Main Menu

গণযুদ্ধ

 
 

গণ যুদ্ধ — মাও সেতুং

সভাপতি মাও সে-তুঙের উদ্ধৃতি ৮. গণযুদ্ধ *** বিপ্লবি যুদ্ধ হচ্ছে জনসাধারণের যুদ্ধ, কেবলমাত্র জনসাধারণকে সমাবেশ করে এবং তাঁদের উপর নির্ভর করেই এ যুদ্ধকে চালিয়ে নেয়া যেতে পারে। জনসাধারণের জীবনযাত্রার যত্ন নিন, কর্মপদ্ধতির প্রতি মনোযোগ দিন (২৭ জানুয়ারি, ১৯৩৪) *** সত্যিকারের লৌহ প্রাকার কি? তা হচ্ছে জনসাধারণ, কোটি কোটি জনসাধারণ, যারা বিপ্লবকে অকৃত্রিমভাবে ও আন্তরিকভাবে সমর্থন করেন। এটাই হচ্ছে প্রকৃত লৌহ প্রাকার, এটাকে বিনাশ করা যে কোনো শক্তির পক্ষেই অসম্ভব, একেবারেই অসম্ভব। প্রতিবিপ্লবী শক্তি আমাদের বিনাশ করতে পারে না, আমরাই বরং তাকে বিনাশ করবো। বিপ্লবী সরকারের চারপাশে কোটি কোটি জনসাধারণকে ঐক্যবদ্ধRead More


যুদ্ধ প্রসঙ্গে

বঙ্গ অঞ্চলের মানুষ মূলত দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধ বা দীর্ঘ দশ বছর যুদ্ধ করেছিলেন ১৫৭৫ থেকে ১৫৮৫ অবধি। সেই যুদ্ধটিই মনে হয় এই অঞ্চলের দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ এবং মোঘলদের বিরুদ্ধে সেই যুদ্ধটিই এই অঞ্চলের জনগণের শ্রেষ্ঠতম যুদ্ধ। বাংলার জমিদারদের বশ্যতা স্বীকার করাতে মোগলদের ১৬০৮ থেকে ১৬১২ সাল পর্যন্ত মোট চার বছর সময় লেগেছিলো।[১] ব্রিটিশ আমলের বিদ্রোহগুলো ছিলো খাপছাড়া ও স্থানিক এবং সেগুলো হটাত হটাত বিভিন্ন স্থানে জ্বলে উঠেছে, সেই বিদ্রোহগুলোর আরেকটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে সেগুলো ধারাবাহিকভাবে সংগঠিত হয়নি। এতদঞ্চলের লোকজন সর্বশেষ যে যুদ্ধটি করেছিলেন তা ছিলো চাপিয়ে দেয়া এবং সে যুদ্ধটিতে বঙ্গের অর্ধাংশ বাRead More


মেঘলা রাতের চাঁদ বনাম অন্ধ পথিক

হাঁটছিলাম কজন তরুণ অন্ধবদ্ধ রাতে   টর্চলাইট হাতে কেউ ডাকলো ইশারাতে, বললো ডেকে, চলেছো কোথায়, সংগে নেবে আমায়, আমরা বললাম, রাত-বিরেতে যোদ্ধা হতে চাই সংগে আলো, ভালোই হলো তুমি কি শিকারি হাতটা ধরো বুদ্ধি করো হয়েছে মাঠ তৈরি, বাঁশবাগানে আছেরে ভুত, ভাবনা গোলমেলে শত্রুপক্ষের চোরারা গেছে ভিন দেশির কোলে শ্রমিক-কৃষক এগোচ্ছে পথ, ছুটছে হাজার ঘরে আমরা খুঁজি, আমরা মরি, আমরা যাচ্ছি লড়ে। বনবিড়ালের চোখের ঠমক ভেবেছিলাম আলো কাঠবিড়ালির আদুরে নাচ লেগেছে কারো ভালো শুধু কয়জন দেখেনি চোখে, মেঘের ফাঁকে ফাঁকে বাস্তুহারা মানুষগুলো কোন কোটরে থাকে আসছে ধীরে আকাশ চিরে হালকাRead More


গণচীনের ইতিহাসে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির ভূমিকা

গণপ্রজাতন্ত্রী চীন (চৈনিক: 中国 অর্থাৎ “মধ্যদেশ”, ম্যান্ডারিন উচ্চারণে: চুংকুও) পূর্ব এশিয়ার একটি রাষ্ট্র যেখানে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি ১৯৪৯ সালে গৃহযুদ্ধে জয়লাভ করে এবং চীনের মূল ভূখণ্ডে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে। ১৩০ কোটি জনসংখ্যার অধিকারী বর্তমান চীন পৃথিবীর সবচেয়ে জনবহুল এবং আয়তনের দিক থেকে এশিয়ার সর্ববৃহৎ রাষ্ট্র। এর আয়তন প্রায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমান।[১] ১৯১১ সালে মাঞ্চুশাসনের পতনের পর থেকে সামন্তপ্রভুদের স্বেচ্ছাচার, শোষণ, বিদেশি লুণ্ঠন ও নিপীড়ন, বন্যা, দুর্ভিক্ষ ও বিপ্লবী লড়াইয়ের প্রতিক্রিয়া গোটা দেশকে এক ছন্নছাড়া অবস্থার মধ্যে এনে দাঁড় করায়। রাস্তাঘাট ভাঙা, সেচব্যবস্থা ছিন্নভিন্ন, পয়ঃপ্রণালি অকেজো। তার সাথে যুদ্ধেRead More