Main Menu

জনগণ

 
 

জনগনের সেবা করুন — মাও সেতুং

৮ সেপ্টেম্বর ১৯৪৪ আমাদের কমিউনিস্ট পার্টি ও কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্বে পরিচালিত অষ্টম রুট বাহিনী ও নতুন চতুর্থ বাহিনী হচ্ছে বিপ্লবের বাহিনী। আমাদের এই বাহিনী জনগনের মুক্তির জন্য সম্পূর্ণরূপে উৎসর্গপ্রাণ এবং সর্বান্তঃকরণে জনগনের স্বার্থের জন্য কাজ করে। কমরেড চ্যাং জু তে[১] এই বাহিনীর একজন সৈনিক ছিলেন। মানুষের মৃত্যু হবেই কিন্তু মৃত্যুর তাৎপর্য বিভিন্ন রকমের। প্রাচীন চীনে সিমাছিয়ান নামক একজন সাহিত্যিক বলেছিলেন, “সব মানুষেরই মৃত্যু হবে কিন্তু সে মৃত্যু হতে পারে থাই পাহাড়ের চেয়ে ভারী বা পালকের চেয়েও হালকা।”[২] জনগণের জন্য যিনি মৃত্যুবরণ করেন তার মৃত্যু থাই পাহাড়ের চেয়েও ভারী; কিন্তু যেRead More


জনগণের সেবা — মাও সেতুং

সভাপতি মাও সে-তুঙের উদ্ধৃতি ১৭. জনগণের সেবা *** আমাদের বিনয়ী ও সতর্ক হতে হবে, অহংকার ও অসহিষ্ণুতার প্রতি সজাগ থাকতে হবে এবং মনেপ্রাণে চিনা জনগণের সেবা করতে হবে,…….।  “চীনের দুটি ভাগ্য” (২৩ এপ্রিল, ১৯৪৫) *** মনেপ্রাণে জনগণের সেবা করা, এক মুহূর্তের জন্য জনসাধারণ থেকে বিচ্ছিন্ন না হওয়া; সব ব্যাপারই জনগণের স্বার্থ থেকে শুরু করা, ব্যক্তিগত স্বার্থ বা কোনো ক্ষুদ্র চক্রের স্বার্থ থেকে নয়; জনগণের প্রতি দায়িত্বকে পার্টির নেতৃস্থানীয় সংস্থার প্রতি আমাদের দায়িত্বের সঙ্গে এক করে মিশিয়ে ফেলা; এ সকলই হচ্ছে আমাদের কাজের প্রারম্ভিক বিন্দু। “যুক্ত সরকার সম্পর্কে” (২৪ এপ্রিল, ১৯৪৫)Read More


জনসাধারণের লাইন — মাও সেতুং

সভাপতি মাও সে-তুঙের উদ্ধৃতি ১১. জনসাধারণের লাইন *** জনগণ, কেবলমাত্র জনগণই হচ্ছেন বিশ্ব-ইতিহাস সৃষ্টির চালিকাশক্তি। যুক্ত সরকার সম্পর্কে (২৪ এপ্রিল, ১৯৪৫) *** জনসাধারণ হচ্ছে প্রকৃত বীর, কিন্তু আমরা নিজেরা প্রায়ই হচ্ছি শিশুর মতো অজ্ঞ ও উপহাস্য; এটা জানা না থাকলে প্রাথমিক জ্ঞান অর্জন করাও অসম্ভব। ‘পল্লীর তথ্যানুসন্ধানের’ ভূমিকা ও ক্রোড়লিপি মার্চ-এপ্রিল, ১৯৪১ *** জনসাধারণের আছে সীমাহীন সৃজনী শক্তি। তাঁরা নিজেদের সংগঠিত করতে পারেন, যেখানে নিজদের শক্তির স্ফূরণ করা সম্ভব সেসব স্থানে ও বিভাগে এগিয়ে যেতে পারেন, উৎপাদনের গভীরে ও ব্যাপ্তিতে এগিয়ে যেতে পারেন এবং নিজেদের জন্য দিনে দিনে অধিকতর কল্যাণময়Read More


প্রলেতারিয়েতগণ অষ্টাদশ শতক পরবর্তীকালের শ্রমশক্তি বিক্রিকারী শ্রমিক শ্রেণি

প্রলেতারিয়েত (ইংরেজিতে Proletariat) হচ্ছে পুঁজিবাদী সমাজের অন্যতম প্রধান শ্রেণি। প্রলেতারিয়েত হচ্ছে উৎপাদনের উপায় থেকে বঞ্চিত মজুরি শ্রমিকের শ্রেণি, যারা নিজ শ্রমশক্তি বিক্রয় করে জীবনধারণ করে এবং বুর্জোয়াদের দ্বারা শোষিত হয় সাম্যবাদী ও শ্রমিক শ্রেণির পার্টির নেতৃত্বে সামাজিক প্রগতি ও শান্তির লক্ষ্যে প্রলেতারিয়েত পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে সকল নিপীড়িত ও শোষিত জনগণের সংগ্রাম পরিচালনা করে।[১] প্রলেতারিয়েত বা প্রলেতারিয়ানদের শ্রেণিকে ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস বলেছেন উনিশ শতকের শ্রমিক শ্রেণি এবং সাম্যবাদকে বলেছেন প্রলেতারিয়েতের মুক্তির পদ্ধতি সংক্রান্ত মতবাদ। তিনি তাঁর ‘কমিউনিজমের নীতিমালা’ নামক লেখায় এ সম্পর্কে ১০টি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। প্রলেতারিয়েত কী প্রশ্নের উত্তরে তিনি লিখেছেন, “প্রলেতারিয়েতRead More


নেতৃত্বের ভূমিকা ও জনগণের সীমাবদ্ধতা প্রসঙ্গে

প্রগতিতে জনগণের ভূমিকা সম্পর্কিত আলোচনা গণতান্ত্রিক রাজনীতির একটি প্রয়োজনীয় বিষয়। গণতান্ত্রিক রাজনীতি বলতে আমরা এক্ষেত্রে সামন্তবাদ উৎখাত করে গণতান্ত্রিক বা নয়া গণতান্ত্রিক রাজনীতির বিকাশকে বুঝাব। এই গণতান্ত্রিক রাজনীতির বিকাশের ক্ষেত্রে জনগণের কার্যক্রম সম্পর্কে আলোচনাকে বিবেচনা করব। গণতান্ত্রিক জীবনের অনুশীলনে জনগণ সঠিক চিন্তাধারা ধরে যেমন এগোতে পারে তেমনি ভুল পথেও তারা পরিচালিত হতে পারেন। জনগণ কি সবসময় ঠিক থাকেন নাকি জনগণও ভুল করতে পারেন? জনগণের সীমাবদ্ধতা থাকে কি বা থাকলে তা কি পরিমাণে থাকে? জনগণের চিন্তাধারা নির্ভুল হয় কী পরিমাণে—এসব প্রশ্নের উত্তর গণতন্ত্রের বিকাশের স্বার্থে আলোচনা করা প্রয়োজন। জনগণের চিন্তাধারা যেমনRead More


আমলাতন্ত্রের বিশটি প্রকাশ — মাও সেতুং

ফেব্রুয়ারি, ১৯৭০ অনুবাদ – অনুপ সাদি ১. প্রশাসন বা সংগঠনের উচ্চস্তরে থেকে আমলাতান্ত্রিক নেতারা খুব অল্প জ্ঞান রাখে; তারা জনগণের মতামত বোঝে না; তারা অনুসন্ধান করে না এবং পড়ে না; তারা নির্দিষ্ট নীতিসমূহ গ্রহণ করে না; তারা রাজনৈতিক এবং মতাদর্শগত কাজ পরিচালনা করে না; তারা বাস্তবতা থেকে, জনগণ থেকে, পার্টি নেতৃত্ব থেকেও দূরে সরে থাকে; তারা সর্বদা নির্দেশনামা জারি করে এবং সেসব নির্দেশনামাগুলো সচরাচর ভুল; তারা দেশ ও জনগণকে নিশ্চিতভাবেই ভুলপথে নিয়ে যায়; এবং অবশেষে তারা পার্টির ধারাবাহিক অবিচল লাইন ও কর্মনীতিতে [policy] প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে; তারা জনগণের নাগাল পায়Read More


কর্মীদের উপর সব নির্ভর করে — জে ভি স্তালিন

‘শিল্পবিজ্ঞানই সবকিছু নির্ণয় করে’— এই পুরনো স্লোগান যে যুগের অবস্থার প্রতিফলন সে যুগে আমরা শিল্পযন্ত্রের অভাবে ভুগেছি, সে যুগ আজ অতীত। এই পুরনো স্লোগানের বদলে নতুন স্লোগান আজ আমাদের গ্রহণ করতে হবে, সেই নতুন স্লোগান হচ্ছে— ‘কর্মীদের গুণবত্তাই সবকিছু নির্ণয় করে’। এটিই এখন প্রধান ব্যাপার। আমাদের দেশবাসী এই নতুন স্লোগানের বিরাট তাৎপর্য পুরোপুরি আয়ত্ত ও উপলব্ধি করতে পেরেছে, একথা বলা যায় কি? আমি কিন্তু তা বলি না। যদি তাই হতো, তাহলে জনগণের প্রতি, কর্মীদের প্রতি, শ্রমিকদের প্রতি যে ধরনের অসম্মানকর মনোভাব কার্যত হামেশাই প্রকাশ পেতে দেখা যায় তা  কখনোই সম্ভবRead More


ফুলবাড়ির লাল পতাকা অমর রহে

ফুলবাড়িতে ফুল ফোটে কীনা সেই প্রশ্ন অবান্তর, ফুলবাড়িতে মানুষ ফোটে। ফুলের মানুষেরা জ্বলে উঠলে যে সত্য চারদিকে দেখা যায় তার উৎপত্তিস্থল হচ্ছে বাংলাদেশের দিনাজপুরের ফুলবাড়ি। ফুলবাড়িতে ফসল ফলে, বাংলায় যত রক্তের ফসল আমরা দেখি তাঁর একটির চিত্রায়ন হয় ২০০৬ সালের ফুলবাড়িতে। ফসলের মাঠ বাঁচাতে যে মানুষেরা উন্মুক্ত কয়লাখনির বিরুদ্ধে জেগে উঠেছিল তাঁদের চোখের দিকে তাকিয়ে শিখেছিলাম মানুষ পরমাণু বোমার চেয়েও শক্তিশালী। ফুলবাড়িতে থাকে মানুষ আর পার্লামেন্টে থাকে নরখাদকেরা, ফুলবাড়িতে না গেলে এই সত্য জানা হতো না। ফুলবাড়িতে একটি উন্মুক্ত পদ্ধতির কয়লাখনি করার আয়োজন করে জনগণের শত্রুরা। মূলত ১৫ জানুয়ারী, ২০০৫Read More


সাংস্কৃতিক বিপ্লবের স্বরূপ

সমাজতান্ত্রিক সমাজ বহন করে আনে পুঁজিবাদী সমাজের নানা চিহ্ন, ধারনা ও স্মারক। এসব চিহ্ন ও ধারনা থেকে হুট করে মুক্তি পাওয়া সম্ভব নয়। মানবসমাজ দাস, সামন্ত ও পুঁজিবাদকে অতিক্রম করলেও শোষণের ধারা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়নি। এই শোষণের ধারা ও পুরনো সমাজের পশ্চাৎপদ চিহ্নগুলো থেকে মুক্তির লক্ষ্যে প্রলেতারিয়েতকে একনায়কত্ব কায়েমের পর চালাতে হয় এক অনিবার্য সাংস্কৃতিক বিপ্লব (ইংরেজি: Cultural Revolution)। সাংস্কৃতিক বিপ্লবের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে সমীরণ মজুমদার লিখেছেন, “সাংস্কৃতিক বিপ্লব হলো এত দিন ধরে চলে আসা ধ্যান-ধারনা, আচার-ব্যবহার, স্বভাব-চরিত্র, কাজ-কর্ম প্রভৃতি যা কিছু সমাজের জঙ্গমত্বের পথে অন্তরায় তার বিরুদ্ধে ঘোষিত একRead More


জনগণের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের কর্মপদ্ধতি প্রসঙ্গে

গণতান্ত্রিক চেতনা জনগণের সংগ্রামী চেতনার সাথে জড়িত। সংগ্রাম বলতে বোঝায় মানুষের জীবন, জীবনবোধ ও তার পরিবেশ উন্নত করার সংগ্রাম। সংগ্রাম বলতে বোঝায় অন্যায়, অত্যাচার, আগ্রাসন, শোষণ, লুটতরাজ, মুনাফা, যন্ত্রণা, দারিদ্র, হতাশা, অন্ধকার, পরাধীনতা ইত্যাদির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও কর্মসূচি নিয়ে একটি ন্যায় ও সমতাভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লড়াই। এ লড়াই মুখের কথায় চলে না, সাদা পাতায় প্রবন্ধ লিখেও চলে না; এ লড়াই চালাতে হলে কর্মপদ্ধতি লাগে, শত্রুকে চিহ্নিত করা ও তাদেরকে উচ্ছেদ করার কাজে অংশগ্রহণ করা লাগে। কাজেই বাংলাদেশে গণতন্ত্রের শত্রু কারা সেটি চিহ্নিত করা জরুরি। বাংলাদেশে জনগণের মৌলিক চাহিদাগুলো এখনওRead More