Main Menu

গান

 
 

ভেদি অনশন মৃত্যু তুষার তুফান — ল্যাংস্টন হিউজ

  ভেদি অনশন মৃত্যু তুষার তুফান, প্রতি নগর হতে গ্রামাঞ্চল কমরেড লেনিনের আহ্বান, চলে মুক্তিসেনা দল। অতিক্রান্ত এ প্রান্তর গিরি দুর্গম, পূর্ব সীমান্তে ধায় পল্টন তাইমুরিয়ার শেষ দূর্গে আশ্রয় নিয়েছে দুশমন। যুদ্ধ লাঞ্ছিত বিবর্ণ লাল পতাকা মহা গৌরবে উর্ধ্বে উড্ডীন সদ্য সিক্ত রক্তের রঙে হলো সহস্র গুণ রঙিন। নিশ্চিহ্ন হলো শত্রু সৈন্য, জাহান্নামে দস্যু বিলীন প্রশান্ত সাগর তীরে শ্রমিক পতাকা উড্ডীন। Anup Sadiঅনুপ সাদির প্রথম কবিতার বই পৃথিবীর রাষ্ট্রনীতি আর তোমাদের বংশবাতি প্রকাশিত হয় ২০০৪ সালে। তাঁর মোট প্রকাশিত গ্রন্থ ১০টি। সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত তাঁর সমাজতন্ত্র ও মার্কসবাদ গ্রন্থ দুটিRead More


ক্ষুদিরাম বসু বাঙলার অগ্নিযুগের মহান বিপ্লবী

ক্ষুদিরাম বসু (Khudiram Bosu) (৩ ডিসেম্বর, ১৮৮৯ – ১১ আগস্ট, ১৯০৮) ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের শুরুর দিকের সর্বকনিষ্ঠ এক বিপ্লবী। ফাঁসির সময় তাঁর বয়স ছিল ১৮ বছর, ৭ মাস ১১ দিন। প্রারম্ভিক জীবন: ক্ষুদিরাম বসু ডিসেম্বর ১৮৮৯ তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির অন্তর্গত মেদিনীপুর জেলা শহরের কাছাকাছি মৌরনি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা ত্রৈলোক্য নাথ বসু ছিলেন নাদাজল প্রদেশের শহরে আয় এজেন্ট। তার মা লক্ষীপ্রিয় দেবী। তিন কন্যার পর তিনি তার মায়ের চতুর্থ সন্তান। দুই পুত্র আগেই মৃত্যুবরণ করেন। অপর পুত্রের মৃত্যুর আশংকায় তিনি তখনকার সমাজের নিয়ম অনুযায়ী তার পুত্রকে তারRead More


একবার বিদায় দে-মা ঘুরে আসি — পীতাম্বর দাস

একবার বিদায় দে-মা ঘুরে আসি বাংলা দেশাত্মবোধক গানের মধ্যে একটি খুবই উল্লেখযোগ্য গান। গানটির গীতিকার ও সুরকার পীতাম্বর দাস সরল লৌকিক ঝুমুর বাউল সুরে রচনা ও সুরারোপ করেন। গানটি ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতাসংগ্রামী মহান বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর (৩ ডিসেম্বর, ১৮৮৯ – ১১ আগস্ট, ১৯০৮) সম্মানে রচিত হয় এবং তৎকালীন সময়ে খুব জনপ্রিয় হয়। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশে ক্ষুদিরাম বসু এখনো বিশেষ সম্মানের সঙ্গে আলোচিত ও স্মরিত হন। বাংলার কৃষকগণ এখনো গানটি মনোযোগের সাথে গেয়ে থাকেন। ক্ষুদিরাম বসুর ফাঁসি উপলক্ষে প্রথম পুরুষে আখ্যানকবিতার আকারে এই দ্ব্যর্থবোধক গানটি রচিত। এটি শুনলে মনে হয় ক্ষুদিরাম একাধারেRead More


গোবিন্দ অধিকারী উনিশ শতকের কৃষ্ণ যাত্রার একজন বিখ্যাত পালাকার

“শুক-শারী সংবাদ” বা ‘বৃন্দাবন বিলাসিনী রাই আমাদের’ কীর্তন গানটি আমরা লোপামুদ্রা মিত্রের এবং কনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (১৯২৪ – ২০০০) কণ্ঠে শুনেছি বহুবার। এই গানটি উত্তম কুমার (১৯২৬- ৮০) অভিনীত ‘রাইকমল’ সিনেমাতেও গাওয়া হয়েছিল। সেই বিখ্যাত গানটির গীতিকারের নাম গোবিন্দ অধিকারী। গোবিন্দ অধিকারী (১৮০০-১৮৭২) বাংলা ১২০৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন। হুগলী জেলার জাঙ্গিপাড়া গ্রামে বৈরাগীকুলে জন্ম। স্বগ্রামে বাল্যশিক্ষা শেষ করে তিনি হাওড়া জেলার ধুরখালি গ্রামের গোলোকদাস অধিকারীর নিকট কীর্তন শিক্ষা করেন। তিনি জাতিতে বৈষ্ণব শ্রেণিভুক্ত ব্রাহ্মণ ছিলেন। তিনি জগদীশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের যাত্রাদলে ‘ছোকরা’ হিসেবে প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন। প্রথমে নিজেই কীর্তনিয়া দল ও পরেRead More


শুক-শারী সংবাদ — গোবিন্দ অধিকারী

বৃন্দাবন বিলাসিনী রাই আমাদের। রাই আমাদের রাই আমাদের আমরা রাইয়ের রাই আমাদের।। শুক বলে আমার কৃষ্ণ মদনমোহন। শারী বলে আমার রাধা বামে যতক্ষণ; নৈলে শুধুই মদন। শুক বলে আমার কৃষ্ণ গিরি ধরেছিল। শারী বলে আমার রাধা শক্তি সঞ্চারিল; নৈলে পারিবে কেন? শুক বলে আমার কৃষ্ণের মাথায় ময়ুর পাখা। শারী বলে আমার রাধার নামটি তাতে লিখা; ঐ যে যায় গো দেখা।। শুক বলে আমার কৃষ্ণের চুড়া বামে হেলে। শারী বলে আমার রাধার চরণ পাবে বলে; চূড়া তাইতে হেলে।। শুক বলে আমার কৃষ্ণের বাঁশী করে গান। শারী বলে সত্য বটে, বলে রাধারRead More


চম্পক বরণী বলি, দিলি যে চমক কলি — গোবিন্দ অধিকারী

চম্পক বরণী বলি, দিলি যে চমক কলি এ ফুলে এ কল আছে কে জানে। এতো ফুল নয় ভাই ত্রিশুল অসি, মরমে রহিল পশি রাই-রূপসীর রূপ অসি হানেপ্রাণে।। শ্রীরাধাকুণ্ডবাসী শ্রীরাধা-তুল্যবাসী অসি সরসী বাসি কাননে। এখন বিনে সেই রাই রূপসী জ্ঞান হয় সব বিষরাশি, গরলগ্রাসী নাশি জীবনে।        আমার মিথ্যা নাম  রাখালরাজ        রাখাল সঙ্গে বিরাজ, রাখালের রাজ অঙ্গে কাজ কি জানে। যদি নাই পাই রাধা, জীবনে যার নাইরে রাধা      আনিতে জীবন রাধা যারে সুবল সুবোল-বদনীর স্থানে।  আপনারা যারা গোবিন্দ অধিকারীর ‘বৃন্দাবন বিলাসিনী রাই আমাদের’ গানটি শোনেননি তারা ইউটিউবে লোপামুদ্রা মিত্রেরRead More


তোমরা গেইলে কি আসিবেন মোর মাহুত বন্ধুরে

হস্তিক নড়ান হস্তিক চরান হস্তির পায়ে বেড়ি   ও রে সত্যি করিয়া কনরে মাহুত কোন বা দেশে বাড়িরে? আর গেইলে কি আসিবেন মোর মাহুত বন্ধুরে? তোমরা গেইলে কি আসিবেন মোর মাহুত বন্ধুরে?   হস্তিক নরাং হস্তিক চরাং হস্তির গালায় দড়ি ওরে সত্য করিয়া কংরে কন্যা গৌরীপুরে বাড়ি রে। আর গেইলে কি আসিবেন মোর মাহুত বন্ধুরে? তোমরা গেইলে কি আসিবেন মোর মাহুত বন্ধুরে? খাটোখুটো মাহুতরে তোর গালে চাপা দাড়ি ওরে সত্য করিয়া কনরে মাহুত ঘরে কয়জন নারী রে আর গেইলে কি আসিবেন মোর মাহুত বন্ধুরে? তোমরা গেইলে কি আসিবেন মোর মাহুতRead More


হেমাঙ্গ বিশ্বাস বাংলা গণসংগীতের জননন্দিত মহাযোদ্ধা

হেমাঙ্গ বিশ্বাসের জন্ম ১৯১২ সালের ১৪ ডিসেম্বর; বাংলা তারিখ ২৭ অগ্রহায়ণ ১৩১৯। জন্মস্থান তৎকালীন শ্রীহট্ট বা সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমার চুনারুঘাট উপজেলার মিরাসি গ্রামে। সে হিসেবে তিনি ছিলেন বাংলাদেশের সিলেটের মিরাশির বাসিন্দা। তাঁর পিতার নাম হ রকুমার বিশ্বাস ও মা সরোজিনী দেবি। তাঁর মৃত্যূ তারিখ ২২ নভেম্বর ১৯৮৭। তিনি একজন বাঙালি সঙ্গীতশিল্পী, কবি, লেখক এবং সুরকার। মূলত লোকসঙ্গীতকে ভিত্তি করে গণসঙ্গীত সৃষ্টির ক্ষেত্রে তাঁর অবদান বাঙালির ইতিহাসে অবিস্মরণীয়। তিনি প্রথমে হবিগঞ্জ হাইস্কুল থেকে পাশ করার পর তিনি শ্রীহট্ট মুরারিচাঁদ কলেজে ভর্তি হন। সেখানে তিনি স্বাধীনতা আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। তিনি ১৯৩২Read More


লোকসংগীতের গণশিল্পী পিট সীগার

পিটার “পিট” সিগার (৩ মে, ১৯১৯ – ২৭ জানুয়ারি, ২০১৪) ছিলেন একজন মার্কিন লোকসঙ্গীত শিল্পী। তিনি ১৯৪০’র দশকে জাতীয় বেতারের অনুষ্ঠানে, দ্য উয়িভারস-এর সদস্য হিসেবে ১৯৫০’র দশকে যন্ত্রসংগীতে জননন্দিত রেকর্ড করেন, ১৯৫০’র দশকে ১৩ সপ্তাহ ধরে টপচার্টে অবস্থান করা ‘লীড বেলি’র “গুডনাইট, ইরিন”-এর রেকর্ডিঙের জন্য অধিক খ্যাত হন। দ্য উয়িভারসের সদস্য হয়ে তিনি ম্যাক কার্থির আমলে কালোতালিকাভুক্ত শিল্পী ছিলেন। প্রায় ঋষিসুলভ এই মানুষটির গোটা জীবনে সমালোচক ও শত্রুর অভাব ছিলো না। তাঁর গান বহু বছর রেডিয়ো এবং টিভিতে নিষিদ্ধ করে দিয়েছিলো মার্কিন সরকার। ১৯৬০’র দশকে তিনি জনগণের সামনে বিখ্যাত শিল্পীRead More


পরেশ ধর বিশ শতকের মহান গণসংগীত শিল্পী গীতিকার

পরেশ ধর, ইংরেজিতে Paresh Dhar, (৯ আগস্ট, ১৯১৮ – ৬ এপ্রিল, ২০০২) বাংলা ভাষার বিশ শতকের কবি, গণসংগীত গীতিকার, গীতিনাট্যকার, লেখক, বংশীবাদক, যাত্রাপালা রচয়িতা, রাজনীতিক এবং একজন মাওবাদী চিন্তক। তিনি পশ্চিমবঙ্গ গণ-সংস্কৃতি পরিষদ ও বিপ্লবী লেখক শিল্পী বুদ্ধিজীবী সংঘের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন এবং এম.সি.সি.-র (মাওইস্ট কমিউনিস্ট সেন্টার) রাজনীতির নিকটবর্তী চিন্তার মানুষ ছিলেন। নকশালবাড়ী আন্দোলন তাঁকে নাড়া দিয়েছিল। তাঁর নিজস্ব রাজনৈতিক চেতনা, স্পষ্ট রূপ নিয়েছিল সত্তরের দশকে। ১৯৪৬ সালের শেষ দিকে, এক বন্ধুর সাথে গণনাট্য সংঘের একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে সলিল চৌধুরী প্রমুখদের গান শুনে মুগ্ধ হয়ে পরেশ ধর নিজেই গণনাট্যRead More