You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > Posts tagged "আলংকারিক ফুল"

গ্রীষ্ম ও শীতকালের জনপ্রিয় মোরগঝুঁটি বা মোরগ ফুলের চাষ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

মোরগঝুঁটি

মোরগঝুঁটির (Celosia argentea) আরেক নাম সিলোসিয়া। এই ফুল ভেলভেটের মতো মোলায়েম ও মোরগের ঝুঁটির মতো দেখতে হয় বলে এই ফুলকে মোরগঝুঁটি বলা হয়। মোরগঝুঁটি প্রধানত: গ্রীষ্মকালীন ফুল তবে শীতকালেও চাষ হতে দেখা যায়। উর্বর দো-আঁশ মাটিতে গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালে মোরগঝুঁটি চাষ করাই উত্তম। গাছ ২০-৫০ সেঃ মিঃ উচু হয়ে থাকে। আরো পড়ুন

মনোমুগ্ধকর বর্ষজীবী চিরজীবী ফুল প্যানসি বা পাঁচুর চাষ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

প্যানসি বা পাঁচু (Pansy) একটি মনোমুগ্ধকর বহুবর্ষজীবী চিরজীবী ফুল হলেও আমাদের দেশে বর্ষজীবী শীতকালীন হিসেবে চাষাবাদ হয়ে থাকে। ফুল অনেকটা প্রজাপতির মতো দেখায় এবং এর রঙ হয় বেগুনি, নীল, হলুদ ও সাদা। সমতল অঞ্চলে অক্টোবর এবং পার্বত্য অঞ্চলে মার্চ মাসে বীজ বপন করতে হয়। সারযুক্ত দো-আঁশ মাটি এবং ঠাণ্ডা ও আর্দ্র আবহাওয়া এই ফুল চাষের বিশেষ উপযোগী। গাছের উচ্চতা ১৫-৩০ সেঃ মিঃ হয়ে থাকে। প্যানজি টবে ও কেয়ারীতে চাষযোগ্য। আরো পড়ুন

শীত ও গ্রীষ্ম মৌসুমের কষ্ট সহিষ্ণু ফুল কসমসের চাষ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

কসমস

কসমস শীত ও গ্রীষ্ম উভয় মৌসুমেই চাষ করা যায়, তবে শীত ঋতুতেই ভালো ফুল হয়। এই ফুলের গাছ খুব কষ্ট সহিষ্ণু এবং আর্দ্রতাযুক্ত মাঝারি ধরনের বেলে-দো-আঁশ বা বেলে মাটিতে ভালো জন্মে। সমতল ভূমির অঞ্চলে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে এবং পার্বত্য অঞ্চলে আগস্ট ও মার্চ মাসে এর বীজ বপন করা হয়। এই ফুল কেয়ারী বা জমিতে এবং টপে চাষ করা যায়। আরো পড়ুন

শীত মৌসুমে বাহারি রঙের কারনেশন ফুলের বাণিজ্যিক চাষ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

কারনেশন

আকারে, রঙয়ে, বর্ণে গোলাপের পরই কারনেশনের স্থান। ফুলগুলো দেখতে অনেকটা গোলাপ ফুলের মতো। এদের লবঙ্গের মতো গন্ধ আছে। লম্বা ডাটা থাকাতে এ ফুলটি ফুলদানিতে সাজানোর জন্য খুব উপযোগী। কারনেশনের বিভিন্ন জাত রয়েছে। এর মধ্যে মার্গারেট, পার্পিচুয়াল ও বর্ডার কারনেশন এ তিনটি জাতের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। আরো পড়ুন

শীত মৌসুমের জনপ্রিয় ফুল গাঁদার বাণিজ্যিক চাষ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

গাঁদা

গাঁদা একটি শীতকালীন মৌসুমি ফুল। গাছ থেকে উঠানোর পর এ ফুল দীর্ঘ সময় ধরে সজীব থাকে। বিধায় কাটা ফুল হিসেবে এর চাহিদা প্রচুর। এ ফুলের অনেক ভেষজ গুণাবলী রয়েছে। শরীরের কাটা ছিড়ায় পাতার রস রক্ত বন্ধ করে এবং ক্ষত সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে। গাঁদার আদি নিবাস হলো মেক্সিকোতে। ইউরোপ হয়ে এটি আমাদের দেশে এসেছে। আরো পড়ুন

বাণিজ্যিক পদ্ধতিতে শীতকালীন ফুল চন্দ্রমল্লিকার চাষ ও পরিচর্যা

তিনরঙা চন্দ্রমল্লিকা

শীতকালীন মৌসুমী ফুলের মধ্যে চন্দ্রমল্লিকা এদেশে বেশ সুপরিচিত ও সমাদৃত। বাগানের জন্যে অত্যন্ত উপযোগী এই ফুল জমিতে, টবে কিম্বা ছাদে সর্বত্রই চাষ করা যায়। চন্দ্রমল্লিকা সাধারণত: শীতকালে অগ্রহায়ণ মাস থেকে পৌষ মাস পর্যন্ত ফুটে থাকে। এই ফুলের আদিবাস সম্ভবত: জাপান ও চীনদেশ। চন্দ্রমল্লিকাকে লক্ষ্য করে জাপানীরা প্রতি বছর একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকেন। শীতকালে অগ্রহায়ণ মাস হতে পৌষ মাস চন্দ্রমল্লিকার গাছে ফুল ফোটে। খ্রিস্ট মাসের সময় এই ফুল ফোটে বিধায় ইহাকে ক্রিসেন্সিয়াস বলা হয়। এই ফুল টব ও জমি উভয় স্থানেই চাষ করা যায়। আরো পড়ুন

শীতকালীন মৌসুমী ফুলের মধ্যে ডালিয়া চাষের পদ্ধতি ও পরিচর্যা

আজকাল ফুলের চাষ অনেক ক্ষেত্রেই বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয়ে গেছে। অবশ্য পারিবারিক ভাবে টবে, ছাদে বা বারান্দায়ও চাষ হয়ে থাকে। প্রায় সকল মৌসুমী ফুলই টবে চাষ সম্ভব অন্ততঃ পারিবারিক চাহিদা পূরণের উদ্দেশ্যে। বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চাষ জমিতেই সুবিধাজনক। পরিচ্ছেদসমূহডালিয়া ফুলের চাষ: ডালিয়ার জাত:জমির মাটি তৈরী:ডালিয়ার চারা তৈরী ও লাগানো:পরিচর্যা ও যত্ন: ফুল সংগ্রহ: তথ্যসূত্র: ডালিয়া ফুলের চাষ: শীতকালীন

আমাজন লিলি নিমফাসি পরিবারের সর্ববৃহৎ বিরুত উদ্ভিদ

আমাজন লিলি হচ্ছে নিমফাসি পরিবারের ভিক্টোরিয়া গণের জলজ সপুষ্পক উদ্ভিদের একটি প্রজাতির নাম। এটি গায়ানার জাতীয় ফুল। এদের মূল আকর্ষণ পাতা। এদের পাতা এমন শক্ত আর বড় যে একজন সাত-আট বছর বয়সী শিশুকে এর পাতার উপর অনায়াসেই শুইয়ে রাখা যায়। এরা বহুবর্ষজীবী জলজ বীরুৎ। রাইজোম মােটা। পত্রবৃন্ত ঘন কন্টকিত। পাতা আড়াআড়িভাবে ১২০-১৩০ সেমি, বর্তুলাকার, অখন্ড, উপরের পৃষ্ঠ মসৃণ, আরো পড়ুন

ভিক্টোরিয়া হচ্ছে নিমফাসি পরিবারের সপুষ্পক জলজ উদ্ভিদের গণ

ভিক্টোরিয়া হচ্ছে নিমফাসি পরিবারের সপুষ্পক জলজ উদ্ভিদের একটি গণের নাম। এই গণের প্রজাতিগুলো বহুবর্ষজীবী জলজ বীরুৎ হয়। এই গণে কেবল দুটি প্রজাতি আছে যার বাংলা নাম আমাজন লিলি এবং আর্জেন্টাইন লিলি। ভিক্টোরিয়া গণের প্রজাতিগুলোর পাতা অতি বৃহদাকার, প্রায়শই ১.৫ মিটার বা ততােধিক ব্যাসবিশিষ্ট, ভাসমান এবং আরো পড়ুন

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বাড়াতে ফুলের ভূমিকা

প্রকৃতির মোহময় অফুরন্ত সৌন্দর্য সম্ভার ফুলে ফুলে চারদিক ভরে আছে। ফুল সুন্দরের প্রতীক, সন্দরই আবার চিরন্তন আনন্দের উৎস। সৌন্দর্য, শান্তি এবং প্রীতির মাধ্যম হ’ল বাহারী ফুল। মানুষের অন্তরের রমণীয় সুকুমারবৃত্তি সমূহের নয়ন শোভন প্রতিভাত রূপই হ’ল সুন্দর আর সৃষ্টির শক্তি। উপনিষদে তাই বলা হয়েছে— “আনন্দ-রূপ মতং যদ, বিভাতি”, যা প্রকাশমান, তা তাঁর আনন্দস্বরুপ, অমতস্বরপে। স্রষ্টার সৃষ্টিতে

Top