Main Menu

শ্রমিক

 
 

শ্রমিক, সৈনিক এবং কৃষকদের প্রতি — ভি আই লেনিন

শ্রমিক এবং সৈনিক প্রতিনিধিদের সোভিয়েতসমূহের দ্বিতীয় সারা রাশিয়ায় কংগ্রেসের কাজ আরম্ভ হয়েছে (১৩৩)। সোভিয়েতগুলির বিপুল সংখ্যাগুরু অংশের প্রতিনিধিরা রয়েছেন এই কংগ্রেসে। কৃষক সোভিয়েতগুলি থেকেও কিছু প্রতিনিধি উপস্থিত রয়েছেন। আপসপন্থী কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রাধিকার খতম। শ্রমিক, সৈনিক এবং কৃষকদের বিপুল সংখ্যাগুরু অংশের সংকল্পের সমর্থনপুষ্ট, পেত্রগ্রাদে শ্রমিকদের এবং গ্যারিসনের জয়যুক্ত অভ্যুত্থানের সমর্থনপুষ্ট এই কংগ্রেস ক্ষমতা নিল নিজ হাতে। সাময়িক সরকার উচ্ছেদ হয়েছে। সাময়িক সরকারের মন্ত্রীদের বেশির ভাগ গ্রেপ্তার হয়েছে ইতিমধ্যে। সমস্ত জাতির প্রতি অবিলম্ব গণতান্ত্রিক শান্তির প্রস্তাব এবং সমস্ত ফ্রন্টে অবিলম্ব যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব উত্থাপন করবে সোভিয়েত সরকার। ভূস্বামী, ক্রাউন এবং মঠগুলির ভূমিRead More


৫৬,০০০ বর্গমাইল

এক বাও মেলে না, দুই বাও মেলে না;   সত্য খুঁজে ফিরি আমি রাজপথে আহত শ্রমিক নদীর বহুল নিচে বাস করে সত্যের চকমকি রূপ; শ্রমমুক্তির ইশতেহার জানায় বহুমুখী কাজের হিসাব তালপাতার পুঁথি আর ই-বইয়ের কারুকাজ এঁকে চলে সবহারার ফুলবাগানে একঝাঁক কল্পগোলাপের তোড়া। এইপথে শ্রমিকের ক্রমমুক্তি হলে সুরমা-মেঘনা-যমুনার জলে বানাবো সাধ্যের সবটুকু শক্তি দিয়ে সত্যের সাহসী সাম্পান। ২৮ আগস্ট ২০১৩; চৌরঙ্গী মোড়, ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ। ভাস্কর্যটির বিষয়েঃ রোমানিয়ার বুখারেস্টে অবস্থিত সমাজতান্ত্রিক বাস্তববাদ নির্ভর আলেকজান্ডার পানুই নির্মিত একটি ভাস্কর্য। Anup Sadiঅনুপ সাদির প্রথম কবিতার বই পৃথিবীর রাষ্ট্রনীতি আর তোমাদের বংশবাতি প্রকাশিত হয় ২০০৪Read More


শ্রমিক শ্রেণীর রাজনৈতিক আন্দোলন প্রসঙ্গে — ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস

আন্তর্জাতিক শ্রমজীবী সমিতির লণ্ডন সম্মেলনে ১৮৭১ সালের ২১ সেপ্টেম্বর তারিখে প্রদত্ত বক্তৃতার সাংবাদিক-লিখিত শ্রুতিলিপি অনুসারে [১] রাজনৈতিক ক্রিয়াকলাপ বা আন্দোলন থেকে বিরত থাকা অসম্ভব। রাজনীতি-নিরপেক্ষ সংবাদপত্রও প্রতিদিন রাজনৈতিক ব্যাপারে যোগ দিয়ে থাকে। এক্ষেত্রে একমাত্র প্রশ্ন হলো, কীভাবে এবং কী ধরনের রাজনীতিতে যোগ দেয়া হচ্ছে। এছাড়া আমাদের পক্ষে রাজনীতি থেকে বিরত থাকা অসম্ভব। বর্তমানে অধিকাংশ দেশে বিপুল সংখ্যক শ্রমিক শ্রেণীর পার্টি রাজনৈতিক পার্টি হিসেবে কাজ করে চলেছে, আর রাজনীতি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে আমরা সেইসব পার্টির সর্বনাশ সাধনে প্রস্তুতু নই। জীবন্ত অভিজ্ঞতা, বর্তমান গভর্নমেন্টগুলির রাজনৈতিক উৎপীড়ন শ্রমিকদের বাধ্য করে রাজনীতিRead More


আর্ট

আমি হাত দেখতে জানি, আমি দেরি করে আসার পার্থিব কারণ জানি না শুধু জানি, তুমি ঘন চুলের মতো গাঢ় আকাশের খুব পাশে আঁকো এক লোহিত সূর্য, ওখানে মেয়েরা মেঘ হয়ে পাখিদের খুব কাছে ভালোবাসার স্রোতে বেঁচে আছে। মাঝে মাঝে ভালো লাগে তোমার অনাদরের ডাক, সত্যজিতের সিনেমা খুঁজতে গিয়ে দেখেছি তোমার সজীব চোখে ঘুঙুর পরা বাঙলার ছোট ছোট নদীরা ভাসছে সবুজ কুয়াশায়; মুঠোফোনে জানাতে পারিনি তুমি অবিভাজ্য, এবং আমার কাম্য রক্তমাখা শীর্তাত আগুন তুমি, অন্ধকারে তুমি সুপ্ত শাড়ির চন্দন গোলাপ, কেউ তোমাকে নিয়ে লাল-নীল কবিতা লেখেনি, অথচ তুমি কাব্যকালের গনগনে আলোয়Read More


শ্রমিক ও যন্ত্রের বিরোধ এবং লুডবাদী আন্দোলন

ইউরোপের শিল্প বিপ্লবের ফলে একদিকে পুরোনো হস্তশিল্প ও কুটিরশিল্প ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় আর অন্যদিকে শহরে শহরে যন্ত্রভিত্তিক শিল্পকারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়।  শিল্প বিপ্লবের শুরুর দিকে পুঁজিবাদের নানা ক্ষতিকর অনুষঙ্গের আবির্ভাবের কারণে নতুনতর যন্ত্রপাতির নিয়োগ, অবাধ প্রতিযোগিতা, অতি উৎপাদন, মন্দা, ছাঁটাই ইত্যাদি ঘটতে থাকে এবং কর্মহীন বেকার মানুষ বাড়তে থাকে। সচেতন, রাজনৈতিক জ্ঞানসমৃদ্ধ শ্রমিকশ্রেণি পরিচালিত শ্রেণিসংগ্রাম সংগঠিত হবার পূর্বে এসব বেকার ও কর্মচ্যুত মানুষের মধ্যে এরূপ মনোভাবের উদয় হয়েছিল যে তারা বুঝেছিল তাদের এই দুরবস্থার জন্য যন্ত্র এবং কারখানাই দোষী। অষ্টাদশ শতকে একদল শ্রমিক এরূপ চিন্তা থেকে কারখানার যন্ত্রপাতি ধ্বংস করার নীতি গ্রহণRead More


দ্বৈত ক্ষমতা — ভি আই লেনিন

প্রত্যেকটি বিপ্লবেরই মূল প্রশ্ন হলো রাষ্ট্রক্ষমতার প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি উপলব্ধ না হলে বিপ্লবে সজ্ঞান অংশগ্রহণ সম্ভবপর হতে পারে না, বিপ্লব পরিচালনার তো কথাই ওঠে না। আমাদের বিপ্লব সৃষ্টি করেছে দ্বৈত ক্ষমতা, এই হলো তার খুবই লক্ষণীয় বৈশিষ্ট্য। এই ঘটনাটিকে সর্বাগ্রে উপলব্ধি করতে হবে: এটা না বুঝলে আমরা এগোতে পারি না। আমাদের জানতে হবেই কী করে সম্পূরণ আর সংশোধন করতে হয় সাবেক “সূত্ৰগুলিকে”, যেমন বলশেভিকবাদের “সূত্ৰকে”, কেননা মোটের উপর সঠিক দেখা গেলেও সেগুলির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন পৃথক প্রতিপন্ন হয়েছে। দ্বৈত ক্ষমতার কথা আগে কেউ ভাবে নি, ভাবতে পারতও না । এই দ্বৈতRead More


আশ্চর্য ভবিষ্যতবাণী —ভি আই লেনিন

ঈশ্বরের কৃপায় আজকাল আর কেউ দৈবরহস্যে বিশ্বাসী নয়। বিস্ময়কর দৈববাণী এখন রপকথার গল্প। কিন্তু বৈজ্ঞানিক ভবিষ্যদ্বাণী সত্য বটে। আর আজকাল যখন প্রায়ই লজ্জাকর হতাশা এবং এমন কি নৈরাশ্যও দেখা যায় তখন এমন একটি বৈজ্ঞানিক ভবিষ্যদ্বাণী স্মরণ করা যাক যা সত্য প্রমাণিত হয়েছে। ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস ১৮৮৭ সালে সিগিজমুন্ডে বর্কখেইম লিখিত ‘১৮০৬-১৮০৭ সালের জামার্ন শ্রেষ্ঠ দেশপ্রেমিকদের স্মরণে’ (‘Zur Erinnerung für die deutschen Mordspatrioten 1806-1807″) পুস্তিকার মুখবন্ধে  আসন্ন যুদ্ধ সম্পর্কে লিখেছিলেন। (এটা হল ১৮৮৮ সালে হটিঙ্গেন-জুরিখ থেকে ‘সোশ্যাল-ডেমোক্র্যাটিক লাইব্রেরি’ প্রকাশিত পুন্তিকা নং XXIV.) ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস ত্রিশ বছরের বেশি সময় আগে এভাবেই ভাবী বিশ্বযুদ্ধRead More


প্রলেতারিয়েতগণ অষ্টাদশ শতক পরবর্তীকালের শ্রমশক্তি বিক্রিকারী শ্রমিক শ্রেণি

প্রলেতারিয়েত (ইংরেজিতে Proletariat) হচ্ছে পুঁজিবাদী সমাজের অন্যতম প্রধান শ্রেণি। প্রলেতারিয়েত হচ্ছে উৎপাদনের উপায় থেকে বঞ্চিত মজুরি শ্রমিকের শ্রেণি, যারা নিজ শ্রমশক্তি বিক্রয় করে জীবনধারণ করে এবং বুর্জোয়াদের দ্বারা শোষিত হয় সাম্যবাদী ও শ্রমিক শ্রেণির পার্টির নেতৃত্বে সামাজিক প্রগতি ও শান্তির লক্ষ্যে প্রলেতারিয়েত পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে সকল নিপীড়িত ও শোষিত জনগণের সংগ্রাম পরিচালনা করে।[১] প্রলেতারিয়েত বা প্রলেতারিয়ানদের শ্রেণিকে ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস বলেছেন উনিশ শতকের শ্রমিক শ্রেণি এবং সাম্যবাদকে বলেছেন প্রলেতারিয়েতের মুক্তির পদ্ধতি সংক্রান্ত মতবাদ। তিনি তাঁর ‘কমিউনিজমের নীতিমালা’ নামক লেখায় এ সম্পর্কে ১০টি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। প্রলেতারিয়েত কী প্রশ্নের উত্তরে তিনি লিখেছেন, “প্রলেতারিয়েতRead More


লেনিনবাদী দৃষ্টিতে সংস্কৃতি ও সাংস্কৃতিক বিপ্লব

মানুষেরই শুধু সংস্কৃতি আছে যা অন্য প্রাণীর নেই; আর এই সংস্কৃতিই তার জীবনকে উন্নত করে। মানুষের ইতিহাস অন্য প্রাণী থেকে পৃথক হয়েছে তার সংস্কৃতির কারণে। সংস্কৃতির শক্তিতে মানুষ বেঁচে থাকে, সংস্কৃতির সাহায্যে সে প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে, প্রকৃতিকে কাজে লাগায়, পরিবেশকে উন্নত করে। সংস্কৃতি মানুষের জীবন, পরিবেশ, কর্ম, উদ্দেশ্য ও বেঁচে থাকার প্রক্রিয়াকে উন্নত, সুন্দর, রুচিশীল, সত্যপরায়ণ, ন্যায়বোধসম্পন্ন ও আধুনিক করে। সংস্কৃতির সাহায্যে মানুষ অতীতের অন্যায়কে বর্জন করবার ধারণা পায়, নতুন ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে, নতুন মূল্যবোধ তৈরি করে, কর্মপদ্ধতিতে নৈপুণ্য অর্জন করে, অর্থাৎ মানুষের শিল্প-সাহিত্য, দর্শন, বিজ্ঞান, রাজনীতি, সমাজ ইত্যাদিরRead More


পাবলো নেরুদা, তুমি আছো তাই, আমরা স্বপ্ন বুনে যাই

মহাকবি পাবলো নেরুদার (১২ জুলাই, ১৯০৪ – ২৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩) আত্মজীবনী ‘অনুস্মৃতি’ কিনেছিলাম ২০০০ সালের দিকে। ১৯৯৭ সালে তাঁকে চিনেছিলাম তার অমর নামে ও কবিতায়। ভবানীপ্রসাদ দত্তের করা অনুবাদে ‘অনুস্মৃতি’ পড়ে মুগ্ধ হয়েছিলাম জীবনের প্রতি। সেই জীবন শুধু নেরুদার জীবন নয়, আমার নিজের জীবনেরও অনেক আনন্দ মিশে গেছিল হাজারো জীবনের সাথে। অনুস্মৃতি পড়ে আরও ভালো লেগেছিল সমাজতন্ত্র ও স্তালিনকে। আমার জীবনটা ভেতর থেকে বদলে দিয়েছিলেন নেরুদা আর তাঁর ‘অনুস্মৃতি’। আমি নিশ্চিত নেরুদার জন্ম না হলে আমি অন্যরকম হতাম। এতো শ্রম দিয়ে প্রতিনিয়ত কাজ করছি নেরুদার দেয়া শক্তিতে। আমি যখন ঘুমিয়েRead More