Main Menu

পার্টি

 
 

‘চীনের শ্রমিক’ পত্রিকার পরিচয় প্রসঙ্গে — মাও সেতুং

৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪০ ‘চীনের শ্রমিক’[১] পত্রিকার প্রকাশ একটা প্রয়োজন মেটাল। নিজের রাজনৈতিক পার্টি, চীনের কমিউনিস্ট পার্টি, কর্তৃক পরিচালিত হয়ে চীনের শ্রমিকশ্রেণি গত কুড়ি বছর ধরে বীরত্বপূর্ণ সংগ্রাম পরিচালনা করে এসেছেন, জনগণের মধ্যেকার রাজনৈতিকভাবে সবচেয়ে সজাগ অংশে পরিণত হয়েছেন, এবং হয়ে উঠেছেন চীন বিপ্লবের নেতা। সাম্রাজ্যবাদ ও সামন্তবাদের বিরুদ্ধে কৃষক জনসাধারণ এবং সকল বিপ্লবী জনগণকে সমবেত করে তা সংগ্রাম করছে নয়া-গণতান্ত্রিক চীন প্রতিষ্ঠার জন্য ও জাপানী সাম্রাজ্যবাদকে বিতাড়িত করার জন্য, এবং তার অবদান এক্ষেত্রে অসামান্য। কিন্তু চীনের বিপ্লব আজ পর্যন্ত  জয়যুক্ত হয়নি এবং খোদ শ্রমিক শ্রেণীর ঐক্যবদ্ধ করার জন্যই বিরাট প্রয়াসেরRead More


বাঙলাদেশে রাজনৈতিক দল গঠনের প্রক্রিয়ায় আগে মনোযোগ দেয়া উচিত — আবুল কাসেম ফজলুল হক

প্রথম পর্বের পর ২. অনুপ সাদি: বাঙলাদেশ তাহলে কতটুকু গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র? গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র না হলে অগণতন্ত্রের চিত্রগুলো কোথায় কোথায় দেখা যাচ্ছে? আবুল কাসেম ফজলুল হক: বাঙলাদেশের মানুষের মধ্যে কখনো কখনো গণতন্ত্রের আকাঙ্ক্ষা দেখা দিয়েছে, বেশ প্রবলভাবেই দেখা দিয়েছে। আমি আমার অভিজ্ঞতায় দেখেছি, পাকিস্থান প্রতিষ্ঠার পরে ১৯৫৪ সালের নির্বাচনের আগে গণতন্ত্রের কথা রাজনৈতিক নেতারা প্রচার করেছেন, তাতে জনগণের মধ্যে গণতন্ত্রের নামে প্রবল আবেগ সৃষ্টি হয়েছে। পরে গণতন্ত্রের আকাঙ্ক্ষা দেখেছি ১৯৯০ সালে_ এরশাদ সরকারের পতনের পরে। পত্র-পত্রিকায় গণতন্ত্র সম্পর্কে অনেক লেখা হয়েছে। কিন্তু ধারণাগুলো বাস্তবসম্মত রূপ নিয়ে বিকশিত হয়নি। তাত্ত্বিকভাবে গণতন্ত্রের আদর্শ-রূপ-রীতি-পদ্ধতিRead More


ভি. আই. লেনিনের গ্রন্থ ‘কী করতে হবে’ বিষয়ক আলোচনা

কী করতে হবে? আমাদের আন্দোলনের জরুরি প্রশ্নগুলি, (ইংরেজিতে: What Is to Be Done? Burning Questions of Our Movement) হচ্ছে ভ্লাদিমির লেনিনের লেখা বই যা ১৯০১ সালের শরৎকাল থেকে ১৯০২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে লিখিত এবং ১৯০২ সালে প্রকাশিত। এটি একটি রাজনৈতিক প্রচারপুস্তিকা যার শিরোনাম নেয়া হয় উনিশ শতকের রুশ বিপ্লবী নিকোলাই চেরনিশেভস্কি (১৮২৮-৮৯) লিখিত একই নামের উপন্যাস থেকে। মার্কসবাদী কমিউনিস্ট পার্টি গঠনের জন্য সংগ্রামের ক্ষেত্রে এই বই চূড়ান্ত ভূমিকা পালন করে। বৈপ্লবিক মার্কসবাদ সংক্রান্ত অপূর্ব এই বইটিতে রুশ কমিউনিস্টগণ[১] বহু জরুরি প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পান। এই বইতে শ্রমিক আন্দোলনের সচেতনRead More


শ্রমিকদের সংগঠন ও বিপ্লবীদের সংগঠন — ভি আই লেনিন

কি করতে হবে ৪. অর্থনীতিবাদীদের সেকেলেপনা ও বিপ্লবীদের সংগঠন গ. শ্রমিকদের সংগঠন ও বিপ্লবীদের সংগঠন কোনো কোনো সোশ্যাল — ডেমোক্রাটের কাছে রাজনীতিক সংগ্রাম সংক্রান্ত ধারণাটা মালিকদের আর সরকারের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক সংগ্রাম সংক্রান্ত ধারণার সঙ্গে এক হলে স্বভাবতই মনে করা যেতে পারে, তাঁর কাছে বিপ্লবীদের সংগঠন এবং শ্রমিকদের সংগঠন কম বেশি একই। বাস্তবে তাইই ঘটে, যাতে আমরা যখন সংগঠনের কথা বলি, আমরা বলি একেবারেই আলাদা আলাদা ভাষায়। যেমন মোটামুটি সংগতিপূর্ণ একজন অর্থনীতিবাদীর সঙ্গে একবার আলাপের কথা আমার স্পষ্ট মনে আছে, তাঁর সঙ্গে আমার পূর্বপরিচয় ছিল না [৮৫]। ‘রাজনীতিক বিপ্লব ঘটাবে কারা’?Read More


রাজনৈতিক দল কী ও কেন

কোনো শ্রেণি বা তার স্তরের সর্বাপেক্ষা সক্রিয় ও সংগঠিত অংশ হচ্ছে দল বা পার্টি বা রাজনৈতিক দল (ইংরেজিতে Political Party)। রাজনৈতিক দলগুলোর অস্তিত্ব জড়িত সমাজের শ্রেণিবিভক্তি ও এইসব শ্রেণির বহুবিভাগের সংগে, শ্রেণিসমূহের এবং তার অঙ্গদলগুলোর স্বার্থের পার্থক্যের সংগে। রাজনৈতিক দল হলো গুরুত্বপূর্ণ সেই হাতিয়ার যার সাহায্যে শ্রেণি তার স্বার্থের জন্য, ক্ষমতার জন্য সংগ্রাম করে। আধুনিক সমাজের শ্রেণিকাঠামো ভেদে পার্টিও বিভিন্ন ধরনের হতে পারে_বুর্জোয়া, প্রলেতারিয় বা শ্রমিক শ্রেণির, সামন্তবাদি, কৃষক, ক্ষুদে-বুর্জোয়া ও অন্যান্য। অরাজনৈতিক সামাজিক সংগঠনের সাথে রাজনৈতিক দলের পার্থক্য এখানেই যে, তা নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পরিচালিত হয় এবং ক্ষমতা দখলের প্রচেষ্টায়Read More


আমলাতন্ত্রের বিশটি প্রকাশ — মাও সেতুং

ফেব্রুয়ারি, ১৯৭০ অনুবাদ – অনুপ সাদি ১. প্রশাসন বা সংগঠনের উচ্চস্তরে থেকে আমলাতান্ত্রিক নেতারা খুব অল্প জ্ঞান রাখে; তারা জনগণের মতামত বোঝে না; তারা অনুসন্ধান করে না এবং পড়ে না; তারা নির্দিষ্ট নীতিসমূহ গ্রহণ করে না; তারা রাজনৈতিক এবং মতাদর্শগত কাজ পরিচালনা করে না; তারা বাস্তবতা থেকে, জনগণ থেকে, পার্টি নেতৃত্ব থেকেও দূরে সরে থাকে; তারা সর্বদা নির্দেশনামা জারি করে এবং সেসব নির্দেশনামাগুলো সচরাচর ভুল; তারা দেশ ও জনগণকে নিশ্চিতভাবেই ভুলপথে নিয়ে যায়; এবং অবশেষে তারা পার্টির ধারাবাহিক অবিচল লাইন ও কর্মনীতিতে [policy] প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে; তারা জনগণের নাগাল পায়Read More


রাজনৈতিক দল গঠন প্রসঙ্গে

বাংলাদেশকে স্বাধীন সার্বভৌম শক্তিমান উন্নতিকামি সাম্যবাদ অভিমুখী নয়া গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে হলে রাজনৈতিক দল গঠনে সর্বোচ্চ মনোযোগ দিতে হবে। দল গঠন বলতে বোঝানো হচ্ছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে জনগণের দ্বারা পরিচালিত জনগণের জন্য জনগণের সংগঠন প্রতিষ্ঠা করা। শ্রেণিবিভক্ত সমাজে জনগণ থাকে বিভক্ত এবং তাদের স্বার্থকে বাস্তব রূপ দেবার জন্য প্রয়োজন পড়ে রাজনৈতিক সংগঠনের। জনগণের রাজনৈতিক সংগঠনটিকে অবশ্যই জনগণের পক্ষে রাখা চায় এবং সেজন্য রাজনৈতিক দল সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট ধারনা জনগণের থাকা দরকার। নতুবা জনগণের সংগঠন জনগণের উপরই জগদ্দল পাথর হিসেবে চেপে বসবে। রাজনীতি হচ্ছে শ্রেণিসমূহের মধ্যে সংগ্রাম এবং সেই সংগ্রামকে এগিয়ে নিতেRead More


গণতান্ত্রিক কেন্দ্রিকতাবাদ প্রসঙ্গে

গণতান্ত্রিক কেন্দ্রিকতাবাদ (ইংরেজি: Democratic centralism) বলতে লেনিনবাদী রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ কাঠামোগত নীতিসমূহকে উল্লেখ করা হয়। ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস তাঁর কর্তৃত্ব প্রসঙ্গে লেখায় কর্তৃত্বকে কেন্দ্রিকতাবাদ অর্থে ব্যাখ্যা করেছিলেন। এঙ্গেলসের মতে জটিল যন্ত্রপাতির বিকাশের সাথে সাথে কেন্দ্রিকতাবাদের প্রয়োজনীয়তা বেড়েছে। আমরাও দেখি যান্ত্রিক বিকাশের সাথে সাথে কারখানা বা গবেষণাগার বা সংগঠনে কেন্দ্রিকতাবাদের গুরুত্ব অপরিসীম। মাঝে মাঝে গণতান্ত্রিক কেন্দ্রিকতাবাদের দ্বারা আবার যে কোনো রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরে গৃহীত কোনো লেনিনপন্থী নীতিকেও একইভাবে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে। এই সাংগঠনিক পদ্ধতির গণতান্ত্রিক শব্দবন্ধটি দ্বারা বোঝানো হয় যে কোনো নীতি নির্ধারণের পূর্বে সকল দলীয় সদস্যের সে বিষয়ে আলোচনা, বিতর্কRead More


মার্কস ও নিউ রাইনিশ গেজেট — ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস

আমরা যাকে জার্মান কমিউনিস্ট পার্টি বলতাম, ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের আরম্ভে তা ছিলো শুধু একটি স্বল্পসংখ্যকের কোষকেন্দ্র, ছিল গোপন প্রচারমূলক সমিতি হিসাবে সংগঠিত কমিউনিস্ট লীগ। সেই সময়ে জার্মানিতে সংঘ ও সভা সমিতির কোনো অধিকার ছিলো না বলেই লীগকে গুপ্ত সংগঠন হতে হয়েছিলো। বিদেশের বিভিন্ন শ্রমিক সংস্থা থেকে লীগ তার সদস্য সংগ্রহ করতো। এইসব সংস্থা ছাড়াও জার্মান দেশেই এর প্রায় ত্রিশটি সমিতি বা বিভাগ ছিলো আর নানা জায়গায় বিচ্ছিন্নভাবে সদস্য ছিলো। এই ক্ষুদ্র সংগ্রামী বাহিনীর ছিলো একজন প্রথম শ্রেণির নেতা। তিনি মার্কস। সবাই স্বেচ্ছায় তার নেতৃত্ব মেনে নিত। আর তাঁরই দৌলতে লীগ নীতিRead More


মার্কসবাদী তত্ত্বের বিকাশে লেনিনের সৃজনশীল অবদান – জে. ভি. স্তালিন

(প্রথম মার্কিন শ্রমিক প্রতিনিধিদলের সাথে সাক্ষাৎকার থেকে উদ্ধৃত অংশ) ৯ সেপ্টেম্বর, ১৯২৭ ১. প্রতিনিধিদল কর্তৃক উত্থাপিত প্রশ্নাবলী ও কমরেড স্তালিনের জবাব প্রথম প্রশ্ন: মার্কসবাদের প্রয়োগের ক্ষেত্রে লেনিন ও কমিউনিস্ট পার্টি নতুন কি কি নীতি সংযোজন করেছেন? এটা বলা কি সঙ্গত হবে যে, লেনিন বিশ্বাস করতেন “সৃজনশীল বিপ্লবে”, আর মার্কস অনুরক্ত ছিলেন অর্থনেতিক শক্তিগুলোর বিকাশের পরিণতির জন্য বিলম্ব করার পক্ষে? উত্তর: আমার মতে, মার্কসবাদের ক্ষেত্রে লেনিন কোনো “নতুন নীতি” “সংযোজনও” করেননি, মার্কসবাদের “পুরানো” নীতিমালার কোনোটির বিলোপও ঘটাননি। লেনিন ছিলেন মার্কস ও এঙ্গেলস-এর সবচেয়ে অনুগত ও বিশিষ্ট শিক্ষার্থী, আর সে অবস্থায় তিনিRead More