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস

কিছু কিছু সমাজতন্ত্রী, যাকে তাঁরা বলেন কর্তৃত্বের নীতি, তার বিরুদ্ধে সম্প্রতি রীতিমত জেহাদ শুরু করে দিয়েছেন। কোনো একটা কাজ কর্তৃত্বমূলক, এটুকু বললেই তাঁরা সে কাজের নিন্দা করবেন। চটপট রায়-দানের এই পদ্ধতির এতদূর অপপ্রয়োগ হয় যে, ব্যাপারটা সম্পর্কে একটু খুঁটিয়ে অনুসন্ধান করা দরকার হয়ে পড়েছে। যে অর্থে কর্তৃত্ব কথাটি এখানে ব্যবহার করা হচ্ছে, তাতে তার মানে দাঁড়ায়: আমাদের ইচ্ছার ওপর আরেকজনের ইচ্ছা চাপিয়ে দেয়া। অন্যদিকে কর্তৃত্ব বলতে বশ্যতাও ধরে নেয়া হয়। শব্দ দুটি অবশ্য শুনতে খারাপ; আর বশীভূত পক্ষের কাছে সম্পর্কটাও অপ্রীতিকর। তাই প্রশ্ন হলো যে, এর হাত থেকে নিষ্কৃতির কোনোRead More


নারী-শ্রমিকদের প্রথম সারা রুশ কংগ্রেসে বক্তৃতা — লেনিন

১৯ নভেম্বর, ১৯১৮[১] (প্রচন্ড স্বাগতধ্বনি তুলে কংগ্রেসের নারী-শ্রমিকরা লেনিনকে অভিবাদন জানায়।) কমরেডগণ, কতকগুলি দিক থেকে প্রলেতারিয় ফৌজের নারী অংশের কংগ্রেসের বিশেষ জরুরি তাৎপর্য বর্তমান, কারণ সমস্ত দেশেই নারীদের আন্দোলনে আসা কঠিনতর হয়েছিল। সমাজতান্ত্রিক পরিবর্তন হতে পারে না যদি মেহনতি নারীদের বৃহত অংশটা তাতে ব্যাপকভাবে যোগ না দেয়। সমস্ত সভ্য দেশে, এমনকি সবচেয়ে অগ্রণী দেশেও মেয়েদের অবস্থা এমনই যে তাদের সাংসারিক বাঁদি বলা হয়, আর সেটা অকারণে নয়। কোনো পুঁজিবাদি রাষ্ট্রেই এমনকি সবচেয়ে মুক্ত প্রজাতন্ত্রেও নারীদের পূর্ণ সমাধিকার নেই। সোভিয়েত প্রজাতন্ত্রের কর্তব্য হল সর্বপ্রথমে নারী অধিকারের সমস্ত সীমাবদ্ধতা দূর করা। বুর্জোয়াRead More