Main Menu

অনুশীলন

 
 

অনুশীলন সম্পর্কে — মাও সেতুং

জ্ঞান ও অনুশীলনের মধ্যে, জানা ও করার মধ্যে সম্পর্ক বিষয়ে জুলাই ১৯৩৭ চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে কিছু সংখ্যক মতান্ধ কমরেড ছিলেন যারা দীর্ঘদিন যাবৎ চীন বিপ্লবের অভিজ্ঞতা বর্জন করে চলছিলেন। এঁরা এই সত্যকে অস্বীকার করতেন যে, ‘মার্কসবাদ একটা অন্ধ মতবাদ নয় বরং কর্মের পথনির্দেশক’ এবং মার্কসীয় রচনাবলী থেকে অপ্রাসঙ্গিকভাবে উদ্ধৃতি দিয়ে মানুষকে ভয় দেখাতেন। আবার কিছু অভিজ্ঞতাবাদী কমরেডও ছিলেন যারা দীর্ঘকাল যাবৎ নিজেদের খন্ড খন্ড অভিজ্ঞতার মধ্যেই নিজেদের আবদ্ধ করে রাখতেন এবং বিপ্লবী অনুশীলনের জন্য তত্ত্বের গুরুত্ব বুঝতেন না, বিপ্লবকে সমগ্রভাবে দেখতেন না, এঁরা অধ্যবসায়ের সঙ্গে হলেও কাজ করতেন অন্ধেরRead More


নেতৃত্বের ভূমিকা ও জনগণের সীমাবদ্ধতা প্রসঙ্গে

প্রগতিতে জনগণের ভূমিকা সম্পর্কিত আলোচনা গণতান্ত্রিক রাজনীতির একটি প্রয়োজনীয় বিষয়। গণতান্ত্রিক রাজনীতি বলতে আমরা এক্ষেত্রে সামন্তবাদ উৎখাত করে গণতান্ত্রিক বা নয়া গণতান্ত্রিক রাজনীতির বিকাশকে বুঝাব। এই গণতান্ত্রিক রাজনীতির বিকাশের ক্ষেত্রে জনগণের কার্যক্রম সম্পর্কে আলোচনাকে বিবেচনা করব। গণতান্ত্রিক জীবনের অনুশীলনে জনগণ সঠিক চিন্তাধারা ধরে যেমন এগোতে পারে তেমনি ভুল পথেও তারা পরিচালিত হতে পারেন। জনগণ কি সবসময় ঠিক থাকেন নাকি জনগণও ভুল করতে পারেন? জনগণের সীমাবদ্ধতা থাকে কি বা থাকলে তা কি পরিমাণে থাকে? জনগণের চিন্তাধারা নির্ভুল হয় কী পরিমাণে—এসব প্রশ্নের উত্তর গণতন্ত্রের বিকাশের স্বার্থে আলোচনা করা প্রয়োজন। জনগণের চিন্তাধারা যেমনRead More


লেনিনবাদের ভিত্তি পুস্তকের ভূমিকা — জে ভি স্তালিন

লেনিন স্মরণে প্রবিষ্ট ছাত্রদের প্রতি উৎসর্গিত  বিষয়বস্তু হিসেবে লেনিনবাদের ভিত্তি খুবই ব্যাপক। এ সম্বন্ধে পুরোপুরি আলোচনা করতে গেলে সম্পূর্ণ একটা বই লেগে যাবে। সত্যি কথা বলতে কি, অনেকগুলি বইই দরকার হবে। সুতরাং স্বভাবতই, আমার বক্তৃতার মধ্যে লেনিনবাদের সম্পূর্ণ আলোচনা থাকবে এমন আশা করা যায় না। বড়ো জোর, এতে লেনিনবাদের ভিত্তি সম্বন্ধে একটা মোটামুটি চুম্বক অংশ দেওয়া চলতে পারে। লেনিনবাদ সম্বন্ধে সাফল্যের সঙ্গে আলোচনা করতে গেলে যে মূল বিষয়গুলো সম্পর্কে নতুন দৃষ্টিভঙ্গির দরকার তা লিপিবদ্ধ করার জন্য_ এই সংক্ষিপ্ত চুম্বক অংশ দেওয়া প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। লেনিনবাদের ভিত্তি ব্যাখ্যা করারRead More


বিশ্বজুড়ে মার্কসবাদ, মুক্তি কোন পথে

মার্কসবাদের উদ্ভব উনিশ শতকে হলেও বিশ শতকে এই মতবাদের প্রায়োগিক দিক জাজ্বল্যমানরূপে দেখা দেয়। ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লবের পর একে একে ষোলটি রাষ্ট্র, পৃথিবীর জনসংখ্যার প্রায় এক তৃতীয়াংশ মার্কসবাদী বিশ্বের বাস্তব উদাহরণ হয়ে ওঠে। সোভিয়েত ইউনিয়ন, পোল্যান্ড, পূর্ব জার্মানি, হাঙ্গেরি, বুলগেরিয়া, চেকশ্লোভাকিয়া, রুমানিয়া, যুগোশ্লাভিয়া, আলবেনিয়া, চীন, উত্তর কোরিয়া, মঙ্গোলিয়া, ভিয়েতনাম, লাওস, কম্বোডিয়া, কিউবা সমাজতন্ত্র অভিমুখী দেশ হিসেবে আবির্ভূত হয়। পৃথিবীর দেশে দেশে মার্কসবাদী দল ক্রমাগত বিস্তার লাভ করতে থাকে। কিন্তু অর্ধ শতক যেতে না যেতেই সমাজতন্ত্র অভিমুখী দেশসমূহের ভেতরে শুরু হলো আলোড়ন। ১৯৬০-এর দশকের মহাবিতর্কে দেশে দেশে মার্কসবাদী রাজনৈতিক দলগুলোRead More


মার্কসের দৃষ্টিতে মানুষ

মানুষই হলো মার্কস এঙ্গেলসের জীবনবীক্ষার কেন্দ্রীয় বিষয়। বর্তমানকে বদলাবার প্রয়োজন তারা অনুভব করেছিলেন এই মানব প্রজাতির জন্যই। প্রাণী হিসেবে ‘মনুষ্য’ নাম প্রযুক্ত হলেও সামাজিক প্রাণী হিসেবে বা নৃতাত্ত্বিক অবস্থা থেকে বর্তমান মনুষ্য হিসেবে ‘মানুষ’ শব্দটি একই সাধারণ অর্থ প্রকাশ করে না। মার্কস প্রাকৃতিক ও মানবিক এই দুই অর্থে মানুষকে দেখেছেন। অর্থাৎ মার্কসের মানব প্রকৃতি সম্পর্কিত দৃষ্টিভঙ্গিতে প্রকৃতিবাদ ও মানবতাবাদের অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছে। একদিকে মানুষ প্রকৃতির অংশ, প্রাকৃতিক সত্তা, প্রকৃতিরই সৃষ্টি, বিবর্তনের পথে সক্রিয় ভাবে পরিবেশ ও পরিস্থিতির সাথে ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া গঠন-পুনর্গঠনের পথে নিজেকে গড়ে তুলেছে। এটিই তার প্রাকৃতিক সত্তা। অন্যদিকেRead More


মানুষের নির্ভুল চিন্তাধারা কোথা থেকে আসে? — মাও সেতুং

মানুষের নির্ভুল চিন্তাধারা কোথা থেকে আসে? সেগুলো কি আকাশ থেকে পড়ে? –না। সেগুলো কি মনের মধ্যে সহজাত? –তা নয়। মানুষের নির্ভুল চিন্তাধারা কেবলমাত্র সামাজিক অনুশীলন থেকেই আসে; সমাজের উৎপাদন সংগ্রাম, শ্রেণিসংগ্রাম ও বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা – এই তিনটি অনুশীলন থেকেই সেগুলো আসে। মানুষের সামাজিক সত্তা তার চিন্তাধারাকে নির্ধারণ করে। অগ্রগামী শ্রেণির নিজস্ব বৈশিষ্ট্যমূলক নির্ভুল চিন্তাধারাকে জনসাধারণ একবার আয়ত্ত করে নিতে পারলেই এই চিন্তাধারা বস্তুগত শক্তিতে পরিণত হয়, যা সমাজকে পুনর্গঠন করে এবং দুনিয়াকে রূপান্তরিত করে। মানুষ তাদের সামাজিক অনুশীলনে বিভিন্ন ধরনের সংগ্রামে লিপ্ত হয় এবং প্রভূত অভিজ্ঞতা অর্জন করে – সফলতারRead More


মার্কসবাদের তাত্ত্বিক ভিত্তি দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ

হেগেলের দ্বন্দ্ববাদ ও ফয়েরবাখের বস্তুবাদ থেকে সংশ্লেষণের মাধ্যমে এসেছে মার্কসীয় দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ। অর্থাৎ হেগেলের দ্বন্দ্ববাদ ও ফয়েরবাখের বস্তুবাদের সমালোচনার মধ্য দিয়ে মার্কসবাদের অন্যতম একটি উপাদানের উদ্ভব হয়েছে। মার্কস হেগেলের ভাববাদ বর্জন করে তাঁর দ্বন্দ্ববাদকে এবং ফয়েরবাখের যান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বর্জন করে তাঁর বস্তুবাদকে গ্রহণ করে যে দর্শন গড়ে তোলেন তাকেই দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ (ইংরেজি: Dialectical Materialism) বলা হয়। দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ হচ্ছে বাস্তবতা বুঝবার পথ, এই বাস্তবতা হতে পারে চিন্তাসমূহ, আবেগসমূহ, বা বস্তুগত দুনিয়া। সহজভাবে বলতে গেলে এই প্রণালীবিদ্যা হচ্ছে দ্বন্দ্ববাদ এবং বস্তুবাদের সংশ্লেষণ। মার্কসবাদের তাত্ত্বিক ভিত্তি হচ্ছে এই বস্তুবাদী দ্বন্দ্বতত্ত্ব আর সাম্যবাদRead More


জনগণের লড়াকু রাজনৈতিক দার্শনিক বিশ্বকোষীয় মানুষ

আমরা যে সময় অতিক্রম করছি তা যেন রেনেসাঁ পূর্ববর্তী ইউরোপের মধ্যযুগের সাথে তুলনীয়। বাংলাদেশ ভারতে অনাচারের এক পিরামিড তৈরি হয়েছে এবং উচ্চবিত্ত আর মধ্যবিত্তরা পাপাচারের জগদ্দল পাথরকে চিরস্থায়ী করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এই অবস্থা থেকে বের হবার জন্য দরকার লড়াইয়ের এক দীর্ঘমেয়াদী প্রস্তুতির। দরকার আন্তর্জাতিক এক এক জ্ঞানগত আন্দোলন ও নবজাগরণ এবং শুরুটা হওয়া দরকার এখনই। এই জ্ঞানগত আন্দোলন যুক্ত করবে রাজনৈতিক আন্দোলনকে এবং  ব্যাপ্ত করবে প্রকৃতিবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞানের সমস্ত শাখাকে এবং দর্শনের সমস্ত দিককে। এই জ্ঞানগত রাজনৈতিক আন্দোলন সম্পন্ন করবে মানুষের অতীতসৃষ্ট সমস্ত জ্ঞানের সংশ্লেষণ এবং পশ্চাৎপদতাকে ছুঁড়ে ফেলে দেবে।Read More


সমাজতন্ত্র

অনুপ সাদি রচিত সমাজতন্ত্র গ্রন্থের ফ্ল্যাপের লেখা, ভূমিকা ও সূচিপত্র মানুষের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক-সামাজিক ইতিহাসে সমাজতন্ত্র একটি গুরুত্বপূর্ণ মতবাদ। এ-গ্রন্থে বর্ণিত হলো এই মতাদর্শ সম্পর্কিত তাত্ত্বিক বিষয়গুলোর সাথে প্রায়োগিক দিকের প্রয়োজনীয় আলোচনা। সমাজবিজ্ঞান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও দর্শনের আলোচনার এই জটিল বিষয়টিকে লেখক সহজবোধ্যভাবে আমাদের অনেকের দৈনন্দিন জীবনের উপযোগী করে উপস্থাপন করেছেন। এই গ্রন্থে সমাজতন্ত্রের ধারণা, উদ্ভব ও বিকাশের পাশাপাশি এর সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্য নিয়ে সংক্ষিপ্ত আকারে কয়েকটি নিবন্ধ রচিত হয়েছে; এছাড়াও সারা পৃথিবীর সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন এবং তৎসম্পৃক্ত ইতিহাস বিধৃত হয়েছে স্বল্প পরিসরে। এ-গ্রন্থটি পাঠক অনায়াসে সমাজতন্ত্র বিষয়ক মৌলিক জ্ঞানার্জনের জন্য যথোপযুক্ত বিবেচনা করতেRead More


মতামত

অনুপ সাদির সমাজতন্ত্র বিষয়ক বই অনুপ সাদির বই সমাজতন্ত্র, প্রচ্ছদ: ধ্রুব এষ, লেখক অনুপ সাদির সমাজতন্ত্র নামের গ্রন্থটি ফেব্রুয়ারি, ২০১৫-তে প্রকাশিত হয় ভাষাপ্রকাশ, ঢাকা থেকে। গ্রন্থটির মোট পৃষ্ঠাসংখ্যা ১৩৬ এবং মূল্য ২০০ টাকা। এখানে গ্রন্থটির ভূমিকা দেয়া হলো। ভূমিকা: সমাজতন্ত্র শুধু সমাজবিজ্ঞান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বা দর্শনের আলোচনার বিষয় নয়, এ-সম্পর্কিত আলোচনা ও ক্রিয়া আমাদের অনেকের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। অথচ এ-বিষয়ে পুস্তকের অভাব থেকেই গেছে। তাই বিষয়টি সম্পর্কে বাংলা ভাষার পাঠকদের প্রাথমিক ধারণা দেবার উদ্দেশ্যে এই বইটি লেখা হয়েছে। এ-গ্রন্থে সমাজতন্ত্র সম্পর্কিত তাত্ত্বিক বিষয়গুলোর সাথে এর প্রায়োগিক দিকের আলোচনা করবার চেষ্টা করাRead More