Main Menu

নারী

 
 

নারী — মাও সেতুং

সভাপতি মাও সে-তুঙের উদ্ধৃতি ৩১. নারী *** চীনের পুরুষেরা সাধারণত তিন ধরনের ক্ষমতার ব্যবস্থার দ্বারা [রাজনৈতিক ক্ষমতা, গোষ্ঠীগত ক্ষমতা, ধর্মগত ক্ষমতা — সম্পাদকীয়] শাসিত… নারীদের পক্ষে উপরোক্ত এ তিন ধরনের ক্ষমতার দ্বারা শাসিত হওয়া ছাড়াও, তাঁরা পুরুষদের দ্বারা শাসিত (স্বামীত্বের ক্ষমতার দ্বারা)। এ চারটি ক্ষমতা রাজনৈতিক ক্ষমতা, গোষ্ঠীগত ক্ষমতা, ধর্মগত ক্ষমতা ও স্বামীত্বের ক্ষমতা সমস্ত সামন্ততান্ত্রিক পিতৃপ্রধান মতাদর্শ ও ব্যবস্থার প্রতিনিধিত্ব করছে, আর এগুলোই হচ্ছে চারটা মস্ত মোটা দড়ি, যা চীনা জনগণকে বিশেষ করে, কৃষকদের বেঁধে রেখেছে। কৃষকেরা গ্রামাঞ্চলে কেমন করে জমিদারদের রাজনৈতিক ক্ষমতা উচ্ছেদ করেছেন, তা উপরে বর্ণিত হয়েছে।Read More


নারীদের প্রশ্নে লেনিন — ক্লারা জেটকিন

১. কমরেড লেনিন প্রায়ই আমার সঙ্গে নারীদের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। অবশ্য কমিউনিজমের কথা বলতে গেলে নারীদের সামাজিক সমান অধিকার যে একটা প্রয়োজনীয় নীতি তা বলাই বাহুল্য। ১৯২০ সালের শরৎকালে ক্রেমলিনে লেনিনে পড়ার ঘরে বসেই সর্বপ্রথম আমাদের এই বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। লেনিন শুরু করলেন, — “সুস্পষ্ট মতবাদের ভিত্তিতে আমাদের একটি শক্তিশালী আন্তর্জাতিক নারী আন্দোলন গড়ে তুলতেই হবে। এ কথা স্পষ্ট যে, মার্কসীয় মতবাদ ছাড়া কোন সুষ্ঠু বাস্তব কাজ সম্ভব নয়। এই প্রশ্নের ওপর আমাদের কমিউনিস্টদের নীতি সম্পর্কে সবচেয়ে সুস্পষ্ট ধারণার প্রয়োজন। আমাদের নিজেদের এবং অন্য সমস্ত পার্টির মধ্যে পরিষ্কারRead More


লু স্যুনের গল্পের কয়েকটি চরিত্র

লু স্যুন (২৫ সেপ্টেম্বর ১৮৮১ – ১৯ অক্টোবর ১৯৩৬) ছিলেন  একজন ছোটগল্প লেখক, প্রাবন্ধিক, কবি, অনুবাদক, সামাজিক সমালোচক, একজন শিক্ষক এবং একজন বিপ্লবী। চীনা জনগণের বিপ্লবের সঙ্গে তাঁর সাহিত্য ও মতাদর্শ নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছে। লু স্যুনের সাহিত্য চীনের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং সমাজতান্ত্রিক চিন্তার প্রতিফলন। লু স্যুনের গল্পে ১৯১১ সালের বিপ্লবের আগে থেকে ১৯২৫ সাল পর্যন্ত চীনের যে বাস্তব পরিস্থিতি তাই তিনি তুলে ধরেছেন। ছিং রাজবংশ উৎখাত করে ১৯১২ সালে প্রতিষ্ঠা হয় প্রজাতন্ত্রী চীন। এর কয়েক বছর পড়ে ১৯১৯ সালে ৪ঠা মে শুরু হয় আন্দোলন। লু স্যুন মনে করেছিলেন রাজতন্ত্রের বিলোপRead More


কামিনী রায়ের কবিতা: ব্যর্থতা ও হতাশার ভেতর জীবনের জয়গান

কামিনী রায় (অক্টোবর ১২, ১৮৬৪ – সেপ্টেম্বর ২৭, ১৯৩৩) কবিতা লিখেছিলেন বাঙালির রাজনীতি সূচনা হওয়ার প্রথম বছরগুলোতে, যখন নারীরা ঘর হতে বেরই হতে পারেনি। বাঙালির বা ভারতের প্রথম অনার্স পাস নারী গ্রাজুয়েট তিনি। কামিনী রায় প্রচলিত শিক্ষা গ্রহণ করেই নিজেকে প্রচলিত পথে বিলীন করেননি; একটি অসাধ্য সাধনে তৎপর হয়েছিলেন, লিখতে শুরু করেছিলেন কবিতা যা তাঁকে বাঁচিয়ে রেখেছে আজও। তিনি জন্মেছিলেন বরিশাল জেলার বাসণ্ডা গ্রামে ১৮৬৪ সালের ১২ অক্টোবর। তিনি ছিলেন ঐতিহাসিক উপন্যাসিক চণ্ডিচরণ সেনের কন্যা। কর্মজীবনে বেথুন কলেজে অধ্যাপনা করেছেন। মারা গেছিলেন ১৯৩৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর।  কামিনী রায় কবিতা লেখারRead More


নারী পুরুষ ও শ্রমবিভাগ — জে. ভি. স্তালিন

ইতিহাসের শিক্ষা থেকেই আমরা জানতে পারি যে সমাজে যে শ্রেণি বা গোষ্ঠী উৎপাদনের ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা গ্রহণ করে, এবং উৎপাদনের প্রধান কাজগুলো করে থাকে, কালে কালে তাদেরই যে উৎপাদন ব্যবস্থার উপর আধিপত্য স্থাপিত হবে সে কথা অবশ্যম্ভাবী। মাতৃপ্রধান সমাজে এমন একটা সময় ছিলো যখন উৎপাদন ব্যবস্থার উপর নারীদেরই প্রাধান্য মেনে নেয়া হতো। তার কারণ কি? তার কারণ তখনকার দিনের আদিম যুগের কৃষি ব্যবস্থায় নারীরা উৎপাদনে মুখ্য ভূমিকা গ্রহণ করত। তারাই উৎপাদনের প্রধান কাজগুলি করত। আর পুরুষরা বনে-জংগলে শিকার করে বেড়াত। তারপর পিতৃপ্রধান সমাজে একটা সময় এলো যখন উৎপাদনের প্রধান কার্যভারRead More


সোভিয়েত প্রজাতন্ত্রে নারী শ্রমিক আন্দোলনের কর্তব্য — ভি আই লেনিন

কমরেডগণ, নারী শ্রমিক এই সম্মেলনকে অভিনন্দিত করতে পেরে আমি অতি আনন্দিত। প্রতিটি মেহনতি নারী এবং মেহনতি জনগণের প্রতিটি সচেতন সদস্য যে সব বিষয় ও প্রশ্নে স্বভাবতই আগ্রহী, তা নিয়ে আমি কিন্তু আলোচনা করব না। সে প্রশ্ন হলো সবচেয়ে জরুরি— এ প্রশ্ন হলো রুটি এবং আমাদের সামরিক পরিস্থিতির প্রশ্ন। কিন্তু আপনাদের সভার বিবরণ সংবাদপত্রে যা দেখেছি তাতে এই প্রশ্নগুলি বিশদভাবে আলোচনা করেছেন কমরেড ত্রতস্কি, তিনি সামরিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং কমরেড ইয়াকভলেভা ও সিভদের্স্কি, এরা আলোচনা করেছেন রুটির সমস্যা— তাই এসব প্রশ্ন আলোচনা থেকে আমি বিরত থাকার অনুমতি চাইছি। সোভিয়েতRead More