You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > Posts tagged "রাজনৈতিক কবিতা"

দাদামশাইয়ের বৈঠকখানা

এক্কা দোক্কা তিন তেরেক্কা/ মা গিয়েছে দক্ষিণেশ্বর/ মামা গেছে ফারাক্কা/ চোখ পিটপিট, গা কুটকুট/ কুড়র মুড়র ঝাল বিস্কুট/ কার পকেটে/ কান পেতে শোন টক্কা টরে/ দরজাতে কে শব্দ করে/ তেরে কেটে তাক তেরে কেটে/ চোর না পুলিশ/ দেখে খুলিস। আরো পড়ুন

দেয়ালের লিখন

বাবু হয়ে ব’সে গদিতে।/ ভুলে গেছে ভুয়ে পা দিতে।/ দেশের লোকের ছাড়ছে নাড়ি।/ বাড়ছে দলের গাড়ি বাড়ি।।/ মন্ত্রী মশাই, করেন কী ?/ পরের ধনে পোদ্দারি।/ হাকিমসাহেব, করেন কী ?/ খোদার ওপর খোদারি।/ আহা আহা, করেন কী ?/ ঢের হয়েছে, গোটান এবার/ পাততাড়ি।। আরো পড়ুন

এখন কে যায়?

ফুলকপি শেষ হয়ে আসছে/ উঠবে উঠবে করছে নতুন পটল/ দূর ! এখন কে যায় ?/ তোমার কথা মনে হলেই/ মাটির তলা দিয়ে তলা দিয়ে/ ঠেলে উঠব।/ এ-মুড়া থেকে ও-মুড়োয়/ দুদিকের দুই সুড়ঙ্গ/ শুধু জুড়তে যা সময়।/ মাঝগঙ্গায় আর একটু শুধু ফাঁক/ বাড়ানো দুহাত এক করতে পারলেই/ ওপারে আমার মেজো মেয়েকে দেখে আরো পড়ুন

কিংবদন্তী

শেষ করেছে পেয়ালা।/ বুড়োর এখন দেয়ালা।।/ হেঁড়ে গলা, মুখ গোমরা।/ নিশ্চয় কোনো হোমরা-চোমরা ॥/ ওঠবার জন্যে মই।/ পড়বার জন্যে বই।।/ সকলেই ভেড়ের ভেড়ে,/ সকলেই এক রা।/ তাতে গণতন্ত্রের/ থাকে নাকো ফ্যাকড়া।। আরো পড়ুন

উড়ো চিঠি

বসে রয়েছি পা ছড়িয়ে/ খরায়/ স্মৃতির নৌকো আটকে আছে/ হাঁটুজলের চড়ায়/ শুকনো ডালে হলদে পাতার/ মাটিতে চোখ/ যেখানে রক্ত, ছিন্নভিন্ন/ পাখির পালক/ / হৃদয়ের লাল ডাকবাক্‌সে/ ফেলা চিঠিতে আরো পড়ুন

গদির মধ্যে যদি

গদি/ তার মধ্যে গা ঢাকা দিয়ে থাকে/ জী-হাঁর পিছে লুকিয়ে রেখে হাঁ-কে/ শান্তশিষ্ট ল্যাজবিশিষ্ট এক পশুরাজ/ যদি/ ঘাঁটি/ যতই কেন আগলে রাখুক সদলে সবলে/ কথার সঙ্গে কাজের অমিল মাত্রাছাড়া হলে/ আস্তে আস্তে পায়ের তলায় সরে যাবেই/ মাটি আরো পড়ুন

ঘরে না, বাইরে না

এক পক্ষে/ তিন লক্ষ অক্ষৌহিণী/ নারায়ণী সেনা—/ প্রত্যেকে দুর্ধর্ষ যোদ্ধা/ সংশপ্তক/ ভয় কাকে বলে তা জানে না।/ যে জন্যেই হোক/ ( এরাও কৃষ্ণেরই জীব ! )/ প্রাণ দেয় হেলায়।/ দ্বারকায় বসে দুর্যোধন/ চেটে নেয় জিভ –/ আজ তার প্রাণে বড় সুখ।/ অন্য পক্ষে/ নিরস্ত্র একাকী/ যুদ্ধপরাঙ্মুখ।/ শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং।/ ভূ-ভারতে একালে কেবা কী।/ তাকালেই বোঝা যাবে। আরো পড়ুন

দৃশ্যত

রাস্তা দিয়ে যেই যায়, খোলা জানলা, উঁকি মেরে দেখে –/ কে একজন সারাক্ষণ গদি-আঁটা কাঠের চেয়ারে/ টেবিলে দু-ঠ্যাং তুলে গালে হাত দিয়ে বসে থাকে।/ চুলগুলো খোঁচা খোঁচা, ভাঙা গাল, দেখতেও চোয়াড়ে,/ মাঝখানে সামান্য ভুঁড়ি, যে রকম হয় ভারি ট্যাঁকে—/বেড়া ভেঙে ভাবনা ঢুকলে সম্ভবত দেয় সে খোঁয়াড়ে। আরো পড়ুন

বুড়ি ছু’য়ে

যে দেয়ালে বুড়ি দিত এতদিন ঘুটে/ ভদ্রলোকের বেটারা সেখানে জুটে/ তাতে নানা রং ফলিয়ে গিয়েছে লিখে/ বুড়ি জানে নাকে কারা কোন্ দল কী কে/ একই দেয়ালের ভাগ ক’রে দুই পিঠে/ দু-দলেই যায় দু-দলের ঢাক পিটে/ ওরা বলে, মুখে ধরব দুধের বাটি/ ভাই, আমাদের ওঠাও আরেক কাঠি আরো পড়ুন

দূরান্বয়

সাদা চুলে/ দেখতে পাচ্ছি দরোজার/ ঝানকাঠে দাঁড়িয়ে—/ টেবিলে পা তুলে/ কোথাকার কে এক ছোকরা/ তর্জনী নাড়িয়ে/ সামনের দেয়ালকে বলছে,/ ‘কে ওখানে বটো ?/ হটো হটো হটো!’/ বাইরে বেরিয়ে ভাবি/ দেয়ালের কান নেই/ শোনে না, ভাগ্যিস ! আরো পড়ুন

Top