You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > Posts tagged "আলংকারিক ফুল"

দেবকাঞ্চন দক্ষিণ-পুর্ব এশিয়ার উদ্যানে চাষযোগ্য ভেষজ গুণ সম্পন্ন আলংকারিক ফুল

দেবকাঞ্চন

ভূমিকা: দেবকাঞ্চন (বৈজ্ঞানিক নাম: Bauhinia purpurea , ইংরেজি: Purple Bauhinia, Butterfly Tree,  amel's Foot Tree, Purple Orchid Tree, Geranium Tree, Tree Bean) ফেবাসিস পরিবারের,  ফানেরা গণের একটি এক প্রকারের বৃক্ষ। রক্তকাঞ্চনের চেয়ে এই গাছের আকার বড়। এটি ভারতীয় প্রজাতি। মাঝারি আকৃতির পত্রমোচক, প্রায় গোলাকৃতির এই গাছের বেগুনী রঙের ফুল ফোটে।[১] বৈজ্ঞানিক

ঝুমকালতা গ্রীষ্ম প্রধান দেশের টব চাষযোগ্য ভেষজ গুণে ভরা ও শোভাবর্ধক বিরুৎ

ঝুমকালতা

ভূমিকা: ঝুমকা লতা (বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora foetida, ইংরেজি নাম: Passion-flower, Love-in-a-mist,Wild Passion Fruit, Wild Water Lemon)হচ্ছে প্যাসিফ্লোরাসিস পরিবারে প্যাসিফ্লোরা গণের সপুষ্পক বিরুৎ। এই বিরুৎটি দেখতে চিরসবুজ পত্রঘন লতা। এটি ব্রাজিলের একটি প্রজাতি। এই ফুলের প্রধান সৌন্দর্য হলও মাঝখানে প্রায় ৫ সেমি চওড়া পরাগমুকুট; তাতে থাকে অনেকগুলো সরু সরু ডাটা। বাগানের

তরুলতা বা কুঞ্জলতা বা গেইটফুল মনোমুগ্ধকর বাগান ও টবে চাষযোগ্য লতা

বৈজ্ঞানিক নাম: Ipomoea quamoclit L., Sp. Pl.: 159 (1753). starala : Quamoclit vulgaris Choisy (1834), Quamoclit pinnata Boj. (1837). ইংরেজি নাম: Cypress Vine, Cardinal Vine, Star Glory. স্থানীয় নাম: তরুলতা, কুঞ্জলতা, গেইটফুল। জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae বিভাগ: Angiosperms অবিন্যাসিত: Eudicots অবিন্যাসিত: Asterids বর্গ: Solanales  পরিবার: Convolvulaceae গণ: Ipomoea প্রজাতি: Ipomoea quamoclit. ভূমিকা: তরুলতা বা কুঞ্জলতা, গেইটফুল

রক্তকাঞ্চন দক্ষিণ-পুর্ব এশিয়ার সুন্দর, মিষ্টি গন্ধযুক্ত ও ভেষজ গুণে ভরা ফুল গাছ

রক্তকাঞ্চন

রক্ত কাঞ্চন মাঝারি আকৃতির পর্ণমোচী বৃক্ষ। এর দেহকান্ড খাটো, বাকল মসৃণ, অনুদৈর্ঘ্য ফাটলযুক্ত তরুণ কান্ড কোমল রোমশ। পাতা সরল, একান্তর, সবৃন্তক, বৃন্ত ২.০-৩.৮ সেমি। লম্বা, ফলক ৪.৫-১৫.০ সেমি লম্বা, দৈর্ঘ্য প্রস্থ সমান বা প্রস্থ অপেক্ষা বড়, মধ্যভাগ কাটা, শীর্ষ থেকে নিচের দিকে খন্ড স্থূলা, মূলীয় অংশ অতিশয় হৃদপিন্ডাকৃতি, অর্ধচর্মবৎ, বিশেষ করে অঙ্কীয় পৃষ্ঠের শিরাসমূহ তরুণ অস্থায় ধূসর চকচকে ও রোমশ পুষ্পবিন্যাস রেসিম। পুষ্পবিন্যাস শীর্ষীয় বা অক্ষীয় স্বল্প পুষ্প বিশিষ্ট রেসিম। আরো পড়ুন

গ্রীষ্ম ও বর্ষা ঋতুতে বাহারি রঙের দোপাটি ফুল চাষের জমি প্রস্তুত ও পরিচর্যা পদ্ধতি

দোপাটি

দোপাটি ফুলের চাষ শীত, গ্রীষ্ম ও বর্ষা তিন ঋতুতে হতে দেখা যায়। তবে গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালে এর ফুল অধিকতর বড় ও সুন্দর হয়। হালকা উর্বর মাটি এবং প্রচুর জল দোপাটি চাষে সহায়ক। আঙ্গিনার জমিতে ও টবে দোপাটির চাষ হয়। আগষ্ট-সেপ্টেম্বর মাসে এর চাষ শুরু করার জন্যে বীজ বপন করা হয়। বাণিজ্যিক মূল্য এ ফুলের তেমন একটা নেই। আরো পড়ুন

গ্রীষ্ম ও শীতকালের জনপ্রিয় মোরগঝুঁটি বা মোরগ ফুলের চাষ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

মোরগঝুঁটি

মোরগঝুঁটির (Celosia argentea) আরেক নাম সিলোসিয়া। এই ফুল ভেলভেটের মতো মোলায়েম ও মোরগের ঝুঁটির মতো দেখতে হয় বলে এই ফুলকে মোরগঝুঁটি বলা হয়। মোরগঝুঁটি প্রধানত: গ্রীষ্মকালীন ফুল তবে শীতকালেও চাষ হতে দেখা যায়। উর্বর দো-আঁশ মাটিতে গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালে মোরগঝুঁটি চাষ করাই উত্তম। গাছ ২০-৫০ সেঃ মিঃ উচু হয়ে থাকে। আরো পড়ুন

মনোমুগ্ধকর বর্ষজীবী চিরজীবী ফুল প্যানসি বা পাঁচুর চাষ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

প্যানসি বা পাঁচু (Pansy) একটি মনোমুগ্ধকর বহুবর্ষজীবী চিরজীবী ফুল হলেও আমাদের দেশে বর্ষজীবী শীতকালীন হিসেবে চাষাবাদ হয়ে থাকে। ফুল অনেকটা প্রজাপতির মতো দেখায় এবং এর রঙ হয় বেগুনি, নীল, হলুদ ও সাদা। সমতল অঞ্চলে অক্টোবর এবং পার্বত্য অঞ্চলে মার্চ মাসে বীজ বপন করতে হয়। সারযুক্ত দো-আঁশ মাটি এবং ঠাণ্ডা ও আর্দ্র আবহাওয়া এই ফুল চাষের বিশেষ উপযোগী। গাছের উচ্চতা ১৫-৩০ সেঃ মিঃ হয়ে থাকে। প্যানজি টবে ও কেয়ারীতে চাষযোগ্য। আরো পড়ুন

শীত ও গ্রীষ্ম মৌসুমের কষ্ট সহিষ্ণু ফুল কসমসের চাষ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

কসমস

কসমস শীত ও গ্রীষ্ম উভয় মৌসুমেই চাষ করা যায়, তবে শীত ঋতুতেই ভালো ফুল হয়। এই ফুলের গাছ খুব কষ্ট সহিষ্ণু এবং আর্দ্রতাযুক্ত মাঝারি ধরনের বেলে-দো-আঁশ বা বেলে মাটিতে ভালো জন্মে। সমতল ভূমির অঞ্চলে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে এবং পার্বত্য অঞ্চলে আগস্ট ও মার্চ মাসে এর বীজ বপন করা হয়। এই ফুল কেয়ারী বা জমিতে এবং টপে চাষ করা যায়। আরো পড়ুন

শীত মৌসুমে বাহারি রঙের কারনেশন ফুলের বাণিজ্যিক চাষ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

কারনেশন

আকারে, রঙয়ে, বর্ণে গোলাপের পরই কারনেশনের স্থান। ফুলগুলো দেখতে অনেকটা গোলাপ ফুলের মতো। এদের লবঙ্গের মতো গন্ধ আছে। লম্বা ডাটা থাকাতে এ ফুলটি ফুলদানিতে সাজানোর জন্য খুব উপযোগী। কারনেশনের বিভিন্ন জাত রয়েছে। এর মধ্যে মার্গারেট, পার্পিচুয়াল ও বর্ডার কারনেশন এ তিনটি জাতের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। আরো পড়ুন

শীত মৌসুমের জনপ্রিয় ফুল গাঁদার বাণিজ্যিক চাষ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

গাঁদা

গাঁদা একটি শীতকালীন মৌসুমি ফুল। গাছ থেকে উঠানোর পর এ ফুল দীর্ঘ সময় ধরে সজীব থাকে। বিধায় কাটা ফুল হিসেবে এর চাহিদা প্রচুর। এ ফুলের অনেক ভেষজ গুণাবলী রয়েছে। শরীরের কাটা ছিড়ায় পাতার রস রক্ত বন্ধ করে এবং ক্ষত সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে। গাঁদার আদি নিবাস হলো মেক্সিকোতে। ইউরোপ হয়ে এটি আমাদের দেশে এসেছে। আরো পড়ুন

Top