আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > Posts tagged "অগ্রন্থিত কবিতা"

সদাগরি অফিস

গঙ্গা কইতরও ওড়ে, জলের ভেতরে নড়ে ছোট ডানকিনা, একদিকে সমুদ্র আর অন্যদিকে বাবুর আঙিনা, সাহায্য করেছ বাবু, মুক্তিযুদ্ধে নিয়েছ দক্ষিণা, তাই, আজ চাও পুরো জলাভূমি, জলাবনের মালিকানা,/ পাখনায় লেগেছে আঘাত, চাবুকও বসেছে বুঝি হৃদ পাথারে, একটু হাঁড়ির ভাত, দুই ধর্মে ভাগাভাগি করে, খেয়েছিলে কোনকালে! তারপর কত দিন চলে গেছে আধিপত্যের হল্লাবোলে, আরো পড়ুন

রাতের শেষ প্রহরের যোদ্ধা

(কমরেড এম. এ. মতিনকে) ছোট্ট মানুষটি বহুদিন আগে থেকে অতি ধীরে ধীরে/ নীলাকাশ ছাড়িয়ে উঠে গেছেন মহাশূন্যে/ ঘুরে ঘুরে দেখছেন কালোমেঘ ঝড় আর কৃষকের সুখভোগ,/ লাখো লাখো শিশুদের ভিড়ে/ বলবান দশ হাতের আঙুলে আঙুল গুনে বুঝে নেন/ মমতা মানুষ আর ফসলের ঘ্রাণ। পোড়ামাটি নীতির কখনো মৃত্যু হয় না জেনে/ রোগাটে শরীর নিয়ে যুদ্ধের ময়দানে/ নির্ভীক এক অদম্য সমরনায়ক, আরো পড়ুন

আলোকের দিন শুরু হলে মানুষের গল্প লেখা হবে

ঘুম থেকে জেগে একটি পাথরে হাত দিলে তৎক্ষণাৎ পাথর হয়ে যায় একটি ছুরির ফলা, শুরু হলও শিকার যুগের। শিকারি পশুর ছানা জন্ম হলে জন্ম হয় কৃষিজ ভূমি, নতুন ফসল ফলে নারীর আহ্বানে। পাথরের যুগ শেষ হলে গোত্রপিতার কলহে শুরু হয় নায়কী শোষণ, কোথায় হারিয়ে গেলো আমাদের মুক্ত হাতগুলো। একদিন যুদ্ধশেষে শান্তি

মগজের রোগ সেরে গেলে বাঁচতে ইচ্ছে করে আরো যুগ যুগ

রাষ্ট্রের মগজে ছোঁয়াচে এক রোগ ভিড় জমিয়েছে, আজকাল প্রায় সকলেই ভুগছে এ-রোগে, রোগের পূর্বাভাস পাওয়া মাত্রই আশাপাশের সবাই ভীত ও আক্রান্ত, কীভাবে সারবে রোগ, ভেবে ভেবে পেরোলাম কয়েক দশক। বাতাসটাও কেমন যেনো হিংস্র হয়ে তেড়ে আসে মুমুর্ষের দিকে, গোপন ক্ষোভের আগুন বেড়ে চলছে চরডাঙ্গার বস্তিতে, ভণ্ডরা বিদেশ থেকে ত্রাণ এনে খবরও নিচ্ছে ‘কেমন চলছে দিনকাল’, উন্নয়নের

অন্ধ নাদেরালি

নাদেরালি, তুমি কী এখনো স্বপ্ন দেখাও? যে ভুলগুলো মাথায় নিয়ে তোমার কালের তরুণেরা ইন্দিরার বুলেটে বুক পেতেছিলো, তারা কী শ্যাওড়া গাছে ভূত হয়ে বেঁচে আছে? যে বুড়োটা একদিন হেঁটে হেঁটে ক্লান্ত হয়ে হাঁপানি রোগের প্রকোপে ধুঁকে ধুঁকে বুঝেছিলো স্বার্থের ঝোঁপে হারিয়ে গেছে সহানুভূতির তোড়া; সে এখন কার সাথে কোন কব্বরে ঘুমায়?   এক লেখককে নিয়ে একবার হুলস্থুল হলো। সবাই বললে,

Oh how wonderful!

Mother cooked herself in the kitchen Father is the lumber of burning fire, Burn to ashes; The ashes are taken in the laboratory, By showing the laboratory test reports With great enthusiasm the elected representative accepts Foreign dollars, Nice mundane ways! The son sells blood, Buys alluring lottery tickets, The daughter is on her way looking for customers. All are very

শুভ বিদায়

আবার দেখা, হারানোর বহুদিন পরে; আবার অন্য এক স্থানে, — বহুদিন খুঁজেছি, পাইনি। — পাবে কীভাবে? সেই যে ট্রেন থেকে নেমে গেলে? ট্রেনগুলোয় অল্পক্ষণের জন্যই আলাপ হয়। আমিও নেমেছিলাম, তবে বহুদূর এসে। আমি ছিলাম কিছুক্ষণের তেমনি অন্য এক ট্রেনের যাত্রী। স্টেশন ছেড়ে চলে এসেছি। আবার অন্য কোনো ট্রেনে অন্য কোনো দিন আলাপ হবে। —

Che, the blood smeared light

(To Shamim Parvez) On the base of the rebellion of the oppressed people There are songs, tales, there are defense after wailing, Arrival and departure also. In large timespan, as they lose little moments, Gripping the neck of unjust, some people arise the heads; Communes of equality constructed in

একটি সাক্ষাত

একদা পাখির দিকে চেয়ে চেয়ে আদিগন্ত বিস্তৃত হিমালয় পেরিয়ে দূরে বহুদূরে মৃত্যু আর জীবনের মাঝখানে একটি ঘটনা কেউ আর কোনোদিন না জানুক তুমি তো জেনেছ মুহূর্তের সাক্ষাতটুকু শেষ হলে বাঁচবে পুনর্বার জিতবার আরাধনা   বহুবার ঘুরে ফিরে এসেছি যেই মোড়ে আড়মোড়া ভেঙে মনটাকে করতে সচল মন চল অন্যখানে চল বারবার একই পথে ঘুরপাক খাওয়া এতোই মেধাবী মানুষ তবুও ভুলে যায় পুরনো শেকড় একটি

জানুয়ারি ২

বুকের মাঝখানে রক্তের অবিরাম গতিতে ঘোরে যে বিশ্ব, তাঁর এক কোণে কাজ করছেন এক লড়াকু তরুণ।   হাতে হাতে ঘুরে ঘুরে মায়েদের ঘরে ঘরে উড়ছে যে মুক্তি নিশান, এক হাত হতে অন্য হাতে, এক কোল হতে অন্য কোলে, যে শিশুরা লাফালাফি করছে মুগ্ধতায়, তারাই আজ সবাই পূবের আকাশ মুক্তির দশকের উদ্বেলিত আগুন দেখে যে ভীরু কিশোরটিও সাহসী হয়েছে, তার

Top