Main Menu

কর্মনীতি

 
 

রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি প্রসঙ্গে

গণতন্ত্র শুধু একটি শব্দ বা ধারণা বা পুস্তকের বুলি নয়, এই শব্দটি শুধু কল্পনায় বা ভাবনায় থাকার ব্যাপারও নয়, গণতন্ত্রকে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে হয়। বহু মানুষের দৈনন্দিন জীবনে গণতন্ত্রের চর্চা গণতন্ত্রকে বাস্তব ভিত্তি দেয় এবং গণতন্ত্র মানুষের জীবনে পাকাপোক্ত হয়ে ওঠে। মানুষ রাষ্ট্রিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিকভাবে যেসব আদর্শকে চর্চা করে সাফল্য পায় সেই আদর্শই সঠিকরূপে প্রমাণিত হয় এবং এ চর্চা বা অনুশীলন ক্রমাগত চালালে আদর্শটি বিকশিত হয়। গণতন্ত্র একটি বিকাশশীল আদর্শ এবং গণতন্ত্রকে বাঙালির জীবনে বিকশিত করতে হলে গণতন্ত্রের আরও অধিক গণভিত্তি প্রয়োজন। অন্য গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলো ও সেখানকার মানুষেরRead More


রুশ সোশ্যাল-ডেমোক্রাটিক শ্রমিক পার্টির খসড়া কর্মসূচি — ভি আই লেনিন

রুশ সোশ্যাল-ডেমোক্রাটিক শ্রমিক পার্টির খসড়া কর্মসূচি[১] (প্রবন্ধ থেকে) খ। (১৩) ভূমিদাস ব্যবস্থার এই সব জেরের মধ্যে সবচেয়ে প্রধান, এই বর্বরতার সবচেয়ে শক্তিশালী দুর্গ হলো জার স্বৈরতন্ত্র। এই হলো প্রলেতারীয় মুক্তি আন্দোলন ও জাতীয় সাংস্কৃতিক বিকাশের সবচেয়ে ক্রূর, সবচেয়ে বিপজ্জনক শত্রু। গ। সেইজন্য[২] রুশ সোশ্যাল-ডেমোক্রাটিক শ্রমিক পার্টির আশু, কর্তব্য হলো জার স্বৈরতন্ত্রের উচ্ছেদ ও তার পরিবর্তে গণতান্ত্রিক সংবিধানের ভিত্তিতে প্রজাতন্ত্র স্থাপন, যা নিশ্চিত করবে;   ১) জনগণের আত্মক্ষমতা, অর্থাৎ জনপ্রতিনিধিদের দ্বারা গঠিত বিধানপ্রণয়নী সভার হাতে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা প্রত্যর্পণ; ২) বিধানপ্রণয়নী সভা তথা আত্মশাসনের সমস্ত স্থানীয় সংস্থায় নির্বাচনের জন্য ২১ বছরRead More


অবকাশ যাপনে কমরেড লেনিন — জোসেফ স্তালিন

সংক্ষিপ্ত মন্তব্য আমার মনে হয়, “অবকাশ যাপনে কমরেড লেনিন” নিয়ে এখন লিখতে যাওয়াটা যথাযোগ্য হবে না, যখন অবকাশ-কাল শেষ হয়ে আসছে এবং শীঘ্রই কমরেড লেনিন কাজে ফিরে আসবেন। তাছাড়া, আমার অনুভূতিগুলো এত বেশি আর এত ভারি যে, ‘প্রাভদা’র সম্পাদকমণ্ডলী যেভাবে অনুরোধ করেছেন তেমনি একটি সংক্ষিপ্ত মন্তব্যে সেগুলো সম্পর্কে লেখাটা নিতান্ত সুবিধাজনক নয়। যাই হোক, আমাকে লিখতেই হচ্ছে, কারণ সম্পাদকমণ্ডলী এ ব্যাপারে নাছোড়বান্দার মতো লেগে আছেন। রণাঙ্গণে এমন সমস্ত ঝানু যোদ্ধাদের সাথে সাক্ষাতের সুযোগ আমার হয়েছিল যারা একটানা কয়েকদিন অব্যাহতভাবে লড়াই করার পর, নিদ্রা ও বিশ্রামবিহীন অবস্থায়, যুদ্ধের সম্মুখ সারি থেকেRead More


রাজনৈতিক দল কী ও কেন

কোনো শ্রেণি বা তার স্তরের সর্বাপেক্ষা সক্রিয় ও সংগঠিত অংশ হচ্ছে দল বা পার্টি বা রাজনৈতিক দল (ইংরেজিতে Political Party)। রাজনৈতিক দলগুলোর অস্তিত্ব জড়িত সমাজের শ্রেণিবিভক্তি ও এইসব শ্রেণির বহুবিভাগের সংগে, শ্রেণিসমূহের এবং তার অঙ্গদলগুলোর স্বার্থের পার্থক্যের সংগে। রাজনৈতিক দল হলো গুরুত্বপূর্ণ সেই হাতিয়ার যার সাহায্যে শ্রেণি তার স্বার্থের জন্য, ক্ষমতার জন্য সংগ্রাম করে। আধুনিক সমাজের শ্রেণিকাঠামো ভেদে পার্টিও বিভিন্ন ধরনের হতে পারে_বুর্জোয়া, প্রলেতারিয় বা শ্রমিক শ্রেণির, সামন্তবাদি, কৃষক, ক্ষুদে-বুর্জোয়া ও অন্যান্য। অরাজনৈতিক সামাজিক সংগঠনের সাথে রাজনৈতিক দলের পার্থক্য এখানেই যে, তা নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পরিচালিত হয় এবং ক্ষমতা দখলের প্রচেষ্টায়Read More


আমলাতন্ত্রের ঐতিহাসিক গণতন্ত্রবিরোধিতা ও তার প্রকৃতি

আমলাতন্ত্র শুরু থেকেই গণতন্ত্রের বিরোধী। আমলারা কখনোই গণতন্ত্র চায় না। আমলাতন্ত্র জনগণকে জিম্মি করে, জনগণকে শোষণ ও নির্যাতন করে, জনগণের সম্পদ কুক্ষিগত করে সুবিধাভোগী শ্রেণিতে পরিণত হয়। গরিব দেশগুলোর আমলারা জনগণকে পরাধীন করে রাখে, জনগণের শ্রমফল ভোগ করে, জনগণকে বিপদে ফেলে দুর্নীতি করে, দেশীয় সম্পদ বিদেশে পাচার করে। সাম্রাজ্যবাদ দ্বারা নিপীড়িত পশ্চাৎপদ গরিব দেশগুলোতে গণতন্ত্রের শত্রুদের ভেতরে ক্রিয়াশীল রয়েছে পুঁজিবাদ, মুৎসুদ্দি পুঁজিবাদ, সাম্রাজ্যবাদ, সামন্তবাদ ও অবশ্যই আমলাতন্ত্র। আর পশ্চাৎপদ গরিব দেশই হয় আমলানির্ভর। যে দেশ যত পিছিয়ে পড়া, সেদেশে আমলার সংখ্যা ও ক্ষমতা তত বেশি থাকে। যেখানে মানুষ যত অজ্ঞRead More


রাজনৈতিক দল গঠন প্রসঙ্গে

বাংলাদেশকে স্বাধীন সার্বভৌম শক্তিমান উন্নতিকামি সাম্যবাদ অভিমুখী নয়া গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে হলে রাজনৈতিক দল গঠনে সর্বোচ্চ মনোযোগ দিতে হবে। দল গঠন বলতে বোঝানো হচ্ছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে জনগণের দ্বারা পরিচালিত জনগণের জন্য জনগণের সংগঠন প্রতিষ্ঠা করা। শ্রেণিবিভক্ত সমাজে জনগণ থাকে বিভক্ত এবং তাদের স্বার্থকে বাস্তব রূপ দেবার জন্য প্রয়োজন পড়ে রাজনৈতিক সংগঠনের। জনগণের রাজনৈতিক সংগঠনটিকে অবশ্যই জনগণের পক্ষে রাখা চায় এবং সেজন্য রাজনৈতিক দল সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট ধারনা জনগণের থাকা দরকার। নতুবা জনগণের সংগঠন জনগণের উপরই জগদ্দল পাথর হিসেবে চেপে বসবে। রাজনীতি হচ্ছে শ্রেণিসমূহের মধ্যে সংগ্রাম এবং সেই সংগ্রামকে এগিয়ে নিতেRead More


গণতান্ত্রিক কেন্দ্রিকতাবাদ প্রসঙ্গে

গণতান্ত্রিক কেন্দ্রিকতাবাদ (ইংরেজি: Democratic centralism) বলতে লেনিনবাদী রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ কাঠামোগত নীতিসমূহকে উল্লেখ করা হয়। ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস তাঁর কর্তৃত্ব প্রসঙ্গে লেখায় কর্তৃত্বকে কেন্দ্রিকতাবাদ অর্থে ব্যাখ্যা করেছিলেন। এঙ্গেলসের মতে জটিল যন্ত্রপাতির বিকাশের সাথে সাথে কেন্দ্রিকতাবাদের প্রয়োজনীয়তা বেড়েছে। আমরাও দেখি যান্ত্রিক বিকাশের সাথে সাথে কারখানা বা গবেষণাগার বা সংগঠনে কেন্দ্রিকতাবাদের গুরুত্ব অপরিসীম। মাঝে মাঝে গণতান্ত্রিক কেন্দ্রিকতাবাদের দ্বারা আবার যে কোনো রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরে গৃহীত কোনো লেনিনপন্থী নীতিকেও একইভাবে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে। এই সাংগঠনিক পদ্ধতির গণতান্ত্রিক শব্দবন্ধটি দ্বারা বোঝানো হয় যে কোনো নীতি নির্ধারণের পূর্বে সকল দলীয় সদস্যের সে বিষয়ে আলোচনা, বিতর্কRead More