You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > Posts tagged "পার্টি"

বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলের সমস্যাবলী প্রসঙ্গে

বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলের সমস্যাবলী সম্পর্কে আলোচনা করার উদ্দেশ্যে আমাদের প্রাসঙ্গিক কিছু বিষয় আলোচনা করতে হবে। বাংলাদেশ একটি স্বাধীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। গণতন্ত্রের আদর্শকে সফলভাবে ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশে বহুদলীয় ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। যেকোনো ধরনের মত, পথ ও আদর্শের উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশে রাজনৈতিক দল গড়ে উঠতে পারে। আরো পড়ুন

মার্কসবাদী পার্টি গঠন সম্পর্কে লেনিন

মার্কসবাদী পার্টি গঠন সম্পর্কে লেনিন গুরুত্ব দিয়েছিলেন খুব বেশি। লেনিন মার্কসবাদের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তসমূহকে খুঁজে বের করেন, সার সংকলন করেন এবং একটি পরিকল্পনা পেশ করেন, যার পরিপ্রেক্ষিতে মার্কসবাদী-লেনিনবাদী পার্টি গঠনের ভিত্তি গড়ে ওঠে। লেনিন ‘অর্থনীতিবাদীদের’ সুবিধাবাদী নীতির সমালোচনা করেন। লেনিনের পরিকল্পনার স্বপক্ষে ‘ইসক্রা’র সংগ্রাম দীর্ঘমেয়াদে পরিচালিত হয়। ফলশ্রুতিতে আমরা পাই

রাজনৈতিক উপদল কাকে বলে

যখন একই দলের মধ্যে এক একটি গােষ্ঠী বিশেষ রাজনৈতিক মনােভঙ্গির ভিত্তিতে দানা বাঁধে এবং সেইসব গােষ্ঠী অপরাপর গােষ্ঠীর সঙ্গে অল্পবিস্তর বিষয়ে প্রতিপক্ষতা করে তখন সেই গোষ্ঠীগুলোকে রাজনৈতিক উপদল (ইংরেজি: Political faction) বলে। দল ছাড়াও সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কিংবা সংগঠনের মধ্যেও সমমনােভাবাপন্ন সদস্যদের গােষ্ঠীগতভাবে উপদল গড়ে তুলতে দেখা যায়। আরো পড়ুন

‘চীনের শ্রমিক’ পত্রিকার পরিচয় প্রসঙ্গে — মাও সেতুং

৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪০ ‘চীনের শ্রমিক’[১] পত্রিকার প্রকাশ একটা প্রয়োজন মেটাল। নিজের রাজনৈতিক পার্টি, চীনের কমিউনিস্ট পার্টি, কর্তৃক পরিচালিত হয়ে চীনের শ্রমিকশ্রেণি গত কুড়ি বছর ধরে বীরত্বপূর্ণ সংগ্রাম পরিচালনা করে এসেছেন, জনগণের মধ্যেকার রাজনৈতিকভাবে সবচেয়ে সজাগ অংশে পরিণত হয়েছেন, এবং হয়ে উঠেছেন চীন বিপ্লবের নেতা। সাম্রাজ্যবাদ ও সামন্তবাদের বিরুদ্ধে কৃষক জনসাধারণ এবং

বাঙলাদেশে রাজনৈতিক দল গঠনের প্রক্রিয়ায় আগে মনোযোগ দেয়া উচিত — আবুল কাসেম ফজলুল হক

প্রথম পর্বের পর ২. অনুপ সাদি: বাঙলাদেশ তাহলে কতটুকু গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র? গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র না হলে অগণতন্ত্রের চিত্রগুলো কোথায় কোথায় দেখা যাচ্ছে? আবুল কাসেম ফজলুল হক: বাঙলাদেশের মানুষের মধ্যে কখনো কখনো গণতন্ত্রের আকাঙ্ক্ষা দেখা দিয়েছে, বেশ প্রবলভাবেই দেখা দিয়েছে। আমি আমার অভিজ্ঞতায় দেখেছি, পাকিস্থান প্রতিষ্ঠার পরে ১৯৫৪ সালের নির্বাচনের আগে গণতন্ত্রের কথা রাজনৈতিক নেতারা

ভি. আই. লেনিনের গ্রন্থ ‘কী করতে হবে’ বিষয়ক আলোচনা

কী করতে হবে? আমাদের আন্দোলনের জরুরি প্রশ্নগুলি, (ইংরেজিতে: What Is to Be Done? Burning Questions of Our Movement) হচ্ছে ভ্লাদিমির লেনিনের লেখা বই যা ১৯০১ সালের শরৎকাল থেকে ১৯০২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে লিখিত এবং ১৯০২ সালে প্রকাশিত। এটি একটি রাজনৈতিক প্রচারপুস্তিকা যার শিরোনাম নেয়া হয় উনিশ শতকের রুশ বিপ্লবী

শ্রমিকদের সংগঠন ও বিপ্লবীদের সংগঠন

কোনো কোনো সোশ্যাল — ডেমোক্রাটের কাছে রাজনীতিক সংগ্রাম সংক্রান্ত ধারণাটা মালিকদের আর সরকারের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক সংগ্রাম সংক্রান্ত ধারণার সঙ্গে এক হলে স্বভাবতই মনে করা যেতে পারে, তাঁর কাছে বিপ্লবীদের সংগঠন এবং শ্রমিকদের সংগঠন কম বেশি একই। বাস্তবে তাইই ঘটে, যাতে আমরা যখন সংগঠনের কথা বলি, আমরা বলি একেবারেই আলাদা আলাদা ভাষায়। আরো পড়ুন

রাজনৈতিক দল কী ও কেন

কোনো শ্রেণি বা তার স্তরের সর্বাপেক্ষা সক্রিয় ও সংগঠিত অংশ হচ্ছে দল বা পার্টি বা রাজনৈতিক দল (ইংরেজিতে Political Party)। রাজনৈতিক দলগুলোর অস্তিত্ব জড়িত সমাজের শ্রেণিবিভক্তি ও এইসব শ্রেণির বহুবিভাগের সংগে, শ্রেণিসমূহের এবং তার অঙ্গদলগুলোর স্বার্থের পার্থক্যের সংগে। রাজনৈতিক দল হলো গুরুত্বপূর্ণ সেই হাতিয়ার যার সাহায্যে শ্রেণি তার স্বার্থের জন্য,

আমলাতন্ত্রের বিশটি প্রকাশ — মাও সেতুং

ফেব্রুয়ারি, ১৯৭০ অনুবাদ – অনুপ সাদি ১. প্রশাসন বা সংগঠনের উচ্চস্তরে থেকে আমলাতান্ত্রিক নেতারা খুব অল্প জ্ঞান রাখে; তারা জনগণের মতামত বোঝে না; তারা অনুসন্ধান করে না এবং পড়ে না; তারা নির্দিষ্ট নীতিসমূহ গ্রহণ করে না; তারা রাজনৈতিক এবং মতাদর্শগত কাজ পরিচালনা করে না; তারা বাস্তবতা থেকে, জনগণ থেকে, পার্টি নেতৃত্ব থেকেও

রাজনৈতিক দল গঠন প্রসঙ্গে

বাংলাদেশকে স্বাধীন সার্বভৌম শক্তিমান উন্নতিকামি সাম্যবাদ অভিমুখী নয়া গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে হলে রাজনৈতিক দল গঠনে সর্বোচ্চ মনোযোগ দিতে হবে। দল গঠন বলতে বোঝানো হচ্ছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে জনগণের দ্বারা পরিচালিত জনগণের জন্য জনগণের সংগঠন প্রতিষ্ঠা করা। শ্রেণিবিভক্ত সমাজে জনগণ থাকে বিভক্ত এবং তাদের স্বার্থকে বাস্তব রূপ দেবার জন্য প্রয়োজন পড়ে

Top