Main Menu

আলংকারিক উদ্ভিদ

 
 

মেহেদি এশিয়া ও আফ্রিকার উদ্ভিদ

ভূমিকা: মেহেদী হচ্ছে লেথারসিস পরিবারে লাউসনি গণের একটি সপুষ্পক উদ্ভিদ। এই  প্রজাতি বৃক্ষ ও গুল্ম উভয়ই   হয়।  বাগানের বা বাড়িতে লাগানো হয়ে মূলত রঞ্জন কাজের জন্য। এছাড়া এর নানা ঔষধি গুণ আছে। বর্ণনা:  মেহেদি পত্র আচ্ছাদিত গুল্ম, মাঝে মাঝে ক্ষুদ্র বৃক্ষে পরিণত হয়। বাকল স্পষ্টভাবে মসৃণ, তামাটে-বাদামী, পার্শ্বীয় শাখা ৪-কোণাকার, প্রায়শই কণ্টকিত তীক্ষ প্রান্তে শেষ হয়। পত্র প্রতিমুখ, ১.০-৪.৪. x ০.৫-১.৮ সেমি, উপবৃত্তাকার, ডিম্বাকার বা বিডিম্বাকার, শীর্ষ সূক্ষ্মা বা স্থূলা, গোড়া ক্রমশ সরু, মসৃণ, পত্রবৃন্ত অতি খাটো। পুষ্পমঞ্জরী শীর্ষীয়। প্যানিকেল, ২৫ সেমি পর্যন্ত লম্বা। পুষ্প সুগন্ধিময়, সবৃন্তক, পুষ্পবৃন্তিকা ২.০-৩.৫ মিমিRead More


পাতা বাহার উষ্ণমন্ডলীয় অঞ্চলের আলংকারিক উদ্ভিদ

ভূমিকা: পাতা বাহার হচ্ছে ইউফরবিয়াসি পরিবারের কোডিয়াম গণের একটি সপুষ্পক গুল্ম। এটিকে বাংলাদেশে আলংকারিক উদ্ভিদ হিসেবে বাগানে বা গৃহে চাষাবাদ করা হয়। বাড়ির টবে বা বাগানের শোভাবর্ধন করে এই  ছোট বৃক্ষ।  এটি আকারে বেশি বড় হয় না ও পাতায় নানা রং থাকে।  বর্ণনা: অতিশয় শাখায়িত চিরহরিৎ গুল্ম, প্রায় ১.৫ মিটার উঁচু, পল্লব বাদামী, তরুণ অংশ সমান রোমশ বা রোমশ বিহীন। পত্র ৫-২৭ x ১-৫ সেমি, পরিবর্তনশীল, ডিম্বাকার ভল্লাকার থেকে রৈখিক, স্থুলাগ্র থেকে সূক্ষ্মাগ্র, অখন্ড বা খন্ডিত, কাগজবৎ থেকে চর্মবৎ, পার্শ্বীয় শিরা প্রায়শ অসংখ্য, রোমশ বিহীন, উজ্জ্বল, সাদা, হলুদ বা লালRead More


বাংলাদেশে পুষ্পশিল্পের সম্ভাবনা প্রসঙ্গে

আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফুলের উৎপাদন ও বিপণন পর্যায়ক্রমে শিল্পপণ্য উৎপাদনের বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছে যাকে এখন পুষ্পশিল্প (floriculture industry) বলে উল্লেখ করা হয়ে থাকে। এ শিল্পের সর্বাধিক বিকাশ ঘটেছে নেদারল্যান্ড বা  হল্যাণ্ডে। হল্যাণ্ড প্রতি বছর ফুল ও সংশ্লিষ্ট দ্রব্য রপ্তানী করে বাংলাদেশী টাকায় পনের হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে যা বিশ্বের মোট রপ্তানীর এক পঞ্চমাংশ। হল্যাণ্ড নিজেদের উৎপাদিত এবং বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানীকৃত আলংকারিক উদ্ভিদ অন্যান্য দেশে রপ্তানী করে। ফুলের মত দ্রুত পচনশীল দ্রব্যের এমন বৃহৎ একটি আন্তর্জাতিক বিপণন ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে হল্যাণ্ডের আয়োজকরা অসাধারণ উদ্যোগRead More


আলংকারিক উদ্ভিদের ধারণা ও ব্যবহার বৈচিত্র্য প্রসঙ্গে

আলংকারিক উদ্ভিদ বা শোভাময় উদ্ভিদ (ইংরেজি: Ornamental plant) হচ্ছে সেসব গাছপালা যেগুলো বাগান এবং ভূদৃশ্যের নকশার পরিকল্পনা সাজানোর উদ্দেশ্যে জন্মানো হয়। আলংকারিক উদ্ভিদ সাধারণত টবের উদ্ভিদ, কাটা ফুল এবং নমুনা প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয়। এসব উদ্ভিদের চাষকে বলা হয় পুষ্পবিদ্যা যা উদ্যানবিদ্যা বা উদ্যানতত্ত্বের (ইংরেজি: Horticulture) একটি প্রধান শাখা। আলংকারিক উদ্ভিদ শব্দটি এখন একই অর্থে ব্যবহৃত হয় যেটি সাধারণত উদ্যানবিদ্যার বাণিজ্য সংক্রান্ত আলোচনায় ব্যবহৃত হয়। শব্দটি মূলত ‘বাগান উদ্ভিদের’ এর সাথে সম্পর্কিত, যদিও বাগান উদ্ভিদ কথাটি খুব কম সুনির্দিষ্ট, যেহেতু যে কোনো উদ্ভিদ একটি বাগানের মধ্যে জন্মাতে হতে পারে, অন্যদিকেRead More


কদম এশিয়ার নান্দনিক বৃক্ষ

ভূমিকা: কদম বা বুল কদম রুবিয়াসি পরিবারের এন্থোসেফালুস গণের একটি মধ্যম বা বৃহৎ-আকৃতির সপুষ্পক বৃক্ষ। এরা প্রায় ৪০ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়। বিবরণ: কদম আনুভূমিক শাখাপ্রশাখাযুক্ত। পত্র উপপত্রযুক্ত এবং বৃন্তক, উপপত্র সরুভাবে ত্রিকোণাকার, ২ সেমি পর্যন্ত লম্বা, শীর্ষস্থ কুঁড়ি দ্রুত ঝরে পড়ে, পত্রবৃন্ত ৩ সেমি পর্যন্ত লম্বা, পত্রফলক ডিম্বাকার থেকে উপবৃত্তাকার-আয়তাকার বা বিডিম্বাকার, ১২-২৮ X ৫-১৬ সেমি, শীর্ষ ভোঁতাভাবে দীর্ঘা, গোড়ার দিকটা গোলাকার বা কীলকাকার, চর্মবৎ। পুষ্পবিন্যাস শীর্ষক, একল হেড, গোলাকার, আন্ত:পুষ্পীয় মঞ্জরীপত্র অনুপস্থিত, মঞ্জরীদন্ড ৪ সেমি পর্যন্ত লম্বা যা ৩ পর্বযুক্ত। পুষ্প প্রায় বৃন্তহীন। বৃতি ৩ মিমি পর্যন্ত লম্বা,Read More


পান্থপাদপ সারা দুনিয়ার সৌন্দর্য বর্ধনকারী উদ্ভিদ

বিবরণ: পান্থপাদপ হচ্ছে স্ট্রেলিটজিয়াসি পরিবারে রাভেনালা গণের একমাত্র প্রজাতি। এটিকে বাংলাদেশসহ সারা দুনিয়ায় আলংকারিক উদ্ভিদ হিসেবে বাগানে বা গৃহে চাষাবাদ করা হয় যা বাগানের শোভাবর্ধন করে।  এটি আকারে পাম গাছের ন্যায়। বিবরণ: পান্থপাদপ ছোট খাড়া বৃক্ষ, ৮ মিটার পর্যন্ত উঁচু, দেহকান্ড পামের ন্যায়, পত্রের গোড়ার চিহ্নসহ শক্ত। পত্র দ্বিসারি, খাটো এবং প্রশস্ত গোড়া সীথযুক্ত যা সাধারণত পানি ধারণ করে, পত্রবৃন্ত লম্বা, এমনকি পত্রফলক থেকে অপেক্ষাকৃত লম্বা, পত্রফলক কলার পত্রের ন্যায়, মধ্যশিরা সুস্পষ্ট, গৌণ শিরা সমান্তরাল। এদের পুষ্পমঞ্জরী অক্ষীয় স্পাইক। পুষ্প উভলিঙ্গ, গর্ভশীর্ষপুষ্পী, নৌকা আকৃতির ভৌম পুষ্পদন্ডে বিন্যস্ত। ৬টি পুষ্পপুটাংশসহ পুষ্পপুট ২টিRead More


স্ট্রেলিটজিয়াসি বা স্বর্গপাখি সপুষ্পক উদ্ভিদের একটি পরিবার

পরিবারের নাম: Strelitziaceae, Hutchinson (1934) ইংরেজি নাম: Birds of Paradise. স্থানীয় নাম: জানা নেই। জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plants অবিন্যাসিত: Angiosperms শ্রেণী: Monocots উপশ্রেণি: Commelinids বর্গ:  Zingiberales পরিবার: Strelitziaceae বিবরণ: স্বর্গপাখি বা বার্ড-অব-প্যারাডাইস বা স্ট্রেলিটজিয়াসি ফুলের পরিবার বা গোত্রের উদ্ভিদেরা হচ্ছে গ্রন্থিকন্দসহ বহুবর্ষজীবী মসৃণ বীরুৎ বা গুল্ম বা ছোট কলা গাছের ন্যায় বৃক্ষ। পত্র খাটো মূলীয় সীথসহ দ্বিসারি, লম্বা মধ্য পত্রবৃন্তযুক্ত এবং সুস্পষ্ট মধ্য শিরাসহ বিস্তৃত প্রান্তীয় সরল পত্রফলক, পত্রফলক কুঁড়িতে এক কিনারা থেকে অন্য কিনারা পর্যন্ত পাকানো। এদের পুষ্পমঞ্জরী ১ থেকে কিছু সংখ্যক বৃহৎ নৌকা আকৃতির বা ভৌম পুষ্পদন্ডের ন্যায় দ্বিসারি মঞ্জরীপত্রসহRead More


কেও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার কন্দজাতীয় ঔষধি ফুল গাছ

বৈজ্ঞানিক নাম: Cheilocostus speciosus সমনাম: Banksea speciosa, Hellenia speciosa বাংলা নাম: কেও, কেওমূল, কেঁউ, কুস্তা, বন্দুই, শটি, হিন্দি নাম: কেওকন্ড, কুষ্ট সংস্কৃত নাম: কুষ্ঠা ইংরেজি নাম: crêpe ginger, ‘Malay ginger’ এবং ‘White costus’ জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae – Plants অবিন্যসিত: Angiosperms অবিন্যসিত: Monocots অবিন্যসিত: Commelinids বর্গ: Zingiberales পরিবার: Costaceae গণ: Cheilocostus প্রজাতি: Cheilocostus speciosus C.Specht পরিচিতি: কেও বা কেঁউ বহুবর্ষজীবী গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ। কিছু এলাকায় এটি চাষাবাদ করা হয়েছে এবং অনেক জায়গায় একটি আগ্রাসী প্রজাতি হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। গাছ ঝোপালো। শিকড় থেকেই অনেক ডালপালা বেরিয়ে ঘন ঝোপ সৃষ্টি করে। কেঁউRead More


ইঞ্চি লতা বাংলাদেশের বহিরাগত আলংকারিক উদ্ভিদ

বৈজ্ঞানিক নাম: Tradescantia zebrina   সমনাম: Zebrina pendula   ইংরেজি নাম: inch plant বা wandering jew বাংলা নাম: ইঞ্চি লতা বা ভ্রাম্যমান ইহুদী, জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae – Plants অবিন্যসিত: Angiosperms অবিন্যসিত: Monocots অবিন্যসিত: Commelinids বর্গ: Commelinales পরিবার: Commelinaceae গণ: Tradescantia প্রজাতি: Tradescantia zebrina (Schinz) D. R. Hunt পরিচিতি: ইঞ্চি লতা হচ্ছে কমেলিনাসি পরিবারের একটি উদ্ভিদ। এটি মেক্সিকো, মধ্য আমেরিকা এবং কলম্বোর স্থানীয় প্রজাতি এবং এখন এশিয়া, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জে প্রাকৃতিকভাবে জন্মে। বর্ণনা: ইঞ্চি লতার পাতা কিছুটা মাংশল বা সরস। ইঞ্চি লতাতে তিন পাপড়ির ফুলRead More


মুচকুন্দ চাঁপা দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার বৃক্ষ

বৈজ্ঞানিক নাম: Pterospermum acerifolium (L.) Willd বাংলা নাম: মুচকুন্দচাঁপা, কর্ণিকা, কুসুম ফুল, কাঠচম্পা, মুছকুন্দা ইংরেজি নাম: Bayur Tree, Maple-Leafed Bayur Tree, Dinner Plate Tree জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae – Plants অবিন্যসিত: Angiosperms অবিন্যসিত: Eudicots অবিন্যসিত: Rosids বর্গ: Malvales পরিবার: Sterculiaceae গণ: Pterospermum প্রজাতি: Pterospermum acerifolium (L.) Willd বিবরণ: মুচকুন্দচাঁপা বা মুচকুন্দ বিশাল আকারের গাছ। গাছের উচ্চতা ৫০-৬০ ফুট হয়ে থাকে। এদের পাতা গোলাকার। পাতার উপরিভাগ উজ্জ্বল সবুজ চকচকে আর মসৃণ। পেছনটা রুক্ষ ধূসর। উচ্চতার জন্য গাছে ফুল দেখা কঠিনই বটে। মুচকুন্দ চাঁপা আড়াল বেশি পছন্দ করে।  এ গাছের পাতা অনেক বড় হবার কারণে ইংরেজিতেRead More