You are here
Home > Posts tagged "সমাজ"

যুব লীগের কর্তব্য — ভি. আই. লেনিন

আপনি পড়ছেন শেষ অংশ, ব্যাপারটা আপনাদের কাছে আরও পরিষ্কার করার জন্য আমি একটা দৃষ্টান্ত দিচ্ছি। আমরা নিজেদের কমিউনিস্ট বলি। কমিউনিস্ট মানে কী ? কমিউনিস্ট একটা ল্যাটিন শব্দ। কমিউনিস মানে সর্বজনীন। কমিউনিস্ট সমাজ হলো সর্বজনীন ভূমি, সর্বজনীন কলকারখানা, সর্বজনীন শ্রম, — এই হলো কমিউনিজম। প্রত্যেকেই যদি নিজের নিজের জমির ওপর আলাদা আলাদা ভাবে

যুব লীগের কর্তব্য — ভি. আই. লেনিন

আপনি পড়ছেন তৃতীয় অংশ, আর সাধারণভাবে শ্রেণি কী? সমাজের একাংশের শ্রমকে যাতে অপর অংশ আত্মসাৎ করতে পায়, তাই হলো শ্রেণি। সমাজের একাংশ যদি সমস্ত জমি আত্মসাৎ করে থাকে, তাহলে পাই জমিদার শ্রেণি ও কৃষক শ্রেণি। সমাজের একাংশের হাতে যদি থাকে কলকারখানা, শেয়ার আর পুঁজি এবং অপর অংশ যদি সেসব কারখানায় খাটে,

যুব লীগের কর্তব্য — ভি. আই. লেনিন

আপনি পড়ছেন দ্বিতীয় অংশ, যুবজনের প্রতিনিধিদের এবং নতুন শিক্ষাব্যবস্থার কিছু কিছু পক্ষপাতীদের যখন আমরা সাবেকী স্কুলকে আক্রমণ করতে শুনি, বলতে শুনি যে সেটা মুখস্থ বিদ্যার স্কুল, তখন তাদের কাছে আমাদের বক্তব্য, সাবেকী স্কুলের যেটা ভাল সেটা আমাদের নিতে হবে। যার দশের নয় ভাগ নিম্প্রয়োজন ও বাকি একভাগ বিকৃত, প্রভূত পরিমাণে তেমন

যুব লীগের কর্তব্য — ভি. আই. লেনিন

১৯২০ সালের ২ অক্টোবর রাশিয়ার কমিউনিস্ট যুবলীগের তৃতীয় সারা রাশিয়া কংগ্রেসে ভাষণ আপনি পড়ছেন প্রথম অংশ, (লেনিনের উদ্দেশে কংগ্রেসের তুমূল অভিনন্দনোচ্ছাস।)। কমরেডগণ, আমি আজ আলোচনা করতে চাই যুব কমিউনিস্ট লীগের মূল কর্তব্য কী এবং এই প্রসঙ্গেই, সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে সাধারণভাবে যুবজনের কীরূপ সংগঠন হওয়া উচিত তাই নিয়ে। সমস্যাটি আলোচনা করা আরও আবশ্যক এইজন্য

সমাজতন্ত্র প্রলেতারিয়েতের মুক্তির পদ্ধতি সংক্রান্ত মতবাদ

সমাজতন্ত্র বা সমাজবাদ (ইংরেজি: Socialism) হচ্ছে এমন একটি সামাজিক এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যার বৈশিষ্ট্য হচ্ছে উৎপাদনের উপকরণের সামাজিক মালিকানা এবং অর্থনীতির একটি সমবায়ভিত্তিক ব্যবস্থাপনা। এছাড়াও একই সাথে এটি একটি রাজনৈতিক মতবাদ ও আন্দোলন যার লক্ষ্য হচ্ছে এই ধরনের সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। অর্থাৎ এটি এমন একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যেখানে

সমাজতন্ত্র ও সাম্যবাদের পার্থক্যরেখাগুলো কোথায় ও কীভাবে?

সাম্যবাদী সমাজের গঠনের ধারনা গড়ে উঠেছে তার দুটি পর্ব বা স্তর বা ধাপ সমাজতন্ত্র (Socialism) ও সাম্যবাদের (Communism) বৈশিষ্ট্যকে নিয়ে। এই দুই পর্বের মধ্যে অনেক মিল আছে যেহেতু সেগুলো হলও একই ব্যবস্থার দুটি পর্ব। এই দুই পর্বের ভেতরে বেশ কিছু পার্থক্যও বিরাজমান, এবং এই পার্থক্যগুলো সাম্যবাদী সমাজের বিকাশের নিম্নতম ও

স্বপ্নবাজ বীর

আমরা পাশাপাশি দাঁড়িয়ে অশান্ত গ্রহের মাঝে, যেখানে জীবনের স্বপ্নকে গ্রাস করে নকল সুখের মরীচিকারাশি। চিন্তার বিশাল জগতকে আবদ্ধ করতে চায় হতাশায় জড়িত ব্যর্থ নগরবাসি রূপে, এখানে জুজুর ভয়ে মাথা নত করে প্রেমিকেরা।   তবুও স্বপ্ন দেখে, জীবনকে বাঁচিয়ে রেখে, ক্ষুদ্র নুড়ি নিয়ে নিত্য খেলা করি, তার নিচে বাড়তে থাকে আমাদের স্বপ্ন, জমতে থাকে সুপ্ত শক্তিরা। পথ ভুলানো মরীচিকাকে পরাজিত করে বীরেরা যখন

কবিতা জানাতে চায়

কবিতা নিরবে পাড়ি দেয় এক যুগ থেকে অন্য যুগে, সে ছবি আঁকে, সিন্দুকে বন্দি থাকা ইতিহাসের কষ্ট নিয়ে, সে প্রশ্ন করে, প্রতিবাদ জানায় সময়ের দাবি তুলে ধরে।   একটি কবিতা জানাতে চায় কৃষকের ন্যায্য পাওনার ভাষা, সভ্যতা গড়ে যে শ্রমিক তার কতটুকু মজুরি? উত্তপ্ত পথকে জুতা আর প্রখর তাপকে ছাতা বানায় যে বৃদ্ধ হকার;— পুঁজির বোঝা ঠেলে

বিভাজন

এক যুগে আমি তোমার দাস আমাকে কেনাবেচা করেছো তোমার বেচাকেনার ঘাটে ঘাটে।   আরেক যুগে আমি তোমার দাস তোমার জমিকে করেছি চাষ চাবুক পেটানো দেহ নিয়ে।   পরের যুগে আমি তোমার দাস তোমার কলে আমার ঘামের দাগ তা দিয়ে কিনেছি বাঁচার সামান্য আশ।   এই যুগে আমি দেখতে চাই স্বপ্ন আমার শ্রমে গড়া সবার আবাসভূমি তাই খেটে চলি যৌথ খামার দেখব বলে।   ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৩ ময়মনসিংহ   বিশেষ

মৈত্রীর স্বরূপ এবং ব্যক্তি বিচ্ছিন্নতার উৎস

সামাজিক শ্রেণির ভেতরের মানুষগুলো যখন নানা উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়, সংগঠন গড়ে তোলে, চিন্তার আদান-প্রদান করে, সংগঠনের কর্মসূচি প্রণয়ন করে তখন তাদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, ভ্রাতৃত্ব, বন্ধুত্ব, ঐক্য, সংহতি ইত্যাদি গড়ে ওঠে। দর্শনের আলোচনায় মৈত্রী (Fraternity) হচ্ছে প্রেম আর সংহতির ভিত্তিতে জনগণের ভেতর এক ধরনের নৈতিক সম্পর্ক। শিল্প, সংস্কৃতি, নৈতিকতা, দান,

Top