Main Menu

যুদ্ধ

 
 

যুদ্ধ ও শান্তি — মাও সেতুং

সভাপতি মাও সে-তুঙের উদ্ধৃতি ৫. যুদ্ধ ও শান্তি *** শ্রেণি ও শ্রেণির মধ্যে, জাতি ও জাতির মধ্যে, রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রের মধ্যে, রাজনৈতিক দল ও রাজনৈতিক দলের মধ্যে দ্বন্দ্ব যখন একটা নির্দিষ্ট পর্যায়ে বিকশিত হয়ে উঠে, তখন সে দ্বন্দ্বগুলোর মীমাংসার জন্য সংগ্রামের উচ্চতম রূপই হচ্ছে যুদ্ধ – যা ব্যক্তিগত সম্পত্তি ও শ্রেণীর উদ্ভব থেকেই আরম্ভ হয়েছে। “চীনের বিপ্লবী যুদ্ধের রণনীতির সমস্যা” (ডিসেম্বর, ১৯৩৬) *** “যুদ্ধ হচ্ছে রাজনীতির ধারাবাহিক রূপ”, এই অর্থে যুদ্ধই হচ্ছে রাজনীতি এবং যুদ্ধ নিজেই রাজনৈতিক প্রকৃতির কার্যকলাপ। প্রাচীনকাল থেকে শুরু করে এমন একটা যুদ্ধও ঘটেনি, যার কোনো রাজনৈতিকRead More


স্পেনের গৃহযুদ্ধ প্রসঙ্গ এবং প্রাসঙ্গিক ইতিহাস

স্পেনে ১৯৩১ সালে রাজতন্ত্রের পরিবর্তে প্রজাতন্ত্র স্থাপিত হয়। ১৯৩১ এবং ১৯৩৩ সালের নির্বাচনে ডানপন্থী ও মধ্যপন্থিরা জয়লাভ করে। নতুন সরকার অভিজাত শ্রেণির ক্ষমতা ও প্রতিপত্তি খর্ব করে বিভিন্ন আইন প্রণয়নের চেষ্টা করে। স্পেনে শক্তিশালী মধ্যবিত্ত শ্রেণি না থাকায় এই নতুন গণতান্ত্রিক সরকারের ভিত্তি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়ে। বামপন্থী এবং দক্ষিণপন্থী কোনো গোষ্ঠীই এই সরকারকে সমর্থন করে না। বামপন্থীদের দৃষ্টিতে এই সরকার ছিলো রক্ষণশীল আর দক্ষিণপন্থীরা এই সরকারকে অতিবৈপ্লবিক বলে মনে করে। এই অবস্থায় সরকারের মধ্যপন্থা নীতি জনসাধারণের বিশেষ সমর্থন লাভ করতে পারে না। ১৯৩৬ সালের স্পেনের সাধারণ নির্বাচনে বামপন্থী পপুলারRead More


গৃহযুদ্ধ প্রসঙ্গে

গৃহযুদ্ধ (ইংরেজি: Civil War) হচ্ছে কোনো দেশের রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের জন্য সে দেশের বিভিন্ন শ্রেণি, ধর্ম, জাতি অথবা রাজনৈতিক দল কিংবা গোষ্ঠীর মধ্যে সশস্ত্র সংঘর্ষ।[১] গৃহযুদ্ধ শুরু হয় কোনো এক পক্ষ বা কোনো এক শ্রেণি কর্তৃক একটি দেশ বা একটি অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ, একটি অঞ্চল বা এলাকার স্বাধীনতা ঘোষণা অথবা ক্ষমতাসীন সরকারের নীতি-নির্ধারণ পরিবর্তনের জন্য চাপ প্রয়োগ করবার উদ্দেশ্য। গৃহযুদ্ধের এক পক্ষে থাকে রাষ্ট্র। রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে নাগরিকদের মধ্যে দ্বন্দ্ব, বিবাদ, অশান্তি  বা সংঘর্ষ থেকেও গৃহযুদ্ধের উৎপত্তি হতে পারে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের মধ্য গৃহযুদ্ধকে সংজ্ঞায়িত করতে হতাহতের বিষয়টি নিয়ে মতভিন্নতা দেখা গেছে। কোনো কোনো রাষ্ট্রচিন্তাবিদRead More


স্নায়ুযুদ্ধ বা ঠাণ্ডা লড়াই প্রসঙ্গে

স্নায়ুযুদ্ধ বা ঠাণ্ডা যুদ্ধ বা ঠান্ডা লড়াই বা শীতল যুদ্ধ (ইংরেজি: Cold war) হচ্ছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসানের পর প্রায় দীর্ঘ চল্লিশ বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও মতাদর্শগত আধিপত্য প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে চালিত এক অঘোষিত ব্যঙ্গ যুদ্ধ (ইংরেজি: Mock-war)। এই স্নায়ুযুদ্ধ নামটিও সাম্রাজ্যবাদী বুদ্ধিজীবীদের প্রদত্ত এবং তারাই জনপ্রিয় করে। সত্যবিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শিক্ষাপদ্ধতিতে এটি একটি বহুল আলোচিত বিষয়। এই যুদ্ধটিকে আমরা বলছি ব্যঙ্গ যুদ্ধ বা ভেংচির যুদ্ধ কারণ এই দুই বৃহৎ শক্তির মধ্যে সেই সময় সরাসরি কোনো সামরিক সংঘাত ঘটেনি। সোভিয়েত মহানেতা স্তালিনের মৃত্যুর পরে রাশিয়া সংশোধনবাদী–পুঁজিবাদীRead More


সামরিক শিল্পই সাম্রাজ্যবাদের প্রধান শক্তি

সমর শিল্প বা Arms Industry’র একত্রীকরণ হচ্ছে বৃহত সামরিক শিল্পের অগ্রাধিকার ও সাম্রাজ্যবাদি রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্রযন্ত্রের সামরিক চক্রগুলোর মিলন, যারা একচেটিয়া বুর্জোয়ার শ্রেণিগত আধিপত্য সুদৃঢ়করণ ও তা বিস্তারের স্বার্থে সামরিক শক্তির অবিরত বিকাশের পক্ষপাতী। সামরিক শিল্প মালিকরা হচ্ছে রাষ্ট্রীয় একচেটিয়া পুঁজিবাদি ব্যবস্থার সবচেয়ে প্রতিক্রিয়াশীল ও আক্রমণাত্মক অংশ। সমর শিল্প অস্ত্র এবং সামরিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি তৈরির বৈশ্বিক ব্যবসা। এটি বাণিজ্যিক শিল্প নিয়ে গঠিত যেটি গবেষণা, উন্নতি, উৎপাদন এবং সামরিক উপকরণ, যন্ত্রপাতি ও সুবিধাসমূহের সেবার সাথে সংযুক্ত থাকে। অস্ত্র উৎপাদনকারী কোম্পানিসমূহকে প্রতিরক্ষা ঠিকাদার (defense contractors) বা সামরিক শিল্পের সাথে নির্দেশ করা হয়।Read More


জ্ঞান প্রসঙ্গে

জ্ঞান হচ্ছে অর্থনৈতিক ভিত্তির উপরিকাঠামো আবার এই জ্ঞান ভিত্তিকে প্রভাবিত করে এবং বদলেও ফেলে। জ্ঞান অর্থনৈতিক শোষণের একটি বাইপ্রোডাক্ট। যারা শোষণ তৈরি করতে পারেনি, তারা সভ্য হতে পারেনি, আদিম গোষ্ঠীবদ্ধ সমাজে থেকে গেছে। গত ১০০০ বছরে শহরগুলো কেন শোষণের কেন্দ্র হয়েছে, কেন শহরগুলোর চেয়ে রাষ্ট্র বেশি শক্তিশালী হয়েছে, এই প্রশ্নের দিকে তাকালেই আমরা দেখব জ্ঞান কেন্দ্রীভূত হয়েছে শহরে, সাথে প্রযুক্তিকেও টেনে এনেছে। এই জ্ঞানের কেন্দ্রগুলো পরস্পরের উপরে আক্রমণ চালিয়েছে। দুর্দশা আর যুদ্ধের কারণ যে দাস, সামন্তবাদী আর পুঁজিবাদী অর্থনীতির নানা ধরনের, অগ্রবর্তী ও পশ্চাৎবর্তী অর্থনীতির দ্বন্দ্বের ফল তা অনেক সময়Read More


যুদ্ধ প্রসঙ্গে

বঙ্গ অঞ্চলের মানুষ মূলত দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধ বা দীর্ঘ দশ বছর যুদ্ধ করেছিলেন ১৫৭৫ থেকে ১৫৮৫ অবধি। সেই যুদ্ধটিই মনে হয় এই অঞ্চলের দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ এবং মোঘলদের বিরুদ্ধে সেই যুদ্ধটিই এই অঞ্চলের জনগণের শ্রেষ্ঠতম যুদ্ধ। বাংলার জমিদারদের বশ্যতা স্বীকার করাতে মোগলদের ১৬০৮ থেকে ১৬১২ সাল পর্যন্ত মোট চার বছর সময় লেগেছিলো।[১] ব্রিটিশ আমলের বিদ্রোহগুলো ছিলো খাপছাড়া ও স্থানিক এবং সেগুলো হটাত হটাত বিভিন্ন স্থানে জ্বলে উঠেছে, সেই বিদ্রোহগুলোর আরেকটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে সেগুলো ধারাবাহিকভাবে সংগঠিত হয়নি। এতদঞ্চলের লোকজন সর্বশেষ যে যুদ্ধটি করেছিলেন তা ছিলো চাপিয়ে দেয়া এবং সে যুদ্ধটিতে বঙ্গের অর্ধাংশ বাRead More


আশ্চর্য ভবিষ্যতবাণী —ভি আই লেনিন

ঈশ্বরের কৃপায় আজকাল আর কেউ দৈবরহস্যে বিশ্বাসী নয়। বিস্ময়কর দৈববাণী এখন রপকথার গল্প। কিন্তু বৈজ্ঞানিক ভবিষ্যদ্বাণী সত্য বটে। আর আজকাল যখন প্রায়ই লজ্জাকর হতাশা এবং এমন কি নৈরাশ্যও দেখা যায় তখন এমন একটি বৈজ্ঞানিক ভবিষ্যদ্বাণী স্মরণ করা যাক যা সত্য প্রমাণিত হয়েছে। ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস ১৮৮৭ সালে সিগিজমুন্ডে বর্কখেইম লিখিত ‘১৮০৬-১৮০৭ সালের জামার্ন শ্রেষ্ঠ দেশপ্রেমিকদের স্মরণে’ (‘Zur Erinnerung für die deutschen Mordspatrioten 1806-1807″) পুস্তিকার মুখবন্ধে  আসন্ন যুদ্ধ সম্পর্কে লিখেছিলেন। (এটা হল ১৮৮৮ সালে হটিঙ্গেন-জুরিখ থেকে ‘সোশ্যাল-ডেমোক্র্যাটিক লাইব্রেরি’ প্রকাশিত পুন্তিকা নং XXIV.) ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস ত্রিশ বছরের বেশি সময় আগে এভাবেই ভাবী বিশ্বযুদ্ধRead More


যুদ্ধ ও বিপ্লব — মাও সেতুং

মাও সেতুঙের শেষ জীবনের উদ্ধৃতি *** পুঁজিবাদ ও পুঁজিবাদি ব্যবস্থা হচ্ছে “অস্তগামি, যা শেষ নিশ্বাঃস নিচ্ছে এবং যা যে কোনো মূহুর্তে মারা যাবে।” অন্যদিকে কমিউনিজম ও কমিউনিস্ট সামাজিক ব্যবস্থা সমস্ত পৃথিবীতে ছড়িয়ে যাচ্ছে বিশাল ঢেউ ও বজ্রের মতো এবং এগুলো রয়েছে তাদের জীবনের চমৎকার সুচনায়। ওয়াং হুং ওয়েন কর্তৃক কেন্দ্রিয় শিক্ষা ক্লাসের রিপোর্টে উদ্ধৃত (১৯৭৪) *** এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, চিনে বা পৃথিবীর অন্যান্য দেশে শতকরা নব্বই ভাগের চেয়ে বেশি জনগণ শেষ পর্যন্ত মার্কসবাদ-লেনিনবাদকে সমর্থন করবেন। বর্তমান পৃথিবীতে এখনও বহু লোক আছেন যারা সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি, সংশোধনবাদী, সাম্রাজ্যবাদী ওRead More


পাবলো নেরুদা, তুমি আছো তাই, আমরা স্বপ্ন বুনে যাই

মহাকবি পাবলো নেরুদার (১২ জুলাই, ১৯০৪ – ২৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩) আত্মজীবনী ‘অনুস্মৃতি’ কিনেছিলাম ২০০০ সালের দিকে। ১৯৯৭ সালে তাঁকে চিনেছিলাম তার অমর নামে ও কবিতায়। ভবানীপ্রসাদ দত্তের করা অনুবাদে ‘অনুস্মৃতি’ পড়ে মুগ্ধ হয়েছিলাম জীবনের প্রতি। সেই জীবন শুধু নেরুদার জীবন নয়, আমার নিজের জীবনেরও অনেক আনন্দ মিশে গেছিল হাজারো জীবনের সাথে। অনুস্মৃতি পড়ে আরও ভালো লেগেছিল সমাজতন্ত্র ও স্তালিনকে। আমার জীবনটা ভেতর থেকে বদলে দিয়েছিলেন নেরুদা আর তাঁর ‘অনুস্মৃতি’। আমি নিশ্চিত নেরুদার জন্ম না হলে আমি অন্যরকম হতাম। এতো শ্রম দিয়ে প্রতিনিয়ত কাজ করছি নেরুদার দেয়া শক্তিতে। আমি যখন ঘুমিয়েRead More