ডিকামালী গাছ-এর ভেষজ গুণাগুণের বিবরণ

ডিকামালী গাছ-এর প্রধানভাবে কাজ করে মনোবহ স্রোতে এবং কোষ্ঠে। নাড়ীহিঙ্গুর ব্যবহার বাংলার আয়ুর্বেদ চিকিৎসকবৃন্দ করেনই না বলা যেতে পারে। তবে মধ্য ও পশ্চিম ভারতের অনেক চিকিৎসক এটির ব্যবহার করে থাকেন।আরো পড়ুন

ডিকামালী শোভাবর্ধনকারী ও ভেষজ গুণসম্পন্ন গুল্ম

মাঝারি ধরনের ঝোপঝাড়যুক্ত গাছ। এটি বিশেষতঃ মধ্য ও দক্ষিণ ভারতের পার্বত্য অঞ্চলে পাওয়া যায়। এছাড়া দক্ষিণ মহারাষ্ট্র, উত্তর কন্নড়তেও জন্মে। এই প্রজাতিটি ছাড়া অন্য একটি প্রজাতি (G. lucida) পাওয়া যায়। এই দুটি গাছের আঠা বা নির্যাসই ডিকামালী নামে খ্যাত এবং ঔষধার্থে ব্যবহৃত হয়। আরো পড়ুন

মাদলা বা ঘোড়াকরঞ্জ-এ আছে ভেষজ গুণাগুণ

মাদলা বা ঘোড়াকরঞ্জ গাছের ছাল অতিসার, আমাশা, শ্বাস, জীর্ণ ফুসফুস নলিকাপ্রদাহ প্রভৃতিতে ব্যবহার্য। ছাল ও পাতা বলকর, প্রসবান্তিক দুর্বলতানাশক। গাছের আঠা চুর্ণ অল্প মাত্রায় ব্যবহার করলে আমাশা (প্রবাহিকা) ও ফুসফুসনলিকা প্রদাহে (ব্রঙ্কাইটিসে) সুফল পাওয়া যায়। এটি প্রধানভাবে কাজ করে রসবহ স্রোতে। মাদলা বা ঘোড়াকরঞ্জ-এর পরিচিতি বৃহদাকৃতি গাছ। ৬০-৮০ ফুট পর্যন্ত উঁচু হতে দেখা যায়। কাণ্ড … Read more

ঘোড়ানিম বা মহানিম-এর নানাবিধ গুণের বিবরণ

ঘোড়া নিম বা মহানিম (Melia azedarach) প্রধানভাবে কাজ করে রসবহ ও রক্তবহ স্রোতে। ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ পত্র, ত্বক, মূল, পুষ্প, ফল ও বীজের তৈল। আরো পড়ুন

পুষ্কর মূল গুল্মের সাতটি ভেষজ গুণাগুণ

এর মূল গবাদি পশুর পক্ষে উৎকৃষ্ট বলকর ও পেটের রোগনাশক। মূল সামান্য তেল ও বলকর, ঘর্মস্রাবকারক, প্রস্রাবকারক, কফনিঃসারক, গভাশয় সংকোচক, ঋতুস্রাবকারক, বেদনাহর ও ব্রণনিবারক। এটি শ্বাস, কাস, শোথ, ফুসফুসাবরণ শোথ, জ্বর, আমবাত, মস্তিষ্কদৌর্বল্য, অগ্নিমান্দ্য প্রভৃতিতে ব্যবহৃত হয়।আরো পড়ুন

পদ্মকাঠ গাছ-এর সাতটি ভেষজ প্রয়োগ

পদ্মকাঠ গাছের কাঠ শীতল, তিক্ত পুষ্টিকর, রক্তস্তম্ভক, ছর্দি নিগ্রহণ, স্তম্ভন, বেদনাস্থাপক, বর্ণকারক, গর্ভস্থৈর্যকর ও জ্বরঘ্ন। পদ্মকাষ্ঠের কাঠে ও ছালে হাইড্রোসাইনিক এসিড আছে। এটি অত্যন্ত বিষাক্ত। অল্প মাত্রায় ঔষধের কাজ করে, বেশি মাত্রায় খেলে শারীরিক ক্ষতি হয়।

পদ্মকাঠ পাহাড়িঞ্চলে জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ

পদ্মকাঠ-কে বাংলায় পদ্মকাঠ বা পদ্মকাষ্ঠ বলা হয়। সংস্কৃত নাম পদ্মক। হিন্দী ভাষাভাষী অঞ্চলে এর নাম পদ্মাখ, পদুম কাঠ। বোটানিক্যাল নাম Prunus cerasoides D. Don., পূর্বে এটির নাম ছিল Prunus puddum Roxb. ex wall.; ফ্যামিলী Rosaceae. ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ: কাঠ। মাত্রা-কাষ্ঠচুর্ণ ৫০০ মিলি গ্রাম থেকে ২ গ্রাম পর্যন্ত।আরো পড়ুন

মাশরুম-এর প্রকারভেদ ও বিবিধ উপকারিতা

বাংলায় আমরা ছাতা, ব্যাঙের ছাতা, ভূঁইছাতা, কোড়ক ছাতা, ছত্রাক, পলছত্রাক, ভূঁইছাতি, ছাতকুড় প্রভৃতি নামে চিনি; হিন্দীতে এটিকে ছাতা, ভূঁইছত্তা, ভূঁইফোড়ছত্তা, ছতোনা, সাপের ছাতা, খুমী, ধরতীফুল প্রভৃতি বলে।আরো পড়ুন

ভুঁইছাতা-এর চারটি উপকারিতা

ভুঁইছাতা তাজা বা শুকনো উভয়ভাবে খাওয়া যায়। ছোট টুকরো টুকরো করে ধুয়ে শুকিয়ে সংরক্ষণ করতে হবে। পূর্বলিখিত প্রক্রিয়ায় তাকে প্রস্তুত করে সেটিকে সামান্য বাদাম বা সরষের তেলে অল্প ভেজে নিতে হবে, অথচ যেন সুসিদ্ধ হয়। এই ভাজা ছাতুই ঔষধার্থে ব্যবহার্য। আরো পড়ুন

বীরতরু বৃক্ষের পাঁচটি ভেষজ গুণাগুণের বর্ণনা

এটি প্রধানভাবে কাজ করে রসবহ স্রোতে। গাছের কচি পাতার রস চোখের রোগ সারাতে ব্যবহৃত হয়। মূল সংকোচক এবং আমবাত, মূত্রাশ্মরী ও বৃক্ক রোগে ব্যবহার্য। সন্ধিবাত এবং শোথে মূলের প্রলেপ আরামদায়ক। এর মূল কফনাশক ও তৃষ্ণাহর; মূত্রাঘাত, অশ্মরী, যোনিরোগ, মূত্ররোগ, বাতবিকার, সন্ধিশূল ও মূত্রকৃচ্ছতা নাশক এবং অগ্নিদ্দীপক।আরো পড়ুন

error: Content is protected !!