You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > Posts tagged "গণসংগীত"

বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা

বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা — আজ জেগেছে এই জনতা, তোমার গুলির, তোমার ফাঁসির, তোমার কারাগারের পেষণ শুধবে তারা ওজনে তা এই জনতা।। তোমার সভায় আমীর যারা, ফাঁসির কাঠে ঝুলবে তারা তোমার রাজা- মহারাজা, করজোড়ে মাগবে বিচার ঠিক জেনো তা এই জনতা।। তারা,  নতুন প্রাতে প্রাণ পেয়েছে, প্রাণ পেয়েছে প্রাণ পেয়েছে তারা,  ক্ষুদিরামের রক্তবীজে প্রাণ পেয়েছে প্রাণ পেয়েছে তারা,

আর কতকাল, বলো কতকাল

আর কতকাল, বলো কতকাল সইব এ মৃত্যু অপমান — এ আর সহে না। শহর বন্দরে, চাষীর কুটিরে নরখাদক দলের অভিযান — এ আর সহে না। কমলাপুর শহীদ ডাকে — আয় রে, আয় আয় রে ভোঙ্গাজোড়ার শহীদ সুরেন — তোদের পানে চায় রে, চায় রে চন্দনপিঁড়ির সরোজিনী, অহল্যা মা তাদের খুনের তর্পণ হ’ল না — এ আর সহে না। সুন্দরবনের

নবজীবন তরঙ্গাঘাতে হ’ল বঙ্গভূমি সিঞ্চিতা

নবজীবন তরঙ্গাঘাতে হ’ল বঙ্গভূমি সিঞ্চিতা, চাহিল জনমন-কলি আঁখি মেলিয়া প্রাতে। হের বিশ্বকবি রবি জাগি নবদৃপ্ত তেজে ছাইল ভাসিল বঙ্গভূমি দেশপ্রেমের বন্যাতে। শুরু হ’ল জাতীয় জাগরণ মুক্তির রণ দারুণ সেথা পুরোভাগে বঙ্গ জাগে ভারতে। যেথা উজলা চাঁদের হাটে লক্ষ তারার ছিল মেলা, সেথা ঘোর অন্ধকারে দুর্গম হ’ল পথ চলা। সেথা স্বার্থে স্বার্থে চলে বিষাক্ত সর্পের খেলা। ধনী বণিকের ক্রূরমতি পদে

সপ্তকোটি জনরঙ্গভূমি

সপ্তকোটি জনরঙ্গভূমি বঙ্গদেশ বীর-প্রসবিনী হতনাম শৃঙ্খলিত দলিতা, শতাব্দীর সঞ্চিত ভীরু জড়তা, দীনতা ত্যজি নবযৌবন ভরে জাগো জাগো রে। চাঁদ কেদার রায় সন্তান      ইসলাম তিলক ঈশা খান প্রতাপাদিত্য সেন বল্লাল রাণী ভবানী কন্যা দুলাল বারভূইয়া বীর গাথা স্মরিয়া জাগো জাগো রে। কোথা সুখ সমৃদ্ধি আজ স্বাধীন রাজ নবাব সিরাজ পলাশীর আম্রকুঞ্জ হ’ল কাল সফল হ’ল দেশবৈরীকৃত জাল রাখিল বীর মীর মদন-মোহনলাল সম্মান। শুরু হ’ল

ফিরাইয়া দে, মোদের কায়ুর বন্ধুদেরে

ফিরাইয়া দে, দে, দে মোদের কায়ুর বন্ধুদেরে। মালাবারের কৃষক সন্তান, (তারা) কৃষক সভার ছিল প্রাণ অমর হইয়া রহিবে তারা দেশের দশের অন্তরে।। কৃষক মায়ের রাখতে ইজ্জত মান, (তারা) ফাঁসী কাষ্ঠে দিল প্রাণ ফিরিয়া পাব না রে মোদের কায়ুর বন্ধুদেরে।। লজ্জার কথা থুইব রে কোথায় ? তাদের বাঁচাইতে নারিলাম হায় তাদের ছাইড়া দিতে বাধ্য

কোনো এক গাঁয়ের বধুর

কোনো এক গাঁয়ের বধুর কথা তোমায় শোনাই শোনো রূপকথা নয় সে নয়। জীবনের মধুমাসের কুসুম- ছিঁড়ে- গাঁথা মালা শিশির ভেজা কাহিনী শোনাই শোনো।।   একটুখানি শ্যামল ঘেরা কুটিরে তার স্বপ্ন শত শত দেখা দিত ধানের শীষের ইশারাতে দিবা শেষে কিষাণ যখন আসতো ফিরে ঘি মউ-মউ আম কাঁঠালের পিঁড়িটিতে বসতো তখন সবখানি মন উজাড় ক’রে দিত তারে কিষাণী সেই কাহিনী শোনাই শোনো।   ঘুঘু ডাকা ছায়ায় ঢাকা গ্রামখানি কোন

ও আলোর পথযাত্রী

ও আলাের পথযাত্রী, এ যে রাত্রি, এখানে থেম না এ বালুরচরে আশার তরণী তােমার যেন বেঁধাে না, আমি শ্রান্ত যে, তবু হাল ধরাে, আমি রিক্ত যে, সেই সান্ত্বনা তব ছিন্ন পালে জয় পতাকা তুলে  তূর্য তােরণ দাও হানা ও আলাের পথযাত্রী, এ যে রাত্রি, এখানে থেম না আহা বুক ভেঙে

পথে এবার নামো সাথী

পথে এবার নামো সাথী পথেই হবে এ পথ চেনা। জনস্রোতে নানান মতে মনোরথের ঠিকানা, হবে চেনা, হবে জানা।। অনেক তো দিন গেল বৃথাই এ সংশয়ে, এসো এবার দ্বিধার বাধা পার হ'য়ে—  তোমার আমার সবার স্বপন মিলাই প্রাণের মোহনায় কিসের মানা? তখন এ গান তোলে তুফান নবীন প্রানের প্লাবণ আনে দিকে দিকে; কিসের বাধা? বিপদ বরণ মরণ - হরণ, চরন ফেলে

হেই সামালো

হেই সামালো ধান হো কাস্তেটা দাও শাণ হো জান কবুল আর মান কবুল, আর দেবনা আর দেবনা রক্তে বোনা ধান মোদের প্রাণ হো।। চিনি তোমায় চিনি গো জানি তোমায় জানি গো, সাদা হাতির কালা মাহুত তুমিই না? পঞ্চাশে লাখ প্রাণ দিসি মা-বোনেদের মান দিসি, কালোবাজার আলো কর তুমিই না? মোরা তুলব না ধান পরের গোলায় মরব না আর ক্ষুধার জ্বালায় মরব

মোদের গানের অঙ্গনে যদি মানুষ না পায় ঠাই

মোদের গানের অঙ্গনে যদি মানুষ না পায় ঠাই, গানের আসর ভেঙে দাও তবে, আমরা সেথায় নাই। মরা-মাটি যদি গানের ধারায় না পায় সবুজ প্রাণ, মোদের গানের সুরে যদি পাখি না গায় নতুন গান, কাব যদি বলে, ‘আগামী দিনের ভরসা খুঁজে না পাই। গানের আসর ভেঙে দাও তবে, আমরা সেথায় নাই।।   কিষানের হালে, নাবিকের পালে, মরু ও

Top