Main Menu

প্রগতি

 
 

গ্রন্থাগার: মহাজগতের কল্লোল

জীব যেমন জীবাশ্ম হয়ে ভূ-ত্বকের স্তরে স্তরে লক্ষ লক্ষ বছর ধরে নিজেদের অস্তিত্বকে চিহ্নিত করে রেখেছে, তেমনি মানুষের কর্মপ্রেরণার সকল চিহ্ন আটকা পড়ে আছে গ্রন্থাগারে। এখানে অক্ষরের বুকে আঁকা আছে মানবসৃষ্ট সকল জ্ঞান, সকল ভাবনা, তাদের আশা আর স্বপ্ন। যেইমাত্র মানুষ জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার আলোকে নিজেকে বদলাতে শিখল, বদলে দিতে শিখল তার পার্শ্ববর্তি পরিবেশকে, সেইমাত্র সে নিজের জ্ঞান ও ভাবকে জানাতে চাইল অন্যের কাছে। নিজের ভাবকে অন্যের কাছে জানাতে গিয়েই প্রয়োজন পড়লো কথা, সংগীত, শব্দকে অক্ষরের চিহ্নে ধরে রাখবার। মানুষের লক্ষ বছরের ভাবনার কোলাহল তাই রূপ পেয়েছে শত কোটি পুস্তকেরRead More


সমাজতান্ত্রিক সমাজের শ্রেণি কাঠামোর প্রকৃতি

সমাজতান্ত্রিক সমাজে দুই প্রধান শ্রেণি হলও শ্রমিক শ্রেণি ও সমবায়ী কৃষক। পুঁজিবাদী সমাজে যে প্রলেতারিয়েত উৎপাদনের উপায় থেকে বঞ্চিত এবং পুঁজিবাদীদের নিকট নিজেদের শ্রমশক্তি বিক্রয়ে বাধ্য সেই প্রলেতারিয়েত সমাজতান্ত্রিক সমাজে নেই। বরং সমাজতন্ত্রে শ্রমিক শ্রেণি সমগ্র জনগণের সংগে উৎপাদনী উপায়ের মালিক এবং শোষণ থেকে মুক্ত। প্রলেতারিয়েতের এজনায়কত্ব কায়েম এবং উত্তরণ পর্ব শুরু হবার পর থেকে শ্রমিক শ্রেণির আপেক্ষিক গুরুত্ব ক্রমাগত বাড়তে থাকে। বদলে যায় তাদের গুণগত গঠন, সংস্কৃতি ও শিক্ষার মান। সমাজতন্ত্রে বৈরি শ্রেণি নেই, কেননা কলকারখানা, ভূমি, সবই সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সম্পত্তি। সমাজতন্ত্রে শ্রেণিশোষণ বিলুপ্ত হয়। শুরু হয় সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি।Read More


সমাজ হচ্ছে মানুষের পারস্পরিক ক্রিয়াকলাপের উৎপাদন

মার্কসীয় সমাজতত্ত্ব মার্কসবাদকে কেন্দ্র করে মার্কসীয় সমাজতত্ত্ব বিকশিত হয়েছে। উনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগ হতে এখন পর্যন্ত বহু মার্কসীয় তাত্ত্বিক মার্কসবাদকে একটি স্বতন্ত্র সমাজতাত্ত্বিক ধারা বলে আখ্যায়িত করেছেন। মার্কস তাঁর জার্মান ভাবাদর্শ গ্রন্থে উৎপাদনের পদ্ধতি বা ধরন (ইংরেজি Mode of Production) এবং ইকোনমিক এন্ড ফিলোজফিক ম্যানুস্ক্রিপ্টস গ্রন্থে ‘the creation of man by human labour’ তত্ত্বের মধ্য দিয়ে সমাজ বিকাশের বিকল্প রূপরেখা উপস্থিত করেছেন। পরবর্তীতে সমাজতত্ত্বের প্রায় সকল পথিকৃৎ সমাজতত্ত্বে মার্কসের অবদানকে স্বীকার করেছেন। বস্তুত মার্কসই প্রথম তাত্ত্বিক যিনি সর্বপ্রথম সমাজের ব্যাপক বৈজ্ঞানিক ভিত্তি দান করেন। মার্কসীয় সমাজতত্ত্বের মূল অবদানগুলো হচ্ছে সমাজ বিকাশেরRead More


মানুষের নির্ভুল চিন্তাধারা কোথা থেকে আসে? — মাও সেতুং

মানুষের নির্ভুল চিন্তাধারা কোথা থেকে আসে? সেগুলো কি আকাশ থেকে পড়ে? –না। সেগুলো কি মনের মধ্যে সহজাত? –তা নয়। মানুষের নির্ভুল চিন্তাধারা কেবলমাত্র সামাজিক অনুশীলন থেকেই আসে; সমাজের উৎপাদন সংগ্রাম, শ্রেণিসংগ্রাম ও বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা – এই তিনটি অনুশীলন থেকেই সেগুলো আসে। মানুষের সামাজিক সত্তা তার চিন্তাধারাকে নির্ধারণ করে। অগ্রগামী শ্রেণির নিজস্ব বৈশিষ্ট্যমূলক নির্ভুল চিন্তাধারাকে জনসাধারণ একবার আয়ত্ত করে নিতে পারলেই এই চিন্তাধারা বস্তুগত শক্তিতে পরিণত হয়, যা সমাজকে পুনর্গঠন করে এবং দুনিয়াকে রূপান্তরিত করে। মানুষ তাদের সামাজিক অনুশীলনে বিভিন্ন ধরনের সংগ্রামে লিপ্ত হয় এবং প্রভূত অভিজ্ঞতা অর্জন করে – সফলতারRead More