গঙ্গা তরুণাস্থি কাছিম বাংলাদেশের মহাবিপন্ন কাছিম

বৈজ্ঞানিক নাম: Nilssonia gangetica;

সমনাম: Trionyx gangeticus Cuvier, 1825; Trionyx javanicus Gray, 1831; Testudo gotaghol Buchanan-Hamilton, 1831; Aspidonectes gangeticus Wagler, 1833; Gymnopus duvaucelii Duméril & Bibron, 1835; Tyrse gangetica Gray, 1844; Trionyx gangetiga Gray, 1873; Isola gangetica Baur, 1893; Aspideretes gangeticus Hay, 1904; Trionyx gangeticus mahanaddicus Annandale, 1912; Gymnopus duvaucelli Smith, 1931; Amyda gangetica Mertens, Müller & Rust, 1934; Trionix gangeticus Richard, 1999

বাংলা নাম: গঙ্গা তরুণাস্থি কাছিম বা খালুয়া কাছিম বা গঙ্গা কাছিম  

ইংরেজি নাম: Indian softshell turtle

জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস

শ্রেণী: Reptilia

বর্গ: Testudines

পরিবার: Trionychidae

গণ: Nilssonia

প্রজাতি: Nilssonia gangetica (Cuvier, 1825)

ভূমিকা: বাংলাদেশের কচ্ছপের তালিকায় মোট ২৯ প্রজাতির কচ্ছপ, কাইট্টা ও কাছিম আছে। এদের মধ্যে আমাদের আলোচ্য গঙ্গা তরুণাস্থি কাছিম বা খালুয়া কাছিম বা গঙ্গা কাছিম হচ্ছে একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং সংকটাপন্ন প্রজাতি।

বর্ণনা: গঙ্গা তরুণাস্থি কাছিমের কৃত্তিকাবর্মের দৈর্ঘ্য ৯৪ সেমি পর্যন্ত হতে পারে।

স্বভাব ও আবাসস্থল: গঙ্গা তরুণাস্থি কাছিম পুকুর, নদী, নালাতে বাস করে; তবে এরা দেহের অর্ধেক অংশ বালু বা কাদার মধ্যে ঢুকান অবস্থায় বাস করতে পছন্দ করে। এরা লম্বা গ্রিবার মাধ্যমে দ্রুত শিকার ধরতে পারে।

বিস্তৃতি: গঙ্গা তরুণাস্থি কাছিম প্রজাতির বিস্তৃতি বাংলাদেশে খুব কম। বর্তমানে কেবল পদ্মা নদীতে দেখা যায়। এছাড়াও এটি ভারত, আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানে পাওয়া যায়।

অবস্থা: বিশ্বব্যাপী এই প্রজাতির কাছিম সংকটগ্রস্ত নয়। প্রকৃতি সংরক্ষণ বিষয়ে কাজ করা সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচারের (আইইউসিএন) বিপন্ন প্রাণীর তালিকায় এর নাম নেই। বাংলাদেশের ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনানুসারে রক্ষিত বন্যপ্রাণীর তালিকায় তফসিল-১ অনুযায়ী এ প্রজাতি সংরক্ষিত।

বাস্তুতান্ত্রিক ভূমিকা: গঙ্গা তরুণাস্থি কাছিম পানিতে অক্সিজেনের সমতা রক্ষার কাজ করে।

Leave a Comment

error: Content is protected !!