You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > Posts tagged "বিপ্লব"

বিবর্তন প্রসঙ্গে

বিবর্তন (ইংরেজি: Evolution) বলতে কোনো অস্তিত্ব বা বিষয়ের মধ্যে পরিবর্তনের ধারাবাহিক এবং পরিমাণগত বৃদ্ধিকে বুঝায়। বিপ্লব বলতে বিকাশের কোনো পর্যায়ে অস্তিত্বের মধ্যে দ্রুত এবং আকস্মিক পরিবর্তন বুঝায়। বিবর্তন ও বিপ্লব বিকাশের অবিচ্ছেদ্য দুটি দিক। বিবর্তন ও বিপ্লবের মধ্যকার সম্পর্ক যে অবিচ্ছেদ্য, এটি আধুনিক বিজ্ঞানের এবং সমাজবিজ্ঞান, দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদের তত্ত্ব। পূর্বে

চিরস্থায়ী বিপ্লব কাকে বলে

চিরস্থায়ী বিপ্লব (ইংরেজি: Permanent Revolution) কথাটি প্রথম ব্যবহার করেছিলেন কার্ল মার্কসফ্রিডরিখ এঙ্গেলস; ১৮৫০ খ্রিস্টাব্দে অনুষ্ঠিত কমিউনিস্ট লিগের সাধারণ সংসদে এই অর্থে যে বুর্জোয়া শ্রেণি যত শীঘ্র সম্ভব বিপ্লবের সমাপ্তি ঘটাতে চাইবে, ততই আমাদের কাজ হবে সেটাকে চিরস্থায়ী করা, যত দিন না পৃথিবীর প্রধান দেশগুলিতে সর্বহারা শ্রেণি রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করছে! আরো পড়ুন

যুদ্ধ প্রসঙ্গে

বঙ্গ অঞ্চলের মানুষ মূলত দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধ বা দীর্ঘ দশ বছর যুদ্ধ করেছিলেন ১৫৭৫ থেকে ১৫৮৫ অবধি। সেই যুদ্ধটিই মনে হয় এই অঞ্চলের দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ এবং মোঘলদের বিরুদ্ধে সেই যুদ্ধটিই এই অঞ্চলের জনগণের শ্রেষ্ঠতম যুদ্ধ। বাংলার জমিদারদের বশ্যতা স্বীকার করাতে মোগলদের ১৬০৮ থেকে ১৬১২ সাল পর্যন্ত মোট চার বছর সময় লেগেছিলো।[১]

ইউরোপের যুক্তরাষ্ট্র স্লোগান প্রসঙ্গে

‘সৎসিয়াল-দেমোক্রাৎ’ পত্রিকারী ৪০ নং সংখ্যায় আমরা জানিয়েছিলাম যে, ‘ইউরোপের যুক্তরাষ্ট্র’ স্লোগানটির অর্থনৈতিক দিকটা সংবাদপত্রে আলোচিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের পার্টির [১] বৈদেশিক বিভাগগুলির সম্মেলন সমস্যাটির আলোচনা মুলতুবী রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সম্মেলনে প্রশ্নটির ওপর যে-বির্তক চলে, সেটা ছিলো একটা নির্ভেজাল রাজনৈতিক চরিত্রের। তার আংশিক কারণ বোধ হয় এই যে, কেন্দ্রীয় কমিটির ঘোষণাপত্রে

শ্রমিকদের সংগঠন ও বিপ্লবীদের সংগঠন

কোনো কোনো সোশ্যাল — ডেমোক্রাটের কাছে রাজনীতিক সংগ্রাম সংক্রান্ত ধারণাটা মালিকদের আর সরকারের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক সংগ্রাম সংক্রান্ত ধারণার সঙ্গে এক হলে স্বভাবতই মনে করা যেতে পারে, তাঁর কাছে বিপ্লবীদের সংগঠন এবং শ্রমিকদের সংগঠন কম বেশি একই। বাস্তবে তাইই ঘটে, যাতে আমরা যখন সংগঠনের কথা বলি, আমরা বলি একেবারেই আলাদা আলাদা ভাষায়। আরো পড়ুন

শ্রমিক ও যন্ত্রের বিরোধ এবং লুডবাদী আন্দোলন

ইউরোপের শিল্প বিপ্লবের ফলে একদিকে পুরোনো হস্তশিল্প ও কুটিরশিল্প ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় আর অন্যদিকে শহরে শহরে যন্ত্রভিত্তিক শিল্পকারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়।  শিল্প বিপ্লবের শুরুর দিকে পুঁজিবাদের নানা ক্ষতিকর অনুষঙ্গের আবির্ভাবের কারণে নতুনতর যন্ত্রপাতির নিয়োগ, অবাধ প্রতিযোগিতা, অতি উৎপাদন, মন্দা, ছাঁটাই ইত্যাদি ঘটতে থাকে এবং কর্মহীন বেকার মানুষ বাড়তে থাকে। সচেতন, রাজনৈতিক জ্ঞানসমৃদ্ধ

সমবায় প্রসঙ্গে

আমার মনে হয়, আমাদের দেশে সমবায় সম্পর্কে যথেষ্ট মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে না। অক্টোবর বিপ্লবের পর এখন এবং নয়া অর্থনৈতিক কর্মনীতির কথা ছেড়ে দিলেও (এই প্রসঙ্গে বরং বলা উচিত, নয়া অর্থনৈতিক কর্মনীতির জন্যই) আমাদের সমবায় আন্দোলন যে একেবারেই ঐকান্তিক গুরুত্ব অর্জন করছে, তা সকলেই বুঝতে পারছে কিনা সন্দেহ। সেকেলে সমবায়ীদের স্বপ্নে

দ্বৈত ক্ষমতা

প্রত্যেকটি বিপ্লবেরই মূল প্রশ্ন হলো রাষ্ট্রক্ষমতার প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি উপলব্ধ না হলে বিপ্লবে সজ্ঞান অংশগ্রহণ সম্ভবপর হতে পারে না, বিপ্লব পরিচালনার তো কথাই ওঠে না। আমাদের বিপ্লব সৃষ্টি করেছে দ্বৈত ক্ষমতা, এই হলো তার খুবই লক্ষণীয় বৈশিষ্ট্য। এই ঘটনাটিকে সর্বাগ্রে উপলব্ধি করতে হবে: এটা না বুঝলে আমরা এগোতে পারি না। আরো পড়ুন

সংবিধান সভা সম্বন্ধে থিসিস

১. সংবিধান সভা বসাবার দাবিটা ছিলো বৈপ্লবিক সোশ্যাল-ডেমোক্রাসির কর্মসূচির খুবই ন্যায়সংগত একটা অঙ্গ, তার কারণ কোনো বুর্জোয়া প্রজাতন্ত্রে সংবিধান সভা হলো গণতান্ত্রিকতার সর্বোচ্চ আকার, আর কারণ হলো এই যে, কেরেনস্কির নেতৃত্বাধীন সাম্রাজ্যবাদী প্রজাতন্ত্র প্রাক-পার্লামেণ্ট স্থাপন করার সাহায্যে নির্বাচনে জয়াচুরি এবং নানা উপায়ে গণতান্ত্রিকতা লঙ্ঘনের আয়োজন করছিলো। আরো পড়ুন

আশ্চর্য ভবিষ্যতবাণী

ঈশ্বরের কৃপায় আজকাল আর কেউ দৈবরহস্যে বিশ্বাসী নয়। বিস্ময়কর দৈববাণী এখন রপকথার গল্প। কিন্তু বৈজ্ঞানিক ভবিষ্যদ্বাণী সত্য বটে। আর আজকাল যখন প্রায়ই লজ্জাকর হতাশা এবং এমন কি নৈরাশ্যও দেখা যায় তখন এমন একটি বৈজ্ঞানিক ভবিষ্যদ্বাণী স্মরণ করা যাক যা সত্য প্রমাণিত হয়েছে। আরো পড়ুন

Top