You are here
Home > Posts tagged "শ্রমিক"

শ্রমিক, সৈনিক এবং কৃষকদের প্রতি — ভি আই লেনিন

শ্রমিক এবং সৈনিক প্রতিনিধিদের সোভিয়েতসমূহের দ্বিতীয় সারা রাশিয়ায় কংগ্রেসের কাজ আরম্ভ হয়েছে (১৩৩)। সোভিয়েতগুলির বিপুল সংখ্যাগুরু অংশের প্রতিনিধিরা রয়েছেন এই কংগ্রেসে। কৃষক সোভিয়েতগুলি থেকেও কিছু প্রতিনিধি উপস্থিত রয়েছেন। আপসপন্থী কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রাধিকার খতম। শ্রমিক, সৈনিক এবং কৃষকদের বিপুল সংখ্যাগুরু অংশের সংকল্পের সমর্থনপুষ্ট, পেত্রগ্রাদে শ্রমিকদের এবং গ্যারিসনের জয়যুক্ত অভ্যুত্থানের সমর্থনপুষ্ট

৫৬,০০০ বর্গমাইল

এক বাও মেলে না, দুই বাও মেলে না;   সত্য খুঁজে ফিরি আমি রাজপথে আহত শ্রমিক নদীর বহুল নিচে বাস করে সত্যের চকমকি রূপ; শ্রমমুক্তির ইশতেহার জানায় বহুমুখী কাজের হিসাব তালপাতার পুঁথি আর ই-বইয়ের কারুকাজ এঁকে চলে সবহারার ফুলবাগানে একঝাঁক কল্পগোলাপের তোড়া। এইপথে শ্রমিকের ক্রমমুক্তি হলে সুরমা-মেঘনা-যমুনার

শ্রমিক শ্রেণীর রাজনৈতিক আন্দোলন প্রসঙ্গে — ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস

আন্তর্জাতিক শ্রমজীবী সমিতির লণ্ডন সম্মেলনে ১৮৭১ সালের ২১ সেপ্টেম্বর তারিখে প্রদত্ত বক্তৃতার সাংবাদিক-লিখিত শ্রুতিলিপি অনুসারে [১] রাজনৈতিক ক্রিয়াকলাপ বা আন্দোলন থেকে বিরত থাকা অসম্ভব। রাজনীতি-নিরপেক্ষ সংবাদপত্রও প্রতিদিন রাজনৈতিক ব্যাপারে যোগ দিয়ে থাকে। এক্ষেত্রে একমাত্র প্রশ্ন হলো, কীভাবে এবং কী ধরনের রাজনীতিতে যোগ দেয়া হচ্ছে। এছাড়া আমাদের পক্ষে রাজনীতি থেকে বিরত থাকা

আর্ট

আমি হাত দেখতে জানি, আমি দেরি করে আসার পার্থিব কারণ জানি না শুধু জানি, তুমি ঘন চুলের মতো গাঢ় আকাশের খুব পাশে আঁকো এক লোহিত সূর্য, ওখানে মেয়েরা মেঘ হয়ে পাখিদের খুব কাছে ভালোবাসার স্রোতে বেঁচে আছে। মাঝে মাঝে ভালো লাগে তোমার অনাদরের ডাক, সত্যজিতের সিনেমা খুঁজতে গিয়ে দেখেছি তোমার সজীব চোখে ঘুঙুর পরা বাঙলার

শ্রমিক ও যন্ত্রের বিরোধ এবং লুডবাদী আন্দোলন

ইউরোপের শিল্প বিপ্লবের ফলে একদিকে পুরোনো হস্তশিল্প ও কুটিরশিল্প ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় আর অন্যদিকে শহরে শহরে যন্ত্রভিত্তিক শিল্পকারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়।  শিল্প বিপ্লবের শুরুর দিকে পুঁজিবাদের নানা ক্ষতিকর অনুষঙ্গের আবির্ভাবের কারণে নতুনতর যন্ত্রপাতির নিয়োগ, অবাধ প্রতিযোগিতা, অতি উৎপাদন, মন্দা, ছাঁটাই ইত্যাদি ঘটতে থাকে এবং কর্মহীন বেকার মানুষ বাড়তে থাকে। সচেতন, রাজনৈতিক জ্ঞানসমৃদ্ধ

দ্বৈত ক্ষমতা — ভি আই লেনিন

প্রত্যেকটি বিপ্লবেরই মূল প্রশ্ন হলো রাষ্ট্রক্ষমতার প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি উপলব্ধ না হলে বিপ্লবে সজ্ঞান অংশগ্রহণ সম্ভবপর হতে পারে না, বিপ্লব পরিচালনার তো কথাই ওঠে না। আমাদের বিপ্লব সৃষ্টি করেছে দ্বৈত ক্ষমতা, এই হলো তার খুবই লক্ষণীয় বৈশিষ্ট্য। এই ঘটনাটিকে সর্বাগ্রে উপলব্ধি করতে হবে: এটা না বুঝলে আমরা এগোতে পারি না।

আশ্চর্য ভবিষ্যতবাণী —ভি আই লেনিন

ঈশ্বরের কৃপায় আজকাল আর কেউ দৈবরহস্যে বিশ্বাসী নয়। বিস্ময়কর দৈববাণী এখন রপকথার গল্প। কিন্তু বৈজ্ঞানিক ভবিষ্যদ্বাণী সত্য বটে। আর আজকাল যখন প্রায়ই লজ্জাকর হতাশা এবং এমন কি নৈরাশ্যও দেখা যায় তখন এমন একটি বৈজ্ঞানিক ভবিষ্যদ্বাণী স্মরণ করা যাক যা সত্য প্রমাণিত হয়েছে। ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস ১৮৮৭ সালে সিগিজমুন্ডে বর্কখেইম লিখিত ‘১৮০৬-১৮০৭ সালের

প্রলেতারিয়েতগণ অষ্টাদশ শতক পরবর্তীকালের শ্রমশক্তি বিক্রিকারী শ্রমিক শ্রেণি

প্রলেতারিয়েত (ইংরেজিতে Proletariat) হচ্ছে পুঁজিবাদী সমাজের অন্যতম প্রধান শ্রেণি। প্রলেতারিয়েত হচ্ছে উৎপাদনের উপায় থেকে বঞ্চিত মজুরি শ্রমিকের শ্রেণি, যারা নিজ শ্রমশক্তি বিক্রয় করে জীবনধারণ করে এবং বুর্জোয়াদের দ্বারা শোষিত হয় সাম্যবাদী ও শ্রমিক শ্রেণির পার্টির নেতৃত্বে সামাজিক প্রগতি ও শান্তির লক্ষ্যে প্রলেতারিয়েত পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে সকল নিপীড়িত ও শোষিত জনগণের সংগ্রাম

বাংলাভাগে যন্ত্রণাবিদ্ধ মহান চলচ্চিত্রকার ঋত্বিক ঘটক

ঋত্বিক ঘটক (৪ নভেম্বর, ১৯২৫ - ৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৬) বাংলা চলচ্চিত্রের মহান পরিচালক। তিনি সর্বাপেক্ষা দগ্ধ ছিলেন বাংলা ভাগের যন্ত্রণায়। আর ঋত্বিকের অবগাহন যে নদীটিতে তার নাম বাংলা দেশ। এই নদী বয়ে গেছে দেশভাগ, দেশত্যাগ, নির্বাসন, ছিন্নমূলতা, যুদ্ধ, শ্রেণিসংগ্রাম ইত্যাদির ভেতর দিয়ে। এই নদী ছিল সৃষ্টি, নির্মাণ, প্রলয় আর ধ্বংসের

লেনিনবাদী দৃষ্টিতে সংস্কৃতি ও সাংস্কৃতিক বিপ্লব

মানুষেরই শুধু সংস্কৃতি আছে যা অন্য প্রাণীর নেই; আর এই সংস্কৃতিই তার জীবনকে উন্নত করে। মানুষের ইতিহাস অন্য প্রাণী থেকে পৃথক হয়েছে তার সংস্কৃতির কারণে। সংস্কৃতির শক্তিতে মানুষ বেঁচে থাকে, সংস্কৃতির সাহায্যে সে প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে, প্রকৃতিকে কাজে লাগায়, পরিবেশকে উন্নত করে। সংস্কৃতি মানুষের জীবন, পরিবেশ, কর্ম, উদ্দেশ্য ও

Top